ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের শাস্তি হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী


নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের শাস্তি হবে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত একটি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসে জড়িতদের শনাক্ত করে তাদের জন্য দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানান।

ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। মন্ত্রণালয়ের অথবা বাইরের যে কেউ জড়িত থাকুক, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তবে প্রশ্ন ফাঁসের কারণে হঠাৎ করে পরীক্ষাটি বাতিল হওয়ায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পরীক্ষার্থীদের কাছে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

সংবাদ সম্মেলনে প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখার জন্য দেশের ১৫ জন তরুণকে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড ২০২৬’ প্রদান করা হবে এবং নিবন্ধিত ৪৩২টি যুব সংগঠনকে আর্থিক অনুদান প্রদান করা হবে। আগামী শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার ও অনুদানের চেক তুলে দেবেন।

আত্মকর্মসংস্থান, ক্রীড়া, সমাজসেবা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, নারী ও শিশু উন্নয়ন, শিক্ষা, পরিবেশ ও জলবায়ু এবং কলা ও সংস্কৃতি এই ৮টি ক্যাটাগরিতে নির্বাচিত ১৫ তরুণকে ‘ইয়ুথ ভলান্টিয়ার অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হবে। প্রতিটি পদকের সঙ্গে এক লাখ টাকা, সম্মাননা ক্রেস্ট এবং সনদপত্র দেওয়া হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাদ্যে অনিয়ম রোধে ৮ মাসে ৭৪৪ অভিযান, জরিমানা ৩ কোটি টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২১ পি.এম


খাদ্যে অনিয়ম রোধে ৮ মাসে ৭৪৪ অভিযান, জরিমানা ৩ কোটি টাকা

জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা ও নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ) দেশজুড়ে আইন প্রয়োগ, মোবাইল কোর্ট, খাদ্যস্থাপনা মনিটরিং এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমকে জোরদার করেছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত, বিএফএসএ পরিচালিত মোবাইল কোর্ট ও অভিযানে মোট ২ কোটি ৮৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা এবং ৭টি কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। এই সময়কালে মোট ৭৪৪টি মোবাইল কোর্ট ও অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে কর্তৃপক্ষের হিসাব।

বিএফএসএ’র মাসভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, বছরের শুরু থেকেই নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম অব্যাহত ছিল। ফেব্রুয়ারিতে প্রধান কার্যালয়ের উদ্যোগে ৮টি মোবাইল কোর্ট ও অভিযানে ৬ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

মার্চ মাসে প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে ৬টি অভিযানে ৪ লাখ টাকা এবং জেলা ও মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের মাধ্যমে ৭৭টি অভিযানে ৩৬ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়, যেখানে একজনকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়।

এপ্রিল মাসে প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে ১৩টি অভিযানে ৩ লাখ টাকা এবং জেলা ও মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের মাধ্যমে ৭৬টি অভিযানে ৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

মে মাসে প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে ১১টি অভিযানে ৬ লাখ টাকা এবং জেলা ও মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের মাধ্যমে ৭৪টি অভিযানে ১৬ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়, যেখানে তিনজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জুন মাসে প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে ১২টি অভিযানে ৪ লাখ টাকা এবং জেলা ও মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের মাধ্যমে ৭২টি অভিযানে ১৫ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়, যেখানে একজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

জুলাই মাসে প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে ১৫টি অভিযানে ৬ লাখ টাকা এবং জেলা ও মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের মাধ্যমে ১০৪টি অভিযানে ৪২ লাখ ২৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এ মাসে একজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

আগস্টে অভিযানের পরিধি আরও বৃদ্ধি পায়। এ মাসে প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে ২৫টি অভিযানে ১০ লাখ টাকা এবং জেলা ও মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের মাধ্যমে ১৭২টি অভিযানে ৭৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

সেপ্টেম্বরে প্রধান কার্যালয়ের মাধ্যমে ২৩টি অভিযানে ১২ লাখ টাকা এবং জেলা ও মেট্রোপলিটন কার্যালয়ের মাধ্যমে ৫৬টি অভিযানে ৩৯ লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। একই সময়ে একজনের কারাদণ্ডের তথ্যও রয়েছে।

রাজধানীর বিভিন্ন খাদ্য প্রতিষ্ঠানে অনিবন্ধিতভাবে ব্যবসা পরিচালনা, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে খাবার তৈরি, লেবেলবিহীন মাছ-মাংস ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী সংরক্ষণ, এবং খাদ্যকর্মীদের স্বাস্থ্যসনদ ও পেস্ট কন্ট্রোলের প্রমাণক না থাকার মতো অনিয়ম চিহ্নিত করা হয়েছে।

ঢাকার বাইরে বিভিন্ন জেলায় পরিচালিত অভিযানে পায়ে মাড়িয়ে চানাচুর তৈরি, পোড়াতেল ব্যবহার, অননুমোদিত রাসায়নিক রং ব্যবহার, উৎপাদনস্থলে তেলাপোকা ও ছারপোকার উপস্থিতি, অনুমোদনহীন ঘি ব্যবহার, এবং নোংরা ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে খাদ্য উৎপাদনের মতো অনিয়মও ধরা পড়েছে। এসব ঘটনায় জরিমানা ও মামলা করা হয়েছে।

বিএফএসএ’র সদস্য (আইন ও নীতি) মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানান, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে চলমান কার্যক্রম আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে। জেলা পর্যায় থেকে দেশব্যাপী অভিযান ও মনিটরিং কার্যক্রম বাড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ ও সহায়তার বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে শুধু আইন প্রয়োগ নয়, খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ, পরিবহন ও বিপণনের প্রতিটি পর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। একইসঙ্গে খাদ্যের মূল উপাদানের বিশুদ্ধতা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ রং, গন্ধ ও ক্ষতিকর অ্যাডিটিভসের ব্যবহার বন্ধে গবেষণা ও কারিগরি কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে।

কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, আইন প্রয়োগের পাশাপাশি বিগত ৮ মাসে ১ হাজার ৩০৭টি খাদ্যস্থাপনায় মনিটরিং করা হয়েছে। বাজার, হোটেল-রেস্তোরাঁ, বেকারি, মিষ্টির দোকান, খাদ্য উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন খাদ্যস্থাপনায় এসব কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এর মাধ্যমে খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষণ, পরিবেশন, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণনে নিরাপদ খাদ্যবিধি অনুসরণ করা হচ্ছে কি না, তা তদারকি করা হয়।

খাদ্য নিরাপত্তার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো খাদ্যপণ্যের নমুনা পরীক্ষা। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিএফএসএ ১ হাজার ২১০টি খাদ্য নমুনা পরীক্ষা করেছে। বোতলজাত পানি, ভোজ্যতেল, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, দই, গুঁড়া মশলা, শিশু খাদ্য ও বেকারি পণ্যসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য এ পরীক্ষার আওতায় এসেছে।

এদিকে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতেও বহুমুখী প্রচার কার্যক্রম চলছে। বাংলাদেশ টেলিভিশনে সচেতনতামূলক টিভিসি ও স্ক্রলবার্তা, বাংলাদেশ বেতারে অডিওবার্তা, এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, রিলস ও ভিডিওর মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য গ্রহণ, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য উৎপাদন ও বিপণন এবং ভোক্তার করণীয় সম্পর্কে প্রচার করা হচ্ছে।

নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩ অনুযায়ী অপরাধের ধরন ও তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। এই আইনে সর্বনিম্ন ১ লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা জরিমানা এবং সর্বনিম্ন ৬ মাসের কারাদণ্ড থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের জেল অথবা উভয় দণ্ডের শাস্তির বিধান রয়েছে।

নিরাপদ খাদ্যপ্রাপ্তির নিশ্চয়তায় ২০১৩ সালে আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। ২০১৫ সালে গঠন করা হয়েছে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ।

জাতিসংঘ বহু আগেই খাদ্য অধিকারকে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ মানবাধিকার সনদে স্বাক্ষরকারী অন্যতম দেশ।

ভারতের খাদ্য নিরাপত্তা ও মান আইন, ২০০৬-এর অধীনে অপরাধের মাত্রা অনুযায়ী বিভিন্ন শাস্তি ও আর্থিক জরিমানার বিধান রয়েছে।

এতে রয়েছে- নিম্নমানের বা ভেজাল খাদ্য বিক্রিতে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল উপাদান রাখলে ২ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা। অসুরক্ষিত বা বিষাক্ত খাদ্য তৈরি বা বিক্রি (ক্ষতি না হলে) ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। মারাত্মক আঘাতপ্রাপ্তিতে ৬ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা এবং ভোক্তার মৃত্যু হলে- সর্বনিম্ন ৭ বছর থেকে শুরু করে আজীবন কারাদণ্ড এবং কমপক্ষে ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে।

চীনের খাদ্য নিরাপত্তা আইনে খাদ্যে ভেজাল বা মানবদেহের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ পদার্থ মেশানোর বিষয়ে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নেওয়া হয়েছে। এই আইনে ভেজাল ও অনিরাপদ খাদ্য সরবরাহ করলে উৎপাদক ও ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স বাতিলসহ উচ্চ অঙ্কের আর্থিক জরিমানা করা হয়। এ ছাড়া গুরুতর পরিণতি ও প্রাণহানির ক্ষেত্রে- খাদ্যে বিষক্রিয়া বা ভেজালের কারণে যদি কারও মৃত্যু হয় বা জনস্বাস্থ্যে চরম বিপর্যয় ঘটে, তাহলে দোষীদের বিরুদ্ধে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এমনকি মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার মতো কঠোর আইনি বিধান রয়েছে।

কর্তৃপক্ষ বলছে, অভিযান ও মনিটরিংয়ের পাশাপাশি খাদ্য পরীক্ষার সক্ষমতা এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর ফলে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণ কার্যক্রম আরও কার্যকর হচ্ছে। ভবিষ্যতে জেলা পর্যায় থেকে দেশব্যাপী এসব কার্যক্রম আরও জোরদার করার পরিকল্পনা রয়েছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে খেসারত দিলেন আইভীর আইনজীবীসহ ৩ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে খেসারত দিলেন আইভীর আইনজীবীসহ ৩ জন

নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর আইনজীবীসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) মধ্যরাতে তাদের বাড়ি থেকে আটক করার পর বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন অ্যাডভোকেট জিয়াউল ইসলাম কাজল, তার ভাই আতিকুল ইসলাম এবং আরেক আইনজীবী অ্যাডভোকেট মাহাবুব রহমান।

পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, শহরের আল্লামা ইকবাল রোডের বাসা থেকে অ্যাডভোকেট জিয়াউল ইসলাম কাজল ও তার ভাই আতিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। অন্যদিকে, দেওভোগের পাক্কা রোডের গার্মেন্ট গলি থেকে অ্যাডভোকেট মাহাবুব রহমানকে আটক করা হয়েছে।

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আবেদনসহ আদালতে পাঠায় পুলিশ।

সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীকে কেন্দ্র করে ১৩ অক্টোবর আদালত প্রাঙ্গণে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার ঘটনার পর এই গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালিত হয়েছে বলে জানা গেছে। ওই ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে পুলিশ সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত করার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়ের করা তুহিন হত্যা মামলায় সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভী উচ্চ আদালত থেকে জামিন নিয়েছেন। ১৩ অক্টোবর নিম্ন আদালতে মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদনের শুনানি এবং আইভীর পুনরায় জামিনের আবেদনের বিষয়ে দিন ধার্য ছিল। শুনানির সময় তার আইনজীবী পুনরায় জামিনের আবেদন করলে আদালত তা মঞ্জুর করে।

শুনানি শেষে আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বেরিয়ে গাড়িতে ওঠার সময় নেতাকর্মীদের বেষ্টিত ছিলেন আইভী। এ সময় তিনি ‘জয় বাংলাকে দাবিয়ে রাখা যাবে না, জয় বাংলা’ বলে স্লোগান দেন। পরে উপস্থিত নেতাকর্মীরাও তার সঙ্গে একই স্লোগানে কণ্ঠ মেলান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

‘কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি বাংলাদেশে সফল হবে না’—আমানউল্লাহ আমান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২২ পি.এম


‘কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি বাংলাদেশে সফল হবে না’—আমানউল্লাহ আমান

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সংসদ সদস্য আমানউল্লাহ আমান মন্তব্য করেছেন, অতীতে যেভাবে স্বৈরাচারী শক্তি এ দেশে টিকতে পারেনি, তেমনিভাবে ভবিষ্যতেও কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তির সফলতা বাংলাদেশে ঘটবে না।

তিনি বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) শফিকুল কবির মিলনায়তনে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম কর্তৃক আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এই কথা বলেন।

আমানউল্লাহ আমান উল্লেখ করেন, অতীতের মতো ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানেও ফ্যাসিস্ট সরকারের পতন হবে। হাজার হাজার ছাত্র-জনতার রক্তের বিনিময়ে নতুন স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। বিভিন্ন সময় স্বৈরাচারী সরকারের পতনে ছাত্র-জনতা এবং রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে বিজয় ছিনিয়ে এনেছে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং ১৯৯০ সালের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রসমাজের আপসহীন নেতৃত্বের মুখে স্বৈরশাসকেরা পদত্যাগে বাধ্য হয়েছেন।

ষড়যন্ত্রকারীদের উদ্দেশে আমানউল্লাহ আমান বলেন, ২০২৪ সালের পরাজিত শক্তিগুলো একত্রিত হয়ে কৃত্রিম উপায়ে আন্দোলন শুরু করার চেষ্টা করছে। কিন্তু জনগণ এ ধরনের আন্দোলন কখনো গ্রহণ করবে না।

তিনি বলেন, জনগণ যে আস্থা ও বিশ্বাস রেখে তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে, সেই আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন ঘটাতে তারেক রহমান গ্রাম-গঞ্জে, মাঠে-ঘাটে, পথে-প্রান্তরে ঘুরে বেড়াচ্ছেন, কাজ করছেন এবং মানুষের সেবা করছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, ‘হুংকার দিচ্ছে ২৪-এর পরাজিত শক্তিরা আসবেন, কোথায় আসবেন? ইতিহাস বলে, শুধু বাংলাদেশ নয়, কোনো পলাতক ফ্যাসিস্ট একবার দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলে সে কোনো দিন সেই দেশে আর ফিরে আসতে পারে না।’

শারদীয় দুর্গোৎসব প্রসঙ্গে আমানউল্লাহ আমান বলেন, মুসলমানদের সবচেয়ে বড় উৎসব ঈদ। একইভাবে হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হবে আগামী পরশু থেকে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, তারা যেন হিন্দু সম্প্রদায়ের ভাই-বোনদের পাশে থাকেন। যাতে তারা সুন্দর, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা উদযাপন করতে পারেন, সেজন্য সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে।

বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা নাজিম উদ্দিন আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্রয় কমিটির ১১টি প্রস্তাব অনুমোদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ১৪ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৩:২৩ পি.এম


ক্রয় কমিটির ১১টি প্রস্তাব অনুমোদন

সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি মোট ১১টি ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে, যার মধ্যে রয়েছে চিনি, ইউরিয়া ও এমওপি, ডিএপি সার এবং এলএনজি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠিত চলতি বছরের সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির ৪৯তম সভায় এই প্রস্তাবগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়।

সভায় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রস্তাবের আওতায় ই-জিপির মাধ্যমে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে ৫০ কেজির বস্তায় মোট ১০ হাজার মেট্রিক টন চিনি কেনার প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। প্রথম প্রস্তাবে ৫ হাজার মেট্রিক টন চিনির ক্রয়মূল্য ৫১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে প্রতি কেজি চিনির দাম হবে ১০২ টাকা ৯৫ পয়সা। দ্বিতীয় প্রস্তাবে একই পরিমাণ চিনির ক্রয়মূল্য ৫১ কোটি ৯৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রতি কেজির দাম হবে ১০৩ টাকা ৯৫ পয়সা। উভয় ক্ষেত্রেই সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে মেঘনা সুগার রিফাইনারি লিমিটেডকে উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ের তৃতীয় সংশোধিত প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। মূল চুক্তিমূল্য ছিল ২০ হাজার ৫৯৮ কোটি ৬৪ লাখ ৮৪ হাজার ৬৯৯ টাকা। ৩৬০ কোটি ৬৫ লাখ ২২ হাজার ২৫ টাকা ভেরিয়েশনের পর সংশোধিত চুক্তিমূল্য দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার ৯৫৯ কোটি ৩০ লাখ ৬ হাজার ৭২৪ টাকা। প্রকল্পটির সুপারিশকৃত দরদাতা হিসেবে জাপানের মিতসুবিশি করপোরেশন ও ফুজিতা করপোরেশন এবং কোরিয়ার স্যামসাং সিঅ্যান্ডটির সমন্বয়ে গঠিত এভিয়েশন ঢাকা কনসোর্টিয়ামকে উল্লেখ করা হয়েছে।

একই প্রকল্পের পরামর্শক সেবা সংক্রান্ত আরেকটি প্রস্তাবে ৪০৫ কোটি টাকা ভেরিয়েশনসহ সংশোধিত চুক্তিমূল্য দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১৭৬ কোটি ৭১ লাখ ৯৭ হাজার ৪৫৭ টাকা। এ কাজের জন্য জাপানের নিপ্পন কোয়েই, ওরিয়েন্টাল কনসালট্যান্টস গ্লোবাল, সিঙ্গাপুরের সিপিজি কনসালট্যান্টস এবং বাংলাদেশের ডেভেলপমেন্ট ডিজাইন কনসালট্যান্টসের যৌথ উদ্যোগকে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

সভায় ২০২৬-২৭ অর্থবছরে সৌদি আরবের সাবিক এগ্রি-নিউট্রিয়েন্টস কোম্পানি থেকে ৮০ হাজার মেট্রিক টন গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এ জন্য ব্যয় হবে ২২০ কোটি ৬৫ লাখ ৪৯ হাজার ৮০০ টাকা, যেখানে প্রতি মেট্রিক টন সারের দাম ৪৪৬ দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার।

এছাড়া, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফার্টিগ্লোব থেকে ৪২ হাজার মেট্রিক টন গ্র্যানুলার ইউরিয়া সার আমদানির প্রস্তাব কার্যকর অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ২৭৫ কোটি ৭৭ লাখ ৭২ হাজার ২৯০ টাকা, যেখানে প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৫৩১ দশমিক ৬৭ মার্কিন ডলার।

রাশিয়ার জেএসসি ‘ফরেন ইকোনমিক করপোরেশন (প্রোডিনটর্গ)’ থেকে ৩৫ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১৬৬ কোটি ৯ লাখ ৯০ হাজার ৪৫০ টাকা, যেখানে প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৮৩ দশমিক ৮০ মার্কিন ডলার।

কানাডার কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন থেকে জিটুজি পদ্ধতিতে ৮০ হাজার মেট্রিক টন এবং ৪০ হাজার মেট্রিক টন এমওপি সার আমদানির দুটি প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। উভয় ক্ষেত্রেই প্রতি মেট্রিক টনের দাম ৩৮২ দশমিক ৩৮ মার্কিন ডলার।

এছাড়া, জিটুজি ভিত্তিতে ট্রাফিগুরা পিটিই লিমিটেডের কাছ থেকে ডিসেম্বর ২০২৬ থেকে ডিসেম্বর ২০২৭ পর্যন্ত মোট ৯ কার্গো এলএনজি আমদানির দর প্রস্তাব অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতি এমএমবিটিইউ এলএনজির একক দর নির্ধারণ করা হয়েছে জেকেএম-০.১০ মার্কিন ডলার।

সৌদি আরবের এমএ’এডেন থেকে ২০২৬ সালের পঞ্চম লটে ৪০ হাজার মেট্রিক টন ডিএপি সার আমদানির প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ৪২৫ কোটি ৫৮ লাখ ১০ হাজার টাকা, যেখানে প্রতি মেট্রিক টন ডিএপি সারের দাম ৮৬১ দশমিক ৫০ মার্কিন ডলার।

এছাড়া, কমিটি কক্সবাজারের মহেশখালীতে জিটুজি পদ্ধতিতে কুতুবজোম ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের লক্ষ্যে চায়না ন্যাশনাল এনার্জি ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের (সিএনইই) দাখিল করা দর প্রস্তাব প্রত্যাহার করেছে। ১৫ বছর মেয়াদে এ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছিল প্রায় ১২ হাজার ৩২৪ কোটি টাকা এবং ২০ বছর মেয়াদে প্রায় ১৩ হাজার ১৬১ কোটি টাকা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%