শুক্রবার, ২৫শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৩ পি.এম
নীলফামারীর সৈয়দপুরে মিনি ম্যারাথন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে, যার উদ্দেশ্য হলো সুস্থ জীবনযাপন এবং যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখা। শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টায় এই দৌড় প্রতিযোগিতায় নারী ও পুরুষসহ বিভিন্ন বয়সের তিনশতাধিক প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন, বৃষ্টি উপেক্ষা করে।
‘মর্নিং হেলথ ক্লাব সৈয়দপুর’-এর উদ্যোগে শহরের রংধনু পার্ক থেকে সকাল ৬টায় শুরু হয় এই দৌড় প্রতিযোগিতা। এতে ৩ কিলোমিটার, ৭ দশমিক ৫ কিলোমিটার এবং ৯ কিলোমিটার এই তিনটি ক্যাটাগরিতে অংশগ্রহণকারীরা দৌড়ান।
প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সৈয়দপুর সরকারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ গোলজার আহমেদ, যিনি বেলুন উড়িয়ে এই আয়োজনের সূচনা করেন। এরপর আয়োজকদের বাঁশির সংকেতের সঙ্গে সঙ্গে রংধনু পার্ক থেকে শুরু হয় দৌড়ের প্রতিযোগিতা।
প্রতিযোগীরা রংধনু পার্ক থেকে দৌড় শুরু করে পার্শ্ববর্তী পার্বতীপুর উপজেলার চাকলাবাজার ঘুরে আবার রংধনু পার্কে এসে দৌড় শেষ করেন।
গ্রামীণ সড়কজুড়ে আয়োজিত এই ম্যারাথনে বৃষ্টির মধ্যে অংশগ্রহণ করেন সৈয়দপুর উপজেলার এবং আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা নানা বয়সী ও পেশার নারী-পুরুষ। স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে হাত উঁচিয়ে এবং করতালি দিয়ে অংশগ্রহণকারীদের উৎসাহ জোগান।
অংশগ্রহণকারীদের জন্য দুই কিলোমিটার অন্তর তিনটি পয়েন্টে কলা, শরবত, খেজুর এবং পানির ব্যবস্থা রাখা হয়।
মর্নিং হেলথ ক্লাব সৈয়দপুর-এর আয়োজকরা জানান, ৯ কিলোমিটার দৌড় শেষ করতে সর্বনিম্ন সময় লেগেছে ৩৫ মিনিট ১১ সেকেন্ড। প্রতিযোগিতা শেষে অতিথিরা বিজয়ী ও অংশগ্রহণকারীদের হাতে মেডেল ও ক্রেস্ট তুলে দেন।
আয়োজকরা বলেন, "সৈয়দপুরে সুস্থ জীবনযাপন এবং যুবসমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে আমাদের এই আয়োজন।" তারা আরও জানান, দৌড় কিংবা হাঁটাচলায় সব বয়সী মানুষকে আগ্রহী ও উৎসাহিত করার জন্য আজকের মিনি ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়েছে।
তারা বলেন, "নিয়মিত শরীরচর্চা মানুষের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।" ভবিষ্যতে এমন আয়োজন অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
তিনি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ভোরে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে এ কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাষ্ট্রের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো দেশ কখনো শক্তিশালী হতে পারে না। তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ ও দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষ যাতে সমান অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারে, সরকার সেই পরিবেশ গঠনে কাজ করছে।
নিজের স্বপ্নের বাংলাদেশের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, তরুণরা নির্ভয়ে স্বপ্ন বাস্তবায়ন করবে, নারীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পথ চলবে এবং শিশুরা পূর্ণ বিকাশ নিয়ে বেড়ে উঠবে—এমন একটি সমাজ আমরা চাই। এ জন্য আমাদের মূল নীতিই হচ্ছে—'সবার আগে বাংলাদেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ'।
দেশে বর্তমানে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বহাল রয়েছে উল্লেখ করে তিনি দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের স্বাগত জানান।
ভাষণের শেষ অংশে বিশ্বশান্তি রক্ষায় জাতিসংঘের নীতি ও মূল্যবোধের প্রতি বাংলাদেশের পূর্ণ আস্থা পুনর্ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন জানান এবং বিদায়ী সভাপতি এনালেনা বেয়ারবককে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন তিনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাস্তব জীবনের প্রেম এবার নতুন মাত্রা পেতে যাচ্ছে রুপালি পর্দায়। দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় তারকা রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবেরাকোন্ডা প্রথমবারের মতো বিয়ের পর বড় পর্দায় একসঙ্গে জুটি বাঁধছেন। তাদের নতুন সিনেমা রানাবালি মুক্তির আগে, রাশমিকার একটি মিষ্টি মন্তব্য আবারও আলোচনায় এসেছে এই তারকা জুটিকে নিয়ে।
সম্প্রতি, সিনেমাটির এন্ধাইয়া সামি গানের একটি অংশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের গল্পে প্রকাশ করেছেন রাশমিকা। সেখানে বিজয়কে নিয়ে তার অনুভূতি জানিয়ে তিনি লেখেন, "এটা ভাবতেই অবাক লাগে যে সে পুরোপুরি আমার। তবুও তার প্রতি ক্রাশ খাওয়া আমি থামাতে পারি না।"
রাশমিকার এই কথার জবাব দিয়েছেন বিজয়। তিনি লেখেন, "আমি আশীর্বাদপুষ্ট। আমি জয়াম্মাকে মিস করব। তবে তোমাকে তো সারা জীবনের জন্য পেয়েছি।"
নতুন সিনেমা রানাবালিতে বিজয় দেবেরাকোন্ডা নাম-ভূমিকায় অভিনয় করছেন। অন্যদিকে, রাশমিকাকে দেখা যাবে তার স্ত্রী ও সংগ্রামের সঙ্গী জয়াম্মার চরিত্রে।
সিনেমাটির গল্পের পটভূমি ভারতের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ সময় ১৮৭৬ থেকে ১৮৭৮ সালের মাদ্রাজ দুর্ভিক্ষ। এই গল্পে দক্ষিণ ভারতে দুর্ভিক্ষের সময় এক বিদ্রোহী যোদ্ধা ব্রিটিশ কমিশনারের বিরুদ্ধে লড়াই করেন। তিনি নিজের অঞ্চল ও সেখানকার মানুষের সুরক্ষায় এগিয়ে আসেন।
সিনেমায় ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক কর্মকর্তা স্যার থিওডোর হেক্টর চরিত্রে অভিনয় করেছেন আর্নল্ড ভসলো। তিনি সিনেমায় রানাবালির অন্যতম প্রধান প্রতিপক্ষ।
রাহুল সাংকৃত্যায়ন পরিচালিত সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে মিথ্রি মুভি মেকার্স। সবকিছু ঠিক থাকলে, আগামী ১৬ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে রানাবালি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দ্বারা প্রদত্ত দূরদর্শী, দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষণের জন্য রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক অভিনন্দনবার্তায় উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, জনগণের আকাঙ্ক্ষা এবং বিভিন্ন বৈশ্বিক ইস্যুতে দেশের সুনির্দিষ্ট অবস্থান স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তিনি বলেন, এই ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদাকে আরও শক্তিশালী করবে।
রাষ্ট্রপতি অভিনন্দনবার্তায় আরও বলেন, ফ্যাসিবাদের অবসান ঘটানোর পর দেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরা হয়েছে। ভাষণে দেশের পুনর্গঠনে সরকারের ‘রিকভারি, রেস্টোরেশন ও রিকনস্ট্রাকশন’ (থ্রি-আর) কৌশলের কথাও প্রাধান্য পেয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, ফিলিস্তিন ও রোহিঙ্গা সংকট, জলবায়ু পরিবর্তন, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক মুদ্রাস্ফীতির মতো বৈশ্বিক ইস্যুগুলো স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, একই সঙ্গে সংলাপ ও কূটনীতির মাধ্যমে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠার যে আহ্বান তিনি জানিয়েছেন, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত ‘সবার আগে বাংলাদেশ: সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রত্যয়ের প্রশংসা করে বলেন, এতে জনগণের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ক্ষমতায়নের ইচ্ছা প্রতিফলিত হয়েছে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার পর একই পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে তারেক রহমানের বিশ্বমঞ্চে ভাষণ দেওয়াকে তিনি জাতির জন্য এক ঐতিহাসিক গৌরব হিসেবে বর্ণনা করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদীর পাঁচদোনায় একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা বিপরীত দিক থেকে আসা একটি কাভার্ডভ্যানে চাপা পড়েছে, যখন এটি ওভারটেক করার চেষ্টা করছিল। এই দুর্ঘটনায় অটোরিকশার দুই যাত্রী প্রাণ হারিয়েছেন।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯টার দিকে পাঁচদোনা-টঙ্গী সড়কের ভাটপাড়া বাজারের সামনে এই ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে একজন হলেন সাইদুল ইসলাম (২২), যিনি নরসিংদী সদর উপজেলার চরদিঘলদী ইউনিয়নের অন্তরামপুর এলাকার খোরশেদ আলমের ছেলে। অপরজন হলেন নুর উদ্দিন, যিনি আশুলিয়ার মাতাইল দক্ষিণপাড়া এলাকার হারিস মোল্লার ছেলে।
পুলিশ এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, সকাল ৮টার দিকে গাজীপুর থেকে যাত্রী নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা নরসিংদীর উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সকাল ৯টার দিকে পাঁচদোনার ভাটপাড়া এলাকায় পৌঁছালে অটোরিকশাটি একটি গাড়িকে ওভারটেক করার চেষ্টা করে। এই সময় বিপরীত দিক থেকে আসা কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটে।
দুর্ঘটনায় সিএনজির যাত্রী নুর উদ্দিন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত সাইদুল ইসলামকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু ঘটে।
ঘটনার খবর পেয়ে মাধবদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নুর উদ্দিনের মরদেহ উদ্ধার করে এবং সিএনজি চালককে হেফাজতে নেয়।
মাধবদী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. জসিম জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নরসিংদী সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতদের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ