মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:৫০ পি.এম
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যা দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। সমাবর্তনটি আগামী ২০২৭ সালের মার্চ মাসের ১৫ ও ১৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য, বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সমাবর্তন আয়োজনের বিষয়ে সম্মতি প্রদান করেন।
সাক্ষাৎ শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ সময় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নজরুল ইসলাম এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. শামীম আহসান উপস্থিত ছিলেন। এই সমাবর্তনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫টি অনুষদ ও ২১টি বিভাগের গ্র্যাজুয়েটদের আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ প্রদান করা হবে।
সাক্ষাৎকালে উপাচার্য রাষ্ট্রপতির সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আরও ৪৫ একর ভূমি অধিগ্রহণ এবং চাকরির বাজারে চাহিদা রয়েছে এমন সাবজেক্ট খোলার বিষয়েও আলোচনা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নয়ন নিয়ে তাঁরা দীর্ঘ সময় আলোচনা করেছেন।
এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহাম্মদ শামীম বলেন, "মহামান্য রাষ্ট্রপ্রতির সাথে দেখা করে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সমাবর্তনের ব্যাপারে কথা বলেছি। তিনি এ ব্যাপারে আমাদেরকে সম্মতি দিয়েছেন। ২০২৭ সালের মার্চের ১৫ ও ১৬ তারিখে সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সম্পর্কের টানাপোড়েন বা প্রেমে বিচ্ছেদ নিয়ে পুরুষেরা নারীদের তুলনায় কম আবেগপ্রবণ, এমন একটি প্রচলিত ধারণাকে সাম্প্রতিক একটি বৈশ্বিক গবেষণা ভুল প্রমাণ করেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, সম্পর্কের অবনতি ঘটলে বা বিচ্ছেদ হলে পুরুষেরা নারীদের চেয়ে অধিক মানসিক যন্ত্রণা ও হৃদয়ভঙ্গের কষ্টে ভোগেন।
যুক্তরাজ্যের ল্যাঙ্কাস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকদের নেতৃত্বে পরিচালিত বিজ্ঞানীদের একটি দল অনলাইনে সম্পর্ক বিষয়ক সহায়তা চাওয়া ১৮৪,০০০-এরও বেশি মানুষের কথোপকথনের 'বিগ ডাটা' বিশ্লেষণ করে এই তথ্য প্রকাশ করেছেন।
প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ পদ্ধতির মাধ্যমে বেনামী অনলাইন ফোরামের ডেটা বিশ্লেষণ করে সাধারণ মানুষের সম্পর্কের প্রধান সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হয়।
গবেষণায় দেখা যায়, সম্পর্কের টানাপোড়েনে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে উঠে এসেছে 'যোগাযোগের অভাব' বা যোগাযোগের জটিলতা। প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজন এই সমস্যার কথা উল্লেখ করেছেন। এছাড়া প্রতি আটজনের মধ্যে একজন বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগ করেছেন।
তবে লিঙ্গভিত্তিক আবেগ প্রকাশের তথ্যে সবচেয়ে বড় চমক এসেছে। গবেষকরা দেখেছেন, সমস্যার বিবরণ দেওয়ার চেয়ে সম্পর্কের কারণে তৈরি হওয়া ‘হৃদয়ভঙ্গ’ বা মানসিক যন্ত্রণার কথা পুরুষেরা নারীদের চেয়ে অনেক বেশি আলোচনা করেছেন। অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে পুরুষদের লেখায় 'অনুশোচনা', 'বিচ্ছেদ', 'কান্না' ও 'হৃদয়ভঙ্গ'-এর মতো শব্দগুলোর ব্যবহার বেশি দেখা গেছে।
গবেষণার প্রধান গবেষক ড. রায়ান বয়্ড এবং মূল লেখক শার্লট এন্টউইসল জানিয়েছেন, সমাজে পুরুষদের আবেগ প্রকাশে যে সামাজিক বাধা বা মানসিক সংকোচ রয়েছে, অনলাইন ফোরামের মতো বেনামী প্ল্যাটফর্মে তা উন্মুক্ত হওয়ায় প্রকৃত চিত্র সামনে এসেছে।
সামাজিক বাধা সরিয়ে নিলে দেখা যায়, পুরুষেরা নারীদের মতোই সম্পর্কে সমানভাবে অনুভূতির বিনিয়োগ করেন এবং সমস্যা সমাধানে সচেষ্ট থাকেন।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই গবেষণার ফলাফল সম্পর্কের টানাপোড়েন বুঝতে এবং পুরুষদের মানসিক স্বাস্থ্য সহায়তায় অনীহা সংক্রান্ত সামাজিক কুসংস্কার দূর করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি শহরের সড়ক ব্যবস্থায় ব্যাপক পরিবর্তনের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন। ১৫ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত ‘Vision Zero Reimagined’ পরিকল্পনায় শহরের প্রথম কিছু পথচারী-নির্ভর ও গাড়িমুক্ত জেলা তৈরির উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। নিরাপদ সড়ক নকশা, গণপরিবহন উন্নয়ন, সাইকেল অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং ব্যক্তিগত গাড়ির ওপর নির্ভরতা কমানোর জন্য একাধিক পদক্ষেপের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।
মামদানি প্রশাসনের ১০ বছরের এই পরিকল্পনায় ১০০টির বেশি নীতিগত উদ্যোগ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে শহরের প্রথম ‘pedestrian-only’ এবং ‘pedestrian-priority’ district তৈরির উদ্যোগ, প্রতি বছর অন্তত ১ হাজার ইন্টারসেকশনে পথচারী নিরাপত্তার উন্নয়ন, সাইকেল লেন সম্প্রসারণ এবং বাস চলাচলকে আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য করার পদক্ষেপ রয়েছে। তবে, কোন কোন এলাকায় পুরোপুরি গাড়িমুক্ত জেলা তৈরি হবে, সে বিষয়ে পরিকল্পনায় এখনও নির্দিষ্ট স্থান ঘোষণা করা হয়নি।
এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো দুর্ঘটনার পরিণতি কমানো নয়, বরং সড়কের নকশা এমনভাবে পরিবর্তন করা যাতে দুর্ঘটনা ও গুরুতর আঘাতের ঝুঁকি হ্রাস পায়। মেয়রের কার্যালয় জানাচ্ছে, নিউইয়র্কে গাড়ি জড়িত দুর্ঘটনা শহরের মোট ট্রাফিক মৃত্যুর একটি বড় অংশের জন্য দায়ী। তাই হাঁটা, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট, সাইকেল ও অন্যান্য বিকল্প যাতায়াত ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, সহজলভ্য ও আকর্ষণীয় করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
মামদানি পরিকল্পনা ঘোষণার সময় বলেন, নিউইয়র্কের সড়ককে আরও নিরাপদ করার জন্য শহরকে এমন নকশা গ্রহণ করতে হবে যেখানে মানুষকে কেন্দ্র করে রাস্তা ও পাবলিক স্পেস তৈরি করা হবে। পরিকল্পনায় ‘safe systems’ পদ্ধতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। এর মানে হলো, শুধুমাত্র চালকদের আচরণ পরিবর্তন বা আইন প্রয়োগের ওপর নির্ভর না করে সড়কের নকশা, গতি নিয়ন্ত্রণ, পথচারী অবকাঠামো এবং যানবাহনের নিরাপত্তা একসঙ্গে উন্নত করা।
এদিকে, নিউইয়র্কে কিছু সড়ক পুনর্নকশার কাজ চলছে। সেপ্টেম্বরে প্রশাসন পার্ক অ্যাভিনিউর ১১টি ব্লকের নতুন নকশা প্রকাশ করেছে, যেখানে একটি গাড়ির লেনকে দুই দিকের সুরক্ষিত সাইকেল লেনে রূপান্তর, মিডিয়ান বড় করা এবং পথচারীদের জন্য অতিরিক্ত জায়গা তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে। এর আগে ১১৬তম স্ট্রিটে ২ দশমিক ৫ মাইল নতুন বাস লেন ও অন্যান্য সড়ক নিরাপত্তা অবকাঠামোর নির্মাণ শুরু হয়েছে। শহরের হিসাবে, ওই করিডোর দিয়ে প্রতিদিন ৬৫ হাজারের বেশি বাসযাত্রী চলাচল করেন।
নিউইয়র্কের বর্তমান ‘Vision Zero’ কর্মসূচির ওপর নতুন পরিকল্পনাটি নির্মিত হয়েছে। শহরের পরিবহন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে পথচারী মৃত্যুর সংখ্যা রেকর্ডের সর্বনিম্ন পর্যায়ের কাছাকাছি ছিল এবং ২০১৪ সালে Vision Zero চালুর পর থেকে পথচারী মৃত্যুর হার ৪২ শতাংশের বেশি কমেছে। প্রশাসনের দাবি, নতুন পরিকল্পনার লক্ষ্য এই অগ্রগতিকে আরও এগিয়ে নেওয়া।
গাড়িমুক্ত বা পথচারী-নির্ভর এলাকা তৈরির ধারণা নতুন নয়। বার্সেলোনা, প্যারিসসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে দীর্ঘদিন ধরে পথচারী-কেন্দ্রিক সড়ক ব্যবস্থার ব্যবহার রয়েছে। তবে এসব উদ্যোগের অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে গবেষণার ফল একেবারে একমুখী নয়। স্পেনের বিভিন্ন শহরের ওপর একটি গবেষণায় পথচারী-নির্ভর এলাকায় দোকানের বিক্রি বাড়ার প্রমাণ পাওয়া গেলেও, ২০২৬ সালে বার্সেলোনার ২০১৪ থেকে ২০২২ সালের বাণিজ্যিক তথ্য বিশ্লেষণ করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে, পথচারীকরণ পুরোনো কিছু ব্যবসা বন্ধ হওয়া এবং খুচরা ব্যবসার বৈচিত্র্য কমার সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল। গবেষকরা বলেছেন, শুধুমাত্র পথচারীকরণকে এসব পরিবর্তনের একমাত্র কারণ হিসেবে দেখা যায় না এবং পর্যটনের চাপও বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
ফলে, মামদানির পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে নিউইয়র্কের বিভিন্ন এলাকায় গাড়ি, পথচারী, সাইকেল ও পাবলিক ট্রান্সপোর্টের মধ্যে জায়গা ভাগাভাগির ধরন বদলাতে পারে। তবে কোন এলাকা কতটা গাড়িমুক্ত হবে, স্থানীয় ব্যবসা ও বাসিন্দাদের ওপর এর কী প্রভাব পড়বে এবং প্রয়োজনীয় অবকাঠামো কীভাবে তৈরি হবে, এসব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এখনও বাস্তবায়নের পরবর্তী ধাপে নির্ধারিত হওয়ার কথা। পরিকল্পনাটি আপাতত একটি দীর্ঘমেয়াদি নীতিগত রূপরেখা, চূড়ান্ত সড়ক নকশা নয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্রবন্দর, বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে রাজস্ব আয়ে নতুন রেকর্ড গড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বন্দরের রাজস্ব আয় দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা। জাহাজ, কার্গো এবং কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের পরিমাণও বেড়েছে।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের অডিটোরিয়ামে, বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা বাগেরহাট ও মোংলা প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এই তথ্য তুলে ধরেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ হাজার ৪৭৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা। কিন্তু এর বিপরীতে আয় হয়েছে ৩ হাজার ৮৭৯ কোটি ৫১ লাখ ২০ হাজার টাকা। আগের অর্থবছরের তুলনায় রাজস্ব আয় বেড়েছে ৪০৮ কোটি ২৬ লাখ টাকা, যা ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে।
এই সময়ের মধ্যে বন্দরে ৮১৫টি জাহাজ এসেছে। কার্গো হ্যান্ডলিংয়ের পরিমাণ ছিল ১ কোটি ২২ লাখ ৫১ হাজার মেট্রিক টন, এবং কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ২৯ হাজার ৭১৪ টিইইউজ। এছাড়া, ১২ হাজার ৭৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানি করা হয়েছে।
বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য নতুন সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং কনটেইনার টার্মিনাল ও ইয়ার্ড নির্মাণের মতো বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে। তবে ১৪৪ কিলোমিটার চ্যানেলের নাব্যতা বজায় রাখা এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ।
চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা আরও জানান, এসব উদ্যোগের মাধ্যমে মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কচুয়া উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী সমিতির উদ্যোগে অবসরপ্রাপ্ত ও মরণোত্তর শিক্ষক-কর্মচারীদের সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানে মোট ৮৪ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে সম্মাননা দেওয়া হয়, যার মধ্যে ৬৬ জন অবসরপ্রাপ্ত এবং ১৮ জন মরণোত্তর শিক্ষকের অন্তর্ভুক্তি রয়েছে।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন হযরত শাহ নেয়ামত শাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ইলিয়াস মিয়া। সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে পরিচালনা করেন আশরাফপুর আহসানিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দিন সোহাগ এবং বুরগী উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোঃ জসিম উদ্দিন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কেন্দ্রীয় মহিলা দলের সহ-সভাপতি নাজমুন নাহার বেবি।
প্রধান অতিথি নাজমুন নাহার বেবি তার বক্তব্যে বলেন, "আমরা আজ যারা চাকরি করি, চাকরি শেষে আমাদের সকলেরই একই গন্তব্যে যেতে হবে—অবসর। আমি দেখছি, এই সমিতি অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতি যে ভালোবাসা ও সম্মান দেখিয়েছে, তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়।"
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন পালাখাল রোস্তম আলী ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোঃ ফজলুল হক, চাঁদপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ মোশারফ হোসেন, মাসনিগাছা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিন উল্যাহ, সাচার ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত উপাধ্যক্ষ নওশের আলম মিয়া, রহিমানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক সিরাজুল ইসলাম, আশরাফপুর গনিয়া ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ আলী আশরাফ সরদার, বারৈয়ারা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক প্রধান শিক্ষক নজরুল ইসলাম, খোরশেদ আলম, তেতৈয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ রফিকুল ইসলাম পাটোয়ারী এবং আইনগিরি উচ্চ বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের মেয়ে জাহানারা আক্তার।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারী ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানে অবসরপ্রাপ্ত ও প্রয়াত শিক্ষক-কর্মচারীদের শিক্ষা ক্ষেত্রে অবদানের কথা স্মরণ করে তাদের সম্মাননা প্রদান করা হয়। উপস্থিত শিক্ষক-কর্মচারীরা জানান, সমিতির এই উদ্যোগ আন্তরিকতা ও সম্মানের একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ