বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
১০:৪২ পি.এম
রাম জানান, ২০০০ সালে ‘ঘর এক মন্দির’ ধারাবাহিকের সেটে তাঁদের প্রথম দেখা হয়। তিনি ধীরে ধীরে বুঝতে পারেন, গৌতমী তাঁর প্রথম বিয়েতে সুখী নন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লঘুচাপের প্রভাবে আগুনমুখা, দারছিড়া, বুড়াগৌরাঙ্গ এবং রাবনাবাদ নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ৩ থেকে ৪ ফুট বৃদ্ধি পাওয়ার ফলস্বরূপ পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে জোয়ারের সময় চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের ভেঙে থাকা বেড়িবাঁধ দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়ায় কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হয়ে যায়। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা কয়েক ঘণ্টা পানিবন্দি হয়ে দুর্ভোগের শিকার হন।
অন্যদিকে, সকাল থেকে রাঙ্গাবালী উপজেলায় কখনো রোদ অতিথি হয়েছে, কখনো মেঘলা আকাশ দেখা গেছে, আবার কখনো থেমে থেমে বৃষ্টি ও দমকা হাওয়া বইতে দেখা গেছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে সমুদ্রে মাছ ধরা নিয়ে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে চালিতাবুনিয়া ইউনিয়নের গরুভাঙা, মধ্য চালিতাবুনিয়া, গোলবুনিয়া এবং বিবির হাওলা গ্রাম। জোয়ারের পানিতে এই এলাকার বসতবাড়ির আঙিনা, রাস্তাঘাট ও নিম্নাঞ্চল তলিয়ে যায়। অনেক পরিবার বাড়ি থেকে বের হতে সমস্যা অনুভব করে। কোথাও কোথাও উঠানের সঙ্গে ঘরের বারান্দা পর্যন্ত পানি উঠতে দেখা গেছে।
এদিকে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডাসহ বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলেও জোয়ারের পানি প্রবেশ করেছে। এতে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হয়। ভেঙে থাকা বেড়িবাঁধের মাধ্যমে পানি ঢুকে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তাদের আশঙ্কা, পরবর্তী জোয়ারেও একই পরিস্থিতি হতে পারে।
স্থানীয়দের ভাষ্য মতে, স্বাভাবিকের তুলনায় জোয়ারের পানি অনেক বেশি উচ্চতায় প্রবাহিত হওয়ায় অল্প সময়ের মধ্যে গ্রামগুলো প্লাবিত হয়। এতে বাড়িঘরের পাশাপাশি কৃষিজমি, পুকুর এবং চলাচলের সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
দুপুর দেড়টার দিকে ভাটা শুরু হলে ধীরে ধীরে পানি নামতে শুরু করে। বিকেলের দিকে অধিকাংশ এলাকা থেকে পানি নেমে গেলেও স্থানীয়রা ভেঙে থাকা বেড়িবাঁধ দ্রুত সংস্কার এবং স্থায়ী, টেকসই বাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে চালিতাবুনিয়া এবং চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরআন্ডা এলাকার বাঁধ ভেঙে থাকার পরেও তা স্থায়ীভাবে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে জোয়ার এলেই বারবার উপকূলের মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সম্প্রতি, একটি সাক্ষাৎকারে রাঘবের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে যখন শাহনাজ়কে প্রশ্ন করা হয়, তখন তিনি খুব স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন, ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কোনও প্রশ্নের উত্তর দিতে তিনি চান না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইয়েমেনের হুথি আন্দোলনের নেতা আবদুল মালিক আল-হুথি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলকে বিশ্বের ‘অশুভ শক্তি ও অস্থিতিশীলতার উৎস’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি একই সঙ্গে অভিযোগ করেছেন যে, সৌদি আরব মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের অভীষ্টের বাস্তবায়নে নেতৃত্ব সহযোগিতা করছে।
আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে আল-হুথি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলই বিশ্বের অশুভ শক্তি এবং অস্থিতিশীলতার মূল উৎস।’ তিনি অভিযোগ করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং তাদের সহযোগীরা যুদ্ধকে উসকে দিয়ে এবং ফিলিস্তিনসহ বিভিন্ন অঞ্চলের সম্পদের লুটপাট করে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির কাজ করছে।
আল-হুথির দাবি অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের সকল যুদ্ধের পিছনে রয়েছে তথাকথিত ‘গ্রেটার ইসরাইল’ প্রতিষ্ঠার জন্য জায়নবাদী প্রকল্প। তার বর্ণনায়, এই ধারণায় ইসরাইলের ভূখণ্ড মিসরের নীল নদ থেকে ইরাকের ইউফ্রেটিস নদী পর্যন্ত বিস্তৃত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আবার অভিযোগ করেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল জোট আন্তর্জাতিক চুক্তি বা জাতিসংঘের প্রস্তাবকে সম্মান দেয় না। বরং, তারা বিভিন্ন জাতির বিরুদ্ধে গণহত্যা এবং সভ্যতা ধ্বংসকে উত্সাহিত করে।
ভাষণে হুথি নেতা সৌদি আরবেরও কঠোর সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, মুসলিম বিশ্বের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান দুর্বল করার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং যুক্তরাজ্যের সঙ্গে সৌদি আরবের সহযোগিতা এখন ‘সম্পূর্ণ স্পষ্ট’।
আল-হুথি বলেন, ইয়েমেনের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযান মানে বহু বছর ধরে চলছে এবং এর কোন আইনগত ভিত্তি নেই। বরং এটি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইলের প্রতি আনুগত্যের অংশ হিসেবে হচ্ছে।
চলমান সপ্তাহে হুথি এবং সৌদির সঙ্গে উত্তেজনা নতুন করে ছড়িয়ে পড়ে। গত সোমবার, হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকা সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বোমাবর্ষণ করে রিয়াদ। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হুথি সৌদিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে তার প্রেক্ষিতে জবাব দেয়। এর ফলে সৌদি ও ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির মধ্যে চার বছর ধরে চলতে থাকা যুদ্ধবিরতি ভেঙে পড়ে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আর্মড ফোর্সেস ওয়্যার কোর্সের (এএফডব্লিউসি) প্রশিক্ষণার্থী অফিসারগণ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স পরিদর্শন করেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসস্থ ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে (এনডিসি) চলমান এএফডব্লিউসি-২০২৬ কোর্সের অংশ হিসেবে এই পরিদর্শনের আয়োজন করা হয়েছিল।
এনডিসির চিফ ইনস্ট্রাক্টর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজমুল হক প্রশিক্ষণার্থী দলের নেতৃত্ব দেন।
পরিদর্শনকালে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তাগণ পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের হল অব প্রাইডে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। অতিরিক্ত আইজি (এইচআরএম) মো. মুশফেকুর রহমান মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন।
সভার শুরুতে ডিআইজি (এইচআর) মোহাম্মদ আশফাকুল আলম বাংলাদেশ পুলিশের ইতিহাস, ঐতিহ্য, মিশন, ভিশন, মহান মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদান, দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা কার্যক্রম, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা ইত্যাদি সম্পর্কে প্রতিনিধিদলের সামনে তুলে ধরেন। তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ পুলিশের সার্বিক কার্যক্রমের ওপর একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন করা হয়। পরে প্রশিক্ষণার্থী অফিসারগণ বাংলাদেশ পুলিশের বর্তমান কার্যক্রম, ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ ও সমসাময়িক নানা বিষয়ে পুলিশ কর্মকর্তাগণের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত আইজি মো. মুশফেকুর রহমান উল্লেখ করেন, দেশে যেকোনো সংকটকালে সশস্ত্র বাহিনী এবং পুলিশ একসাথে কাজ করে। তিনি আরও বলেন, এ ধরনের পরিদর্শন কার্যক্রমের ফলে সশস্ত্র বাহিনী এবং বাংলাদেশ পুলিশের মধ্যে বিরাজমান পেশাগত সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক আরো সুসংহত হবে।
উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর জন্য প্রশিক্ষণার্থীদের পক্ষ থেকে আইজিপি এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়। জানা যায়, পরিদর্শনকারী টিমে ৬২ জন প্রশিক্ষণার্থী অফিসার অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ