রবিবার, ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:৫০ পি.এম
গ্রাহকদের ধর্মীয় ও আর্থিক প্রয়োজনের ভিত্তিতে প্রচলিত এবং শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং সেবা বেছে নেওয়ার সুযোগ বৃদ্ধি করার পাশাপাশি বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থব্যবস্থার সঙ্গে আরো সংযুক্ত করার উদ্দেশ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকে ডুয়াল ব্যাংকিং সিস্টেম চালু হতে যাচ্ছে।
অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আজ জাতীয় সংসদে ঢাকা-৪ আসনের বিরোধী দলের জামায়াতে (ইসলামী) সদস্য সৈয়দ জয়নুল আবেদীনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য প্রকাশ করেন।
অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন, দেশের ব্যাংকিং খাতে গ্রাহকদের ধর্মীয় ও আর্থিক প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচলিত এবং শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং সেবা বেছে নেওয়ার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক ইতোমধ্যে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করেছে। একই সঙ্গে, আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে অধিকতর সংযুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি জানান, চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোকে মোট ১ হাজার ৬৯৯টি শাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে ১ হাজার ৭৪টি এবং গ্রামাঞ্চলে ৬২৫টি শাখা রয়েছে।
এসব শাখার মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ৪০০টি, আল-আরাফাহ ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২২৬টি, শাহজালাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৪১টি, স্ট্যান্ডার্ড ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৩৮টি এবং সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৭৬১টি শাখা রয়েছে।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ৭৬১টি শাখার মধ্যে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ২০৬টি, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১৮১টি, এক্সিম ব্যাংক পিএলসির ১৫৫টি, ইউনিয়ন ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১১৪টি এবং গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক পিএলসির ১০৫টি শাখা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এছাড়া আইসিবি ইসলামিক ব্যাংকের ৩৩টি শাখাও এর আওতায় রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী আরো জানান, বর্তমানে ৩৫টি প্রচলিত (কনভেনশনাল) ব্যাংকে মোট ৭৫টি ইসলামী ব্যাংকিং শাখা এবং ১ হাজার ১০২টি ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডোর মাধ্যমে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এছাড়া আরো দু’টি কনভেনশনাল ব্যাংককে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থার পরিধি আরো বিস্তৃত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর জানিয়েছেন, বাংলাদেশি প্রবাসীদের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সমস্যাগুলোর মধ্যে রয়েছে ই-পাসপোর্ট জটিলতা, সৌদি আরবে অপহরণ ও নির্যাতন, এবং দালাল চক্রের প্রতারণা। মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে কাজ চলছে।
মন্ত্রী আরও জানান, সরকার প্রবাসীদের কর্মসংস্থান এবং তাদের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কার্যপ্রণালি-বিধির ৭১ বিধিতে দেওয়া মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে এসব কথা বলেন। কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া এই নোটিশটি দেন, যা সৌদিসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের প্রবাসীদের সমস্যা সমাধানের বিষয়ে ছিল।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, ই-পাসপোর্টের জটিলতা, সৌদি আরবে অপহরণ ও নির্যাতন, দালাল চক্রের প্রতারণা, দক্ষ জনশক্তি তৈরি, গামকা মেডিকেল পরীক্ষায় অনিয়ম, বিএমইটির দুর্নীতি, অবৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয়, দূতাবাস থেকে সরাসরি সহায়তা এবং অসুস্থ ও মৃত প্রবাসীদের সরকারি সহায়তা—এই ১০টি বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।
জবাবে নুরুল হক নুর বলেন, "প্রকৃত অর্থে প্রবাসীদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছেন। এর জন্য ওনাকে স্টাডি করতে হয়েছে, এক প্রকার রিসার্চ করতে হয়েছে।" তিনি আরও বলেন, "প্রবাসীদের সমস্যাগুলো অস্বীকার করার সুযোগ নেই। তাদের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করাকে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।"
মন্ত্রী বলেন, "যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ করে নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি রয়েছে, প্রবাসীদের জন্য কর্মসংস্থানের বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে আমরা কর্মসংস্থানের পাশাপাশি তাদের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করা—এই বিষয়টি আমাদের একটা বড় অগ্রাধিকার।"
সরকারের নেওয়া উদ্যোগ সম্পর্কে তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের চাহিদা অনুযায়ী জনশক্তি প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। অনলাইনে বৈঠকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর কাছ থেকে কর্মীর চাহিদা নেওয়া হচ্ছে। এরপর সেই অনুযায়ী ‘ডিমান্ড ম্যাপিং’ করে প্রয়োজনীয় জনশক্তি প্রস্তুত করা হচ্ছে।
নোটিশে মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া উল্লেখ করেন, "প্রবাসীরা দেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের পাঠানো রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সমৃদ্ধ করে। কিন্তু তারা নানা হয়রানি ও জটিলতার মুখোমুখি হচ্ছেন।"
তিনি ই-পাসপোর্টের ক্ষেত্রে এনআইডি বা জন্মনিবন্ধনের তথ্যের সামান্য অসঙ্গতির কারণে পাসপোর্ট আটকে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেন, যা প্রবাসীদের ইকামা নবায়ন ও ব্যাংকিং সেবা বন্ধ করে দিচ্ছে। এই সমস্যা সমাধানে দূতাবাসে বিশেষ ই-পাসপোর্ট সেল গঠন এবং আগের এমআরপি পাসপোর্টের ধারাবাহিকতা রেখে নবায়নের সুবিধা দেওয়ার দাবি জানান।
এছাড়া সৌদি আরবে প্রবাসীদের অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায় বন্ধে দূতাবাস ও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রয়োজনীয়তা এবং প্রতারণার শিকার প্রবাসীদের দ্রুত বিচার ও ক্ষতিপূরণ, সরকারি আইনি সহায়তা এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
মেডিকেল পরীক্ষায় অনিয়ম ও ‘ফিট-আনফিট’ বাণিজ্য বন্ধ, বিএমইটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্নীতি প্রতিরোধ, অবৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং বিদেশ যেতে অতিরিক্ত অভিবাসন ব্যয় কমানোর দাবিও জানান মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
তিনি প্রবাসীদের জন্য দূতাবাস থেকে সরাসরি আইনি ও প্রশাসনিক সহায়তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অসুস্থ প্রবাসীদের চিকিৎসা ব্যয় বহন ও মৃত প্রবাসীদের মরদেহ দ্রুত ও বিনামূল্যে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থার দাবিও জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ কায়েতপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিমগাঁও এলাকায় যৌথ বাহিনীর অভিযানের মাধ্যমে ১৪ বছরের কিশোরীকে ধর্ষণ ও নির্যাতনের অভিযোগে দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি অমিমুল হাসান সাদ (১৯) গ্রেপ্তার হয়েছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে র্যাব-১১ ও রূপগঞ্জ থানা পুলিশ গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে। নারায়ণগঞ্জ র্যাব-১১-এর অপারেশন অফিসার ক্যাপ্টেন রওনক এফরান খান গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার হওয়া অমিমুল হাসান সাদ কায়েতপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিমগাঁও এলাকার হাবিবুর রহমানের পুত্র।
র্যাব-১১ জানায়, গত ৩ সেপ্টেম্বর দুপুরে অমিমুল হাসান সাদ ওই কিশোরীকে ফুসলিয়ে তার নিজ বাড়ির চারতলার একটি নির্মাণাধীন কক্ষে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করা হয়। কিশোরী বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাকে ইট দিয়ে মুখ, মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করা হয়। একপর্যায়ে অমিমুল হাসান সাদ ওই কিশোরীকে চারতলা থেকে টেনে হিঁচড়ে নিচে এনে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা কিশোরীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় ডিবিকেপি হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থার অবনতি হলে কিশোরীকে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এই ঘটনায় কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে অমিমুল হাসান সাদকে আসামি করে রূপগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন।
রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন জানান, এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া আসামিকে নারায়ণগঞ্জ আদালতে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পরিবেশের ক্ষতি করে কোনো শিল্পায়ন হতে পারে না, উন্নয়ন ও শিল্পায়ন অবশ্যই পরিবেশবান্ধব হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম এমপি।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় দিনব্যাপী একাধিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পর, স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে আকিজ ইস্পাত কোম্পানির বিরুদ্ধে পরিবেশদূষণ ও খাল ভরাটের অভিযোগ শুনে সরেজমিনে পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, "আমাদের উন্নতির জন্য প্রোডাকশনের প্রয়োজন, আমাদের শিল্পায়নের প্রয়োজন। কিন্তু এটি অবশ্যই হতে হবে পরিবেশবান্ধব। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন পরিবেশের ক্ষতি না হয়। কারণ, যদি আমরা বাঁচতেই না পারি, তাহলে আমাদের টাকা-পয়সা দিয়ে কোনো লাভ নেই।"
পরে, প্রতিমন্ত্রী উপজেলার বাউশিয়ায় গজারিয়া সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৃক্ষরোপণ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেন। এরপর উপজেলা অডিটোরিয়ামে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এ জিপিএপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
বৃক্ষরোপণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, “আমরা চাই পলিথিন ও প্লাস্টিকদূষণমুক্ত বাংলাদেশ। প্রাকৃতিকভাবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই। আপনারা গাছ লাগান, সেই গাছের পরিচর্যা করুন। একদিন এই গাছই আপনাদের সম্পদে পরিণত হবে।”
তিনি আরও জানান, সরকার ইতোমধ্যে দেশে ৩ কোটি গাছ রোপণ করেছে এবং আরও ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি, পলিথিন ও প্লাস্টিকদূষণ বন্ধে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "প্লাস্টিক ও পলিথিন পচনশীল নয়। ফলে এগুলো দীর্ঘদিন পরিবেশে টিকে থেকে মাটি ও পানিদূষণ ঘটায়। তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব জায়গায় পলিথিন ও প্লাস্টিকমুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে।"
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, জেলা প্রশাসক সৈয়দা নুরমহল আশরাফী, পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া এবং সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা। এ ছাড়া জেলা ও উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দও উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালীতে মাছ ধরার সময় ট্রলারে বজ্রপাতের ফলে দুই জেলের মৃত্যু ঘটেছে। এই ঘটনার সাথে আরো তিন জেলে আহত হয়েছেন।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার তুফানিয়া ও চরহেয়ারের মধ্যবর্তী বুড়াগৌরাঙ্গ নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের যুগিরহাওলা গ্রামের হাবিব খাঁর ছেলে ইমন খাঁ (২২) এবং একই গ্রামের শহিদুল শিকদারের ছেলে শাকিব শিকদার (২৩)।
স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সুমন খাঁর মালিকানাধীন একটি মাছ ধরার ট্রলারে পাঁচজন জেলে নদীতে মাছ ধরার জন্য যান। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে নদীতে জাল ফেলার সময় হঠাৎ ট্রলারটির ওপর বজ্রপাত ঘটে। এতে ট্রলারে থাকা পাঁচজন জেলে আহত হন।
পরে গুরুতর আহত অবস্থায় ইমন খাঁ ও শাকিব শিকদারকে রাঙ্গাবালী ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। আহত অন্য তিন জেলের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
রাঙ্গাবালী সদর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সাইদুল প্যাদা দুই জেলের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
রাঙ্গাবালী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আন নূরে জায়েদ বলেছেন, "বজ্রপাতে দুই জেলের মৃত্যুর বিষয়টি শুনেছি।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ