শুক্রবার, ৪ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:২৩ পি.এম
বগুড়ার শিবগঞ্জে জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারীর গাড়ির ধাক্কায় আহত ফিরোজা বেগম (৭৫) নামের এক বৃদ্ধার মৃত্যু ঘটেছে।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে বগুড়ার টিএমএসএস হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
এর আগে, সকাল পৌনে ৯টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক ব্রিজের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ সময় ফিরোজা বেগমকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশের নিচু জমিতে নেমে যায়। দুর্ঘটনায় জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী নিজেও পায়ে আঘাত পেয়েছেন।
নিহত ফিরোজা বেগম শিবগঞ্জের কিচক ইউনিয়নের গোপীনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা ছিলেন।
জানা গেছে, শুক্রবার সকালে ঢাকা থেকে জয়পুরহাটের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। সকাল পৌনে ৯টার দিকে তার গাড়িবহর শিবগঞ্জের কিচক ব্রিজের সামনে পৌঁছালে ফিরোজা বেগম রাস্তা পার হচ্ছিলেন। তাকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রীর গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে তাকে ধাক্কা দিয়ে রাস্তার পাশের নিচু জমিতে নেমে যায়।
প্রতিমন্ত্রীর গানম্যান মুক্তারুল জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার সময় গাড়িতে প্রতিমন্ত্রী, তার স্ত্রী, চালক ও তিনি নিজে অবস্থান করছিলেন। দুর্ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী পায়ে আঘাত পেয়েছেন। দুর্ঘটনার পরপরই অন্য একটি গাড়িতে করে তাকে চিকিৎসার জন্য জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়।
এদিকে, গুরুতর আহত অবস্থায় ফিরোজা বেগমকে উদ্ধার করে বগুড়ার টিএমএসএস হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা সোয়া ১১টায় তার মৃত্যু ঘটে। বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহীম আলী তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত বৃদ্ধার ভাতিজা মো. জাকির জানিয়েছেন, তার চাচি সকালে কিছু জিনিসপত্র নিয়ে এক আত্মীয়ের বাসায় যাচ্ছিলেন। বয়স্ক মানুষ হওয়ায় রাস্তা পার হওয়ার সময় তিনি হয়তো মন্ত্রীর গাড়িবহর খেয়াল করেননি। তখনই গাড়ির সঙ্গে তার ধাক্কা লাগে।
নিহতের আরেক ভাতিজা মোহাম্মদ ইমরান আলী নয়ন জানিয়েছেন, খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তবে তিনি পৌঁছানোর আগেই স্থানীয় লোকজন আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে তার মৃত্যু হয়েছে।
বগুড়ার শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনুজ্জামান জানিয়েছিলেন, ঘটনার পর স্থানীয় প্রশাসন নিহতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রতিমন্ত্রী এবং সদর থানার ওসি তাদের খোঁজখবর নিয়েছেন এবং প্রশাসনের পক্ষ থেকে সার্বক্ষণিক সব ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিলেটের গোয়াইনঘাটে মাদকবিরোধী সমাবেশ ও বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াল ছোবল থেকে রক্ষা করার উদ্দেশ্যে আয়োজন করা হয়।
শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) ১১নং মধ্য জাফলং ইউনিয়নের বাউরভাগ হাওর পূর্ব পাড় এলাকার বাসিন্দাদের উদ্যোগে এবং গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের সহযোগিতায় এই সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় মুরুব্বি আক্কাস আলীর সভাপতিত্বে এবং টেলিভিশন সাংবাদিক ইউনিয়ন বৃহত্তর জৈন্তার সাধারণ সম্পাদক সালমান শাহ’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওমর ফারুক।
তিনি বক্তব্যে উল্লেখ করেন, "মাদক নির্মূলে পুলিশের পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।" তিনি আরও বলেন, "এলাকায় মাদক সংক্রান্ত কোনো তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে সবাই পুলিশকে জানাবেন।"
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী খাঁন, গোয়াইনঘাট উপজেলা বিএনপির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার, টেলিভিশন সাংবাদিক ইউনিয়ন বৃহত্তর জৈন্তার সভাপতি হুমায়ুন আহমেদ, স্থানীয় মুরুব্বি খাঁন বাহাদুর এবং বাদশা মিয়া।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, "মাদক শুধু একজন ব্যক্তির জীবনই ধ্বংস করে না, এর প্রভাব পড়ে পুরো পরিবার ও সমাজের ওপর।" তারা উল্লেখ করেন যে, মাদক নির্মূলে আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি।
এ সময় বক্তারা পুলিশকে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিষয়ে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করার পাশাপাশি এলাকায় অপরাধ প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
সভায় বক্তারা মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি মাদক প্রতিরোধে নিয়মিত সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রম চালানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসঙ্গে বাউরভাগ হাওর পূর্ব পাড় এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে পুলিশ ও এলাকাবাসীর মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার করার এবং মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন অব্যাহত রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
সভায় উপস্থিত এলাকাবাসী বলেন, "মাদকের বিরুদ্ধে এখন আর নীরব থাকার সুযোগ নেই।" তারা প্রত্যেকেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নরসিংদী থেকে একটি মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সুনামগঞ্জ-সিলেট সড়কের পাশে একটি অ্যাম্বুলেন্স খাদে পড়ে যায়, যার ফলে নারী ও শিশুসহ ১৩ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে শান্তিগঞ্জ উপজেলার সদরপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন ফেনারবাঁক গ্রামের হেলাল মিয়া (৫৫), তার স্ত্রী হেনা আক্তার (৩৫), সাদিয়া আক্তার (১৫), তানিসা আক্তার (৮), ছেলে আরিফুল ইসলাম ফয়েজ (২০), আবু সুফিয়ান (১৩), ফয়েজের স্ত্রী রহিমা বেগম (১৯), ছেলে মো. রাইয়ান মিয়া (২), হেলাল মিয়ার ছোট ভাই বিল্লাল হোসেন (২২), বিল্লাল হোসেনের স্ত্রী তানজিনা বেগম (২০), তাদের মেয়ে সাবিনা বেগম (৪), ছেলে ফুয়াদ আহমেদ (২) এবং অ্যাম্বুলেন্স চালক রনক হাসান হৃদয় (৩৮)।
প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক গ্রামের হেলাল মিয়ার মেয়ে নাদিয়া আক্তার (১৭) শুক্রবার রাতে নরসিংদীর গাউছিয়া এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যান। শনিবার সকালে নরসিংদী থেকে অ্যাম্বুলেন্সে সেই মরদেহ নিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন তার বাবা ও চাচা। এই সময় অ্যাম্বুলেন্সে নারী ও শিশুসহ দুই পরিবারের ১২ জন যাত্রী উপস্থিত ছিলেন।
পথে শান্তিগঞ্জ উপজেলার সদরপুর এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। পরে স্থানীয় এক পথচারী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা মরদেহসহ সবাইকে উদ্ধার করেন। এরপর আহতদের শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে তাদের আরেকটি অ্যাম্বুলেন্স ও গাড়িতে করে বাড়ি পাঠানো হয়।
নিহত নাদিয়া আক্তারের চাচা কাজল মিয়া বলেন, "আমার দুই ভাই পরিবার নিয়ে নরসিংদীতে থাকেন। এর মধ্যে বড় ভাইয়ের মেয়ে নাদিয়া গতকাল রাতে বাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা যায়। আজ সকালে তার মরদেহ নিয়ে বাড়িতে আসার সময় অ্যাম্বুলেন্সটি সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়। এতে অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সবাই আহত হয়। তবে আল্লাহ আমাদের রক্ষা করেছেন। যেভাবে অ্যাম্বুলেন্স খাদে পড়েছিল, বড় দুর্ঘটনার আশংকা ছিল।"
শান্তিগঞ্জ উপজেলা ফায়ার স্টেশনের ইনচার্জ মো. ফজল মিয়া জানান, "জামালগঞ্জ উপজেলার ফেনারবাঁক গ্রামের একটি মেয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নরসিংদীতে মারা যায়। পরে স্বজনরা অ্যাম্বুলেন্স করে তার মরদেহ নিয়ে আজ সকালে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে অ্যাম্বুলেন্সটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সদরপুর এলাকায় সড়কের পাশে খাদে পড়ে যায়।"
তিনি আরও বলেন, "একজন পথচারীর মাধ্যমে দুর্ঘটনার খবর পেয়ে মরদেহসহ সবাইকে উদ্ধার করা হয়। অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহের সঙ্গে ১২ জন যাত্রী ছিলেন। তারা সবাই আহত হয়েছেন। এ ছাড়া অ্যাম্বুলেন্স চালকও আহত হয়েছেন। তাদের শান্তিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে যে, যুক্তরাষ্ট্রে বি১/বি২ ভ্রমণ ভিসা নিয়ে গিয়ে কিছু নির্দিষ্ট কাজ করা যাবে না। এর মধ্যে সন্তান জন্ম দেওয়া, চাকরি করে পারিশ্রমিক নেওয়া এবং অন্যান্য কিছু কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) মার্কিন দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে একটি সতর্কবার্তা প্রকাশ করা হয়।
দূতাবাসের সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বার্থ ট্যুরিজম’, অর্থাৎ শুধুমাত্র সন্তানের যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে সন্তান জন্ম দেওয়া এ ভিসার আওতায় অনুমোদিত নয়।
এছাড়াও, যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নিয়োগকর্তা বা ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে পারিশ্রমিক পাওয়া যায় এমন কাজ করা যাবে না। ডিগ্রি বা অ্যাকাডেমিক ক্রেডিটের জন্য পড়াশোনা এবং পারিশ্রমিকের বিনিময়ে পারফরম্যান্স করাও ভ্রমণ ভিসায় নিষিদ্ধ বলে জানিয়েছে দূতাবাস।
যুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিজিটর ভিসা মূলত অস্থায়ী ভ্রমণ কার্যক্রমের জন্য ব্যবহৃত হয়। সাধারণত স্বল্পমেয়াদি ব্যবসায়িক কার্যক্রম, পর্যটন, অবকাশযাপন এবং চিকিৎসার মতো নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে এই ভিসা ব্যবহার করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
দুই দিন বন্ধ থাকার পর রাজশাহী থেকে দেশের বিভিন্ন গন্তব্যে আন্তঃজেলা ও দূরপাল্লার বাস চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সাড়ে ১২টার পর ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে বাস চলাচল শুরু হয়। দীর্ঘ সময় পরিবহন বন্ধ থাকায় যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পরিবহন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, রাজশাহী ও নাটোরের পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধের কারণে গত শুক্রবার প্রথমে রাজশাহী থেকে আন্তঃজেলা বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর পরদিন শনিবার সকালে দূরপাল্লার বাস চলাচলও বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতকারী যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন।
সূত্র জানায়, রাজশাহী থেকে দর্শনাগামী রাব্বি পরিবহনের একটি বাস নাটোরে আটকে দেওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে দুই জেলার পরিবহন সংশ্লিষ্টদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত ঘটে। পরে পাল্টাপাল্টি বাস আটকের ঘটনা ঘটে।
শনিবার সকালে নাটোরে রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী দেশ ট্রাভেলস ও ন্যাশনাল ট্রাভেলসের কয়েকটি বাস আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এর প্রতিবাদে রাজশাহী থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন রুটে দূরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ রাখেন পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা।
বাস চলাচল বন্ধ থাকায় রাজশাহীর বিভিন্ন বাস কাউন্টারে যাত্রীদের ভিড় দেখা যায়। অনেক যাত্রী আগে থেকেই টিকিট কেটে বাসের অপেক্ষায় ছিলেন। কেউ কেউ জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প যানবাহনে গন্তব্যে যাওয়ার চেষ্টা করেন।
ঢাকাগামী যাত্রী রফিকুল ইসলাম বলেন, "বাস চলাচল বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে ঢাকায় যেতে পারিনি। আবার বাস চলাচল শুরু হওয়ায় এখন কিছুটা স্বস্তি লাগছে।"
আরেক যাত্রী শাহিন আলম বলেন, "হঠাৎ পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছেন। মালিক-শ্রমিকদের বিরোধের কারণে যেন ভবিষ্যতে যাত্রীদের এভাবে ভোগান্তিতে পড়তে না হয়।"
রাজশাহী সড়ক পরিবহন গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম হেলাল বলেন, "ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনুর হস্তক্ষেপে দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে বিরোধের অবসান হওয়ায় শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে রাজশাহী থেকে সারাদেশে বাস চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ