বৃহস্পতিবার, ২ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৫:৩৪ পি.এম
ফাইল ছবি
দেশে আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। এই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১১৯ শিশু।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়নি।
এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ৬৩১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সঙ্গে হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯৩ শিশুর। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭২৪ শিশু মারা গেছে।
এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১৫৪ শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৬৫। এই সময়ে ৯০২ শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, অন্যদিকে হাসপাতাল থেকে ৮৭৭ শিশু ছাড়া পেয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২ হাজার ৯৯৩, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ২৮৬। এর মধ্যে হাসপাতালে মোট ৮৬ হাজার ৪১১ রোগী ভর্তি হয়েছে, যাদের মধ্যে ৮২ হাজার ৭৫৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার প্রথম দিনে, বাংলাদেশে সাধারণ নয়টি শিক্ষা বোর্ডসহ মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডের অধীন মোট ২৪ হাজার ৭৮৪ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া অসদুপায় অবলম্বনের কারণে ৭ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামানের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তি থেকে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রথম দিনে সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসিতে বাংলা (আবশ্যিক) প্রথম পত্র, মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে কুরআন মাজিদ এবং কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম/বিএমটি) ও ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স পরীক্ষায় বাংলা-২ বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিদেশের ৮টি কেন্দ্র বাদে দেশের সব পরীক্ষাকেন্দ্রে একযোগে সকাল থেকে পরীক্ষা শুরু হয়।
শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এবারে তিন ধারা মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯০৪ জন। এর মধ্যে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ১০ লাখ ১ হাজার ১২০ জন। অনুপস্থিত পরীক্ষার্থীদের মধ্যে, সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে ১৭ হাজার ২৩৩ জন, মাদ্রাসা বোর্ডে ৪ হাজার ৪৭৮ জন এবং কারিগরি বোর্ডে ৩ হাজার ৭৩ জন পরীক্ষার্থী প্রথম দিনের পরীক্ষায় বসেননি।
বোর্ডভিত্তিক অনুপস্থিতির চিত্র বিশ্লেষণে দেখা যায়, সাধারণ ৯টি বোর্ডের মধ্যে বরাবরের মতোই ঢাকা বোর্ডে সর্বাধিক ৩ হাজার ৯৭১ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। এরপর রাজশাহীতে ২ হাজার ৪৯৭ জন, কুমিল্লায় ১ হাজার ৭৯৫ জন, যশোরে ২ হাজার ৭৮ জন, চট্টগ্রামে ১ হাজার ৩৪০ জন, সিলেটে ১ হাজার ১২৭ জন, বরিশালে ১ হাজার ৩৪৬ জন, দিনাজপুরে ১ হাজার ৯৩৭ জন এবং ময়মনসিংহ বোর্ডে ১ হাজার ১৪২ জন পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন। শতকরা হারের দিক থেকে বরিশাল বোর্ডে সর্বাধিক ২ দশমিক ৫৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।
অন্যদিকে, প্রথম দিনের পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে মোট ৭ জন পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর মধ্যে যশোর বোর্ডে ২ জন এবং কুমিল্লা, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ, মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ডে ১ জন করে পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত হয়েছেন। তবে, প্রথম দিনে কোনো পরিদর্শক বহিষ্কারের ঘটনা ঘটেনি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ফরিদপুরে যাত্রীবাহী দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হয়েছে। গুরুতর আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেল ৩টার সময় ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ফরিদপুর সদর উপজেলার করিমপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
সূত্রে জানা গেছে, দর্শনা থেকে ঢাকাগামী রয়েল পরিবহনের একটি যাত্রীবাহী বাস করিমপুর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ফারিয়া পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসটির সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে অন্তত ১৫ যাত্রী আহত হয়। গুরুতর আহতদের দ্রুত উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানীয়রা ভর্তি করেন।
এদিকে, এই সংঘর্ষের ফলে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে যানবাহনের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এবং রেকার ব্যবহার করে মহাসড়ক থেকে বাস দুটি অপসারণ করলে যান চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়ে যায়।
করিমপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জহুরুল ইসলাম জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে তিনি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানান যে আহতদের উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তিনি আরো জানিয়েছেন, রেকার দ্বারা বাস দুটিকে অপসারণের পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে এবং বাসগুলো জব্দ করা হয়েছে। মামলার বিষয়টি বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারত এবং পাকিস্তানের ১১৬ জন বিশিষ্ট রাজনীতিক, সাবেক কূটনীতিক, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি একটি যৌথ খোলা চিঠি লিখেছেন দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শেহবাজ শরিফের উদ্দেশ্যে। চিঠিতে তারা দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধার এবং স্বাভাবিক সংলাপ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।
ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা, কূটনীতির সম্পর্কের অবনতি, বাণিজ্য ও যোগাযোগ বন্ধ থাকা এবং কাশ্মীরসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত ইস্যুতে দীর্ঘদিন ধরে সংলাপ স্থবির অবস্থায় থাকার কারণে দুই দেশের ১১৬ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এই খোলা চিঠি তৈরি করেছেন।
গত মঙ্গলবার (৩০ জুন) তারিখে লেখা সেই চিঠিতে স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ভারতের ৬১ জন এবং পাকিস্তানের ৫৫ জন ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। চিঠিটি সমন্বয় করেছেন ও পি শাহ, যিনি সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড প্রোগ্রেস-এর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি, স্বাভাবিক সম্পর্ক, সংলাপ ও সহযোগিতা পুনঃপ্রতিষ্ঠায় দুই সরকারের অর্থবহ ও ধারাবাহিক পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। মতপার্থক্য নিরসনের একমাত্র কার্যকর পথ হচ্ছে অব্যাহত সংলাপ ও সম্পৃক্ততা।’
স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন: ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ ও মেহবুবা মুফতি, ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস উইং তথা ‘র’-এর সাবেক প্রধান এ এস দুলাত, রাজ্যসভার এমপি মনোজ ঝা, পাকিস্তানের সাবেক কূটনীতিক আশরাফ জাহাঙ্গির কাজি, বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা মিরওয়াইজ ওমর ফারুক, ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মণি শঙ্কর আইয়ার এবং পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী খুরশিদ মাহমুদ কাসুরি।
স্বাক্ষরকারীরা দুই সরকারের প্রতি কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মধ্যে রয়েছে: পূর্ণাঙ্গ কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপন এবং একে অপরের দেশে আবার হাইকমিশনার নিয়োগ দেওয়া, ফের স্বাভাবিক ভিসা সেবা চালু করা, দীর্ঘসময় বন্ধ থাকা দ্বিপক্ষীয় সংলাপ পুনরায় শুরু করা এবং দুই দেশের মধ্যে সব ধরনের অমীমাংসিত ইস্যু নিয়ে নিয়মিত আলোচনা করা।
চিঠিতে জম্মু ও কাশ্মীরের বিষয়টি নতুন করে আলোচনার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৪ থেকে ২০০৭ সালের মধ্যে যে আলোচনার কাঠামো তৈরি হয়েছিল, সেটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানানো হয়েছে।
একই সঙ্গে উভয় দেশের নিরাপত্তা উদ্বেগের বিষয়টি বিবেচনায় রেখে সীমান্ত এলাকায় সামরিক উত্তেজনা হ্রাস এবং ধাপে ধাপে নিরস্ত্রীকরণের উদ্যোগ নেওয়ার ব্যাপারেও উল্লেখ করা হয়েছে।
চিঠিতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়েছে: দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য পুনরায় চালু করতে হবে, সমমানের বৈষম্যহীন বাণিজ্য ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে এবং আটারি-ওয়াগাহ সীমান্তের স্থলবন্দর আবার খুলে দিতে হবে।
এছাড়া চিঠিতে স্বাক্ষরকারীরা দিল্লি-লাহোর বাস সার্ভিস পুনরায় চালু করতে, শ্রীনগর-মুজাফ্ফরাবাদ বাস সার্ভিস চালু করতে, সমঝোতা এক্সপ্রেস ও থর এক্সপ্রেস ট্রেন পুনরায় চালু করতে, কারগিল-স্কার্দু রুট খুলে দিতে এবং বাণিজ্যিক বিমান চলাচলের জন্য দুই দেশের আকাশসীমা পুনরায় উন্মুক্ত করার আহ্বান জানিয়েছেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে: করতারপুর কোরিডর পুনরায় পুরোপুরি চালু করতে হবে, সারতা পীঠ তীর্থযাত্রীদের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে, শিক্ষার্থী, সাংবাদিক, শিল্পী ও ব্যবসায়ীদের পারস্পরিক সফর সহজ করতে হবে এবং গণমাধ্যম ও ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ শিথিল করতে হবে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘দক্ষিণ এশিয়ার ভবিষ্যৎ বিভাজন ও সংঘাত নয়, বরং শান্তি, সমৃদ্ধি এবং যৌথ অগ্রগতির ভিত্তিতে গড়ে উঠতে হবে। স্বাক্ষরকারীরা আরও উল্লেখ করেন, ভারত ও পাকিস্তান মিলিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ মানুষের আবাসস্থল, যার বড় অংশই তরুণ। দুই দেশের চলমান বৈরিতা লাখো তরুণের কর্মসংস্থান, উন্নয়ন এবং নিরাপদ ভবিষ্যতের সুযোগ সীমিত করছে।
চিঠির শেষাংশে দুই সরকারকে বিচ্ছিন্নতার পরিবর্তে সম্পৃক্ততা, বৈরিতার পরিবর্তে সংলাপ এবং সংঘাতের পরিবর্তে সহযোগিতার পথ বেছে নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কিশোরগঞ্জ থেকে ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটির নেত্রকোনার জারিয়া পর্যন্ত বর্ধিত করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কিশোরগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে এলাকাবাসী।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকাল ৩টা থেকে রেলওয়ে স্টেশনের প্ল্যাটফর্মে 'আমরা কিশোরগঞ্জবাসী' ব্যানারে এই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে, যখন কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ স্টেশনে পৌঁছায়, তখন আন্দোলনকারীরা ট্রেনের ইঞ্জিনের সামনে রেললাইনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন। তবে এতে ট্রেন চলাচলে কোনো সমস্যা হয়নি।
এ সময় বক্তারা বলেন, কিশোরগঞ্জ থেকে মাত্র ২টি ট্রেন ঢাকা রুটে চলাচল করে। এতে এমনিতেই জনগণের ভোগান্তি শেষ হচ্ছে না। কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নেত্রকোনা পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হলে কিশোরগঞ্জবাসীর বিড়ম্বনা আরও বাড়বে। বক্তারা অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত বাতিল না করা হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি গড়ে তোলার হুমকি দেন।
জেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক আহ্বায়ক ইকরাম হোসেন, পৌর মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক আলহাজ্ব ফরিদ আহাম্মদ, সাবেক কাউন্সিলর সাইফুল ইসলাম, সমাজসেবক মুরাদ ভূঁইয়াসহ অন্যান্যরা এই সময় উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ কিশোরগঞ্জ-ঢাকা রুটে চলাচলকারী আন্তঃনগর কিশোরগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটি নেত্রকোনার জারিয়া পর্যন্ত বর্ধিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ