ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাটির ঘরের দেয়াল ধসে শিশুর মৃত্যু


মাটির ঘরের দেয়াল ধসে  শিশুর মৃত্যু

নরসিংদীর রায়পুরায় টানা অতিবৃষ্টির ফলে মাটির ঘরের দেয়াল ধসে গিয়ে তানঝুমা আক্তার (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার মরজাল ইউনিয়নের মরজাল মাইজপাড়া গ্রামে এটি ঘটে।

নিহত তানঝুমা স্থানীয় আপেল মিয়ার মেয়ে এবং মাইজপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিষয়টি রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মজিবুর রহমান নিশ্চিত করেছেন।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

পুলিশ ও স্থানীয়দের মতে, দুপুরে স্কুল ছুটি শেষে বাড়ি ফেরার পথে তানঝুমা। এ সময় ওই এলাকায় একটি চালবিহীন পরিত্যক্ত মাটির ঘরের দেয়াল টানা ভারী বর্ষণের কারণে হঠাৎ করে ধসে তার ওপর পড়লে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু ঘটে।

মরজাল ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত সদস্য আছমা বেগম জানায়, মাটির ঘরের দেয়াল ধসে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

তিনি আরো জানান, নিহত শিশুর বাবা বর্তমানে কক্সবাজারে রয়েছেন। তিনি বাড়িতে ফিরলে তানঝুমার দাফন সম্পন্ন হবে।

রায়পুরা থানার ওসি মো. মজিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। পরিবারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রফতানি বাড়লেও লাভ কমছে, সংকটে খুলনার চিংড়ি চাষিরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪২ পি.এম


রফতানি বাড়লেও লাভ কমছে, সংকটে খুলনার চিংড়ি চাষিরা

দেশের প্রধান চিংড়ি উৎপাদন অঞ্চল খুলনায় নানা সংকটে উৎপাদনে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। মানসম্মত ও ভাইরাসমুক্ত পোনার সংকট, খরা, অতিবৃষ্টি, লবণ পানির স্বল্পতা, রোগবালাইসহ নানা কারণে দিন দিন চিংড়ি চাষে আগ্রহ হারাচ্ছেন চাষিরা। উৎপাদন বাড়াতে না পারায় রফতানি আয়েও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

মৎস্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় মোট ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৪ দশমিক ৮০ মেট্রিক টন চিংড়ি উৎপাদন হয়েছে। আগের অর্থবছরে এর পরিমাণ ছিল ১ লাখ ১৫ হাজার ২৩৯ দশমিক ৬২ মেট্রিক টন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে উৎপাদন সামান্য কমেছে। তবে একই সময়ে চিংড়ি ঘেরের সংখ্যা ২ লাখ ৬ হাজার ২৭৮টি থেকে বেড়ে ২ লাখ ২৬ হাজার ২৪০টিতে উন্নীত হলেও সে হারে উৎপাদন বাড়েনি।

জেলাভিত্তিক হিসাবে সর্বশেষ অর্থবছরে খুলনায় ৩০ হাজার ৬৯০ মেট্রিক টন, বাগেরহাটে ৪৪ হাজার ৫২৪ দশমিক ৩৪ মেট্রিক টন এবং সাতক্ষীরায় ৪০ হাজার ২০ দশমিক ৪৬ মেট্রিক টন চিংড়ি উৎপাদন হয়েছে।

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলার চিংড়ি চাষি কৌশিক বাগচি বলেন, 'একসময় চিংড়ি চাষ করে ভালো লাভ হতো। এখন মানসম্মত ও ভাইরাসমুক্ত পোনা পাওয়া সবচেয়ে বড় সমস্যা। অনেক সময় লাখ লাখ টাকার পোনা ছাড়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই রোগে মারা যায়। তখন ঋণের টাকা শোধ করাও কঠিন হয়ে পড়ে। আমরা চাই সরকার মানসম্মত পোনা নিশ্চিত করুক এবং ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা করুক।'

একই উপজেলার চাষি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, 'আগে মৌসুম অনুযায়ী লবণ পানি পাওয়া যেত। এখন জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কখনও দীর্ঘ খরা, আবার কখনও অতিবৃষ্টি হচ্ছে। এতে ঘেরের পানির লবণাক্ততা ঠিক রাখা যায় না। উৎপাদন খরচ বেড়েছে, কিন্তু বাজারে সেই অনুপাতে দাম পাওয়া যায় না। অনেকেই তাই চিংড়ি চাষ ছেড়ে অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন।'

আরেক চাষি শেখ সাইফুল ইসলাম বলেন, 'আমাদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ প্রয়োজন। আধুনিক পদ্ধতিতে কীভাবে রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে বা উৎপাদন বাড়াতে হবে, সে বিষয়ে অনেক চাষিরই ধারণা নেই। সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ, মানসম্মত খাদ্য ও পোনা নিশ্চিত করা গেলে উৎপাদন অনেক বাড়ানো সম্ভব।'

উৎপাদনে স্থবিরতা থাকলেও রফতানির পরিমাণ কিছুটা বেড়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে খুলনা অঞ্চল থেকে ৩৫ হাজার ৯৭০ দশমিক ৩৯০ মেট্রিক টন চিংড়ি রফতানি হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের ৩৪ হাজার ৮৭৬ দশমিক ৩৬৫ মেট্রিক টন থেকে প্রায় ১ হাজার ৯৪ মেট্রিক টন বেশি। তবে রফতানির পরিমাণ বাড়লেও আয় কমেছে।

সর্বশেষ অর্থবছরে রফতানি থেকে আয় হয়েছে প্রায় ৩০০ কোটি ৭৩ লাখ টাকার সমপরিমাণ, যেখানে আগের অর্থবছরে আয় ছিল প্রায় ৩১০ কোটি ৯৩ লাখ টাকা। অর্থাৎ রফতানির পরিমাণ বাড়লেও আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমে যাওয়ায় আয় কমেছে।

বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি তারিকুল ইসলাম জহির বলেছেন, 'বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের চিংড়ির এখনও ভালো চাহিদা রয়েছে। কিন্তু উৎপাদন বাড়ানো না গেলে ভবিষ্যতে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা কঠিন হবে। বর্তমানে ইকুয়েডর, ভারত ও ভিয়েতনাম আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম খরচে বেশি উৎপাদন করছে। আমাদেরও মানসম্মত পোনা উৎপাদন, ট্রেসেবিলিটি নিশ্চিত করা, আন্তর্জাতিক মানের চাষাবাদ এবং রফতানিকারকদের জন্য প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা বাড়াতে হবে। তা না হলে রফতানি বাজার ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়বে।'

খুলনা মৎস্য অধিদফতরের উপপরিচালক বিপুল কুমার বসাক বলেন, 'চিংড়ি শিল্পকে টেকসই করতে সরকার বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। চাষিদের আধুনিক প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে, ঘের ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন, রোগ নিয়ন্ত্রণ, মানসম্মত পোনা উৎপাদন এবং পরিবেশবান্ধব চাষাবাদে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মাঠ পর্যায়ে কারিগরি সহায়তা আরও বাড়ানো হচ্ছে। এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যে উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে বলে আমরা আশাবাদী।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পুকুরে লরি, নিহত দুই

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৪৭ পি.এম


অটোরিকশাকে চাপা দিয়ে পুকুরে লরি,  নিহত দুই

কুমিল্লার চান্দিনায় সিএনজিচালিত অটোরিকশাকে পেছন থেকে এক লরির ধাক্কায় উভয় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশে পুকুরে পড়ে গেছে। এই দুর্ঘটনায় অটোরিকশার চালক ও একজন কিশোর যাত্রী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন যাত্রী।

বুধবার (৮ জুলাই) দুপুর আড়াইটার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চান্দিনা উপজেলার নূরীতলা এলাকায় এই ঘটনাটি ঘটে।

নিহতদের পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার নিমসার পাঁচকিত্তা গ্রামের আব্দুল মান্নানের ছেলে হানিফ মিয়া (৩৫) এবং দেবীদ্বার উপজেলার দাঁড়িয়াপুর গ্রামের মনির হোসেনের ছেলে লাবিব হোসেন (১৫)। সজীব হোসেন (২৪) নামে এক আহত যুবক একই উপজেলার দাঁড়িয়াপুর গ্রামের সিরাজুল ইসলামের ছেলে। তিনি নিহত লাবিবের মামাতো ভাই।

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, বৃষ্টির মধ্যে মাধাইয়া থেকে এসে সিএনজিচালিত অটোরিকশাটি যখন নূরীতলা এলাকায় পৌঁছায়, তখন পেছন থেকে চট্টগ্রামগামী একটি লরি ধাক্কা দেয়। এর ফলে অটোরিকশাটি ছিটকে পড়ে এবং লরিটিও নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের পাশের পুকুরে পড়ে যায়।

দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা সাথে সাথে উদ্ধার অভিযান চালিয়ে আহতদের চান্দিনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং পরে তাদের অবস্থার অবনতি হলে কুমিল্লার বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় হানিফ মিয়া ও লাবিব হোসেন মারা যান।

হাইওয়ে পুলিশের ইলিয়টগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাকির হোসেন সিকদার জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহত তিনজনকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনার কারণ সহ অন্যান্য বিষয়ের তদন্ত চলছে, এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্বাস্থ্য খাত বাজেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫০ পি.এম


স্বাস্থ্য খাত বাজেটে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গুরুত্ব পেয়েছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন বলেছেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী দেশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে বাজেটে স্বাস্থ্য খাতকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

আজ রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি)-তে অনুষ্ঠিত ‘সুস্বাস্থ্যের বাংলাদেশ গঠনে ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার ভূমিকা’ শীর্ষক এক কর্মশালা এবং চিকিৎসক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

এই কর্মশালা ও চিকিৎসক সমাবেশের আয়োজন করে ইউনানী আয়ুর্বেদিক গ্রাজুয়েট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আগড্যাব)।

এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে চিকিৎসকদের উপস্থিত ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হোমিও ও দেশজ চিকিৎসার পরিচালক ডা. ফরিদা ইয়াসমিন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলামসহ দেশের প্রখ্যাত ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ এবং নীতিনির্ধারকগণ।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, দেশে প্রচলিত এলোপ্যাথির পাশাপাশি ইউনানী, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পদ্ধতির সবারই নিজস্ব ক্ষেত্র থেকে অবদান রাখার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে। তবে তিনি উল্লেখ করেন, ইউনানী ও আয়ুর্বেদিকের তুলনায় দেশে বর্তমানে হোমিওপ্যাথির প্রচলন অনেক বেশি। মানুষ এখন হারবাল মেডিসিনের প্রতিও আগ্রহী হয়েছে এবং হামদর্দ এখনও সুনামের সহিত কাজ করে যাচ্ছে।

বাগত সরকারের সমালোচনা করে মন্ত্রী বলেন, এদেশের মানুষের প্রতি তাদের কোনো দায়বদ্ধতা ছিল না। বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচির মত অনেক ইতিবাচক উদ্যোগ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় থেকে শুরু হয়েছিল। সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি (ইপিআই) তার একটি উদাহরণ। কিন্তু বিগত সরকারের সময়ের অবহেলার কারণে আজ হামের মত রোগ উদ্বেগজনক আকারে দেখা দিয়েছে।

তিনি উল্লেখ করেন, শিশুদের মৃত্যুর হৃদয়বিদারক দৃশ্য আমরা দীর্ঘ সময় পরে দেখলাম। যদি যথাসময়ে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া হতো তবে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না।

সর্বমহলে প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা উন্মুক্ত করার তাগিদ দিয়ে তিনি বলেন, আমি মনে করি এই চিকিৎসা বিজ্ঞানের আরও উৎকর্ষ সাধন প্রয়োজন। আরও গবেষণা হওয়া উচিত এবং স্নাতকোত্তর শিক্ষা সম্প্রসারণসহ এর পরিধি বাড়ানো প্রয়োজন। গবেষণার মাধ্যমে যদি এই চিকিৎসা ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা আরও বাড়ানো সম্ভব হয়, তাহলে মানুষের মধ্যে আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৫২ পি.এম


প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান, মাদরাসাছাত্রীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় এক অষ্টম শ্রেণির মাদরাসাছাত্রী (১৪) অপহরণের পর আটকে রেখে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে। এ ঘটনায় কুমিল্লার দেবীদ্বার থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার (৪ জুলাই) সকালে কুমিল্লার দেবীদ্বার পৌরসভার বারেরা এলাকায়। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে ওই স্কুলছাত্রী নিজেই বাদী হয়ে অভিযুক্ত মো. সবুজ মিয়া এবং তার মামাতো ভাই ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে এই মামলা করে। পুলিশ এখনও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে পারেনি।

অভিযুক্ত মো. সবুজ মিয়া পৌরসভার বারেরা গ্রামের মো. রমিজ মিয়ার ছেলে এবং অপর আসামী ইসমাইল হোসেন হলো সবুজের মামাতো ভাই। পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই মেয়ে স্থানীয় একটি মাদরাসায় অষ্টম শ্রেণিতে পড়াশোনা করে।

মাদরাসায় যাওয়া-আসার পথে তাকে নানা সময়ে উত্ত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিত সবুজ মিয়া। কিন্তু ওই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় সবুজ তাকে বিভিন্ন সময়ে ভয়ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। গত ১০-১২ দিন আগে সবুজ ভুক্তভোগী ছাত্রীর হাতে নিজের মোবাইল নম্বর দিয়ে বাড়ি গিয়ে ফোন করতে বলেন এবং ফোন না করলে মাদরাসায় যাওয়ার পথে ক্ষতি করার ভয় দেখান।

পরবর্তীতে ওই ছাত্রী বাধ্য হয়ে রাতে সবুজকে ফোন করলে সবুজ তাকে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তাব দেয়। তাতেও ওই ছাত্রী রাজি হয়নি। এরপর শুক্রবার (৩ জুলাই) রাত ৮টার দিকে সবুজ ওই ছাত্রীকে ফোন করে শনিবার সকালে দেবীদ্বার নিউ মার্কেট এলাকায় দেখা করতে বলেন এবং না করলে ক্ষতি করার ভয়ভীতি দেখায়।

পরদিন সকালে ওই ছাত্রী বাধ্য হয়ে সেখানে গেলে সবুজ তাকে একটি অটোরিকশায় তুলে নিজের বাড়ি বারেরা গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে তার ঘরের একটি কক্ষে আটকে রেখে ধর্ষণ করা হয়। কিছুক্ষণ পর ইসমাইল হোসেন সেই কক্ষে গিয়ে ওই ছাত্রীকে আবারও ধর্ষণ করেন। পরে দুই আসামী ওই ছাত্রীকে রাস্তায় ছেড়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ওই মাদরাসাছাত্রীর বাবা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সবুজ মিয়া তার মেয়েকে ভয়ভীতি দেখাচ্ছিল। সবুজ এবং তার মামাতো ভাই জোরপূর্বক মেয়েকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে। ঘটনার পরপরই মেয়েকে ভয়ভীতি দেখানোয় সে ভয়ে কিছু জানাতে পারেনি। মঙ্গলবার সকালে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পর সে এই ঘটনার কথা খুলে বলে এবং নিজে বাদী হয়ে দেবীদ্বার থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করে।

দেবীদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান বুধবার বিকেলে জানান, অষ্টম শ্রেণির এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। তিন-চার দিন আগের ঘটনা হওয়ায় আসামিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তবে আসামিদের গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। ওই ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%