শনিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০২:৩২ পি.এম
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে যোগদান শেষে দেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নিউইয়র্কে এই সফর শেষে তিনি দেশে ফিরছেন।
নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে, প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়ন করে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সফরে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং অন্যান্য সফরসঙ্গীরা।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় দুবাই পৌঁছানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর, রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
সফরকালে, প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন। এই ভাষণে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।
পাঁচ দিনের এই সফরে, প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি একাধিক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের নিউইয়র্ক সফরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদকেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মসূচির পাশাপাশি ১১টি দেশের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকসহ মোট ৩০টি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে, এমনটি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
মাহদী আমিন বলেন, এসব বৈঠক ও কর্মসূচিতে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সহযোগিতা, রোহিঙ্গা সংকট, স্বাস্থ্য, জলবায়ু ও আন্তর্জাতিক শান্তি সহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে।
নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে মাহদী আমিন এসব কথা বলেন।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের সফরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ-সংশ্লিষ্ট আটটি কর্মসূচি, জাতিসংঘের সাইডলাইনে চারটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান, ১১টি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির সঙ্গে আরও কয়েকটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী এসব বৈঠকে বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় তুলে ধরেছেন এবং বিভিন্ন দেশের সঙ্গে জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানো এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করেছেন।’
তিনি আরও জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী বৃহস্পতিবার সকালে ওয়াল স্ট্রিটের শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে জেপি মরগান চেজ আয়োজিত একটি প্রাতরাশ বৈঠকে অংশ নেন। সেখানে বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের সুযোগ এবং বিনিয়োগ বাড়ানোর উপায় নিয়ে আলোচনা হয়।’
এরপর প্রধানমন্ত্রী ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরে আসাকে স্বাগত জানানো হয় এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন উল্লেখ করে বলেন, সেখানে বাংলাদেশে মানবাধিকার, আইনের শাসন ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
তিনি জানান, ‘বৃহস্পতিবার মধ্যপ্রাচ্যের তিনটি দেশের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হয়েছে। তিনি কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স, সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন। এই তিনটি বৈঠকেই বাংলাদেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো তুলে ধরা হয়েছে।’
মাহদী আমিন বলেন, তিন দেশই প্রধানমন্ত্রীকে নিজ নিজ দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছে। বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশি কর্মীদের স্বার্থ রক্ষা, আরও জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা, খনিজ খাতে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
সরকার মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সম্পর্ককে আরও জোরদার করতে চায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনশক্তি রপ্তানি, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এই সম্পর্ককে আমরা নতুন পর্যায়ে নিতে চাই।’
প্রধানমন্ত্রীর চার দিনের কর্মসূচির বিবরণ তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, সাধারণ পরিষদ-সংশ্লিষ্ট আটটি কর্মসূচির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পাঁচটিতে বক্তব্য দিয়েছেন। এর বাইরে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘ মহাসচিব, মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূত, জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার হাইকমিশনার এবং জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
তিনি আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী গেটস ফাউন্ডেশন, ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউট এবং ওয়াল স্ট্রিটের বিনিয়োগকারীদের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন। উন্নয়ন অংশীদার ও স্থানীয় কমিউনিটির সঙ্গেও বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন।
মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের আয়োজনে রোহিঙ্গা সংকট এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য ও মিডওয়াইফারি নিয়ে দুটি উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান হয়েছে। এ ছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন ও জাস্ট ট্রানজিশন এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি নিয়েও প্রধানমন্ত্রী উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিয়েছেন।
তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও সফরে আটটি উচ্চপর্যায়ের কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন এবং এর চারটিতে বক্তব্য দিয়েছেন।
মাহদী আমিন বলেন, এর মধ্যে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্ল্যাটফর্ম অব উইমেন লিডার্স, ফার্স্ট স্পাউসেস ডায়ালগ এবং মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্য ও মিডওয়াইফারি-সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠান উল্লেখযোগ্য। এসব কর্মসূচিতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা ডা. জুবাইদার বক্তব্যের প্রশংসা করেছেন বলে তিনি জানান।
চার দিনে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা প্রায় ৮০টি বিভিন্ন কর্মসূচিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন বলেও জানান মাহদী আমিন।
প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, ছোট একটি প্রতিনিধিদল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে সময়ের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা হয়েছে এবং প্রতিটি কর্মসূচিতে বাংলাদেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিন পর বিশ্বমঞ্চে জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রধান হিসেবে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে বাংলাদেশের পরিকল্পনা ও অগ্রাধিকারের পাশাপাশি বিশ্বশান্তি, মানবতা, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয় উঠে এসেছে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, গণতান্ত্রিক সরকারের এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে এবং সামনের দিনগুলোতে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্বমঞ্চে আরও সমৃদ্ধ ও স্বনির্ভর দেশ হিসেবে এগিয়ে যাবে।’
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবীর, শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ওয়াশিংটনে বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজা, জাতিসংঘে বাংলাদেশের উপ-স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে এম ওয়াহিদুজ্জামান, প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনিসহ প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইংয়ের সদস্যরা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকাতে প্রতিদিনই কেনাকাটার জন্য কোথাও না কোথাও যেতে হয়। তবে, কোনো মার্কেটে যাওয়ার পূর্বে ওই এলাকার সাপ্তাহিক বন্ধের দিনটি জানা থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায়, বিড়ম্বনায় পড়তে হতে পারে আপনাকে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) তারিখে জানুন কোন কোন মার্কেট, শপিংমল এবং এলাকার দোকানপাট বন্ধ থাকবে।
বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
নয়াবাজার, ইসলামপুর কাপড়ের দোকান, ফরাশগঞ্জ টিম্বার মার্কেট, শ্যামবাজার পাইকারি দোকান, আজিমপুর সুপার মার্কেট, কাপ্তান বাজার, রাজধানী সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ সিটি করপোরেশন মার্কেট, ছোট কাটরা, বড় কাটরা হোলসেল মার্কেট, গুলিস্তান হকার্স মার্কেট, সামাদ সুপার মার্কেট, রহমানিয়া সুপার মার্কেট, ইদ্রিস সুপার মার্কেট, দয়াগঞ্জ বাজার, ধূপখোলা মাঠবাজার, চকবাজার, ফুলবাড়িয়া মার্কেট, সান্দ্রা সুপার মার্কেট, বাবুবাজার এবং শরিফ ম্যানশন।
বন্ধ থাকবে যেসব এলাকার দোকানপাট
শ্যামবাজার, বাংলাবাজার, চানখাঁরপুল, গুলিস্তানের দক্ষিণ অংশ, জুরাইন, করিমউল্লাহবাগ, পোস্তগোলা, শ্যামপুর, মীরহাজারীবাগ, ধোলাইপাড়, ধোলাইখাল, জয়কালী মন্দির, যাত্রাবাড়ীর দক্ষিণ-পশ্চিম অংশ, টিপু সুলতান রোড, ধূপখোলা, গেণ্ডারিয়া, নবাবপুর, সদরঘাট, তাঁতীবাজার, লক্ষ্মীবাজার, দয়াগঞ্জ, ওয়ারী, স্বামীবাগ, আহসান মঞ্জিল, লালবাগ, কোতোয়ালি, বংশাল, পাটুয়াটুলী, ফরাশগঞ্জ এবং শাঁখারী বাজার।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নেশনস লিগের ম্যাচে গোল করার পর বন্দুক চালানোর ভঙ্গিতে উদ্যাপন করার কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন ইসরায়েলের ফরোয়ার্ড সাইদ আবু ফারখি। এর ফলে লাল কার্ডের শাস্তি পেয়ে দলের সদস্য সংখ্যা ১০ জনে নেমে আসে, এবং ম্যাচটি শেষ করতে হয়েছে তাদের এই অবস্থায়।
রাইফআইসেন অ্যারেনায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে গোল করে ইসরায়েলকে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফিরিয়ে আনেন ফারখি। গোল উদ্যাপনের পর তিনি কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে চলে যান। সেখানে ফ্ল্যাগটি তুলে ডান হাঁটু মাটিতে রেখে বাঁ হাতে ফ্ল্যাগের লাঠি ধরে বন্দুক চালানোর মতো ভঙ্গি করেন।
তার উদ্যাপনটি পুল খেলায় শট নেওয়ার ভঙ্গি নাকি বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ার অনুকরণ, তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি স্পষ্ট হয়নি। তবে ফ্ল্যাগটি যথাস্থানে রেখে সতীর্থদের কাছে ফেরার সময় ফারখির মুখের হাসি মিলিয়ে যায়। রেফারি গিওর্গি কাবাকভ ততক্ষণে তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে ফেলেছেন।
ফারখি মাত্র চার মিনিট আগে প্রথম হলুদ কার্ড পেয়েছিলেন। ফলে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় কলোরাডো র্যাপিডসের এই ফরোয়ার্ডকে। রেফারির সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করতে করতে মাঠ ছাড়েন তিনি।
ফারখি মাঠ ছাড়ার পর ১০ জনের ইসরায়েলকে চাপের মধ্যে ফেলে অস্ট্রিয়া। ম্যাচের ৯০ মিনিটে এবং যোগ করা সময়ে আরও দুটি গোল করে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।
গোল উদ্যাপনের জন্য ফারখিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী গোল উদ্যাপনের সময় উসকানিমূলক, অপমানজনক বা বিতর্কিত আচরণের জন্য খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখানোর বিধান রয়েছে।
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ফারখির এমন উদ্যাপন আরও আলোচনা সৃষ্টি করেছে। গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলি ফুটবল দলকে নিয়ে প্রতিবাদ ও বর্জনের দাবিও উঠছে। নেশনস লিগে ইসরায়েলের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ বর্জনের দাবির মুখে পড়েছে আয়ারল্যান্ড। ম্যাচ দুটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে। জাতিসংঘও এই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হয়। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বিশ্বের ঘটনাবহুল এই দিনগুলোতে প্রতিদিন নানা ঘটনা ঘটে। উদ্ভাবন এবং উন্মোচন ঘটে অনেক কিছু। জন্মের পাশাপাশি মৃত্যুও ঘটে অনেকের। প্রতিদিনের এসব ঘটনার মধ্যে কিছু ঘটনা মানুষের মনে স্থায়ীভাবে দাগ কাটে। কিছু ঘটনা ইতিহাসের পাতায় স্থান পায়।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) এক নজরে দেখা যাক এমন কিছু বিশেষ ঘটনা।
ঘটনাবলি
১৫৮০ সালে স্যার ফ্রান্সিস ড্রেক তার সমুদ্রপথে বিশ্বভ্রমণ শেষ করে মাতৃভূমি ইংল্যান্ডে ফিরে আসেন।
১৭৭৭ সালে ব্রিটিশ বাহিনী ফিলাডেলফিয়া ও পেনসিলভানিয়া দখল করে নেয়।
১৮৪১ সালে ব্রুনাইর সুলতান সারাওয়াকা দ্বীপ ব্রিটেনের কাছে হস্তান্তর করেন।
১৮৮৭ সালে জার্মান অভিবাসী এমিল বার্লিনার যুক্তরাষ্ট্রে প্রথম কথা বলার যন্ত্র (গ্রামোফোন) পেটেন্ট করেন।
১৯০৭ সালে নিউজিল্যান্ড ব্রিটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে।
১৯৩২ সালে মহাত্মা গান্ধী এবং বি আর আম্বেদকর পুনা চুক্তিতে সম্মত হন।
১৯৫০ সালে জাতিসংঘ বাহিনী উত্তর কোরিয়ার কাছ থেকে সিউ পুনর্দখল করে।
১৯৫০ সালে ইন্দোনেশিয়া জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে।
১৯৫৯ সালে জাপানের হনসুতে দুদিনব্যাপী টাইফুনে সাড়ে চার হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
১৯৬০ সালে সিকাগোতে প্রথম টেলিভিশন বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয় প্রেসিডেন্ট প্রার্থীদের মধ্যে। প্রার্থীরা হলেন- রিচার্ড এম নিঙ্ন ও জন এফ কেনেডি।
১৯৬০ সালে ফিদেল ক্যাস্ত্রো ইউএসআর-এর প্রতি কিউবার সমর্থন জানান।
১৯৬২ সালে উত্তর ইয়েমেনের রাজতন্ত্রী ব্যবস্থাকে অকার্যকর ঘোষণা করা হয়।
১৯৬৮ সালে সুইজারল্যান্ড জাতিসংঘে যোগদান করে।
১৯৭৩ সালে কনকর্ড বিমান রেকর্ড সময়ের মধ্যে কোথাও না থেমে আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দেয়।
জন্ম
১৭৭৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একজন রোল মডেল পরিবেশবিদ জনি আপেলসিড জন্মগ্রহণ করেন।
১৮২০ সালে উনিশ শতকের বিশিষ্ট বাঙালি শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক ও গদ্যকার ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৭৬ সালে ভারতীয় মুসলিম রাজনীতিবিদ ও কবি গোলাম ভিক নৈরাগ জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮৮ সালে ব্রিটেনের সমকালীন বিখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক টি এস এলিয়ট জন্মগ্রহণ করেন।
১৮৮৯ সালে জার্মান দার্শনিক মার্টিন হাইডেগার জন্মগ্রহণ করেন।
১৯২৩ সালে ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেতা ও পরিচালক দেব আনন্দ জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩২ সালে ভারতীয় রাজনীতিবিদ ও ১৪তম প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৩৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী নেত্রী ও জাতীয় কংগ্রেসের নারী শাখার প্রধান উইনি ম্যান্ডেলা জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৪৩ সালে অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটার ও সাবেক অধিনায়ক ইয়ান চ্যাপেল জন্মগ্রহণ করেন।
১৯৮১ সালে মার্কিন টেনিস খেলোয়াড় সেরেনা উইলিয়ামস জন্মগ্রহণ করেন।
মৃত্যু
১৯৫৯ সালে আততায়ীর হাতে আহত হয়ে শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী সলোমন বন্দরনায়েক মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৮২ সালে চিত্রশিল্পী নীরদ মজুদার মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৮৯ সালে খ্যাতিমান বাঙালি কণ্ঠশিল্পী, সংগীত পরিচালক এবং প্রযোজক হেমন্ত মুখোপাধ্যায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি হিন্দি সংগীত জগতে হেমন্ত কুমার নামে পরিচিত।
১৯৯০ সালে ইতালির খ্যাতনামা ঔপন্যাসিক আলবার্টো মোরাভিয়া মৃত্যুবরণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ