প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নেশনস লিগের ম্যাচে গোল করার পর বন্দুক চালানোর ভঙ্গিতে উদ্যাপন করার কারণে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয়েছেন ইসরায়েলের ফরোয়ার্ড সাইদ আবু ফারখি। এর ফলে লাল কার্ডের শাস্তি পেয়ে দলের সদস্য সংখ্যা ১০ জনে নেমে আসে, এবং ম্যাচটি শেষ করতে হয়েছে তাদের এই অবস্থায়।
রাইফআইসেন অ্যারেনায় শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) রাতে অস্ট্রিয়ার বিরুদ্ধে ম্যাচের ৫৫ মিনিটে গোল করে ইসরায়েলকে ১-১ ব্যবধানে সমতায় ফিরিয়ে আনেন ফারখি। গোল উদ্যাপনের পর তিনি কর্নার ফ্ল্যাগের কাছে চলে যান। সেখানে ফ্ল্যাগটি তুলে ডান হাঁটু মাটিতে রেখে বাঁ হাতে ফ্ল্যাগের লাঠি ধরে বন্দুক চালানোর মতো ভঙ্গি করেন।
তার উদ্যাপনটি পুল খেলায় শট নেওয়ার ভঙ্গি নাকি বন্দুক থেকে গুলি ছোড়ার অনুকরণ, তাৎক্ষণিকভাবে বিষয়টি স্পষ্ট হয়নি। তবে ফ্ল্যাগটি যথাস্থানে রেখে সতীর্থদের কাছে ফেরার সময় ফারখির মুখের হাসি মিলিয়ে যায়। রেফারি গিওর্গি কাবাকভ ততক্ষণে তাকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখিয়ে ফেলেছেন।
ফারখি মাত্র চার মিনিট আগে প্রথম হলুদ কার্ড পেয়েছিলেন। ফলে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের ফলে লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় কলোরাডো র্যাপিডসের এই ফরোয়ার্ডকে। রেফারির সিদ্ধান্তে বিস্ময় প্রকাশ করতে করতে মাঠ ছাড়েন তিনি।
ফারখি মাঠ ছাড়ার পর ১০ জনের ইসরায়েলকে চাপের মধ্যে ফেলে অস্ট্রিয়া। ম্যাচের ৯০ মিনিটে এবং যোগ করা সময়ে আরও দুটি গোল করে ৩-১ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা।
গোল উদ্যাপনের জন্য ফারখিকে দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখানো নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী গোল উদ্যাপনের সময় উসকানিমূলক, অপমানজনক বা বিতর্কিত আচরণের জন্য খেলোয়াড়কে হলুদ কার্ড দেখানোর বিধান রয়েছে।
ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংঘাতের প্রেক্ষাপটে ফারখির এমন উদ্যাপন আরও আলোচনা সৃষ্টি করেছে। গাজায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইসরায়েলি ফুটবল দলকে নিয়ে প্রতিবাদ ও বর্জনের দাবিও উঠছে। নেশনস লিগে ইসরায়েলের বিপক্ষে দুটি ম্যাচ বর্জনের দাবির মুখে পড়েছে আয়ারল্যান্ড। ম্যাচ দুটি নিরপেক্ষ ভেন্যুতে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
গাজায় হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ছাড়িয়েছে। জাতিসংঘও এই পরিসংখ্যানকে নির্ভরযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করে। ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর দক্ষিণ ইসরায়েলে হামাসের নেতৃত্বাধীন হামলার পর ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধ শুরু হয়। ওই হামলায় প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ নিহত হন এবং ২৫১ জনকে জিম্মি করা হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন