ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এনার্জি ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রামের জন্য ওয়ালটন পেলো ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’


এনার্জি ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রামের জন্য ওয়ালটন পেলো ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬’

টেকসই নেট জিরো ইনিশিয়েটিভ এবং এনার্জি ইফিশিয়েন্সি প্রোগ্রাম এর জন্য সাশ্রয়ী ও ক্লিন এনার্জি ক্যাটাগরিতে ওয়ালটন 'এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬' জয় করেছে। তাছাড়া উৎপাদন প্রক্রিয়ায় টেকসই সবুজ প্রযুক্তির ব্যবহারের পাশাপাশি জলবায়ু সুরক্ষায় প্রমাণিত বিশেষ অবদানের জন্য ওয়ালটনকে জলবায়ু ও পরিবেশ ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার প্রদান করা হয়।

এছাড়া বর্ষসেরা সবচেয়ে টেকসই ইলেকট্রনিক পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে ও ওয়ালটন পুরস্কার লাভ করেছে। গত বছর ওয়ালটন একই অ্যাওয়ার্ড এর তৃতীয় আসরে তিনটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কৃত হয়েছিল।

শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় রাজধানী ঢাকার রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন হোটেলে আয়োজিত এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ওয়ালটনকে ‘এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ডস-২০২৬’ তিনটি ক্যাটাগরিতে প্রদান করা হয়।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

পুরস্কারগুলো গ্রহণ করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) মো. ইউসুফ আলী, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. আব্দুল্লাহ-আল-মামুন, শাহজালাল হোসেন লিমন, তানভীর আঞ্জুম ও প্রতীক কুমার মদক, চিফ মার্কেটিং অফিসার জোহেব আহমেদ, ইএইচএস অ্যান্ড সাসটেইনেবিলিটি বিভাগের প্রধান মো. মোস্তাফিজুর রহমান রাজু প্রমুখ।

পুরস্কারপ্রাপ্তির ব্যাপারে ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মো. ইউসুফ আলী জানিয়েছেন, তিন ক্যাটাগরিতে 'এসডিজি ব্র্যান্ড চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড-২০২৬' অর্জন করায় ওয়ালটন পরিবার অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। ওয়ালটনকে এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার প্রদানের জন্য তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

সাসটেইনেবল ব্র্যান্ড ইনিশিয়েটিভ ও বাংলাদেশ ব্র্যান্ড ফোরামের সহযোগিতায় এবং বাংলাদেশ ইনোভেশন কনক্লেভের উদ্যোগে এই পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। এই আয়োজনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো টেকসই উন্নয়নের জন্য কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে স্বীকৃতি প্রদান করা।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশে ফিরে এসেছে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:০৭ এম


দেশে ফিরে এসেছে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি,

টানা ২ দফা কমানোর পরে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ফের দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নতুনভাবে ভরিতে ১ হাজার ৬৩৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা নির্ধারণ করেছে তারা।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকালে বাজুস একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে। নতুন দাম আজ সকাল সাড়ে ১০টা থেকে কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। সেজন্য সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন এই দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২১ হাজার ৪৪১ টাকা হবে। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১১ হাজার ৪৬৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮১ হাজার ৬০৮ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৩৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত সকল জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এই দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের ডিজাইন অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে ভ্যাট যুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া সুনির্দিষ্ট ভ্যাট, মজুরি ও পাথর বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের আগের নিয়ম তাৎক্ষণিকভাবে বহাল থাকবে।

এটি উল্লেখযোগ্য যে, সর্বশেষ গত ১৪ জুলাই সকালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন। সেদিন ভরিতে ২ হাজার ১৫৮ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১৯ হাজার ৮০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। ২১ ক্যারেটে প্রতি ভরি ২ লাখ ৯ হাজার ৮৯৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮০ হাজার ২৬৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৭ হাজার ৩১৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এটি কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টায়।

বর্তমানে চলতি বছর ৯২বার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ৪৪ দফা বাড়ানো হয়েছে, কমানো হয়েছে ৪৭ দফা এবং ১ দফা ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৯ বার কমানো হয়েছিল।

স্বর্ণের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ৬০৭ টাকায়। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা ২ হাজার ৮৫৮ টাকায় বেচাকেনা হচ্ছে।

এ পর্যন্ত চলতি বছরে দেশের বাজারে ৫৬ দফা রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে দাম ২৮ দফা বাড়ানো হয়েছে; আর বাকি ২৮ দফা কমানো হয়েছে। গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার এবং কমেছিল মাত্র ৩ বার।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজ নিয়োগ দেবে, প্রভিডেন্ট ফান্ড-গ্র্যাচুইটিসহ বহু সুবিধা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১০ এম


ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজ নিয়োগ দেবে, প্রভিডেন্ট ফান্ড-গ্র্যাচুইটিসহ বহু সুবিধা

ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। যারা আগ্রহী এবং যোগ্যতা রাখেন তারা আবেদন করতে পারেন।

নিয়োগের পদের নাম এবং সংখ্যা: জোনাল সেলস ম্যানেজার এবং এর সংখ্যা নির্ধারিত নয়।

আবেদনের যোগ্যতা: প্রার্থীদের স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে। তার পাশাপাশি কমপক্ষে ৮ বছরের অভিজ্ঞতা লাগবে। নারী এবং পুরুষ উভয়ে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। বয়সসীমা উল্লেখ করা হয়নি। কর্মস্থল দেশের যেকোনো স্থানে হতে পারে।

বেতন ও অন্যান্য সুবিধা: মাসিক বেতন আলোচনা সাপেক্ষে নির্ধারণ করা হবে। অন্যান্য সুবিধা হিসেবে রয়েছে উৎসব বোনাস, স্বাস্থ্য এবং জীবন বিমা, কন্ট্রিবিউটরি প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি এবং মাতৃত্বকালীন/পিতৃত্বকালীন ছুটির সুবিধা।

আবেদনের নিয়ম: যারা আবেদন করতে চান তাদের জন্য বিজ্ঞপ্তিটি বিস্তারিত দেখার 

আবেদনের সময়সীমা: আবেদন করা যাবে আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করার প্রতিশ্রুতি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৩ এম


২০২৭ সালের মধ্যে নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করার প্রতিশ্রুতি

সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কমানোর লক্ষ্যে জাতিসংঘ অনুমোদিত 'সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ' (নিরাপদ সড়ক কাঠামো) অনুসরণ করে সরকারের পক্ষ থেকে একটি নতুন সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নের কাজ চলছে।

স্থানীয় সময় সোমবার (২০ জুলাই) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত সড়ক নিরাপত্তাবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এই অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি জানান, ২০২১–২০৩০ সালের বৈশ্বিক সড়ক নিরাপত্তা কর্মপরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশ ইতোমধ্যে বিভিন্ন আইনি, নীতিগত ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এর মধ্যে আছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) নির্ভর গতিনিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ, দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি সেবা নিশ্চিত করা এবং মহাসড়কে পথচারীদের নিরাপত্তা জোরদারে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ।

তিনি বলেন, ‘সেইফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ এবং আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম চর্চার আলোকে ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন চূড়ান্ত করে তা অনুমোদন ও প্রণয়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

সড়ক নিরাপত্তাকে জাতীয় রাজনৈতিক অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে শেখ রবিউল আলম বলেন, ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য দৃঢ় রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর অংশীদারত্ব এবং সবার সম্মিলিত দায়িত্বশীলতা প্রয়োজন। নিরাপদ, টেকসই ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সড়ক ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে বাংলাদেশ ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাবে।

এছাড়া উল্লেখযোগ্য যে, জাতিসংঘ সদর দপ্তরে আয়োজিত সড়ক নিরাপত্তা উন্নয়নবিষয়ক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী। প্রতিনিধি দলে রয়েছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত সালাহউদ্দিন নোমান চৌধুরী এবং বাংলাদেশ রোড সেফটি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোহাম্মদ শব্বির হাসান খান।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজধানীর ১২০ মোড়ে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর পরিকল্পনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৫ এম


রাজধানীর ১২০ মোড়ে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল বসানোর পরিকল্পনা

মোতাহার হোসেন

ঢাকা, ২১ জুলাই, ২০২৬ : রাজধানীর ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আগামী ছয় মাসের মধ্যেই সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থার কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। ইতোমধ্যে ১২টি পয়েন্টে এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী মাসখানেকের মধ্যে এই সংখ্যা ৬০ পর্যন্ত পৌঁছাবে বলে জানিয়েছে ট্রাফিক বিভাগ।

এছাড়া, যানজট হ্রাস করতে গত প্রায় এক বছরে নগরীর ৭৫টি পয়েন্টে সড়ক ডাইভারশন ও স্থাপত্যগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। ডিএমপির পরিকল্পনা রয়েছে ভবিষ্যতে গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (জিপিএস) ভিত্তিক ট্রাফিক নজরদারির পাশাপাশি প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরও আধুনিকীকরণ করার।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান সম্প্রতি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা বাসস’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব তথ্য তুলে ধরেন। তিনি জানান, বর্তমানে ডিএমপি ট্রাফিকে প্রায় ৪ হাজার ১০০ সদস্য কাজ করছেন। কিন্তু ছুটি, প্রশিক্ষণ ও অসুস্থতার কারণে ৩ হাজার ৬০০ থেকে ৩ হাজার ৭০০ সদস্য রাজধানীর ৬৬৮টি ট্রাফিক পয়েন্টে দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে ২৫টিরও বেশি পয়েন্টে ২৪ ঘণ্টা ডিউটি দিতে হয়, যেখানে তিন পালায় দায়িত্ব পালিত হয়। বেশিরভাগ পয়েন্টে দুই পালায় কাজ করা হয়।

আনিছুর রহমান জানাচ্ছেন, সীমিত জনবল দিয়ে রাজধানীর যানজট কমাতে গত বছর বিভিন্নভাবে ৭৫টি পয়েন্টে ডাইভারশন ও মডিফিকেশন করা হয়েছে। সেখানে কিছু পরিবর্তনের ফলে এখন পর্যন্ত কোন বড় ধরনের যানজট বা নতুন জটিলতা সৃষ্টি হয়নি। বরং মাঠে যানজট কমার ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

তিনি উদাহরণ হিসেবে বলছেন, রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ-এর পশ্চিম প্রান্তে আসাদ গেটের ওপাশের চার রাস্তার মোড়ে পূর্বে বেশিরভাগ সময় যানজট লেগে থাকত এবং সেখানে বেশি সংখ্যক ট্রাফিক সদস্য মোতায়েনের প্রয়োজন পড়ত। তবে পরে ওই মোড়ে চলাচল বন্ধ করে বাম দিকে ঘুরে ইউটার্ন নেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

এতে বাম লেন সব সময় সচল থাকে এবং যানবাহনের চাকা থেমে থাকে না। এছাড়া যুদ্ধে মোহাম্মদপুরের বসিলা, বনানীর কাকলী, মিরপুরের ইসিবি চত্বর ও কালশী ফ্লাইওভারের নিচেও একই ধরনের ডাইভারশন ও মডিফিকেশন করা হয়েছে। তিনি মনে করেন, ঢাকা একটি অত্যন্ত জনবহুল মেগাসিটি। সেক্ষেত্রে শুধু ট্রাফিক সদস্যের সংখ্যা বাড়ানো সমস্যার সমাধান দিতে সক্ষম হবে না।

সড়কের নকশা বিশ্লেষণ করে বৈজ্ঞানিকভাবে ডাইভারশন এবং মডিফিকেশন করা হলে কার্যকারিতা প্রচুর বৃদ্ধি পাবে। এ কারণে ৭৫টি স্থানে পরিবর্তন আনা হয়েছে এবং আরও অনেক পরিকল্পনা রয়েছে, সেগুলি বাস্তবায়িত হলে দর্শকদের সঙ্গে আরও ভাল সেবা প্রদান সম্ভব হবে বলেও তার বিশ্বাস।

তিনি আরো বলেন, কোথায় কখন যানজট হয়, সে সম্পর্কে ট্রাফিক বিভাগের অভিজ্ঞতা রয়েছে। পিক আওয়ার, অফ-পিক আওয়ার অনুযায়ী সদস্যদের দায়িত্ব পালন করা হচ্ছে। তবে শুধুমাত্র ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে দীর্ঘমেয়াদী ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্ভব নয়। এই ব্যবস্থায় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সংযোগ ঘটাতে হবে, সেটাই হবে দীর্ঘমেয়াদি কার্যকর সমাধান।

আনিছুর রহমান উল্লেখ করেছেন, রাজধানীতে ধীরে ধীরে সেমি-অটোমেটিক ট্রাফিক সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু হচ্ছে। বর্তমান ১২টি পয়েন্টে এ ব্যবস্থা রয়েছে, যা আগামী এক মাসের মধ্যে ৬০টি পয়েন্ট অতিক্রম করবে। এরপর আগামী ছয় মাসে রাজধানীর প্রধান ১২০টি পয়েন্টকে এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে।

বर्तमान সিগন্যালগুলো ম্যানুয়ালি নিয়ন্ত্রণ করা যায় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সিগন্যালের সময় পরিবর্তন করা সম্ভব। তবে উন্নত দেশগুলোতে পুরো সিস্টেম একটি অ্যালগরিদমের মাধ্যমে পরিচালিত হয়। একজন সিগন্যাল অন্য আরেকটি সিগন্যালের সাথে যুক্ত থাকে, এবং নির্দিষ্ট সময়ে কতগুলো যানবাহন এসেছে তার ভিত্তিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সিগন্যালের সময় নির্ধারণ করা হয়।

বর্তমানে সেমি-অটোমেটিক ব্যবস্থা চালুর কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে আনিছুর রহমান জানিয়েছেন, উন্নত বিশ্বের সড়কগুলো অত্যন্ত বৈজ্ঞানিকভাবে পরিকল্পিত। যেখানে বলা হয় কোথায় কিভাবে মোড় তৈরি হবে, কত ডিগ্রি কোণে বাঁক থাকবে, এবং কোথায় উঁচু বা নিচু হবে। আমাদের দেশে সড়কব্যবস্থার পরিকল্পনা তেমনভাবে গড়ে ওঠেনি। এজন্য উন্নত দেশের মডেল পুরোপুরি এখানে প্রয়োগ করা সম্ভব নয়।

বর্তমান ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আনিছুর রহমান বলেন, গত দুই মাসে নগরবাসীর কাছ থেকে প্রত্যাশার চেয়ে বেশি সহযোগিতা পাওয়া গেছে। মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে ট্রাফিক আইন মেনে চলছে এবং সিগন্যাল অনুসরণ করে শৃঙ্খলা রক্ষা করছে। এর ফলে আগের তুলনায় দীর্ঘ সময় যানজটে আটকে থাকার ঘটনা কমেছে।

তবে তিনি সতর্ক করেন, ঢাকার সব সমস্যা শেষ হয়নি। ভারী বৃষ্টিপাত হলে সড়ক অচল হয়ে যায় এবং সড়ক অবরোধ করা হলে যান চলাচলে বড় ধরনের প্রভাব পড়ে। সুতরাং ঢাকা শহরের যানজটকে বিচ্ছিন্নভাবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। বিভিন্ন সমস্যাসমূহ একে অপরকে প্রভাবিত করে।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বলেন, ভারী বৃষ্টিপাতের সময় অটোমেটিক সিস্টেম পরিচালনা করতেও বিভিন্ন সময়ে বাধার সম্মুখীন হতে হয়। সেক্ষেত্রে ম্যানুয়াল সিগন্যাল নিয়ন্ত্রণ করতে হয়। তবে ভবিষ্যতে পুরোপুরি অটোমেটিক ব্যবস্থায় যাওয়া পরিকল্পনা রয়েছে। তবে রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণ ও প্রয়োজনীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের ওপর নির্ভর করবে এ উদ্যোগের বাস্তবায়ন।

এছাড়া, যানজট নিরসনের জন্য শুধু ট্রাফিক পুলিশের উদ্যোগ যথেষ্ট নয় বলে জানান আনিছুর রহমান। সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থা এবং সড়ক ব্যবহারকারী প্রত্যেক মানুষেরও দায়িত্ব রয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দেশের বড় সমস্যা হচ্ছে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের অভাব। অনেক সময় প্রয়োজনীয় সমন্বয় ছাড়াই রাতারাতি রাস্তা কেটে উন্নয়ন কাজ শুরু করা হয়, যা যান চলাচলে সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

পর্যাপ্ত যেসব কাজে ত্রুটি সৃষ্টি হচ্ছে তাদের মধ্যেও রাস্তা কেটে কাজ শুরু করা নিয়েই বড় সমস্যা দেখা দেয়। আবার উন্নয়ন কাজের সময় ট্রাফিক সিগন্যালের কেবল কেটে ফেলায় পুরো সিগন্যাল ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই কার্যকর সমন্বয় নিশ্চিত করা আবশ্যক।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%