শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:২১ পি.এম
জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার নির্দেশনা প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দেন।
সভায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এনএসডিএ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। যদিও বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, তবে যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে এসব প্রশিক্ষণ ও সনদ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। এর ফলে, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সনদের বিপরীতে তরুণ প্রজন্ম কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এনএসডি-এর গভর্নিং বডিকে দ্রুত একটি ছোট কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে, যাতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনা যায়।
তিনি অভিন্ন সিলেবাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ এবং সনদায়ন ব্যবস্থা চালু হলে দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি বৃদ্ধি পাবে।
সভায় এনএসডি-এর প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও কার্যাবলি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। এছাড়া জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা বিশ্লেষণ এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়।
এ সময় প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, সনদায়ন এবং সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।
সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুণ, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, এনএসডিএর নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ইন্টার মিলান ও ইতালির কিংবদন্তি ফুটবলার সান্দ্রো মাজ্জোলা আর আমাদের মাঝে নেই। সাবেক এই তারকা ফুটবলার শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ৮৩ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেছেন। ইতালিয়ান ক্লাব ইন্টার মিলান তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে এক বিবৃতির মাধ্যমে।
মাজ্জোলার মৃত্যুতে ইন্টার ক্লাব শোক প্রকাশ করেছে। ক্লাবটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সান্দ্রো মাজ্জোলা শুধুমাত্র নেরাজ্জুরিদের ইতিহাসেরই একজন মহান খেলোয়াড় ছিলেন না, বরং ফুটবলের ইতিহাসেও তিনি অন্যতম সেরা। ইন্টারের ইতিহাসের সঙ্গে তার নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। ক্লাবে যোগ দেওয়ার পর থেকে তিনি কখনোই তা ত্যাগ করেননি।
মাজ্জোলা তার পেশাদার ক্যারিয়ারের পুরো সময়টিই ইন্টারে কাটিয়েছেন। ১৭ বছরের ক্লাব ক্যারিয়ারে তিনি ইন্টারের হয়ে চারবার ইতালিয়ান লিগ শিরোপা জিতেছেন এবং দুবার ইউরোপিয়ান কাপের খেতাব অর্জন করেছেন। এই ফরোয়ার্ডের অবদান ছিল ইন্টারকে ইউরোপের অন্যতম শক্তিশালী দলে পরিণত করার ক্ষেত্রে।
জাতীয় দলের হয়ে ইতালির হয়ে তার ক্যারিয়ারও ছিল উজ্জ্বল। ১৯৬৮ সালে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপজয়ী ইতালি দলের সদস্য ছিলেন মাজ্জোলা। পরবর্তীতে ১৯৭০ সালের মেক্সিকো বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেন তিনি। সেই বিশ্বকাপে ফাইনালে ব্রাজিলের কাছে ৪-১ গোলে পরাজিত হয়ে শিরোপা হাতছাড়া করে ইতালি।
তবে মাজ্জোলার জীবন ও ফুটবল ক্যারিয়ার একটি গভীর পারিবারিক ট্র্যাজেডির সঙ্গে জড়িত। তার বাবা ভ্যালেন্তিনো মাজ্জোলা ছিলেন ইতালির জাতীয় দলের ফুটবলার এবং তৎকালীন তুরিনোর অধিনায়ক। ১৯৪৯ সালের সুপারগা বিমান দুর্ঘটনায় মাত্র ছয় বছর বয়সে বাবাকে হারান সান্দ্রো। ওই দুর্ঘটনায় তুরিনোর পুরো দলসহ ৩১ জন নিহত হন।
ফুটবল মাঠে অসাধারণ সাফল্য এবং ব্যক্তিগত জীবনের সেই মর্মান্তিক অধ্যায় মিলিয়ে সান্দ্রো মাজ্জোলা ইতালিয়ান ফুটবলের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় একটি নাম হয়ে থাকবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও ক্রিকেটার ইমরান খানের মুক্তির জন্য যুক্তরাজ্যকে তার প্রভাব কাজে লাগানোর আহ্বান জানিয়েছেন সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী, রাজনীতিবিদ ও লেখক বোরিস জনসন। তিনি ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য ডেইলি মেইলে প্রকাশিত একটি মতামতধর্মী লেখায় ইমরান খানের কারাবন্দি অবস্থার তীব্র সমালোচনা করেন এবং দ্রুত তার আপিল শুনানির দাবি জানান।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ওই লেখায় জনসন উল্লেখ করেন, ৭৩ বছর বয়সী ইমরান খান পাকিস্তানের একটি কারাগারের ছোট ও অস্বাস্থ্যকর প্রকোষ্ঠে দীর্ঘদিন ধরে বন্দি রয়েছেন। তার দাবি অনুযায়ী, প্রকোষ্ঠটির আয়তন প্রায় ৬ ফুট বাই ৮ ফুট এবং সেখানে শৌচাগারও রয়েছে। তিনি আরও জানান, ওই প্রকোষ্ঠে জানালা নেই।
জনসন আরও লেখেন, ইমরান খানকে দিনের পর দিন একাকী রাখা হয় এবং দীর্ঘ সময় বই, সংবাদপত্র ও দর্শনার্থীদের কাছ থেকেও দূরে রাখা হয়। তার দাবি, দীর্ঘদিন যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ায় ইমরান খানের ডান চোখের ৮৫ শতাংশ দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে।
ইমরান খানের কারাবন্দি অবস্থার বিষয়ে জাতিসংঘের নির্যাতনবিষয়ক বিশেষ প্রতিবেদক গত দুই বছরে তিনবার উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, এমন তথ্যও জনসন তার লেখায় উল্লেখ করেন। এছাড়া, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের উদ্বেগ এবং পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্টের চিকিৎসাসংক্রান্ত পর্যবেক্ষণের কথাও তিনি তুলে ধরেন।
ইমরান খানের বিরুদ্ধে ২০২২ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদ ছাড়ার পর একাধিক মামলা দায়ের করা হয়েছে। জনসন দাবি করেন, এসব মামলার বেশিরভাগ পরে বাতিল বা ভেঙে পড়েছে। তবে আল-কাদির ট্রাস্ট মামলায় ইমরান খান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবির বিরুদ্ধে অভিযোগ ও সাজা রয়েছে এবং ইমরান খান সেই সাজার বিরুদ্ধে আপিল করছেন।
জনসনের বক্তব্য, এই মামলায় ইমরান খান ও তার স্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ে দেওয়া অর্থ থেকে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সুবিধা পেয়েছেন—এমন বিষয় পাকিস্তানি প্রসিকিউটররা স্বীকার করেছেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, মামলাটির বিষয়ে ইমরানের আপিল দ্রুত ও স্বাধীন আদালতে শুনানি হওয়া উচিত।
তবে জনসন দাবি করেন, মামলাগুলো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব ইমরান খানকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চায়। এটি তার নিজস্ব রাজনৈতিক মূল্যায়ন, আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়।
লেখায় জনসন জানান, তিনি ইমরান খানকে ব্যক্তিগতভাবে চেনেন এবং তার সঙ্গে একটি ভালো সম্পর্ক রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে ইমরান খানের পরিবেশ ও বন সংরক্ষণ এবং নারীদের শিক্ষার প্রসারে নেওয়া উদ্যোগের প্রশংসাও করেন তিনি।
তবে ইমরানের সব অবস্থানের সঙ্গে তিনি একমত নন বলেও স্পষ্ট করেন। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে ইমরানের অবস্থান এবং তালেবান বিষয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গির সমালোচনাও করেন জনসন।
জনসন তার লেখায় ইমরান খানের ক্রিকেট ক্যারিয়ারও তুলে ধরেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, ইমরান পাকিস্তানকে ১৯৯২ সালে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ে নেতৃত্ব দেন। এর আগে ভারত ও ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও পাকিস্তানের প্রথম টেস্ট জয়গুলোর নেতৃত্বে ছিলেন তিনি।
জনসনের মতে, ইমরানের বিপুল জনপ্রিয়তার কারণে পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব তাকে নিয়ে উদ্বিগ্ন। তিনি দাবি করেন, ইমরান মুক্তি পেলে তার সমর্থকেরা তাকে পরবর্তী নির্বাচনে বড় ধরনের সমর্থন দিতে পারেন। তবে এটি জনসনের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ, নিশ্চিত নির্বাচনী ফলাফলের পূর্বাভাস নয়।
জনসন বলেন, ইমরান খানের দুই ছেলে সুলাইমান ও কাসিমের ব্রিটিশ পাসপোর্ট রয়েছে। ইমরান নিজেও যুক্তরাজ্যে পড়াশোনা করেছেন এবং দেশটির ক্রিকেটেও খেলেছেন।
তার মতে, পাকিস্তানের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। তাই ইমরান খানের কারাবন্দি অবস্থার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের আরও জোরালোভাবে অবস্থান নেওয়া উচিত।
লেখার শেষাংশে জনসন ইমরান খানকে কারাগার থেকে মুক্ত করার আহ্বান জানান এবং তার আপিলের বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির কথাও বলেন।
সূত্র: দ্য ডেইলি মেইল
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার গাজীর বাজারে আগুনের ঘটনায় পাঁচটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পুড়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্তদের মতে, এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তবে এই অগ্নিকাণ্ডের ফলে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে আশ্রাফপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান রেজাউল মাওলা হেলাল এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে- মিজানুর রহমানের মুদি দোকান, আমির হোসেনের চায়ের দোকান, জয়না আবেদিনের মুদি দোকান, বাবুলের মুদি দোকান এবং আবুল বাশারের ফার্নিচারের দোকান। উল্লেখ্য, ফার্নিচারের দোকানটি আংশিকভাবে পুড়ে গেছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, শুক্রবার রাতে তারা দোকান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। পরে দোকানে আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা বাজারে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর আগেই কিছু দোকানের মালামাল ও স্থাপনা পুড়ে যায়।
কচুয়া ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের লিডার মো. হেলাল উদ্দিন জানান, স্থানীয়দের কাছ থেকে রাত ২টার দিকে আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং রাত সোয়া ৩টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তবে তদন্তের পর আগুন লাগার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
আশ্রাফপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রেজাউল মাওলা হেলাল বলেন, সকালে ইউপি সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা তৈরি করে উপজেলা প্রশাসনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পানিসম্পদ মন্ত্রী এবং বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি মন্তব্য করেছেন যে, "যেদিন আমরা শপথ নিয়েছি, সেদিন বিরোধীদল উপস্থিত হয়নি।" তিনি উল্লেখ করেছেন যে, প্রথম দিন থেকে বর্তমান পর্যন্ত বিরোধীদল সরকারকে সব ধরনের অসহযোগিতা প্রদান করে আসছে। এই অসহযোগিতার ফলে কিছু ব্যক্তি ডিসেম্বরে আসতে ইচ্ছুক। তিনি আরও বলেন, "যদি বিরোধী দল এই সুযোগটা না দিত, লংমার্চ যদি না করত, তাহলে এই সুযোগটা পেত না।"
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার মান্দারী এলাকায় জিল্লুর রহিম কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত বিশেষায়িত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, চক্ষু শিবির ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
এই আয়োজনটি জেলা ডক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব) এবং লাইন্স ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট ৩১৫ এ-৩ দ্বারা পরিচালিত হয়।
শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, "বিএনপিকে একটা চাপে রেখে তারা (বিরোধী দল) ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসতে চায়।" তিনি প্রশ্ন করেন, "এভাবে কি ভবিষ্যতে ক্ষমতায় আসা যায়?" তিনি আরও বলেন, "এবার ক্ষমতায় আসতে চেয়েছে, বেহেশতের কথা বলে। ভোটের এক সপ্তাহ আগে হাতের ভেতর আইডি কার্ড নিয়ে টাকা দিয়ে কিছু ভোট নিয়েছে।" তিনি দাবি করেন, "আমাদের কিছু মানুষের দুর্বল জায়গায় আঘাত করে কিছু ভোট নিয়েছে।" তিনি সতর্ক করে বলেন, "এজন্য ভবিষ্যতে আমাদেরকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে হবে।"
মন্ত্রী বলেন, "কোনো ধরনের সুযোগ নিয়ে বাংলাদেশ ও জনগণের ক্ষতি করবে, বিএনপি এবং তারেক রহমানের সরকার এটা মেনে নেবে না। কারণ আমরা জনগণের জন্য দীর্ঘদিন থেকে লড়াই সংগ্রাম করতে করতে এখানে এসেছি।"
তিনি আরও উল্লেখ করেন, "৫-ই আগস্টের জন্য ১৭ বছর আমাদেরকে লড়াই সংগ্রাম করতে হয়েছে।" তিনি বলেন, "হঠাৎ করে ৫-ই আগস্ট আসেনি। এই ৫-ই আগস্ট আসার ক্ষেত্রে আপনারা-আমরা, আমাদের ছাত্র-যুবক, তরুণ-তরুণী তারা মাঠে থেকে আন্দোলন করেছে।" তিনি জানান, "আন্দোলন করে এই প্রেক্ষাপটটা তৈরি করেছে বিধায় ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হয়েছে। সেই নির্বাচনে আমরা এই দেশের দায়িত্ব পেয়েছি, দায়িত্ব পরিচালনা করছি।"
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাছিবুর রহমান, নোয়াখালী জেলা সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ার হোসেন, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নিলুফা ইয়াসমিন নিপা এবং চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি বেলাল হোসেন প্রমুখ।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ