ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ফ্যামিলি কার্ডের ডাটাবেজে আসবে সাড়ে ৪ কোটি পরিবারের তথ্য


ফ্যামিলি কার্ডের ডাটাবেজে আসবে সাড়ে ৪ কোটি পরিবারের তথ্য

দেশের নারীর ক্ষমতায়ন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের অগ্রাধিকারমূলক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় আজ থেকে সারাদেশে পরিবার বা খানা পর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের প্রায় সাড়ে ৪ কোটি পরিবারের তথ্য একক ডিজিটাল ডাটাবেজে যুক্ত হবে।

সোমবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন এ তথ্য প্রকাশ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং তথ্য অধিদপ্তরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদসহ মন্ত্রণালয় ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

প্রেস ব্রিফিংয়ে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ ১২ অক্টোবর থেকে সারাদেশে সরাসরি বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়েছে। এই কাজে ৬৬ হাজার ৮১৫ জন প্রশিক্ষিত তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত রয়েছেন। আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে তথ্য সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন হবে। ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো ডেটাবেজ প্রস্তুত করা হবে।

ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, “ফ্যামিলি কার্ড পেতে সাধারণ মানুষকে কোনো সরকারি দপ্তর বা কোনো ব্যক্তির পেছনে ঘুরতে হবে না; সরকারের তথ্য সংগ্রহকারীরাই সরাসরি প্রতিটি পরিবারের দোরগোড়ায় যাবেন। সম্পূর্ণ বৈজ্ঞানিক প্রক্সি মিন্স টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতির মাধ্যমে ডেটাবেজ থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্য পরিবার চিহ্নিত করা হবে। ফলে এখানে কোনো রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি বা অসদুপায় অবলম্বনের সুযোগ নেই।”

তিনি আরও জানান, প্রাথমিকভাবে সাড়ে ৪ কোটি (প্রতি ৫ জন সদস্য মিলে একটি পরিবার) পরিবারের মধ্য থেকে পিএমটি স্কোরের ভিত্তিতে ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ২ কোটি ১০ লাখ অতিদরিদ্র, দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারকে ভাতা প্রদানযোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন জানান, চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নতুন ৪১ লাখ নারী পরিবার প্রধানকে এই ভাতার আওতায় আনা হচ্ছে। আগামী চার বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে যোগ্য সকল পরিবার এই সুবিধা পাবেন। কর্মসূচি বাস্তবায়নে চলতি অর্থবছরে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যার মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা ভাতা হিসেবে বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

মন্ত্রী জানান, কার্ডধারী নারীদের জন্য সরবরাহকৃত ফ্যামিলি কার্ডটি হবে অত্যন্ত সুরক্ষিত। ডুয়েল চিপ, কিউআর কোড এবং নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন বা এনএফসি প্রযুক্তি সম্বলিত এই কার্ডটি সরকারের ‘টাকা পে’ পেমেন্ট স্কিমের সাথে যুক্ত থাকবে। এর মাধ্যমে সুবিধাভোগীরা যেকোনো ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণি বিতানের পিওএস মেশিন কিংবা বিকাশ, নগদ-এর মতো মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করে তাদের পছন্দমতো স্থানে ভাতা তুলতে পারবেন।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, স্বচ্ছতা বজায় রাখতে এবং কোনো যোগ্য পরিবার যেন বাদ না পড়ে, সে উদ্দেশ্যে প্রতিটি ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের ‘সেবা কেন্দ্র’ থেকে অনলাইন ও অফলাইনে অভিযোগ জানানো ও আপিলের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এছাড়া তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবাস পদ্ধতির সাথে এ তথ্য ক্রস-চেক করা হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, গৃহীত এই কর্মসূচির পারিবারিক ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়নে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থাকে যুক্ত করে নিয়মিত গবেষণা ও রিভিউ পরিচালনা করা হবে।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেষ দিনে ৭ উইকেট দরকার বাংলাদেশের, ড্রয়ের আশা আফগানিস্তানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


শেষ দিনে ৭ উইকেট দরকার বাংলাদেশের, ড্রয়ের আশা আফগানিস্তানের

শুরুতেই এবাদত-হাসানের দুর্দান্ত বোলিংয়ে দুই উইকেট তুলে নিলেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে রহমত শাহ ও সেদিকুল্লাহ আতালের ব্যাটিং বাংলাদেশকে চাপে রেখেছিল। এবাদত আবারও সেই জুটি ভেঙে দেন। তবে আফগানিস্তান এখনও ড্রয়ের আশা রাখছে। পঞ্চম ও শেষ দিনে বাংলাদেশকে জিততে হলে আরও ৭ উইকেট নিতে হবে।

চতুর্থ দিনের শেষে আফগানিস্তান ৩ উইকেটে ১৩২ রান তুলেছে। তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ৩৪৭ রান।

বাংলাদেশের দেওয়া ৪৭৯ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে আফগানিস্তানের উদ্বোধনী জুটি ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ভেঙে যায়। টাইগার পেসার এবাদত হোসেনের করা বলে কটবিহাইন্ড হয়ে আউট হন আব্দুল মালিক। তার ব্যাট থেকে আসে ২ রান। পরবর্তী উইকেটে নামা শহীদুল্লাহকে ১৪ রানে আউট করেন হাসান মাহমুদ।

দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পরেও তৃতীয় উইকেট জুটিতে চাপ সামলে নেন ওপেনার সেদিকুল্লাহ আতাল ও অভিজ্ঞ রহমত শাহ। এই দুই ব্যাটার সতর্কতার সঙ্গে খেলছিলেন। তবে আফগানরা দিন শেষ করতে পারেনি। রহমত এবাদত হোসেনের বলে কটবিহাইন্ড হয়ে আউট হন। তিনি ১২৪ বল খেলে ৫১ রান করেন।

এরপর হাশমতউল্লাহ শহীদিকে নিয়ে দিন শেষ করেন আতাল। আতাল ১২৬ বলে ৩৫ রান এবং হাশমত ২৭ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন।

এদিকে তৃতীয় দিনের শেষ বিকেলের ঝড়ে বাংলাদেশ ১১ রানের ব্যবধানে তিন উইকেট হারিয়েছিল। চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে তারা ৬ উইকেটে ২২৩ রানে। লিটন ৫ রানে অপরাজিত থাকলেও মিরাজ তখনও রান খোলেননি।

এই দুজনের জুটিতে বাংলাদেশ দ্বিতীয় ইনিংসে দলীয় স্কোর তিনশ পার করে এবং লিড চারশ রানেরও বেশি করে। লিটন ১৪ ও ২৬ রানে জীবন পেয়ে ৬১ বলে টানা দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারের ২২তম হাফ সেঞ্চুরি করেন। তিনি একপ্রান্তে বেশ আগ্রাসী ছিলেন, অন্যদিকে মিরাজ ধীরে এগোচ্ছিলেন।

লিটন দ্বিতীয় ইনিংসে ১৮ রান করার পর ৯ হাজার আন্তর্জাতিক রানের মাইলফলকে পৌঁছান। কায়েস আহমেদের বলেই দুইবার জীবন পান। প্রথমবার স্লিপের ফিল্ডার কামাল ক্যাচ ফেলে দেন এবং পরে কায়েস নিজেই ক্যাচ ধরতে ব্যর্থ হন।

লিটন ও মিরাজের মধ্যে বড় জুটি গড়ে ওঠে। সপ্তম উইকেট জুটিতে তারা ১৪৯ রান তুলেন, যা সফরকারীদের জন্য বড় লিড এনে দেয়।

লিটন ফিফটি করেই থামেননি। ১১৫ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন। তবে তিনি ১০২ রানে সাজঘরের পথ ধরেন। তার এই অনবদ্য ইনিংসটি ১১৭ বলে ১৪টি চারে সাজানো।

এদিকে মিরাজও ফিফটি পেয়েছেন। তিনি ৯৭ বলে ৫২ রানে অপরাজিত ছিলেন। ৭ উইকেটে ৩৭২ রান করার পর বাংলাদেশ ইনিংস ঘোষণা করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই স্বাগতিক আফগানিস্তান ব্যাট করতে নামবে।

এর আগে বাংলাদেশ নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৩৪৬ রান করে। এরপর হাসান মাহমুদ ও এবাদত হোসেনের দুর্দান্ত বোলিংয়ে আফগানিস্তানকে ২৪০ রানে অলআউট করে সফরকারী দল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সুলতানুল আফরীন জুনাইদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব নিলেন সুলতানুল আফরীন জুনাইদ

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ।

১২ অক্টোবর সোমবার, বিদায়ী মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালের কাছ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এ দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অন্যদিকে, মহাপরিচালক হিসেবে দুই বছর ১০ দিনের দায়িত্ব পালন শেষে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন করেছেন।

এ সময় বিদায়ী মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামাল ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সে দায়িত্ব পালনের সময়ের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি তুলে ধরেন।

তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিকতা, নিষ্ঠা ও সহযোগিতার কথা স্মরণ করেন এবং দায়িত্ব পালনকালে তাদের কাছ থেকে পাওয়া সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

বিদায়ী মহাপরিচালক তার দপ্তরে নবনিযুক্ত মহাপরিচালকের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেন। দায়িত্ব হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হওয়ার পর তিনি অধিদপ্তরের পরিদর্শন বইতে স্বাক্ষর করেন এবং সব পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেন।

দায়িত্ব গ্রহণের পর বিকেল ৪টায় নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।

তিনি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। জনগণের জানমালের সুরক্ষা, অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, দুর্ঘটনা ও দুর্যোগে দ্রুত সাড়া প্রদান এবং উদ্ধার কার্যক্রমে পেশাগত দক্ষতা ও সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে তার প্রত্যাশা তুলে ধরেন।

প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় জনসেবার মান আরো উন্নত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

এর আগে, ২২ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুল আফরীন জুনাইদকে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে নিয়োগ এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহাম্মদ জাহেদ কামালকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবর্তন-সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে নৈশকোচের ধাক্কায় পথচারীর প্রাণ গেল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৪ পি.এম


ঠাকুরগাঁওয়ে নৈশকোচের ধাক্কায় পথচারীর প্রাণ গেল

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চুনিহারী বাজার এলাকায় ঢাকাগামী একটি নৈশ কোচের ধাক্কায় মতিয়র রহমান (৫২) নামের একজন ব্যক্তি নিহত হয়েছেন।

এ দুর্ঘটনাটি সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে ঘটে। নিহত ব্যক্তির পরিচয় অনুযায়ী, তিনি ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার ৯ নম্বর রায়পুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চুনিহারী গ্রামের মৃত বশিরউদ্দিনের পুত্র।

স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, চুনিহারী বাজার এলাকায় রাস্তার পাশে চলাচল করার সময় বালিয়াডাঙ্গী থেকে ঢাকাগামী একটি নাইট কোচ তাকে ধাক্কা দিয়ে চলে যায়। এরপর তার স্বজনেরা তাকে উদ্ধার করে বিকেল ৫টার দিকে ঠাকুরগাঁও ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে বিধি অনুযায়ী, তার মরদেহ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়।

এদিকে, দুর্ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নিহতের পরিবার এবং এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঝালকাঠিতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে দুই জেলের ৩০ দিনের কারাদণ্ড

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১২ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


ঝালকাঠিতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে দুই জেলের ৩০ দিনের কারাদণ্ড

ঝালকাঠির রাজাপুরে মা ইলিশ শিকারের অভিযোগে দুই জেলের বিরুদ্ধে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রিফাত আরা মৌরী এই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন এবং দণ্ড প্রদান করেন।

দণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন নলছিটি উপজেলার ভবানীপুর এলাকার মো. সুমন (৫৫) এবং মো. রাজিব হোসেন (৪৫)।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোমবার দুপুরে বিষখালী নদীর ভবানীপুর এলাকা থেকে রাজাপুরের একটি দল তাদের আটক করে। পরে ইউএনও রিফাত আরা মৌরী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদের প্রত্যেককে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন।

এ বিষয়ে ইউএনও রিফাত আরা মৌরী মন্তব্য করেন, "মা ইলিশ সংরক্ষণে সরকার ঘোষিত নিষেধাজ্ঞা বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ কাজ করছে। নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ইলিশ শিকার করলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%