ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

গৌরীপুরে প্রেমপত্রের বদলে আসছে তালাকপত্র, প্রতি মাসে ১২-২০টি


গৌরীপুরে প্রেমপত্রের বদলে আসছে তালাকপত্র, প্রতি মাসে ১২-২০টি

একসময়ে পত্র প্রাপকরা একটি চিঠি বা টেলিগ্রামের জন্য তীর্থের কাকের মতো অপেক্ষা করতেন। প্রিয়জনের লেখা চিঠি হাতে পাওয়ার আনন্দে সব কষ্ট ভুলে যেতেন। ডাক প্রেরকরাও ডাকঘরের দিকে ছুটতেন। প্রতিদিন ডাকঘরের ডাকবাক্স খুলে যাচাই-বাছাই করে সেই ডাক নিয়ে শহর, নগর, গ্রাম ও গঞ্জের পাড়া-মহল্লায় ছুটতেন ডাক পিয়ন ও রানাররা। তবে এখন ডাকঘরগুলোতে সেই কর্মব্যস্ততা আর নেই। ময়মনসিংহের গৌরীপুরের অধিকাংশ শাখা ডাকঘর ঝাড়-জঙ্গলে খোঁজার পরও পাওয়া যায়। সব ডাকঘরে তালা ঝুলছে।

এদিকে, এসব পোস্ট অফিসে শুধুমাত্র সরকারি ও বেসরকারি নিয়োগপত্র এবং মামলা সংক্রান্ত চিঠিপত্র আসছে। কোন পোস্ট অফিসে বছরে একটি প্রেমপত্রও আসার খবর নেই। তবে, প্রত্যেকটি পোস্ট অফিসে প্রতি মাসে ১২ থেকে ২০টি তালাকপত্র আসার তথ্য পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে, উপজেলার মাওহা ইউনিয়নের ভূটিয়ারকোনা ডাকঘরটি একটি জঙ্গলের ভেতরে অবস্থিত। পাশেই উচ্চ বিদ্যালয়, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ইউনিয়ন পরিষদ থাকলেও ডাকঘরে যাওয়ার জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট রাস্তা নেই।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

স্থানীয়রা জানান, পোস্ট মাস্টার কবে এসেছেন, তা তারা কেউ দেখেননি। পোস্ট অফিসের দরজায় আগাছার আখড়া, সামনে গোচারণ ভূমি হওয়ায় গোবর-আবর্জনা এবং পরগাছায় ভরপুর।

অন্য একটি ডাকঘর কিল্লাতাজপুর। বাজার বা জনগণের কথা বিবেচনা না করে পোস্ট মাস্টারের দেওয়া জমিতে নির্মাণ করা হয়েছে। একই অবস্থা দেখা গেছে অচিন্তপুর ইউনিয়নের মুখুরিয়া, মইলাকান্দা ইউনিয়নের লামাপাড়া ও ভবানীপুরে। রামগোপালপুর ইউনিয়নের ভবানীপুরের জমিদার এ পোস্ট অফিসের শাখা চালু করেন, তবে একটি নির্ধারিত স্থানে নেই। বোকাইনগর ইউনিয়নে স্থানান্তর হলেও এলাকাবাসী এ নামের ডাকঘর চেনেন না। রামগোপালপুর, পাছারবাজার, শাহগঞ্জ ও বীরআহাম্মদপুর ডাকঘরেও তালাবদ্ধ পাওয়া যায়।

সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রত্যেকটি পোস্ট অফিসে সৌরবিদ্যুৎ, কম্পিউটার, ল্যাপটপ থাকা সত্ত্বেও সেবা কার্যক্রম নেই।

পাছার পোস্ট মাস্টার মো. আতাউর রহমান জানান, তিনি ১৯৯১ সাল থেকে এ ডাকঘরে কর্মরত। এক সময় ডাকঘরের গুরুত্ব ছিল। গ্রামের ছেলে-মেয়ে থেকে বকশিসও পাওয়া যেত। চিঠি পেয়ে দৌড়ানোর দিনগুলো এখন আর নেই। মোবাইলের কারণে এসব শেষ হয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তিনি আরও জানান, গত মাসে ১৪টি তালাকনামা এসেছে। আদালতের চিঠি, এনজিওর চিঠি এসেছে। তবে গত ২-৩ বছরের মধ্যে একটি প্রেমপত্রও আসেনি।

লামাপাড়া পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার ফরিদ উদ্দিন আহমেদ জানান, এসব ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী দেওয়ার পরপরই নষ্ট হয়ে গেছে।

ভবানীপুর পোস্ট মাস্টার মহসিন মাহমুদ শাহ জানান, সব ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী নষ্ট হয়ে গেছে। তাই এগুলো অফিসে জমা দেওয়া হয়েছে।

পাছার ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার মো. আতাউর রহমান জানান, আমাদের বেতনভাতা নামকাওয়াস্তে। আমরা ৪ হাজার ৪৬০ টাকা পাই, পিয়ন পান ৪ হাজার ৩৫৪ টাকা এবং রানার পান ৪ হাজার ১৭৭ টাকা। এরপরেও সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

এসব অভিযোগের বিষয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার কথা উল্লেখ করে গৌরীপুর প্রধান ডাকঘরের পোস্ট মাস্টার আমিনুল ইসলাম জানান, উপজেলা পোস্ট অফিসে প্রতি মাসে ৮০ টাকা অফিস খরচ, যা দিয়ে স্টেপলারের পিন কেনা সম্ভব নয়। বাজেট বরাদ্দ না থাকায় আমরাও সেইভাবে কাজ করতে পারছি না।

তিনি আরও জানান, প্রতি মাসে উপজেলার ১৪টি শাখা পোস্ট অফিস ও উপজেলা পোস্ট অফিসে প্রায় ১৬০ থেকে ১৮০টি তালাকপত্র আসে। যা বছরে ২ হাজারের অধিক হবে। গৌরীপুরে বিয়ে বিচ্ছেদের বিষয়টি বেড়ে যাচ্ছে। গত নভেম্বরে এ পোস্ট অফিসে যোগদানের পর কোন তরুণ-তরুণীর নামে কোনো চিঠি (প্রেমপত্র) আসতে দেখি নাই।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টার ঠিক করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার প্রার্থী, তদন্তে পুলিশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৪ পি.এম


নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টার ঠিক করতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার প্রার্থী, তদন্তে পুলিশ

যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টার মেরামত করতে গিয়ে দুই ব্যক্তির দ্বারা ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন কংগ্রেস নির্বাচনের প্রার্থী বার্নাডেট গ্রিন-প্লাসেনশিয়া। এই ঘটনা ঘটে ১৪ আগস্ট ভোররাতে ফিনিক্স শহরের উপশহর সান সিটিতে। দুই সপ্তাহেরও বেশি সময় পর, ৩১ আগস্ট তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। বর্তমানে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে।

মারিকোপা কাউন্টি শেরিফের দপ্তরের একটি প্রতিবেদন এবং প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারশিবিরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার সময়ে গ্রিন-প্লাসেনশিয়া নিজের নির্বাচনী প্রচারণার পোস্টার লাগানো ও মেরামতের কাজ করছিলেন। কাজ শেষে গাড়ির দিকে ফেরার পথে অজ্ঞাতপরিচয় দুই ব্যক্তি তার মাথার পেছনে আঘাত করেন, যার ফলে তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। মাথায় আঘাতের সংখ্যা বা পদ্ধতি সম্পর্কে তার কোনো স্মৃতি নেই। হামলার সঠিক স্থানও তিনি ও তদন্তকারীরা নিশ্চিত করতে পারেননি।

পুলিশের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, জ্ঞান ফেরার পর তিনি একজনকে যৌন নির্যাতন (ধর্ষণ) করতে দেখেন এবং অন্য ব্যক্তিও তাকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেছেন। এ সময় তাকে চেপে ধরে রাখা হয়েছিল, যার ফলে তার দুই হাতে কালশিটে দাগ পড়ে। তিনি জানান, পা দিয়ে লাথি মেরে তিনি প্রতিরোধের চেষ্টা করেছিলেন।

গ্রিন-প্লাসেনশিয়ার কাছে অভিযুক্তদের চেহারা বা পোশাক সম্পর্কে পরিষ্কার কোনো স্মৃতি নেই। তবে তিনি তদন্তকারীদের জানিয়েছেন যে, তাদের একজনের কালো বুট ও ছোট পায়ের কথা মনে আছে। ঘটনার একপর্যায়ে একজনকে ডেমোক্র্যাট নারী বলে গাল দিতে শুনেছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে। তবে পরে তিনি সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে বলেন, সে সময় ঠিক কী শুনেছিলেন, তা নিয়ে তিনি নিশ্চিত নন।

গ্রিন-প্লাসেনশিয়া অ্যারিজোনার অষ্টম কংগ্রেসনাল আসন থেকে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রার্থী। তার নির্বাচনী এলাকায় ফিনিক্সের কিছু অংশ এবং সান সিটিসহ আশপাশের অঞ্চল রয়েছে। তিনি জানান, গ্রীষ্মের প্রচণ্ড গরম এড়াতে সাধারণত রাত ১২টা থেকে রাত ২টার মধ্যে প্রচারণার পোস্টার লাগানো বা মেরামতের কাজ করতেন। এ সময় তার সঙ্গে সাধারণত অন্তত একজন থাকতেন।

ঘটনার পর তিনি বাড়ি ফিরে গোসল করেন এবং তিনবার গোসলের পাশাপাশি একবার বাথ টাবেও গোসল করেছিলেন বলে পুলিশকে জানান। তবে তিনি হাসপাতালে যাননি কিংবা যৌন নির্যাতনের (ধর্ষণ) শিকার ব্যক্তিদের জন্য নির্ধারিত বিশেষ চিকিৎসা ও নমুনা পরীক্ষাও করাননি। পরে পোশাক ধুয়ে ফেলায় সেখান থেকে সম্ভাব্য ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের সুযোগও সীমিত হয়ে পড়ে। ঘটনার পর শরীরের কালশিটে দাগ বা মাথার ফোলার কোনো ছবিও তিনি তোলেননি বলে পুলিশি প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

গত ১ সেপ্টেম্বর শেরিফের দপ্তর তার সঙ্গে আবার যোগাযোগ করে। তখন তিনি জানান, মাথার পেছনের বাঁ পাশে বড় ধরনের ফোলা ছিল। বাঁ হাতেও হাতের ছাপের মতো দেখতে লম্বাটে তিনটি কালশিটে দাগ ছিল। এছাড়া ঘটনার পর দুই থেকে তিন দিন তার যোনিপথে রক্তপাত হয়েছিল বলেও তিনি জানান। অভিযুক্ত ব্যক্তিরা শ্বেতাঙ্গ পুরুষ হতে পারেন বলে তার ধারণা। তবে তারা হেঁটে চলে গিয়েছিলেন, নাকি কোনো গাড়িতে করে পালিয়েছিলেন, তা তিনি মনে করতে পারেননি।

ঘটনার পরপরই স্বামী বা নির্বাচনী প্রচারশিবিরের কর্মীদের কিছু জানাননি গ্রিন-প্লাসেনশিয়া। দুই থেকে তিন দিন পর স্বামী আলেকজান্ডার প্লাসেনশিয়া এবং প্রচারশিবিরের দুই কর্মীকে বিষয়টি জানান। পরে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে দীর্ঘ পথ গাড়ি চালিয়ে নিজেকে সামলাতে পারলেও এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে রক্ষা করতে না পারায় তিনি ক্ষুব্ধ ও বিব্রত বোধ করেছিলেন। প্রথমদিকে ঘটনাটি নিয়ে কথা বলতেও চাননি।

তিনি বলেন, ঘটনার পর প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন। তার ২১ বছর বয়সী মেয়েও এখন মায়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন। মেয়েটি জানত, তার মা দীর্ঘ পথ গাড়ি চালিয়ে নিজের যত্ন নিতে পারেন। কিন্তু এ ঘটনার পর সেই আত্মবিশ্বাসে আঘাত লেগেছে।

তবে পরে প্রকাশ্যে মুখ খোলার সিদ্ধান্ত নেন গ্রিন-প্লাসেনশিয়া। তার ভাষ্য, যৌন নির্যাতনের (ধর্ষণ) শিকার অনেক নারী লজ্জা, ভয় কিংবা মানসিক কষ্টের কারণে নীরব থাকেন। তিনি অন্য নারীদের সাহস জোগাতে এবং বোঝাতে চান যে, এমন ঘটনার জন্য ভুক্তভোগীরা দায়ী নন।

প্রার্থীর প্রচারশিবিরের মুখপাত্র ক্রেইগ বেকম্যান সিএনএনকে বলেন, ঘটনাটি নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলা গ্রিন-প্লাসেনশিয়ার জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। তবে নীরবে কষ্ট পাওয়া অন্য ভুক্তভোগীরা যেন নিজেদের একা মনে না করেন, সে জন্যই তিনি নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।

এদিকে তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বী ও বর্তমান কংগ্রেস সদস্য আব্রাহাম হামাদেহ বলেছেন, অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। ঘটনার সময় ও স্থানসংক্রান্ত সম্ভাব্য সব নজরদারি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে অপরাধীদের শনাক্ত এবং আইন অনুযায়ী বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

গ্রিন-প্লাসেনশিয়া বলেন, জনসমক্ষে পরিচিত কেউ নিজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরলে অন্য নারীরাও অভিযোগ জানাতে সাহস পেতে পারেন। তিনি সাধারণ মানুষ ও শ্রমজীবীদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার লক্ষ্য নিয়ে নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। এখন যৌন নির্যাতনের শিকার নারীদের পক্ষেও কথা বলার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

সূত্র: সিএনএন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮০ জন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৮০ জন

রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযান চলাকালে গত ২৪ ঘণ্টায় ৪৮০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে বিভিন্ন অপরাধের জন্য ৫১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযানের ফলে মাদকদ্রব্য, মোবাইল ফোন, চাপাতি এবং নগদ অর্থ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এছাড়া, একজন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সকালে ডিএমপি একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য প্রকাশ করে।

ডিএমপির তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রমনা বিভাগে ২১ জন, লালবাগ বিভাগে ৪১ জন, ওয়ারী বিভাগে ৭১ জন, মতিঝিল বিভাগে ৪৯ জন, তেজগাঁও বিভাগে ৯০ জন, মিরপুর বিভাগে ১২৪ জন, গুলশান বিভাগে ৩২ জন, উত্তরা বিভাগে ৫১ জন এবং গোয়েন্দা বিভাগে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযান চলাকালে ১ কেজি ১৬০ গ্রাম গাঁজা, ২ হাজার ২৩৭ পিস ইয়াবা, ২০ বোতল ফেনসিডিল, ৮টি মোবাইল ফোন, একটি চাপাতি এবং নগদ ৩৫ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় একজন ভুক্তভোগীকেও উদ্ধার করা হয়েছে।

ডিএমপি জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিজিবিকে ফাঁকি দিয়ে ভারতে যাচ্ছিলেন দুই বাংলাদেশি, অতঃপর আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৫ পি.এম


বিজিবিকে ফাঁকি দিয়ে ভারতে যাচ্ছিলেন দুই বাংলাদেশি, অতঃপর আটক

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তের মাধ্যমে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করার সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সদস্যদের হাতে আটক হয়েছেন দুই বাংলাদেশি নাগরিক।

বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাতে মহেশপুর ব্যাটালিয়নের (৫৮ বিজিবি) পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। ওই দিন বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জীবননগর উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের বৃত্তিপাড়া গ্রামের একটি কাঁঠালবাগান থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ঢাকার খিলক্ষেত এলাকার উত্তম কুমার দেবনাথ (৫৩) এবং চাঁদপুর সদর উপজেলার গুয়াখোলা রোড এলাকার অরুন কুমার পাল (৪৯)।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মহেশপুর ব্যাটালিয়নের অধীনে বেনীপুর বিওপিতে দায়িত্ব পালনরত হাবিলদার পীযুশ কান্তি গোপন সংবাদের মাধ্যমে জানতে পারেন যে, সীমান্তরক্ষীদের ফাঁকি দিয়ে দুই ব্যক্তি ভারতে প্রবেশের চেষ্টা করছেন। এই তথ্যের ভিত্তিতে বিজিবির একটি দল দ্রুত বৃত্তিপাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানের এক পর্যায়ে গ্রামের আসাদুলের কাঁঠালবাগানে ওই দুই ব্যক্তির অবস্থান শনাক্ত করেন বিজিবি সদস্যরা। পরে সেখান থেকে উত্তম কুমার দেবনাথ ও অরুন কুমার পালকে আটক করা হয়।

বিজিবির দাবি, আটক দুজন সীমান্ত অতিক্রম করে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তবে, তাদের ভারতে যাওয়ার উদ্দেশ্য কী ছিল এবং এ ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

আটক দুজনকে জীবননগর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিজিবির পক্ষ থেকে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি, তবুও সবজির দাম তুঙ্গে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ৯ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৪:২৬ পি.এম


বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি, তবুও সবজির দাম তুঙ্গে

রাজধানীর কাঁচাবাজারে শীতকালীন সবজি আসার খবর পাওয়া গেছে। যদিও বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে, ক্রেতাদের মতে, তাদের বেশি দামে সবজি কিনতে হচ্ছে। পাশাপাশি মাছ ও মাংসের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে ডিমের দাম কমেছে।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) রাজধানীর রায়ের বাজার ও মোহাম্মদপুর কৃষি বাজার পরিদর্শন করে এই চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে দেখা গেছে, প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকায়, মুলা ৭০ টাকায়, এবং ফুলকপি ৭০ টাকায় পিস। ঢ্যাঁড়স, করলা, বেগুন, বরবটি, পটল ও কাঁকরোলসহ বেশিরভাগ সাধারণ সবজি ৭০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে তুলনামূলকভাবে কিছুটা কম দামে শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, যেখানে দেশি শসা ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হয়।

শীতের আগাম সবজি শিম ১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে সবচেয়ে কম দামে পাওয়া যাচ্ছে পেঁপে, যার কেজি ৩০ টাকা।

কয়েক সপ্তাহ আগে কাঁচা মরিচের দাম কেজিপ্রতি ২০০ টাকায় পৌঁছেছিল, কিন্তু সরবরাহ বৃদ্ধি পাওয়ায় বর্তমানে এটি মানভেদে ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে দাম সবচেয়ে বেশি এমন সবজির মধ্যে টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা, এবং লম্বা বেগুন ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। বরবটি, ঝিঙে ও করলার কেজি ৮০ টাকা। লাউ প্রতি পিস ৪০ থেকে ৬০ টাকা এবং কচুরমুখি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা আবু দাউদ বলেন, "বাজারে নতুন সবজি ফুলকপি কিনলাম। ১৪০ টাকা দিয়ে দুই পিস কিনেছি। একটা লাউ ৫০ টাকা আর এক পোয়া মরিচ কিনেছি ৪০ টাকায়।"

বাজারে আরও ঘুরে দেখা গেছে, মুরগির দামেও তেমন পরিবর্তন নেই। রাজধানীর বাজারে ব্রয়লার মুরগি কেজি ১৮০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দাম আগের চেয়ে ১০ টাকা ডজনে কমেছে। বর্তমানে প্রতি ডজন ১৪০ টাকা এবং চারটি ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ডিম বিক্রেতা মাসুম আল হাসান বলেন, "এখন ফার্মের মুরগি ডিম ১৪০ টাকা ডজন বিক্রি করা হচ্ছে।"

এদিকে, গরুর মাংসের দাম আগের মতোই রয়েছে। ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে।

ব্রয়লার মুরগি বিক্রেতা মনির হোসেন জানান, "গত কয়েক সপ্তাহ ধরে ব্রয়লার মুরগির দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকার মধ্যে রয়েছে। এক সপ্তাহে ১০ টাকা কমে আবার অন্য সপ্তাহে ১০ টাকা বাড়ে। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ২০০ টাকার আশেপাশে দাম থাকে। আর সোনালি মুরগির দাম ৩১০ থেকে ৩২০ টাকার মধ্যে থাকে। আজকে ৩১০ টাকা কেজি বিক্রি করছি।"

এদিকে, মাছের বাজারেও একই চিত্র দেখা যাচ্ছে। রুই-কাতলা ৩৮০ থেকে ৪২০, পাঙাশ ২২০ থেকে ২৩০, তেলাপিয়া ২৫০ থেকে ২৬০ এবং চিংড়ি ১ হাজার থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, বড় আকারের রুই ৪৫০ থেকে ৫০০, মাঝারি আকারের রুই ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং ট্যাংরা ৭০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। পাবদা ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, পোয়া ২৬০ টাকা, বাইম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, দেশি কই ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, চাষের কই ৩০০ টাকা এবং শোল ৭০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া, শোল, রূপচাঁদা, ও নদীর বেলে মাছ কিনতে গেলে হাজারের বেশি টাকা গুনতে হবে। তবে মাছের সাইজ এবং মাছ জীবিত বা মৃত হওয়ার উপরও দাম নির্ভর করে। প্রতিটি বাজারে ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিপ্রতি কম বেশি হতে পারে।

মাছের দাম সব সময় সরবরাহের উপর নির্ভর করে, ব্যবসায়ীরা জানান, অন্য দিনের তুলনায় শুক্রবার মাছের চাহিদা ও দাম কিছুটা বেশি থাকে। ২০০ টাকার নিচে কোনো মাছ নেই। আগে পাঙাশ কম ছিল, সেটার দামও এখন ২০০ টাকার উপরে বিক্রি হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%