০৫:১৬ পি.এম
দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল সেলমে শনিবার হিজবুল্লাহ কয়েক ডজন মানুষের গণজানাজার আয়োজন করেছে। এই গণজানাজার বেশিরভাগই ছিল ইসরাইলের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহত যোদ্ধাদের।
ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ গত ২ মার্চ ইসরাইলে হামলা চালিয়ে লেবাননকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে। তবে তাদের কতজন যোদ্ধা সংঘাতে নিহত হয়েছেন, সেই সংখ্যা তারা প্রকাশ করেনি।
লেবাননের মাজদাল সেলম থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানায়।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
বিশেষ করে, ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের পর সংঘাতে বিরতি আসার সময়ের মধ্যে হিজবুল্লাহ কয়েকটি জানাজার আয়োজন করেছে।
মাজদাল সেলম গ্রামে শনিবার ৪৪ জনকে দাফন করা হয়। তাদের মধ্যে ৩৯ জন যোদ্ধা এবং ৪ জন বেসামরিক ব্যক্তি। তাদের ইসরাইলি অভিযানে নিহত হওয়ার তথ্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া একজন স্বাভাবিক কারণে মারা গেছেন।
এএফপির এক প্রতিবেদক দেখেছেন, কফিন বহনকারী ট্রাকগুলো দাফনস্থলের দিকে যাচ্ছে। সেই সময়ে শোকবিহ্বল নারীরা নিহতদের ছবি ও ফেব্রুয়ারিতে তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতিকৃতি বাহন করছিলেন।
সংঘাত চলাকালে অনেক লেবাননবাসী শহরে স্বজনদের দাফন করতে পারেননি।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
শিয়া মুসলিমদের ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী, যথাযথ জানাজার আয়োজন সম্ভব না হলে বা মৃত ব্যক্তিকে তার স্বপ্ন অনুযায়ী স্থানে দাফন না করতে পারলে, তখন অস্থায়ীভাবে দাফনের বিধান রয়েছে।
হিজবুল্লাহর সমর্থকদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এক ঘোষণায় বলা হয়েছে, ‘মাজদাল সেলমের শহীদদের বরকতময় জানাজায় অংশগ্রহণের জন্য আপনাদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে।’
এই ঘোষণায় নিহতদের নামগুলোও উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগে অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া একটি ঘোষণায় ১২৯ জনের নাম ছিল। তবে মাজদাল সেলম পৌরসভা এই সংখ্যাকে ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন