ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বরিশালে ব্যবসায়ীকে ‘অণ্ডকোষ চেপে ধরে’ চেকে সই আদায়: নেপথ্যে শেয়ার পরিচালকদের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্ব


বরিশালে ব্যবসায়ীকে ‘অণ্ডকোষ চেপে ধরে’ চেকে সই আদায়: নেপথ্যে শেয়ার পরিচালকদের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে দ্বন্দ্ব

বরিশালে দুইদিন ধরে আলোচিত অগ্রণী হাউজিং লিমিটেড ২০১১ সালে দুই শতাধিক পরিচালক নিয়ে গঠিত হয়। এর উদ্যোক্তাদের উদ্দেশ্য ছিল বরিশালে আবাসন ব্যবসা করা। তবে চার বছরের মধ্যে আর্থিক স্বচ্ছতা নিয়ে মতবিরোধে ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম থেমে যায়। এ নিয়ে দুটি মামলা এখনও চলমান রয়েছে। অগ্রণী হাউজিংয়ের কিছুসংখ্যক শেয়ার পরিচালক কৌশল বদলে বাকলা ডেভেলপারস লিমিটেড নামে ব্যবসা করে আসছেন। কিন্তু আর্থিক বিষয়ে বিশ্বাস-অবিশ্বাস নিয়ে নিজেদের মধ্যে বিরোধ লেগেই ছিল। গত ২৭ জুন সন্ধ্যায় ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) আব্দুল আজিজ হাওলাদারকে মারধর ও সংবেদনশীল স্থান চেপে দুটি করে চেক ও স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনা ঘটেছে এবং এটি এসবেরই বহির্প্রকাশ।

আলোচিত এ ঘটনা নিয়ে অগ্রণী হাউজিংয়ের বর্তমান ৪৭ জন পরিচালকের মধ্যে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য পাওয়া গেছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, যা হয়েছে তা কোম্পানির এমডির অতীতের বিভিন্ন কর্মের জন্য ‘প্রাপ্য’ ছিল। তবে মারধরের নেতৃত্ব দেওয়া পরিচালক বিএনপি কর্মী মোস্তাফিজুর রহমান লিটুর টাকা দাবির যুক্তি সঠিক নয়। তিনি প্রতিষ্ঠানের বিরোধের সুযোগ নিয়ে মব করে বড় অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। অগ্রণী হাউজিংয়ের চেয়ারম্যান হলেন প্রতিষ্ঠানের এমডি আজিজের ভাই ইংল্যান্ড প্রবাসী আব্দুল হাই হাওলাদার। তিনি মোবাইল ফোনে বলেন, আজিজ একজন মহাপ্রতারক। লিটু একসময়ে তাঁর সহযোগী ছিল। এখন দুই প্রতারকের বিরোধ লাগায় এ ঘটনা ঘটেছে। এমডিকে মারধর করার কথা স্বীকার করে লিটু বলে আসছেন, তাঁর কাছে বিপুল পরিমাণ টাকা পাবেন।

আজিজ টাকা দিচ্ছেন না। তবে লিটুর দাবি মিথ্যা জানিয়ে আজিজ নানা হিসাব দেখিয়ে বলেন, ২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর লিটুকে সমুদয় পাওনা বুঝিয়ে দিলে তিনি শেয়ার সার্টিফিকেট হস্তান্তর করবেন। ওইদিন স্বাক্ষরিত দেড়শ টাকার একটি অঙ্গীকারনামায় লিটু পাওনা বুঝে পেয়ে প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্ক ছেদের কথা স্বীকার করেন। লিটু ২০১৩ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ২৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে অগ্রণী হাউজিংয়ে যুক্ত হন। ঘটনা প্রবাহ অনুযায়ী, যা ঘটে ছিল সদর রোড একটি ভবনের দোতলায় অগ্রণী হাউজিং ও বাকলা ডেভেলপার কোম্পানির অফিস।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

আজিজের দেওয়া তথ্যমতে, ২৭ জুন সন্ধ্যার পরে তিনি অফিসে গিয়ে বসেন। পৌঁছানোর পরই পিয়ন বাচ্চুজানান, বিএনপি কর্মী লিটু তাকে খুঁজে গিয়েছেন। চেয়ারে বসার পর সিসি ক্যামেরায় দেখতে পান, আবারও লিটু এসে বাচ্চুর সঙ্গে কথা বলে নিচে চলে যান। ৫ থেকে ৭ মিনিট পরই দলবলসহ ফিরে এসে লিটুসহ ৪ জন কক্ষে ঢুকে তাঁকে মারধর করে একটি চেকে ৭০ লাখ টাকা লিখে ও ১টি সাদা চেক এবং ৩ পাতার দুই সেট স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়ার ঘটনা ঘটে। এরপর তাঁকে তুলে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কক্ষে নিয়ে যাওয়া হয়। পরিদর্শক ৫ জুলাই সালিশের তারিখ নির্ধারণ করে দেন। দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাওয়া হয় বরিশালে সদস্যের সংবেদনশীল অঙ্গে আঘাত, শারীরিক নির্যাতন, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং জোরপূর্বক স্ট্যাম্প ও চেকে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গৌরনদীতে নকলের অভিযোগে দুই এইচএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০১ এম


গৌরনদীতে নকলের অভিযোগে দুই এইচএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

বরিশালের গৌরনদীতে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় নকলের অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সকালে উপজেলার মাহিলাড়া ডিগ্রি কলেজ পরীক্ষাকেন্দ্রে ইংরেজি প্রথম পত্রের পরীক্ষার সময় এ ঘটনা ঘটে। পরীক্ষা কেন্দ্রের সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকলে মিলিয়ে ৫২৭ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

পরীক্ষাটি সকাল ১০টায় শুরু হয়। পরীক্ষার সময় বেলা ১১টার দিকে গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ইব্রাহীম কেন্দ্র পরিদর্শনে যান। পরে পরিদর্শনের সময় নকল করার অভিযোগে দুই পরীক্ষার্থীকে হাতেনাতে শনাক্ত করা হয় এবং শিক্ষা বোর্ডের বিধিমালা অনুযায়ী তাদের বহিষ্কার করা হয়। গতকালের বহিষ্কৃত পরীক্ষার্থীরা হলেন- সরকারি গৌরনদী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী দুর্জয় বাড়ৈ এবং মেহেদী হাসান খোন্দকার।

মাহিলাড়া ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং কৃষিশিক্ষা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, নকলের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় শিক্ষা বোর্ডের বিধিমালা অনুযায়ী ওই দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রশাসন, কেন্দ্র পরিচালনা কমিটি এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের তদারকিতে কেন্দ্রটিতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ এবং নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। দুই পরীক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা ছাড়া মুখ্য বিষয় হলো, দিনের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বানারীপাড়ায় যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৩ এম


বানারীপাড়ায় যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদারের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার

প্রায় দুই বছরের পর বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদারের দ্বীপিত বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (দপ্তরের দায়িত্বে) মিনহাজুল ইসলাম ভুইঁয়া স্বাক্ষরিত একটি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি-আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গত বছর বানারীপাড়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক সুমন সরদারসহ বিভিন্ন এলাকার ছয়জন নেতা দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।

পরে সংশ্লিষ্টদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় যুবদলের সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মো. নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি’র সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তাদের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

পাশাপাশি বলা হয়েছে, তারা এখন থেকে দলীয় সব সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে স্বাভাবিকভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন এবং এ বিষয়ে কোনো বাধা থাকবে না।

প্রসঙ্গত, সুমন সরদারের এ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের প্রায় সাড়ে ৬ মাস পূর্বে, গত বছর ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর বানারীপাড়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কমিটি বিলুপ্ত করে ছাব্বির আহমেদ সুমন হাওলাদারকে সভাপতি এবং মোঃ মিজানুর রহমান ফকিরকে সাধারণ সম্পাদক করে উপজেলা যুবদলের আংশিক পুর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়।

উল্লেখ্য, সুমন সরদার উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পরে বহিষ্কার হন।

এদিকে, এই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করায় সুমন সরদার কেন্দ্রীয় যুবদলের নেতৃবৃন্দের প্রতি তাঁর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আবারও গিনেস বুকে বরিশালের নিপা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৫ এম


আবারও গিনেস বুকে বরিশালের নিপা

বরিশালের মেয়ে নুসরাত জাহান নিপা আবারও গিনেস বুকে স্থান করে নিয়েছেন। তিনি প্রথমবার কয়েন দিয়ে দ্রুততম সময়ে টাওয়ার বানিয়ে গিনেস ওয়ার্ল্ডরেকর্ডবুকে নাম লিখান। এর পরের বার, চপস্টিক দিয়ে ভাত খাওয়ার রেকর্ডও তার দখলে আসে।

এবার, কাগজ দিয়ে দ্রুততম সময়ে স্নো-ফ্লেক বা তুষারকণা বানিয়ে ফের গিনেসে তার নাম উঠে গেছে। এটি তার তৃতীয়বার গিনেস বুকে নাম লেখানো। বরিশাল নগরীর কলেজ রোডের বাসিন্দা নুসরাত জাহান নিপা সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজ থেকে রসায়নে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন। বর্তমানে, তিনি একটি বেসরকারি কলেজে শিক্ষকতা করছেন।

বাংলাদেশে তিনিই প্রথম নারী, যার নাম তিনবার গিনেস বিশ্বরেকর্ডের খাতায় উঠে এসেছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে নিপা সবশেষ রেকর্ডটি করেন। কাগজের স্নো-ফ্লেক তৈরিতে পূর্ববর্তী রেকর্ডটি ২৩ দশমিক ১৬ সেকেন্ডে চীনের দখলে ছিল। তবে, নিপা সেটি ২১ দশমিক ৮৪ সেকেন্ডে শেষ করে বাংলাদেশে নিয়ে আসেন।

‘চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে রেকর্ডটি করেছি, কিন্তু কিছুদিন আগে সার্টিফিকেট পেয়েছি’- উচ্ছ্বসিত কণ্ঠে বলেন এই তরুণী। কাগজ বিভিন্নভাবে কেটে ভাঁজ করে তিনি তুষারকণার মতো তৈরি করে এই রেকর্ড গড়েছেন। নিপা বলেন, কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে সবকিছু অর্জন করা সম্ভব। আমার খেলাধুলার শখ থাকলেও বরিশালে মেয়েদের জন্য তেমন ব্যবস্থা নেই। তিনি জানান, ঘরে বসেই দেশ ও নিজের শহর বরিশালকে বিশ্বের বুকে তুলে ধরতে এ রেকর্ড করেছেন। ভবিষ্যতেও তার এই চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে ২০২১ সালে করোনার সময়, এক হাতে এক মিনিটে ৭১টি কয়েন দিয়ে টাওয়ার তৈরি করেছিলেন নিপা। তিনি ইতালির সিলভিও সাব্বার গড়া রেকর্ড ভেঙে প্রথমবার গিনেসে নাম লেখান। পরে ২০২৪ সালে, চপস্টিক দিয়ে এক মিনিটে ২৭টি ভাতের দানা মুখে তুলে দ্বিতীয় রেকর্ড গড়েছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বরিশালে স্বাস্থ্য পরিচালককে স্বৈরাচার আখ্যা দিয়ে অপসারণ দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৮ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৭ এম


বরিশালে স্বাস্থ্য পরিচালককে স্বৈরাচার আখ্যা দিয়ে অপসারণ দাবি

বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন পরিচালক (স্বাস্থ্য) ডা. এস. এম. মনিরুজ্জামান শাহীনকে স্বৈরাচারের দোসর আখ্যা দিয়ে তার অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের সামনে সর্বস্তরের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মচারী এবং সাধারণ জনগণের ব্যানারে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বিক্ষোভ শেষে বিক্ষুব্ধরা বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয় ঘেরাও করেন। তবে সে সময় স্বাস্থ্য পরিচালক কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন না।

পরিচালকের দাবী, বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সক্রিয় সদস্য হওয়ায় অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের কারণে তার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করা হয়েছে। জুলাই আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছেন বলে জানিয়েছেন ড্যাব বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মোনায়েম সাদ।

তবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সমস্যার সমাধান হবে। এমনটাই জানিয়েছেন সংগঠনটির সভাপতি ডা. কবিরুজ্জামান।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজের ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান প্রিন্স বলেন, ‘ডাক্তার মনিরুজ্জামান একটানা চার বছর শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রশাসনিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। আওয়ামী লীগের সময় তাদের নিজস্ব দলের সক্রিয় সদস্য না হলে তাকে দায়িত্ব দেওয়া হতো না।

তিনি জুলাই আন্দোলনের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত হওয়া শান্তি মিছিলে অংশ নিয়েছেন। এখন তিনি পুনরায় স্বাস্থ্য বিভাগের পরিচালকের দায়িত্ব পেয়েছেন। বিষয়টি আমরা কোনভাবেই মেনে নিতে পারছি না তাই তার প্রত্যাহার দাবি করছি।

বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বরিশাল জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. মোনায়েম সাদ বলেন, ‘ডা. এস. এম. মনিরুজ্জামান শাহীন আমাদের সংগঠনের সদস্য হলেও তিনি জুলাইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে শান্তি সমাবেশ অংশ নিয়েছেন। তাই তার বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ করেছে।

তিনি বলেন জুলাই এর বিরুদ্ধে যারা অবস্থান নিয়েছে তাদেরকে ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই আসে না। বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি ডা. কবিরুজ্জামান বলেন, ‘ডা. এস. এম. মনিরুজ্জামান শাহীন ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। এরপর থেকে তিনি আমাদের সঙ্গেই রয়েছেন।

তবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালনের সময় কিছু কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। তেমনি একটি কর্মসূচির ছবি নিয়ে শুনেছি বিক্ষোভ হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে এই ভুল বোঝাবুঝির অবসান হবে।

বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. এস. এম. মনিরুজ্জামান শাহীন জানান, তিনি সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল থেকে রিলিজ নেওয়ার জন্য গিয়েছেন। শুনেছেন তাকে স্বৈরাচার দাবি করে একটি গ্রুপ বিক্ষোভ করছে। বিএনপিপন্থী চিকিৎসকদের সংগঠনের বরিশালে দুটি গ্রুপ রয়েছে। একটি গ্রুপ তাকে সমর্থন করছেন অপর গ্রুপ তার বিরোধিতা করছেন।

গ্রুপিং এর কারণে তার বিরুদ্ধে এই বিক্ষোভ করা হচ্ছে। তিনি দাবি করেন, ছাত্রজীবন থেকে তিনি ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে ছিলেন। শেবাচিম হাসপাতালের সহকারি পরিচালক ও উপপরিচালক থাকাকালীন সময়ে বাধ্য হয়েও কিছু প্রোগ্রামে তার উপস্থিত হতে হয়েছে। আর সেই প্রোগ্রামের কিছু ছবি নিয়ে এখন ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, বরিশাল বিভাগীয় স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিসেবে গতকাল সোমবার (৭ জুলাই) দায়িত্ব গ্রহণ করেন ডা. এস. এম. মনিরুজ্জামান শাহীন। এর আগে ডা. মনিরুজ্জামান শাহীন সাতক্ষীরা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর পূর্বেতিনি বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টানা চার বছর সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) এবং পরবর্তীতে দেড় বছরেরও বেশি সময় উপপরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%