মঙ্গলবার, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০১:৩৫ পি.এম
রাজধানীর কিছু এলাকায় মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) গ্যাস সরবরাহ পাঁচ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে, যা গ্যাস পাইপলাইনের জরুরি মেরামত কাজের জন্য করা হচ্ছে। এই সময় আশপাশের কিছু এলাকায় গ্যাসের স্বল্পচাপও থাকতে পারে।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এক বার্তায় এ বিষয়টি জানায়।
বার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে, জরুরি মেরামত কাজের জন্য মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত দক্ষিণ পাইকপাড়া, সোনালী নগর, বটতলার পূর্বাংশ ও পশ্চিমাংশসহ পার্শ্ববর্তী এলাকায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকবে।
এই সময় এসব এলাকার সকল শ্রেণির গ্রাহকদের গ্যাস সংযোগ সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে। তিতাস জানায়, আশপাশের এলাকাতেও গ্যাসের স্বল্পচাপ থাকতে পারে।
গ্রাহকদের এই সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেছে গ্যাস বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানটি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ভারতীয় দলে সদ্য এশিয়ান গেমসের জন্য নির্বাচিত ক্রিকেটার বিপরাজ নিগামের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার(২২ সেপ্টেম্বর) ভারত-জাপান প্রদর্শনী ম্যাচে জাতীয় দলের জার্সিতে তার অভিষেক ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তার বিরুদ্ধে অভিযোগটি সোমবার প্রকাশিত হয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, অভিযোগকারী তরুণী রোববার বিপরাজের বাড়ির সামনে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করার জন্য অপেক্ষা করছিলেন। কিন্তু বিপরাজ তখন জাপানে অবস্থান করছিলেন, ফলে তাদের দেখা হয়নি। পরে বিপরাজের বাবা ওই তরুণীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেন এবং এক সপ্তাহ পর আবার দেখা করার প্রতিশ্রুতি দেন।
বিপরাজ ও তরুণীর মধ্যে পূর্বে থেকেই বিরোধ বিদ্যমান। দুজনেই একে অপরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। গত বছরের ৮ নভেম্বর বারাবাঁকি কোতোয়ালি থানায় তরুণীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন বিপরাজ। তার দাবি, বিভিন্ন নম্বর থেকে ফোন করে তাকে হয়রানি করা হচ্ছিল এবং মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।
অন্যদিকে, গৌতম বুদ্ধ নগরের এক্সপ্রেসওয়ে থানায় বিপরাজের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ করেন ওই তরুণী। তার দাবি, ২০২৫ সালের মে মাসে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের পরিচয় হয় এবং পরে বিপরাজ তাকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের ২৯ জুলাই নয়ডার একটি হোটেলে নিয়ে বিপরাজ তাকে ধর্ষণ ও নির্যাতন করেন। এ ঘটনায় ১৬ ডিসেম্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই তরুণী।
এদিকে, এশিয়ান গেমসের দলে বরুণ চক্রবর্তীর পরিবর্তে বিপরাজ সুযোগ পেয়েছেন। তিনি উত্তরপ্রদেশের হয়ে ছয়টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। আইপিএলে দিল্লি ক্যাপিটালসের হয়ে ১৯ ম্যাচে ১৩ উইকেট নিয়েছেন এই ক্রিকেটার।
তবে, অভিযোগগুলোর বিষয়ে তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া চলমান থাকায় এখনও আদালতে তা প্রমাণিত হয়নি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সকালের শুরুতে এক কাপ গরম চা বা কফি পান করা অনেকের জন্য একটি প্রিয় অভ্যাস। কিছু মানুষ দিনের বিভিন্ন সময়ে গরম পানীয় পান করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে, চা বা কফি কতটা গরম অবস্থায় পান করা হচ্ছে, সেদিকে লক্ষ্য রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সম্প্রতি একটি বিস্তৃত গবেষণায় দেখা গেছে, অত্যন্ত গরম চা-কফি পান করার ফলে খাদ্যনালির একটি নির্দিষ্ট ধরনের ক্যানসারের ঝুঁকি বৃদ্ধি পায়।
গবেষণায় প্রায় ১০ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, যারা চা বা কফি ‘খুব গরম’ অবস্থায় পান করতে পছন্দ করেন, তাদের খাদ্যনালির স্কোয়ামাস কোষ ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে তিন গুণেরও বেশি।
গবেষণাটি ৮ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ক্যানসারবিষয়ক একটি গবেষণা সাময়িকীতে প্রকাশিত হয়েছে।
খুব গরম পানীয়েই কেন ঝুঁকি বাড়ে?
গবেষকদের মতে, অতিরিক্ত গরম তরল দীর্ঘ সময় ধরে খাদ্যনালির অভ্যন্তরীণ আবরণে ক্ষতি ও প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে। এই ধরনের ক্ষতি সময়ের সাথে সাথে ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়াতে সহায়তা করতে পারে।
গবেষণায় যুক্ত বিশেষজ্ঞরা উল্লেখ করেছেন, বিষয়টি চা বা কফির উপাদান নিয়ে নয়, বরং পানীয়টির তাপমাত্রা কতটা গরম অবস্থায় পান করা হচ্ছে—সেটিই মূল বিষয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আন্তর্জাতিক ক্যানসার গবেষণা সংস্থা ৬৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের বেশি তাপমাত্রার পানীয়কে মানুষের জন্য সম্ভাব্য ক্যানসার সৃষ্টিকারী হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে।
প্রায় ১০ লাখ মানুষের তথ্য বিশ্লেষণ
গবেষণায় যুক্তরাজ্যের দুটি বড় গবেষণার তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এর মধ্যে ছিল ‘মিলিয়ন উইমেন স্টাডি’ ও ‘ইউকে বায়োব্যাংক’। এতে ৩৭ থেকে ৭৩ বছর বয়সী প্রায় ১০ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেছিলেন।
অংশগ্রহণকারীদের জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, তারা সাধারণত চা বা কফি কী তাপমাত্রায় পান করেন। উত্তরে তারা ‘উষ্ণ’, ‘গরম’ অথবা ‘খুব গরম’—এই তিন ধরনের পছন্দের কথা জানিয়েছেন।
একই সঙ্গে, দিনে কত কাপ গরম পানীয় পান করেন, সেটিও জানা হয়। পরে তাদের দীর্ঘ সময় ধরে পর্যবেক্ষণ করা হয় এবং কারা খাদ্যনালির ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন, তা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত তথ্যের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয়।
প্রায় ১৪ বছর ধরে চলা একটি গবেষণা এবং প্রায় ১১ বছর ধরে চলা আরেকটি গবেষণার তথ্য মিলিয়ে বিশ্লেষণ করা হয়।
‘খুব গরম’ পানীয় পানকারীদের ঝুঁকি তিন গুণের বেশি
দুই গবেষণার তথ্য একত্র করে দেখা যায়, যারা পানীয় ‘খুব গরম’ অবস্থায় পান করতেন, তাদের খাদ্যনালির স্কোয়ামাস কোষ ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ‘উষ্ণ’ পানীয় পানকারীদের তুলনায় ৩ দশমিক ১৭ গুণ বেশি।
অর্থাৎ ঝুঁকি বেড়েছে ২১৭ শতাংশ। যারা ‘গরম’ পানীয় পান করতেন, তাদের ক্ষেত্রেও ঝুঁকি উষ্ণ পানীয় পানকারীদের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ ছিল।
তবে খাদ্যনালির আরেক ধরনের ক্যানসার, অ্যাডেনোকার্সিনোমার ক্ষেত্রে পানীয়ের তাপমাত্রার সঙ্গে ঝুঁকির এমন সম্পর্ক পাওয়া যায়নি।
দিনে ছয় কাপ বা তার বেশি খেলেও বাড়ে ঝুঁকি
শুধু তাপমাত্রাই নয়, দিনে কতবার গরম পানীয় পান করা হচ্ছে, সেটিও গবেষণায় বিবেচনা করা হয়েছে।
যারা দিনে ছয় কাপ বা তার বেশি গরম পানীয় পান করতেন, তাদের স্কোয়ামাস কোষ ক্যানসারের ঝুঁকি ছয় কাপের কম পানকারীদের তুলনায় ৭১ শতাংশ বেশি ছিল।
গবেষকরা ধূমপান, মদ্যপান ও শরীরের গঠনসহ অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নেওয়ার পরও এই সম্পর্ক দেখতে পেয়েছেন।
গবেষণায় আরও দেখা গেছে, ধূমপান করেন কি না, মদ্যপান করেন কি না কিংবা চায়ে দুধ মেশানো হয় কি না—এসবের পার্থক্য থাকলেও খুব গরম পানীয়ের সঙ্গে ক্যানসারের বাড়তি ঝুঁকির সম্পর্ক একই রকম ছিল।
একটু ঠান্ডা করে পান করলেই কমতে পারে ঝুঁকি
গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো—পানীয়ের তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে পান করলে ঝুঁকি কমানো সম্ভব হতে পারে।
গবেষকদের হিসাব অনুযায়ী, যুক্তরাজ্যে যারা বর্তমানে পানীয় খুব গরম অবস্থায় পান করেন, তারা তাপমাত্রা কিছুটা কমিয়ে ‘গরম’ অবস্থায় পান করলে খাদ্যনালির স্কোয়ামাস কোষ ক্যানসারের প্রায় ১৪ শতাংশ ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে। এতে বছরে প্রায় ৪৪০টি ক্যানসারের ঘটনা কমতে পারে বলে গবেষণায় অনুমান করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, চা বা কফি পরিবেশনের পর সঙ্গে সঙ্গে পান না করে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা ভালো। জিহ্বায় পোড়া বা অসহ্য গরম লাগলে সেটি পান করার উপযুক্ত তাপমাত্রায় পৌঁছায়নি—এমনটা ধরে নেওয়া যেতে পারে।
শুধু গরম পানীয় নয়, আরও কিছু বিষয় গুরুত্বপূর্ণ
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গরম চা-কফির তাপমাত্রা কমিয়ে পান করা উপকারী অভ্যাস হতে পারে। তবে খাদ্যনালির ক্যানসারের ঝুঁকির ক্ষেত্রে আরও কিছু প্রতিষ্ঠিত কারণ গুরুত্বপূর্ণ।
এর মধ্যে রয়েছে ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপান, স্থূলতা এবং দীর্ঘদিনের অম্লতা বা খাদ্যনালিতে অ্যাসিড ওঠার সমস্যা।
তাহলে শুধু চা-কফি ঠান্ডা করে পান করাই নয়, ধূমপান ও অতিরিক্ত মদ্যপান এড়িয়ে চলা এবং শরীরের ওজন ও দীর্ঘদিনের অম্লতার সমস্যার দিকেও নজর দেওয়া জরুরি।
চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস থাকলে পানীয়টি একেবারে ধোঁয়া ওঠা অবস্থায় পান না করে কিছুটা ঠান্ডা করে নেওয়া সহজ একটি সতর্কতা হতে পারে।
সূত্র: হেলথলাইন
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ঈশ্বরদীতে বাসের চাপায় মৃত্যু হয়েছে আনোয়ার হোসেন (৪৬) নামের এক মোটরসাইকেল আরোহীর।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাবনা-ঈশ্বরদী মহাসড়কের মুনশিদপুর এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত আনোয়ার রাজশাহীর বাঘমারা উপজেলার তেবাড়িয়া এলাকার মৃত আব্দুল হকের পুত্র। তিনি ঈশ্বরদীর দাশুড়িয়া ব্র্যাক অফিসে প্রোগ্রামার হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং পরিবারসহ দাশুড়িয়া বাজার এলাকায় ভাড়া থাকতেন।
পাকশী হাইওয়ে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ জানান, আনোয়ার সকালে মোটরসাইকেল নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজের উদ্দেশ্যে বের হন। মুনশিদপুর এলাকায় পৌঁছালে একটি বাস তাকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। এ সময় তিনি বাসের নিচে চাপা পড়েন এবং বাসটি তাকে অনেক দূর পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ওই ব্যক্তির মৃত্যু ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস মরদেহ উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কওমি মাদরাসাগুলোতে শিক্ষার্থীদের ওপর যেকোনো ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কওমি মাদরাসাভিত্তিক সর্বোচ্চ শিক্ষা বোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামি‘আতিল কওমিয়া বাংলাদেশ। দেশের ছয়টি কওমি মাদরাসা বোর্ড এবং তাদের অধিভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানে আগামী সাত দিনের মধ্যে ‘ছাত্র-ছাত্রী সুরক্ষা কমিটি’ গঠন ও কার্যকর করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আল-হাইআতুল উলয়ার চেয়ারম্যান আল্লামা মাহমুদুল হাসানের স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এসব নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়। গত ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত আল-হাইআতুল উলয়ার স্থায়ী কমিটির ৬৯তম সভা এবং জুলাইয়ে অনুষ্ঠিত সাবকমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই নীতিমালাটি প্রণয়ন করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষার্থীদের শাসনের উদ্দেশ্য হতে হবে তাদের সংশোধন ও আত্মিক কল্যাণ, কোনোভাবেই প্রতিশোধ নয়। লাঠি, বেত বা অন্য কোনো বস্তু দিয়ে আঘাত, মুখমণ্ডল ও স্পর্শকাতর অঙ্গে প্রহার, রক্তপাত বা দাগ সৃষ্টি করে এমন যেকোনো শারীরিক শাস্তি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
এছাড়া, প্রকাশ্যে অপমান, গালিগালাজ, কটূ ভাষা, ঘৃণাসূচক নামে ডাকা কিংবা যেকোনো ধরনের মানসিক নির্যাতনমূলক আচরণ থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শাসনের ক্ষেত্রে প্রথমে নম্রভাবে সতর্ক করা, প্রয়োজনে মৃদু ভর্ৎসনা ও রাগ-ধমকের সুযোগ রাখা হয়েছে। তবে পরিস্থিতি একান্তভাবে গুরুতর হলে সর্বশেষ ধাপে অভিভাবককে লিখিতভাবে অবহিত করে যৌথভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
নির্দেশনা অমান্যকারী শিক্ষক বা শিক্ষিকাকে শরিয়ত ও প্রচলিত আইন উভয় দৃষ্টিতেই জবাবদিহির আওতায় আনা হবে বলে সতর্ক করেছে আল-হাইআতুল উলয়া।
প্রজ্ঞাপনে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, প্রতিটি মাদরাসায় অবিলম্বে ‘ছাত্র-ছাত্রী সুরক্ষা কমিটি’ কার্যকর করতে হবে। কোনো শিক্ষক, শিক্ষার্থী বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে নিগ্রহ কিংবা অসদাচরণের অভিযোগ উঠলে কমিটিকে সাত দিনের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে। গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্ত চলাকালে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে সাময়িক বরখাস্ত বা দায়িত্ব থেকে দূরে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
কোনো মাদরাসায় সুরক্ষা কমিটি না থাকলে, কমিটি নিষ্ক্রিয় প্রমাণিত হলে কিংবা অভিযোগ পাওয়ার পর যথাযথ ব্যবস্থা না নিলে ওই প্রতিষ্ঠানের ইলহাক বা অধিভুক্তি স্থগিত কিংবা বাতিল করা হতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।
আল-হাইআতুল উলয়া জানিয়েছে, কোনো ব্যক্তি অপরাধে জড়িত হলে তার নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা এবং অপরাধীকে প্রশ্রয় না দেওয়াই তাদের মূলনীতি। তবে কোনো ব্যক্তির অপকর্মের দায় পুরো শিক্ষাব্যবস্থা, শিক্ষকসমাজ বা উলামায়ে কেরামের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যৌক্তিক নয় বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।
অপপ্রচার ও জালিয়াতি প্রতিরোধে প্রতিটি কওমি মাদরাসা বোর্ডকে পৃথক ‘মাদরাসা মনিটরিং সেল’ ও হটলাইন চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মিথ্যা অপবাদ ও ‘মিডিয়া ট্রায়াল’-এর শিকার নিরপরাধ শিক্ষক বা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে বোর্ডগুলোর আইনজীবী প্যানেল আইনি পদক্ষেপ নেবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।
প্রয়োজনে আল-হাইআতুল উলয়ার কেন্দ্রীয় হটলাইন ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর ০১৭০০-৭৬৩১৭৮-এ যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ