ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বাঁশখালীতে বন্যার পানিতে ভেসে প্রাণ গেল দুই শিশুর, বাড়ছে দুর্ভোগ


বাঁশখালীতে বন্যার পানিতে ভেসে প্রাণ গেল দুই শিশুর, বাড়ছে দুর্ভোগ

১১ বছরের আশিক বাড়ি ফিরছিল। চারপাশে তখন পানি ছিল থইথই। হঠাৎ করে প্রবল স্রোতে পড়ে যায় সে। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলেও তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টা নাগাদ বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। একই সময় চার থেকে পাঁচ বছরের মিরাজও সে ইউনিয়নে খেলতে গিয়ে স্রোতের পানিতে তলিয়ে যায়। দুই শিশুর মৃত্যুর ফলে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বাহারছড়া ইউনিয়নে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

বাঁশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল হক দুই শিশুর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা দেলোয়ার আজিম বলেছেন, নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পর আশিক বাড়ি ফিরছিল। ওই পথে পানির প্রবল স্রোতে সে পড়ে যায়। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

অন্যদিকে একই ইউনিয়নের বাসিন্দা দিদারুল আলম জানান, মিরাজ অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল। আচমকাই সে স্রোতের পানিতে পড়ে যায়। পুলিশ দ্রুত তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

এদিকে চট্টগ্রামে টানা বৃষ্টির তীব্রতা শুক্রবার কিছুটা কমলেও জেলার গ্রামীণ জনপদে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। বিশেষভাবে বাঁশখালী, সাতকানিয়া ও লোহাগাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও পানিতে তলিয়ে আছে। কোথাও হাঁটু, কোথাও কোমর, আবার কোথাও বুকসমান পানি জমে গেছে ঘরবাড়ির উপর। অনেক এলাকায় বিদ্যুৎ নেই, এবং বিশুদ্ধ পানির সংকট তৈরি হয়েছে। পানিবন্দি মানুষ খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর দুর্দশায় ভুগছেন।

জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার পর্যন্ত চট্টগ্রামে বন্যায় প্রায় সাড়ে চার লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। পাহাড়ধস ও পানিতে ভেসে মারা গেছে পাঁচজন। দুর্গত মানুষের জন্য ৬৭০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে প্রায় ২৩ হাজার ৮০০ মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

বাঁশখালী এবং সাতকানিয়ার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, টানা বর্ষণ এবং পাহাড়ি ঢলে পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠেছে। অনেক বাড়িতে রান্না করা সম্ভব হচ্ছে না। নলকূপ তলিয়ে যাওয়ার কারণে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। বাণিজ্যিক মাছের ঘের ও পুকুর পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়েছেন। কোথাও কোথাও বেড়িবাঁধ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, যা উপকূলীয় মানুষের উদ্বেগকে বাড়িয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা

সরকারি হিসাবে, বাঁশখালীর ১৫টি ইউনিয়নের ২১২টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। কিছু জায়গায় হাঁটু, কিছু জায়গায় কোমর, আবার কিছু জায়গায় বুকসমান পানি জমে রয়েছে। সাতকানিয়ার ১৭টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ এলাকা পানির নিচে ডুবে গেছে। ডলু খালের বাঁধ ভেঙে যাওয়ার পর পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। উপজেলাটিতে দুই লাখের বেশি মানুষ বর্তমানে পানিবন্দি রয়েছেন।

রত্নপুর গ্রামের বাসিন্দা ছগির আহমেদ বলেছেন, ‘উপকূলীয় এলাকা হওয়ায় পানি ওঠা आम, তবে এবারের মতো পুরো উপজেলা ডুবে যাওয়ার ঘটনা আমি জীবনে কখনো দেখিনি।’

জেলা প্রশাসন জানিয়েছেন, আশ্রয়কেন্দ্রে থাকা মানুষদের জন্য শুকনা খাবার, বিশুদ্ধ পানি, ওরস্যালাইন, শিশু খাদ্যের মতো প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। একইসাথে নারী, শিশু, প্রবীণ এবং গর্ভবতী নারীদের জন্য স্বাস্থ্যসেবাও নিশ্চিত করা হয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় ১১৮ দশমিক ৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। সকাল ৬টা থেকে ৯টার মধ্যে মাত্র ৮ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। তবে আগামী দুই দিনও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে পরিত্যক্ত গোডাউনে আগুন, ৫ লাখ টাকার সম্পদ উদ্ধার

আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ৫ থেকে ১০ জুলাই- এই ছয় দিনে চট্টগ্রামে মোট ১ হাজার ১৭৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের ভাষ্য, এটি চট্টগ্রামের ইতিহাসে অন্যতম সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতের রেকর্ড।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুই বছর আত্মগোপনের পর মাকে দিয়ে ‘গুম’ মামলা তদন্তে উঠে এলো নতুন তথ্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৪ পি.এম


দুই বছর আত্মগোপনের পর মাকে দিয়ে ‘গুম’ মামলা তদন্তে উঠে এলো নতুন তথ্য

কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে প্রায় দুই বছর আত্মগোপনে থাকার পর, মোস্তফা কামালের মাকে দিয়ে নিজের অপহরণ, হত্যা এবং মরদেহ গুমের অভিযোগে মামলা করানোর চাঞ্চল্যকর একটি ঘটনা পুলিশ উদ্ঘাটন করেছে। ওই মামলায় প্রধান আসামি হিসেবে চার মাস কারাভোগ করেন জামান মিয়া নামের এক ঠিকাদার। পরে পুলিশের তদন্তে গাজীপুর থেকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় 'নিখোঁজ' দেখানো যুবক মোস্তফা কামালকে।

মোস্তফা কামাল (২৮) ময়মনসিংহের শেরপুর জেলার একজন বাসিন্দা। বর্তমানে তাঁর পরিবার কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার লক্ষ্মীপুর এলাকায় নানাবাড়িতে বসবাস করছেন। মামলার ভুক্তভোগী জামান মিয়া বাজিতপুর উপজেলার পিরিজপুর এলাকার মৃত হাফিজ উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ জানাচ্ছে, মোস্তফা কামাল পেশায় রাজমিস্ত্রি এবং জামান মিয়া ঠিকাদার হিসেবে কাজ করেন। কাজের সূত্রে তাদের মধ্যে কয়েক লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এক সময় পাওনা টাকা নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়।

অভিযোগ রয়েছে যে, পাওনা টাকা সংগ্রহের জন্য জামান মিয়া মোস্তফা কামালকে পিরিজপুরে নিয়ে গিয়ে একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। তারপর মোস্তফা বাড়ি না ফিরে, আত্মগোপনে চলে যান। দীর্ঘদিন ছেলের খোঁজ না পেয়ে মোস্তফার মাতা মনোয়ারা বেগম আদালতে অপহরণের অভিযোগে একটি পিটিশন দায়ের করেন, পরে আদালতের নির্দেশে কুলিয়ারচর থানায় মামলা হলে প্রধান আসামি জামান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। জামান মিয়া প্রায় চার মাস কারাবাসের পর জামিনে মুক্তি পান।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মঞ্জুরুল হক বলেন, তদন্তে ঘটনাটি সন্দেহজনক মনে হলে, তথ্যপ্রযুক্তি এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৯ জুলাই রাত ২টার দিকে গাজীপুরের গাছা থানার ডেগেরচালা এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে মোস্তফা কামালকে উদ্ধার করা হয়। সেখানে তিনি রাজমিস্ত্রির কাজ করে এবং বিয়ে করে বসবাস করছিলেন।

তিনি জানান, প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মোস্তফা কামালের আত্মগোপনের বিষয়টি তাঁর পরিবারের সদস্যরা জানতেন। কিন্তু তারা পুলিশকে এই বিষয়ে কোনো তথ্য দেননি।

ভুক্তভোগী জামান মিয়া বলেন, 'মোস্তফা কামালের সঙ্গে আমার প্রায় চার লাখ টাকার লেনদেন ছিল। টাকা চাইলে সে আত্মগোপনে চলে যায়। পরে আমাকে হয়রানি করতে তাঁর মাতা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা গুমের মামলা করেন। আমি বিনা দোষে চার মাস জেল খেটেছি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিচার চাই।'

এ বিষয়ে মোস্তফা কামাল ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য জানতে চাইলে তারা সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে রাজি হননি।

কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন বলেন, 'তদন্তে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে, গুমের অভিযোগে নিখোঁজ দেখানো যুবকটি আত্মগোপনে ছিলেন। তাঁকে আদালতে হাজির করে জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। পুরো ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কিশোরী অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় ফরিদপুর সরকারি শিশু পরিবারের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৭ পি.এম


কিশোরী অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় ফরিদপুর সরকারি শিশু পরিবারের ৫ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

ফরিদপুরে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি শিশু পরিবার (বালিকা)-এর এক কিশোরী (১৪) অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার ঘটনায় ধর্ষণের মামলা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই সঙ্গে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে শিশু পরিবারের পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার ব্যক্তি মো. ওয়াহিদ শেখ (৫৪)। তিনি সরকারি শিশু পরিবারসংলগ্ন একটি বাজারে দর্জির দোকান চালান।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কিশোরীটি শহরের টেপাখোলা এলাকার একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। শিশু পরিবার থেকে নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাতায়াতের সময় গত ৫ জানুয়ারি বিকেলে অভিযুক্ত ওয়াহিদ শেখ চকলেট দেওয়ার কথা বলে তাকে নিজের দোকানে নিয়ে ধর্ষণ করেন। পরে আরও একাধিকবার একই ধরনের ঘটনা ঘটে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।

শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে গত ৬ জুলাই কিশোরীটিকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া হয়। পরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, সে ২৭ সপ্তাহ ২ দিনের অন্তঃসত্ত্বা।

এ ঘটনায় ফরিদপুর সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ও সরকারি শিশু পরিবারের তত্ত্বাবধায়ক মোহাম্মদ আরিফ হোসেন বাদী হয়ে গত ৬ জুলাই ফরিদপুর কোতোয়ালি থানায় ধর্ষণের মামলা করেন।

ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুল হাসান বলেন, মামলা দায়েরের পর অভিযান চালিয়ে ৮ জুলাই অভিযুক্ত ওয়াহিদ শেখকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঘটনার পর দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে গত ৮ জুলাই সরকারি শিশু পরিবারের পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করে সমাজসেবা অধিদপ্তর। তারা হলেন-সহকারী তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিবুর রহমান, কম্পিউটার অপারেটর আবীর দাস, মেট্রন-কাম-নার্স মনি আক্তার এবং আয়া শামসুন্নাহার আক্তার ও তানিয়া তাজরীন।

সমাজসেবা অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে ওই পাঁচ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে ঘটনার বিষয়ে বিভাগীয় তদন্তও চলছে।

জেলা সমাজসেবা অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ এহিয়াতুজ্জামান বলেন, আদালতের নির্দেশে কিশোরীটিকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীন নারী ও শিশু-কিশোরী হেফাজতিদের আবাসনকেন্দ্রে স্থানান্তর করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

খাবার-ওষুধ নিয়ে মানুষের পাশে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:২৯ পি.এম


খাবার-ওষুধ নিয়ে মানুষের পাশে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জোবায়দা রহমানের নির্দেশনায় এবং নির্বাহী পরিচালক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনারের সার্বিক তত্ত্বাবধানে চট্টগ্রামে জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে খাবার ও ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

শুক্রবার(১০ জুলাই) বিকালে নগরীর ষোলশহর রেলস্টেশন সংলগ্ন এলাকায় খাবার বিতরণের মাধ্যমে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন চট্টগ্রামের চিকিৎসক ইউনিটের প্রধান অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং কর্মসূচির কো অর্ডিনেটর ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালীর পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম-১০ সংসদীয় আসনের এমপি সাঈদ আল নোমান।

অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন মনিটর(কৃষি) অধ্যাপক ড. এহসানুল হক রোকন, চট্টগ্রামের চিকিৎসক ইউনিটের কার্যকরী সদস্য অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিক, অধ্যাপক ড. শফিকুল ইসলাম, অধ্যাপক ড. মনিরুল ইসলাম প্রমুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রকৃতি ও উন্নয়নকে সঙ্গে নিয়েই এগোতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৯:৩৫ পি.এম


প্রকৃতি ও উন্নয়নকে সঙ্গে নিয়েই এগোতে হবে: পরিবেশমন্ত্রী

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু মন্তব্য করেছেন যে, উন্নয়ন ও প্রকৃতি একসাথে হাতে হাত রেখে চলবে।

মন্ত্রী বলেন, এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যেখানে উন্নয়ন প্রকৃতির সাথে সহাবস্থানে হবে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং মানব কল্যাণ হবে একই পথের সহযাত্রী।

আজ শুক্রবার বাংলা একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্য বিশারদ মিলনায়তনে ব্র্যাক ব্যাংক এবং তরুপল্লব আয়োজিত 'দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক-২০২৫' অনুষ্ঠানে পদক প্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার ও সম্মাননা তুলে দেন পরিবেশমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘প্রকৃতি সংরক্ষণ এখন আর কোনো বিকল্প নয়; এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব। আজকের সম্মাননাপ্রাপ্তরা প্রমাণ করেছেন, একজন মানুষের নিষ্ঠা ও উদ্যোগও পরিবেশে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারে। প্রকৃতি রক্ষার এই প্রচেষ্টা সমাজ জুড়ে ছড়িয়ে দিতে হবে।’

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নির্দেশনায় এবং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমরা ‘ন্যাশনাল গ্রিন মিশন’ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছি। এর আওতায় আগামী পাঁচ বছরে সারা দেশে ২৫ কোটি গাছের চারা রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, যা পরিবেশ সংরক্ষণে একটি সামাজিক আন্দোলনে রূপ নেবে। মন্ত্রী পদকপ্রাপ্তদের ‘সবুজ ভবিষ্যতের নির্মাতা’ ও ‘নীরব পরিবেশ যোদ্ধা’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, তাদের এই নিষ্ঠা ও উদ্যোগ সমাজ জুড়ে পরিবেশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে এবং অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

উল্লেখ্য, দ্বিজেন শর্মা পরিবেশ পদক -২০২৫ পেয়েছেন জীববৈচিত্র্য গবেষণায় অধ্যাপক ড. মো. আশরাফুজ্জামান (নিসর্গ পুরস্কার), টেকসই কৃষি চর্চায় ‘প্রাণ বৈচিত্র্য খামার’ (জীববৈচিত্র্য পুরস্কার), তৃণমূল পর্যায়ে বৃক্ষরোপণে মো. বাদশা মিয়া (বৃক্ষসখা সম্মাননা), ডিজিটাল মাধ্যমে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টিতে উম্মে কুলসুম পপি (সবুজ সারথী সম্মাননা), প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভিদ গণনায় সুমাইয়া মারিয়ম (নবীন নিসর্গী সম্মাননা) এবং সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে অধ্যাপক ড. কাজী আহসান হাবিব (পরিবেশ কীর্তিমান সম্মাননা)।

অনুষ্ঠানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সচিব নাজমা মোবারেক, ব্র্যাক ব্যাংক ও তরুপল্লবের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পরিবেশবিদ, গবেষক এবং গণমাধ্যম কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%