ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সমাবেশ ঘিরে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি


রংপুরে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের সমাবেশ ঘিরে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি

গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়নসহ চার দফা দাবিতে আগামীকাল রংপুরে বিভাগের সমাবেশ করবে ১১ দলীয় জোট। আয়োজকরা জানিয়েছেন, সমাবেশকে ঘিরে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়ে গেছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকালে রংপুর জেলা স্কুল মাঠে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের পরিচালক ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম।

তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারীর নির্বাচনে জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে মানুষ ভোটাধিকার প্রয়োগ করছে। কিন্তু সরকার নির্বাচিত হলেও এখনও পর্যন্ত জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করছে না বিএনপি সরকার। তাই সারাদেশের মধ্যে রংপুরও চার দফা দাবিতে বিভাগীয় সমাবেশের আয়োজন করেছে ১১ দলীয় জোট।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

মাওলানা আব্দুল হালিম আরও মন্তব্য করেন, সমাবেশটি উত্তরাঞ্চলের দুঃখ দুর্দশাসহ গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সীমান্ত হত্যা ও পুশ-ইন বন্ধ, তিস্তা মহাপরিকল্পনা দ্রুত বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসনসহ ৪ দফা দাবি তুলে ধরবে ১১ দলীয় ঐক্য জোট।

শনিবার রংপুর জিলা স্কুল মাঠে অনুষ্ঠিতব্য সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর আমির ড. শফিকুর রহমান উপস্থিত থাকবেন। এছাড়া জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, মাওলানা মামুনুল হকসহ ১১ দলের কেন্দ্রীয় নেতারা এ সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন।

সমাবেশে বিভাগের বিভিন্ন জেলা থেকে কমপক্ষে ৫ লাখ নেতাকর্মীর অংশগ্রহণের আশা করছেন আয়োজকরা। সংবাদ সম্মেলনে রংপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মাহবুবুর রহমান বেলাল, রংপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য গোলাম রব্বানীসহ ১১ দলের জেলা ও মহানগর নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পুনরুদ্ধারে নতুন রূপ পেল মাইকেলেঞ্জেলোর ঐতিহাসিক সিংহভাস্কর্য

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৩ পি.এম


পুনরুদ্ধারে নতুন রূপ পেল মাইকেলেঞ্জেলোর ঐতিহাসিক সিংহভাস্কর্য

রেনেসাঁ যুগের মহান শিল্পী ও স্থপতি মাইকেলেঞ্জেলোর নকশায় নির্মিত শত শত সিংহভাস্কর্য, যা দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে সংরক্ষণ ও সংস্কার কাজের মধ্যে ছিল, অবশেষে তাদের শতাব্দীপ্রাচীন শৈল্পিক জৌলুস ফিরে পেয়েছে। ইতালির রাজধানী রোমের ঐতিহাসিক পালাজ্জো ফারনেজে প্রাসাদে অবস্থিত এইসব ভাস্কর্য বর্তমানে ফ্রান্সের দূতাবাস ভবনের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠেছে।

রোম থেকে এএফপি জানায়, প্রাসাদের কার্নিশজুড়ে স্থাপিত প্রায় ৩০০টি সিংহাকৃতির অলঙ্করণ, যার প্রতিটির নকশা ও অভিব্যক্তি একে অন্যের থেকে ভিন্ন, এই বৃহৎ পুনরুদ্ধার প্রকল্পের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। সংস্কারকাজের মধ্যে ভবনটির ছাদ, সম্মুখভাগ এবং বহিরাংশের ঐতিহাসিক স্থাপত্যরূপও পুনরুদ্ধার করা হয়েছে।

রোমের সংস্কৃতিবিষয়ক প্রধান কর্মকর্তা ড্যানিয়েলা পোরো সাংবাদিকদের জানালেন, সংস্কারকাজ চলাকালে মাচায় উঠে শত শত বছরের পুরোনো ভাস্কর্যগুলোকে কাছ থেকে দেখা এবং স্পর্শ করার অভিজ্ঞতা তাঁর জন্য ‘অত্যন্ত আবেগময়’ ছিল। তিনি ইতালির রাজধানী রোমের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ১৬শ শতকের এই প্রাসাদকে ‘বিশ্ব স্থাপত্য ঐতিহ্যের এক অনন্য শ্রেষ্ঠকীতি’ হিসেবে উল্লেখ করেন। ভবনটির সম্মুখভাগের নকশা করেছিলেন রেনেসাঁ যুগের কিংবদন্তি শিল্পী মাইকেলেঞ্জেলো।

সংস্কার প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা ফরাসি স্থপতি পিয়ের-অঁতোয়ান গাতিয়ে বলেন, ভবনের বিশাল কার্নিশটি নিজেই একটি অসাধারণ শিল্পকর্ম। তিনি জানান, বিশেষজ্ঞদের বিশ্লেষণে ধারণা করা হচ্ছে, সামনের অংশে থাকা একটি সিংহমাথার ভাস্কর্য সম্ভবত স্বয়ং মাইকেলেঞ্জেলোর নিজের হাতে খোদাই করা।

ফ্রান্সে ঐতিহাসিক স্থাপনা সংরক্ষণের দায়িত্বপ্রাপ্ত স্থপতিদের একজন গাতিয়ে জানান, সংস্কারকাজে বেশ কয়েকটি বিস্ময়কর তথ্যও সামনে এসেছে। ভবনের দেয়ালের ফাঁক থেকে উদ্ধার হওয়া প্রাচীন টেনিস বলের মাধ্যমে ধারণা করা হচ্ছে, কোনো একসময় প্রাসাদের বহির্ভাগ খেলাধুলার ক্ষেত্র হিসেবেও ব্যবহৃত হতো। তিনি এ সম্পর্কে বলেন, ‘এটি ছিল এমন একটি প্রকল্প, যেখানে প্রতিটি ধাপেই নতুন কিছু আবিষ্কারের সুযোগ মিলেছে।’

ঊনবিংশ শতাব্দী থেকে পালাজ্জো ফারনেজে ফ্রান্সের দূতাবাস হিসেবে ব্যবহার করা হয়ে আসছে।

ইতালিতে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত আন-মারি দেস্কো বলেন, এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটির নিয়মিত সংরক্ষণ ও পুনরুদ্ধার ‘ফ্রান্স ও ইতালির অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য পারস্পরিক অঙ্গীকার এবং দুই দেশের গভীর বন্ধুত্বের প্রতিফলন।’

এই সংস্করণটি ভাষার প্রবাহ, বর্ণনার সৌন্দর্য এবং আন্তর্জাতিক ফিচারধর্মী প্রতিবেদনের আবহকে আরও পরিশীলিত করে তুলেছে, তবে মূল তথ্যের প্রতি সম্পূর্ণ বিশ্বস্ততা বজায় রাখা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফার্মাসিউটিক্যাল ও ব্যবসা খাতে ক্যারিয়ার গড়তে ঢাবিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৫ পি.এম


ফার্মাসিউটিক্যাল ও ব্যবসা খাতে ক্যারিয়ার গড়তে ঢাবিতে প্রশিক্ষণ কর্মশালা

ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব বাংলাদেশ-অ্যাফিলিয়েটেড মাইক্রোবায়োলজিস্টস (ISBM)-এর উদ্যোগে আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের আনোয়ারুল আজিম চৌধুরী লেকচার গ্যালারিতে দিনব্যাপী একটি বিশেষ ক্যারিয়ার ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই আয়োজনের শিরোনাম ছিল "ISBM Career Workshop: Pathway for Future Leaders in Pharma & Business"। এর মূল লক্ষ্য তরুণ শিক্ষার্থীদের জন্য কর্পোরেট ও ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরের দক্ষ কর্মী হিসেবে গড়ে তোলা ছিল।

আজকের কর্মশালায় দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ৭৫ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি শুরুতেই স্বাগত বক্তব্য রেখেছিলেন আইএসবিএমের ভাইস প্রেসিডেন্ট অধ্যাপক ড. মঞ্জুরুল করিম খান। তিনি অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থী এবং পেশাজীবীদের কাছে কর্মশালার বিশেষজ্ঞ বক্তাদের শিক্ষাগত ও পেশাগত দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

উদ্বোধনী পর্বে সম্মানিত অতিথি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটি অব মাইক্রোবায়োলজিস্টস (BSM)-এর প্রেসিডেন্ট ড. লতিফুল বারী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. শাকিলা নার্গিস খান। তারা শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন, আধুনিক বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে নিজেদের দক্ষ করে তোলার আহ্বান জানান।

উদ্বোধনী পর্বে বিশেষ বক্তব্য দেন আইএসবিএম (ISBM)-এর বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ড. ফখরুল মনোয়ার হোসেন। তিনি এই কর্মশালাকে সফল করায় সকল আমন্ত্রিত বক্তা, শিক্ষাবিদ, বিজ্ঞানী ও উদ্যোক্তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তিনি দেশে মাইক্রোবায়োলজি সংশ্লিষ্ট সকল পেশাজীবী ও শিক্ষার্থীদের একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতে আরও অংশগ্রহণমূলক কর্মপরিকল্পনা ও টেকসই ক্যারিয়ার উন্নয়নমূলক ইভেন্ট আয়োজনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

দিনব্যাপী এই সেশনে দেশের শীর্ষস্থানীয় ফার্মাসিউটিক্যালস এবং কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এসকেএফ ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডের এক্সিকিউটিভ জিএম ইসমাইল বাবলু তার দূরদর্শী প্রেজেন্টেশনে ফার্মাসিউটিক্যাল সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার বাস্তবসম্মত একটি রোডম্যাপ তুলে ধরেন। তিনি দেখান কীভাবে প্রোডাকশন, কোয়ালিটি কন্ট্রোল (QC), কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স (QA) থেকে শুরু করে সেলস, প্রোডাক্ট ম্যানেজমেন্ট (PMD) এবং ক্লিনিক্যাল রিসার্চ ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্সের মতো বৈচিত্র্যময় ক্ষেত্রে মাইক্রোবায়োলজিস্টরা নেতৃত্ব দিতে পারেন।

তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, এটা গুরুত্বপূর্ণ যে শুধু সিজিপিএ (CGPA) নয়, বরং কর্পোরেট দুনিয়ায় সফল হতে হলে টেকনিক্যাল স্কিলের পাশাপাশি প্রোডাক্টিভিটি, ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স, ইফেক্টিভ কমিউনিকেশন এবং সঠিক মানসিকতা বা 'অ্যাটিটিউড' অর্জন করা জরুরি।

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি-এর এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (কোয়ালিটি) সুমনা লোহানী তার প্রেজেন্টেশনে ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিতে কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স ও কোয়ালিটি কন্ট্রোলের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশি ওষুধের সুনাম বজায় রাখতে অণুজীববিজ্ঞানীদের ভূমিকা অপরিসীম। ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটদের টেকনিক্যাল দক্ষতার পাশাপাশি গুড ম্যানুফ্যাকচারিং প্র্যাকটিস (GMP) সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন।

ইন্টারসায়েন্স টেকনোলজিসের সিইও এম. এ. বাতেন তার বক্তব্যে কর্পোরেট সেক্টরে মাইক্রোবায়োলজির বাণিজ্যিক ও প্রায়োগিক দিকগুলো আলোচনা করেন। তিনি শিক্ষার্থীদের ল্যাবরেটরির গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ না থেকে মার্কেটিং, সেলস এবং বিজনেস স্ট্র্যাটেজিতে নিজেদের দক্ষ করে তোলার পরামর্শ দেন এবং কীভাবে অণুজীববিজ্ঞানের জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে এন্টারপ্রেনার বা উদ্যোক্তা হওয়া যায়, সেবিষয়ে একটি দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

কর্মশালায় শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বিশেষ 'সিভি রাইটিং' মাস্টারক্লাস পরিচালনা করেন Bdjobs.com-এর সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের ডিরেক্টর প্রকাশ রায় চৌধুরী। তিনি মানসম্মত ও পেশাদার সিভি তৈরির খুঁটিনাটি কৌশল ও ইন্টারভিউতে সফল হওয়ার বিভিন্ন টিপস শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরেন।

আয়োজনের শেষ পর্বে সকলকে সমাপনী ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ড. সংগীতা আহমেদ। তিনি এই সফল আয়োজনের পেছনে অক্লান্ত পরিশ্রম করা ভলান্টিয়ার, সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং সর্বোপরি স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ধন্যবাদ জানান।

দিনশেষে অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট প্রদানের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে। এই ধরনের আয়োজন ভবিষ্যতে আরও করার পরিকল্পনা রয়েছে যাতে একাডেমিক শিক্ষার সাথে ইন্ডাস্ট্রির চাহিদার দূরত্ব কমিয়ে আনা যায়।

এই ক্যারিয়ার ওয়ার্কশপ আয়োজনের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক এবং ISBM এর যুগ্ম সচিব ড. সংগীতা আহমেদ। এছাড়াও আয়োজক কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে ছিলেন ISBM ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. মনজুরুল করিম খান (ঢাবি), বোর্ড অফ ডিরেক্টর মেম্বার ড. মিজানুর রহমান (NIH, USA), যুগ্মসচিব ফাহমিনা জামান মুনা (Toronto, Canada), ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. নাদিয়া দীন, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জায়েদুল হাসান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের ড. সালমা আক্তার প্রমুখ। উল্লেখ্য যে, ISBM Fellow মুহাম্মদ নাজমুস সাকিব এই কর্মশালা আয়োজনে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারী বর্ষণে কলাপাড়ায় পানি বৃদ্ধি, পানিবন্দি বহু পরিবার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:২৮ পি.এম


ভারী বর্ষণে কলাপাড়ায় পানি বৃদ্ধি, পানিবন্দি বহু পরিবার

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় এক সপ্তাহ ধরে মাঝারি থেকে ভারী এবং কোথাও কোথাও অতিভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টা থেকে শুক্রবার সকাল ৬টা পর্যন্ত ৬৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। টানা বৃষ্টির ফলে পানির নিচে চলে গেছে অনেক পরিবার। 

শহর থেকে গ্রামাঞ্চলের বিভিন্ন সড়ক এবং নিচু স্থানে জমে থাকা পানির ফলে সৃষ্টি হয়েছে জলাবদ্ধতা। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা। তবে কুয়াকাটা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এখনো উত্তাল রয়েছে।

আবহাওয়া অফিসের সূত্রে জানা গেছে, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় বায়ু চাপের তারতম্যের আধিক্যে বিরাজ করছে। এর প্রভাবে উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়ো বা দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় দেশের চারটি সমুদ্র বন্দরে ৩ নম্বর সতর্কতা বহাল রেখেছে আবহাওয়া অফিস। পাশাপাশি নদীবন্দর সমূহকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।

কলাপাড়া পৌর শহরের রিকশাচালক আব্দুল রহিম বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে চলা বৃষ্টি থাকার কারণে বাজারে মানুষের আনাগোনা কমে গেছে। ফলে তার আয় অনেকটা কমে গেছে। টিয়াখালী ইউনিয়নের রব মিয়া বলেন, এক টানা বৃষ্টিতে এলাকার সব আবাদি জমি পানিতে তলিয়ে গেছে। অনেকের ঘরের উঠনে পানি উঠে গেছে। একই গ্রামের কৃষক মো. জলিল হাওলাদার বলেন, এখন জমিতে বীজ ধান ফালানোর সময়। কিন্তু বিলে পানি থাকার জন্য তা সম্ভব হচ্ছে না। পানি না কমলে তাদের দুর্ভোগের শেষ থাকবে না বলে এই কৃষক জানান।

পটুয়াখালী জেলা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মাহবুবা সুখী জানান, উপকূলীয় এলাকায় রবিবার পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে। এরপর হয়তো আরও দুই-একদিন গুঁড়ি গুঁড়ি থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। যেকোন সময় ঝড়ো হওয়া বয়ে যেতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৭ উপজেলায় দায়িত্ব পেল সেনাবাহিনী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩০ পি.এম


চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৭ উপজেলায় দায়িত্ব পেল সেনাবাহিনী

সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের জন্য 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশন বন্যাদুর্গত বিভিন্ন উপজেলায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী এই চারটি উপজেলায় টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ব্যাপক প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ এই এলাকায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন দুর্গত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি মোতায়েন করার কাজ শুরু করেছে।

এছাড়া, ভারী মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ফলস্বরূপ চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এই অবস্থার মধ্য দিয়ে জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উক্ত উপজেলাগুলোতে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই অঞ্চলগুলোতে আটকে পড়া মানুষদের জন্য নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ কার্যক্রম দ্রুত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাদুর্গত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বরাবরের মতোই দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বদ্ধপরিকর। দুর্গত এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%