ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৭ উপজেলায় দায়িত্ব পেল সেনাবাহিনী


চট্টগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৭ উপজেলায় দায়িত্ব পেল সেনাবাহিনী

সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় চট্টগ্রাম জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা প্রদানের জন্য 'ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার'-এর আওতায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে, চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের জরুরি অনুরোধের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন ও ২৪ পদাতিক ডিভিশন বন্যাদুর্গত বিভিন্ন উপজেলায় অনুসন্ধান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া, সাতকানিয়া, চন্দনাইশ ও বাঁশখালী এই চারটি উপজেলায় টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে ব্যাপক প্লাবনের সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ এই এলাকায় চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ পদাতিক ডিভিশন দুর্গত এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে উদ্ধারকারী দল ও প্রয়োজনীয় আনুষঙ্গিক সরঞ্জামাদি মোতায়েন করার কাজ শুরু করেছে।

এছাড়া, ভারী মৌসুমি বৃষ্টিপাতের ফলস্বরূপ চট্টগ্রামের বোয়ালখালী, হাটহাজারী ও ফটিকছড়ি উপজেলাতে ভয়াবহ বন্যা দেখা দিয়েছে। এই অবস্থার মধ্য দিয়ে জরুরি উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য উক্ত উপজেলাগুলোতে ২৪ পদাতিক ডিভিশনের সেনাসদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এই অঞ্চলগুলোতে আটকে পড়া মানুষদের জন্য নিরলসভাবে অনুসন্ধান ও উদ্ধার কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। উদ্ধার অভিযান ও ত্রাণ কার্যক্রম দ্রুত এবং সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে ২৪ পদাতিক ডিভিশন ইতোমধ্যে বন্যাদুর্গত এলাকায় তিনটি ক্যাম্প স্থাপন করেছে।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনী বরাবরের মতোই দেশের যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে বেসামরিক প্রশাসনের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সাধারণ মানুষের জানমাল রক্ষায় বদ্ধপরিকর। দুর্গত এলাকার মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এবং সার্বিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেনাবাহিনীর এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বসুন্ধরা সিটিতে শুরু হলো দেশের সবচেয়ে বড় নারুটো থিম ইনস্টলেশন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৩ পি.এম


বসুন্ধরা সিটিতে শুরু হলো দেশের সবচেয়ে বড় নারুটো থিম ইনস্টলেশন

বাংলাদেশে ‘পাবজি মোবাইল’ ও ‘নারুটো শিপুডেন’-এর যৌথ উদ্যোগের উদ্বোধন উপলক্ষে রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং মলে দেশের সবচেয়ে বড় নারুটো-থিমের পাবলিক ইনস্টলেশন শুরু হয়েছে।

এই ইনস্টলেশন ‘কুরামা হ্যাজ অ্যারাইভড ইন ঢাকা’ ক্যাম্পেইনের অংশ হিসেবে আয়োজিত হয়েছে। আজ শুক্রবার (১০ জুলাই) থেকে এই কর্মসূচি শুরু হয়েছে, যা আগামী ২৪ জুলাই পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এই সময়ের মধ্যে আগত দর্শনার্থীরা বাস্তবে আকারের কুরামা স্থাপনা, চরিত্রের সাজে অংশগ্রহণ, গেমভিত্তিক প্রতিযোগিতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ওপর ভিত্তি করে আলোকচিত্র অভিজ্ঞতা, বিশেষ স্মারকসামগ্রী এবং বিভিন্ন অংশগ্রহণমূলক আয়োজনে যুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন।

গেমপ্রেমী, অ্যানিমে অনুরাগী, কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য এই আয়োজন একটি ব্যতিক্রমধর্মী অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে বলে আয়োজকদের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৩৭ পি.এম


জনগণের কল্যাণ ও উন্নয়নই সরকারের প্রধান লক্ষ্য: প্রধানমন্ত্রী

জনগণের জীবনমান উন্নয়ন নিশ্চিত করা এবং প্রত্যেক নাগরিকের জন্য সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন প্রদান করা বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি শনিবার (১১ জুলাই) বিশ্বের জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শুক্রবার (১০ জুলাই) তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই তথ্য দিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী লেখেন, জনমিতিক সম্ভাবনাকে টেকসই উন্নয়নের শক্তিতে রূপান্তর করা, মানবসম্পদ উন্নয়ন, সর্বজনীন স্বাস্থ্যসেবার সম্প্রসারণ, পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা এবং নারী ও যুবসমাজের ক্ষমতায়নের মাধ্যমে একটি সমৃদ্ধ, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও আত্মনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও লেখেন, আমাদের উন্নয়ন-অভিযাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হলো তরুণদের সম্ভাবনাকে জাতীয় অগ্রগতির চালিকাশক্তিতে পরিণত করা।

সেই উদ্দেশ্যে শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনা বিষয়গুলোকে সমন্বিতভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য সরকার বহুমাত্রিক উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

এ প্রেক্ষাপটে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী দেশবাসী, বিশেষ করে নবীন প্রজন্মকে দিবসটির চেতনা ধারণ ও বাস্তবায়নে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, ‘এ বছরের বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসের প্রতিপাদ্য ‘তারুণ্যের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন করি, আজকের প্রত্যয়ে সুন্দর আগামী গড়ি’ আমাদের জাতীয় উন্নয়ন দর্শনের সঙ্গে গভীরভাবে এক সুতোয় গাঁথা।’

প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের ভবিষ্যত নির্ভর করছে এমন একটি প্রজন্মের ওপর, যারা হবে শিক্ষিত, দক্ষ, প্রযুক্তিবান্ধব, সুস্থ, মানবিক ও উদ্ভাবনী।

তরুণদের স্বপ্ন ও সম্ভাবনার বিকাশে রাষ্ট্রকে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ তৈরি করতে হবে, যেখানে তারা মানসম্মত শিক্ষা গ্রহণ করবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে, উন্নত স্বাস্থ্যসেবা লাভ করবে এবং নিজেদের ইচ্ছা, সক্ষমতা ও মূল্যবোধের ভিত্তিতে নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও সুখী পরিবার গঠনে সক্ষম হবে।

আজকের তরুণরাই তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর ও জ্ঞানভিত্তিক অর্থনীতির প্রধান শক্তি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ, যেখানে প্রত্যেক তরুণ-তরুণী যুগোপযোগী দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশীয় ও বৈশ্বিক শ্রমবাজারে নিজেদের দক্ষতার স্বাক্ষর রাখতে পারবে এবং জাতীয় উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

তিনি যোগ করেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি, যদি অর্থনৈতিক নিরাপত্তা, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং উন্নত স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়, তাহলে তরুণরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা গ্রহণ করতে পারবে এবং দায়িত্বশীল পরিবার গঠন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তেও সচেতনভাবে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।’

তারেক রহমান জানান, একটি উন্নত জাতি গঠনের জন্য সর্বপ্রথম প্রয়োজন সুস্থ জনগোষ্ঠী।

সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য সরকার সবাইকে সহজলভ্য, মানসম্মত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করতে কাজ করছে।

একই সঙ্গে পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা, প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করে স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।

এ সমন্বিত প্রচেষ্টা ভবিষ্যতের স্বাস্থ্যব্যবস্থার ভিত্তি সুদৃঢ় করবে।

তিনি বলেন, ‘তবে বাল্যবিবাহ, কিশোরী মাতৃত্ব এবং অপুষ্টির মতো চ্যালেঞ্জগুলো এখনো আমাদের তরুণ প্রজন্মের বিকাশ ও অগ্রগতির পথে বড় বাধা হয়ে রয়েছে।

এসব সমস্যা এককভাবে একজন কিশোরী বা একটি পরিবারের নয়; এগুলোর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষার ধারাবাহিকতা, নারীর ক্ষমতায়ন, মাতৃ-মূল্যবোধ সংক্রান্ত স্বাস্থ্য ও জাতীয় উৎপাদনশীলতার উপরে।’

এ কারণে সরকার বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ, কিশোর-কিশোরীদের জন্য মানসম্মত যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণ, পুষ্টি এবং জীবনদক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা ও সেবা জোরদারে সমন্বিত কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে।

তিনি আরও লেখেন, আমি দৃঢ় বিশ্বাস করি, প্রত্যেক তরুণ-তরুণী যদি সমান সুযোগ পায় সুস্থ, শিক্ষিত, দক্ষ ও আত্মবিশ্বাসী হওয়ার, তাহলে তারা ভবিষ্যতে সম্ভাবনাময়, সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ নির্মাণে প্রধান চালিকাশক্তিতে পরিণত হবে।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আসুন, আমরা সবাই মিলে এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলি, যেখানে প্রত্যেক তরুণের আশা, আকাঙ্ক্ষা ও সম্ভাবনা বাস্তবে বিকশিত হবে এবং একটি নিরাপদ, সমৃদ্ধ ও মানবিক ভবিষ্যৎ নির্মাণে তারা অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।

আমি বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সব কর্মসূচির সার্বিক সাফল্য কামনা করছি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গাছ লাগানো নিয়ে নিষেধাজ্ঞা, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪০ পি.এম


গাছ লাগানো নিয়ে নিষেধাজ্ঞা, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, অনুমতি ছাড়া অপরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দ্বারা দেওয়া নিষেধাজ্ঞায় বিভিন্ন পরিবেশ সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) খন্দকার নাজমুল হাসান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ক্যাম্পাসের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবুও সম্প্রতি বিভিন্ন স্থানে অপরিকল্পিত ও নিয়মবহির্ভূতভাবে গাছ লাগানো হচ্ছে, যা বিপত্তি ডেকে আনতে পারে। যত্রতত্র গাছ রোপণের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টারপ্ল্যান এবং ভূগর্ভস্থ ইউটিলিটি লাইন (বিদ্যুৎ, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন) ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, যা ক্যাম্পাসের নান্দনিক পরিবেশকে ব্যাহত করছে। তাই এখন থেকে ক্যাম্পাসের যেকোনো স্থানে গাছ রোপণের পূর্বে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক।

এই বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশের পরপরই শিক্ষার্থীরা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করতে থাকেন। কেউ বলেছেন, পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, সেক্ষেত্রে অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা কেন থাকবে? আবার কেউ প্রশ্ন তোলেন, বৃক্ষরোপণের ওপর নিষেধাজ্ঞা কীভাবে যৌক্তিক হতে পারে। আবার একজন মন্তব্য করেন, গাছ কাটতে না পেরে প্রশাসন বৃক্ষরোপণই নিষেধ করল। তবে কিছু শিক্ষার্থী এ উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবরই বিভিন্ন নির্মাণকাজের কারণে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানের গাছ কেটে আসছে। বর্তমানে প্রধান সড়কের দুই পাশের গাছ কেটে রাস্তা সম্প্রসারণের একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু কাটা গাছের পরিবর্তে কোথায় নতুন গাছ লাগানো হবে বা এ সংক্রান্ত কোনো দীর্ঘমেয়াদি বৃক্ষরোপণ পরিকল্পনার বিষয়ে প্রশাসনের কোনো স্পষ্ট ধারণা নেই।

একের পর এক গাছ কাটার ফলে ক্যাম্পাসে সবুজের পরিমাণ কমে যাচ্ছে এবং ধীরে ধীরে মরুকরণের পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে গ্রীষ্মকালে ছায়ার অভাবে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও কর্মচারীদের ভোগান্তি হচ্ছে।

এ বিষয়ে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ ক্লাবের সভাপতি মো. আবু সুফিয়ান সাদী বলেন, 'বিশ্ববিদ্যায়ের পরিবেশসচেতন শিক্ষার্থীরা অবশ্যই বৃক্ষরোপণ করবে, এখন যেহেতু বৃক্ষরোপণের উপযুক্ত মৌসুম। কিন্তু সম্প্রতি আমরা দেখেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রমের কারণে নিয়মিত গাছ কাটা হচ্ছে বা গাছগুলো স্থানান্তর করা হচ্ছে। এর ফলে শিক্ষার্থীদের কষ্ট করে লাগানো গাছগুলো কাটা পড়ছে। এর পেছনে বড় একটি কারণ হচ্ছে, আমরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চূড়ান্ত নকশাটাই এখনো জানি না। আমাদের ক্যাম্পাসে অনেক নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে, কিন্তু শিক্ষার্থীদের বেশিরভাগই সঠিক সম্পর্কে কিছু জানে না। উদ্ভিদেরও প্রাণ আছে, এবং আমরা চাই না কোনো প্রাণের বিনাশ হোক।'

বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রীনক্যাম্পাস সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো. মোস্তফা কামাল মন্তব্য করেন, 'বিভিন্ন সময়ে সাধারণ শিক্ষার্থী, শিক্ষক কিংবা বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন নিজেদের পছন্দমতো স্থানে নিজেদের পছন্দের গাছ রোপণ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনার ওপর সাধারণ শিক্ষার্থীদের আস্থার ঘাটতি রয়েছে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের তথাকথিত মাস্টারপ্ল্যান আসলে কেমন প্ল্যান? আর যে প্ল্যান বছর বছর পাল্টায়, সেটি কীভাবে মাস্টার প্ল্যান হয়? প্রায় ৩ থেকে ৩.৫ বছর আগে কদমতলা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২য় গেট-সংলগ্ন সড়কের পশ্চিম পাশে প্রশাসনের উদ্যোগে গাছ লাগানো হয়েছিল। এখন আবার প্রশাসন সেই গাছগুলো তুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটাই কি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের আগামীর পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের নমুনা? এখানেই শেষ নয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনার দপ্তরের পরিকল্পনা কতখানি নির্ভরযোগ্য ও ভরসাযোগ্য, তার কোনো সুরাহা নেই। স্থানীয় পরিবেশ ও বিদ্যমান প্রকৃতির সঙ্গে পরিকল্পনা কেন সামঞ্জস্যপূর্ণ করা যায় না? প্রশ্ন থেকে যায়, পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণের নামে বৃক্ষনিধনের মহাযজ্ঞ হতে যাচ্ছে না কিনা, প্রকৃতির সুরক্ষা ও উন্নয়ন একটি আরেকটির পরিপূরক হলেও উন্নয়নের সঙ্গে প্রকৃতিকে সাংঘর্ষিকভাবে দেখানোর কারণ কী?'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১০:৪৩ পি.এম


বন্যা পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় কার্যকর পদক্ষেপের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

সারা দেশে ভারি বর্ষণ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে প্রধানমন্ত্রীর তারেক রহমান সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এবং দলীয় নেতাকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) প্রায় সারাদিনই প্রধানমন্ত্রী বন্যাবিধ্বস্ত বিভিন্ন জেলার জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং সিভিল সার্জনদের সঙ্গে কথা বলে সার্বিক পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নেন।

এ সময় তিনি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর মন্ত্রী, সচিব এবং বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও আলোচনা করেন। প্রধানমন্ত্রী উদ্ধার, ত্রাণ, চিকিৎসা ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরো সমন্বিত ও কার্যকরভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

রুমন জানান, বন্যাকবলিত জেলাগুলোতে উদ্ধার, পুনর্বাসন ও চিকিৎসাসহ সার্বিক কার্যক্রমের সমন্বয় সাধনের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিতকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় শনিবার (১১ জুলাই) তিনি ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে চট্টগ্রামে যাবেন।

আতিকুর রহমান রুমন আরও জানিয়েছেন, কয়েকটি এলাকায় বন্যার পানি কমতে শুরু করেছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তথ্য দিয়েছেন। তবে পরিস্থিতি এখনও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বন্যাকবলিত এলাকার নারী ও শিশু, বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের প্রতি বিশেষ যত্ন নেওয়ার নির্দেশনা দেন। তিনি দৃঢ়ভাবে নির্দেশ দেন যেন দুর্যোগকালীন পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো অসাধু চক্র চুরি-ডাকাতি বা অন্য কোন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়াতে না পারে, সেই বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে। পাশাপাশি তিনি ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, চিকিৎসাসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশও দেন।

এদিকে, বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা শুরু থেকেই বন্যাকবলিত এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা ও ত্রাণ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%