বৃহস্পতিবার, ১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং
০৭:১০ পি.এম
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাতনামা এক বৃদ্ধার মৃত্যু ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নিমতলা এলাকার রেললাইনের পাশে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কর্তৃক তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, সকালে সিরাজদিখান ফায়ার স্টেশনে খবর আসে যে, নিমতলা এলাকার রেললাইনের পাশে এক অজ্ঞাত বৃদ্ধ নারীর মরদেহ পড়ে রয়েছে। এরপর ফায়ার সার্ভিসের একটি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে।
তিনি আরও জানান, নিহত নারীর বাম পা কাটা ছিল। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রেললাইন দিয়ে চলাচলের সময় ট্রেনের ধাক্কায় তিনি দুর্ঘটনার শিকার হয়ে থাকতে পারেন।
ঢাকা রেলওয়ে পুলিশের (জিআরপি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জয়নাল আবেদীন জানিয়েছেন, ওই নারী সকালে লাঠিতে ভর করে রেললাইনের ওপর দিয়ে হাঁটছিলেন। এ সময় একটি ট্রেনের ধাক্কায় তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিহত নারীর পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে শনাক্ত করা যায়নি। মরদেহ থানায় রাখা হয়েছে। পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেনে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে যাওয়ার ঘটনায় অন্তত ছয়জন আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরের দিকে উপজেলার হাসাড়া এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মুন্সীগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, দুপুর ১২টার দিকে শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনে দুর্ঘটনার খবর আসে। এরপর শ্রীনগর ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ঘটনাস্থলেই দেওয়া হয়।
ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তার মতে, বাসটি ঢাকা থেকে মাওয়ার দিকে যাচ্ছিল। চালকের বেপরোয়া গতির কারণে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাসটি মাওয়ামুখী সার্ভিস লেনে উল্টে যায়। যদিও কয়েকজন আহত হয়েছেন, তবে বড় ধরনের হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
দুর্ঘটনা এড়াতে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স চালকদের বেপরোয়া গতি পরিহার করে নিয়ন্ত্রিত ও সতর্কভাবে যানবাহন চালানোর পরামর্শ দিয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম মন্তব্য করেছেন যে, বিএনপি জনগণকে বেহেশতের গ্যারান্টি দিতে সক্ষম নয়, তবে উন্নয়নের গ্যারান্টি প্রদান করবে।
তিনি বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে গাইবান্ধা সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এই কথা বলেন।
মীর শাহে আলম উল্লেখ করেন, বিএনপি দীর্ঘ সময় ধরে দেশের মানুষের অধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন-সংগ্রাম করে আসছে। দেশের বিভিন্ন সংকট ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের সময় বিএনপি একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
তিনি আরও জানান, দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বাসযোগ্য গাইবান্ধা, বাসযোগ্য ঢাকা এবং বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বিএনপি কাজ করে যাচ্ছে।
সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে তিনি দেশের উন্নয়ন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা, জনগণের প্রত্যাশা এবং গণমাধ্যমের ভূমিকা সম্পর্কেও আলোচনা করেন।
এ সময় গাইবান্ধা জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপি সভাপতি অধ্যাপক ডা. মইনুল হাসান সাদিক, সাধারণ সম্পাদক মাহামুদুন্নবী টিটুল, সহসভাপতি অধ্যাপক ডা জিয়াউল হাসান জিয়া এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষে (সিভিল এভিয়েশন) সরকারি প্রকল্পের নামে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে দুই প্রকৌশলী আমিনুল হাসিব ও মইদুর রহমান মওদুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রীর কড়া নির্দেশনার পর মন্ত্রণালয় কার্যক্রম শুরু করেছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের (আইএমইডি) মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) ড. মো. মনজুরুল ইসলামকে প্রধান করে গঠন করা তদন্ত কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির পরিচালক (উপসচিব) মোহাম্মদ সালাহ্ উদ্দিন এবং পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগের পরিচালক (উপসচিব) নিশাত জাহান। কমিটিকে আগামী চার কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যেভাবে অর্থ আত্মসাৎ
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের পর শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ দেশের বিভিন্ন বিমানবন্দরের উন্নয়নকাজে শত শত কোটি টাকা লুটপাটের অভিযোগ দুদকে এসেছে। এসব অভিযোগ অনুসন্ধান করে কমিশন ৯০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৪টি মামলা করেছে। এর মধ্যে দুটি মামলায় আসামি হিসেবে বেবিচকের প্রকৌশলী আমিনুল হাসিব ও মইদুর রহমান মওদুদকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
দুদকের নথি থেকে জানা গেছে, যশোর, সৈয়দপুর ও রাজশাহী (শাহ মখদুম) বিমানবন্দরের রানওয়ে সংস্কারের একটি প্রকল্পের (ডিপিপি) ব্যয় ও মেয়াদ বৃদ্ধির অনুমোদন দেয় সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি (সিসিজিপি)। তবে শর্ত ছিল, প্রকল্পের ডিপিপি সংশোধন করতে হবে। কিন্তু প্রকল্প পরিচালক (পিডি) আমিনুল হাসিব অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে গত তিন বছরেও সেই শর্ত পালন করেননি। এটি সিসিজিপির আদেশের সরাসরি লঙ্ঘন এবং প্রকল্প পরিচালক হিসেবে তিনি এর দায় এড়াতে পারেন না।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা যোগসাজশে প্রকল্পে অনিয়ম-দুর্নীতি করে কাজ শেষ না করে বিল তুলে নিয়েছেন।
পদোন্নতি পেতে কারসাজির অভিযোগ
অভিযোগ উঠেছে, এই দুই কর্মকর্তা দুর্নীতির শত শত কোটি টাকা দিয়ে সবকিছু ম্যানেজ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। চলতি বছরের মার্চ মাসে অর্থের বিনিময়ে দুদকের কিছু অসাধু কর্মকর্তাকে হাত করে তারা একটি ভুয়া চিঠি তৈরি করান। চলতি বছরের ১১ মার্চ দেওয়া সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, প্রকৌশলী আমিনুল হাসিব ও মওদুদ আহমেদের বিরুদ্ধে দুদকের কোনো মামলা নেই। সেই ভুয়া চিঠির সুযোগ নিয়ে আমিনুল হাসিব সম্প্রতি পদোন্নতি পেয়ে বেবিচকের সিভিল সার্কেল প্রকল্পের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হন। অপরদিকে মওদুদ ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী প্রকৌশলী।
দুর্নীতির দায়ে ২০১৯ সালেও চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছিলেন আমিনুল হাসিব। এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, তিনি সরকারি কোনো ছুটি বা অনুমতি (জিও) ছাড়াই চলতি বছরের জানুয়ারিতে গোপনে অস্ট্রেলিয়া, আমেরিকা ও কানাডা ভ্রমণ করেন। অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থানকালে তার পাসপোর্ট হারিয়ে গেলে নিজ দপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় তিনি দেশে ফিরে আসেন।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশ ও দেশত্যাগের আশঙ্কা
দুদক ও মন্ত্রণালয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকার পরও সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ এতদিন তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। দুর্নীতি দমন কমিশনের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় থেকে ২৩ আগস্ট (২০২৬) তারিখে চেয়ারম্যান বরাবর চিঠি পাঠানো হলেও এখনও কেন এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি, সে বিষয়টি জানতে গত ১০ সেপ্টেম্বর আবারও অতি জরুরিভিত্তিতে মন্ত্রণালয়কে অবহিত করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে পরিস্থিতি প্রতিকূলে বুঝতে পেরে দুর্নীতিগ্রস্ত এই দুই কর্মকর্তা যেকোনো মুহূর্তে গোপনে দেশত্যাগ করতে পারেন বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেনকে হাফপ্যান্ট পরার কারণে মেট্রো স্টেশনে হেনস্তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে কয়েকজন তরুণ হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে চড়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে ঢাকার ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে তারা এই প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।
সকাল সাতটার দিকে ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে হাফপ্যান্ট পরে উপস্থিত হন তিন তরুণ। তাদের মধ্যে ছিলেন বেসরকারি চাকরিজীবী ও দৌড়বিদ সাগর মজুমদার, বেসরকারি চাকরিজীবী রকিবুল ইসলাম এবং ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান। পরে সাগর ও মাহফুজুর হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে ওঠেন। একই সময়ে স্টেশনের অন্য একটি প্রবেশপথ দিয়ে আরও দুজন তরুণ হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠেছেন বলে জানা গেছে, তবে তাদের পরিচয় জানা যায়নি।
সাগর মজুমদার বলেন, তারা দৌড়বিদ। দৌড়ানোর সময় হাফপ্যান্ট পরা বেশি আরামদায়ক হওয়ায় তারা এটি পরেন। সম্প্রতি, দেশ-বিদেশে পরিচিত অ্যাথলেট সাজ্জাদ হোসেন হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠতে গিয়ে হয়রানির শিকার হন। ভবিষ্যতে যেন আর কাউকে এমন পরিস্থিতিতে পড়তে না হয়, সে জন্যই তারা প্রতিবাদ জানাতে এসেছেন।
তিনি আরও বলেন, একজন দৌড়বিদ হিসেবে তিনিও মেট্রোরেল বা অন্য কোনো জায়গায় একই ধরনের হয়রানির শিকার হতে পারেন। তাই এই কর্মসূচিতে যোগ দিয়েছেন। সবার প্রতি তাদের বার্তা হলো, নেতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। হাফপ্যান্ট নিজে কোনো সমস্যা নয়; বিষয়টিকে কীভাবে দেখা হচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
ব্যবসায়ী মাহফুজুর রহমান বলেন, মেট্রোরেলে হাফপ্যান্ট পরে চলাচলের অধিকার থাকা উচিত। এটি একটি স্বাভাবিক পোশাক। তিনি সাধারণত মেট্রোরেলে ওঠেন না এবং হাফপ্যান্টও পরেন না। তবে অধিকার নিয়ে প্রতিবাদ জানাতে প্রায় পাঁচ বছর পর তিনি হাফপ্যান্ট পরে সেখানে এসেছেন।
সকাল সাতটার পর সাগর ও মাহফুজুর ফার্মগেট স্টেশন থেকে মেট্রোরেলে ওঠেন। তারা বিজয় সরণি স্টেশনের টিকিট কাটেন। পরে মেট্রোরেলে ফার্মগেট থেকে বিজয় সরণি গিয়ে নেমে যান। রকিবুল তাদের সঙ্গে মেট্রোরেলে ওঠেননি।
অন্যদিকে, ফার্মগেট স্টেশনের আরেকটি প্রবেশপথ দিয়ে হাফপ্যান্ট পরে ওঠা দুই তরুণ মতিঝিলের টিকিট কেটেছিলেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
এর আগে গত ২৭ সেপ্টেম্বর সকালে শরীরচর্চা শেষে টি-শার্ট ও হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে উঠতে গিয়ে হয়রানির শিকার হন অ্যাথলেট প্রশিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন। অভিযোগ অনুযায়ী, ফার্মগেট মেট্রো স্টেশনে দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য তার পোশাককে ‘অশালীন’ বলে টিকিট পাঞ্চ করার মেশিনের সামনে প্রায় ৪০ মিনিট দাঁড় করিয়ে রাখেন।
তবে মেট্রোরেলে চলাচলের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট পোশাকবিধি নেই বলে জানানো হয়েছে। সাজ্জাদকে হয়রানির প্রতিবাদেই বৃহস্পতিবার ফার্মগেট স্টেশনে ‘হাফপ্যান্ট পরে মেট্রোরেলে’ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
কর্মসূচির আহ্বান জানিয়ে খোলা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অনুষ্ঠানে বলা হয়েছিল, এটি কোনো বিশৃঙ্খলা তৈরির আয়োজন নয়। বরং হয়রানির প্রতিবাদ, স্পষ্ট নিয়মের দাবি এবং যাত্রীদের সঙ্গে সম্মানজনক আচরণের পক্ষে শান্তিপূর্ণ নাগরিক প্রতিবাদ। আয়োজকদের বক্তব্য, কোনো পোশাক নিষিদ্ধ হলে তার স্পষ্ট ও লিখিত নিয়ম থাকা উচিত।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ