শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৭:৪৮ পি.এম
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মনোনীত সংসদ সদস্য মাহবুবা হাকিমের হলফনামায় ভুল তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। এই বিষয়টি ইতিমধ্যে সামনে এসেছে।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্যটি প্রকাশিত হয়।
তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র ও হলফনামা জমা দেওয়ার শেষ সময় ছিল ২১ এপ্রিল। মাহবুবা হাকিম ১৯ এপ্রিল তার হলফনামায় স্বাক্ষর করেন। পরদিন ২০ এপ্রিল বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ওয়েবসাইটে দলের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে তার পরিচিতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয় যে, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা বুটেক্স থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি সম্পন্ন।
কিন্তু স্বাক্ষরিত হলফনামায় দেখা যাচ্ছে, সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে ‘এলএলএম, ব্যারিস্টার এট ল’ লেখা রয়েছে। যদিও দলটির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত পরিচিতিতে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি ছাড়া অন্য কোনো উচ্চতর ডিগ্রির উল্লেখ নেই।
এদিকে সংসদ সদস্য হওয়ার পর বিভিন্ন বক্তব্যে মাহবুবা হাকিম নিজেকে টেক্সটাইল প্রকৌশলী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তার ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলেও তিনি প্রকৌশলী হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। গত ১৫ আগস্ট ইনস্টিটিউশন অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড টেকনোলজিস্টস (আইটিইটি), বাংলাদেশে নতুন সম্মানীয় পৃষ্ঠপোষক হিসেবে তাকে মনোনীত করা হয়। সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ২০ মে বুটেক্স প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
২০০৫ সালের ২৪ মার্চ কলেজ অব টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজিকে (বর্তমানে বুটেক্স) বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের দাবিতে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মাহবুবা হাকিম অংশগ্রহণ করেছিলেন।
এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, হলফনামায় প্রদত্ত তথ্যটি কোনো উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা নয়; বরং নথি প্রস্তুতের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত যান্ত্রিক বা টাইপজনিত ভুলের কারণে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।
দলটির পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে, মাহবুবা হাকিমের প্রকৃত শিক্ষাগত যোগ্যতা বুটেক্স থেকে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ডিগ্রি সম্পন্ন করা। কিন্তু হলফনামায় সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতার ঘরে ‘এলএল.এম, ব্যারিস্টার এট ল’ উল্লেখ হওয়ায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। হলফনামা তৈরির সময় পূর্বনির্ধারিত একটি ফরম্যাট ব্যবহার করা হয়েছিল। সেই ফরম্যাটে কাজ করার সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে পূর্বের তথ্য থেকে কপি-পেস্টের মাধ্যমে এই ভুলটি হয়েছে। ফলে প্রকৃত তথ্য থাকা সত্ত্বেও উপস্থাপনায় অসঙ্গতি দেখা দেয়।
এই তথ্য সামনে আসার পর নানা আলোচনা চলছে—এটি কি আসলেই দলের ইচ্ছাকৃত ভুল, নাকি কপি-পেস্ট করতে গিয়ে ভুল হয়েছে? আর এই তথ্য এত দিন পর সামনে আসার কারণই বা কী? আগে কেন এটি সামনে আসেনি, নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য আছে?
হলফনামায় ভুল তথ্য আসার কারণ জানতে চাইলে মাহবুবা হাকিম বলেন, নমিনেশন ফরম প্রস্তুতসহ মূল সনদ গ্রহণের দায়িত্ব দলের দুজন দায়িত্বশীল ব্যক্তির ওপর ছিল। হতে পারে টাইপজনিত, অর্থাৎ করণিক ভুলের কারণে এখানে ‘ব্যারিস্টার এট ল’ এসেছে। হলফনামায় ‘এলএল.এম, ব্যারিস্টার এট ল’-এর ওপর কলমের দাগ কাটা—আমি যেহেতু ব্যারিস্টার নই এবং বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সনদ জমা দেওয়া হয়েছে, তাই হয়তো নির্বাচন কমিশন থেকেই যাচাই-বাছাইয়ের সময় সেখানে দাগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সবার প্রথমে এই ভুলটি নিয়ে কথা বলেছেন নমিনেশন ফরম নিয়ে কাজ করা দলের একজন। তার সপ্তাহখানেক পরেই গত সপ্তাহে গণমাধ্যমকর্মী পরিচয় দিয়ে একজন আমার সঙ্গে এই ত্রুটি নিয়ে কথা বলেন। তাকে যথাসম্ভব আমার পক্ষ থেকে শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের বিষয়টি পরিষ্কার করা হয়।
এত দিন পর এই তথ্যটি সামনে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই তথ্য নিয়ে এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন থেকে কিছু বলা হয়নি। নিউজটি এভাবেও করা যেত—ইঞ্জিনিয়ার মাহবুবা হাকিম এমপির হলফনামায় ব্যারিস্টার এট ল কেন? হতে পারে আমাকে সামাজিকভাবে মর্যাদা ক্ষুণ্ন ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করতে। কিন্তু তারা বুঝলেন না যে, বুটেক্সের একজন ইঞ্জিনিয়ার হলফনামায় ব্যারিস্টার পরিচয় দিয়ে কী লাভ, যেখানে আমি, আমার দল, বিভিন্ন মিডিয়া শুরু থেকেই আমার পরিচয় টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে বলে আসছি। এই ঘটনার জন্য সরকারি দল থেকে আমার ওপর কোনো রকম চাপ আসছে না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পাশে একটি জঙ্গল থেকে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২১ ঘণ্টা পর অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুটি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহিদা বেগমের পুত্র।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে ১৩ বছর বয়সী সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। একই দিন বিকেল ৩টার দিকে তদন্তের জন্য পুলিশ তুহিন নামের এক সন্দেহভাজন কিশোরকে আটক করে।
কুমিল্লার কোটবাড়ি থানার ইন্সপেক্টর মহিবুল আলম ভুঁইয়া আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তদন্তের স্বার্থে তুহিন নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাসা থেকে বের হওয়ার পর সিসিটিভি ফুটেজে অপ্রতীমের সাথে তুহিনকে দেখা যায়। তারা প্রায় এক ঘণ্টা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস এলাকায় ছিল এবং পরে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যান। নিখোঁজ হওয়ার দিন অপ্রতীমের সাথে তুহিনের ম্যাসেজিংও হয়েছে।
এছাড়া, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ওসি রকিবুল ইসলাম জানিয়েছেন, আইফোনের জন্যই এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। তিনি বলেন, "আমরা অনেকটা নিশ্চিত এ কারণেই হত্যার ঘটনা ঘটেছে।"
প্রসঙ্গত, গতকাল শুক্রবার বিকেল ৩টার দিকে মায়ের মোবাইল ফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হয়ে নিখোঁজ হয় শিশু অপ্রতীম। নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও পুলিশ প্রশাসন তার সন্ধানে বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেন। তবে প্রায় ২১ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের একটি ঘর থেকে পুলিশ তিনটি মরদেহ উদ্ধার করেছে। উদ্ধারকৃত মরদেহগুলির মধ্যে রয়েছে প্রবাসী এক ব্যক্তি, তার স্ত্রী এবং দেড় বছর বয়সী কন্যাশিশু। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ ধারণা করছে, পারিবারিক কলহের কারণে স্ত্রী ও কন্যাকে হত্যা করার পর স্বামী আত্মহত্যা করেছেন। তবে নিহত স্ত্রীর পরিবারের সদস্যরা বলছেন, এটি একটি ষড়যন্ত্রমূলক হত্যাকাণ্ড।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বারাহিরচর এলাকার জান্নাকান্দি গ্রামের একটি বন্ধ ঘর থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন, প্রবাসী একরাম হোসেন (৪০), তার দ্বিতীয় স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা আক্তার (২৫) এবং তাদের দেড় বছর বয়সী কন্যাশিশু।
পুলিশ এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, একরাম হোসেন প্রায় দুই মাস আগে বিদেশ থেকে দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পর থেকে তিনি অনেকটা ঘরবন্দি অবস্থায় ছিলেন। শনিবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তাদের কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে ঘরের কাছে যান। পরে ঘরের জানালার পাশে টিনের বেড়া কেটে ভেতরে প্রবেশ করে দেখতে পান ফ্যানের সঙ্গে একরামের মরদেহ ঝুলছে এবং মেঝেতে স্ত্রীর ও শিশুকন্যার মরদেহ পড়ে রয়েছে।
স্থানীয়দের ধারণা, প্রাথমিকভাবে প্রিয়াঙ্কার মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করা হয়। শিশুটি কান্নাকাটি করলে তাকেও ইট দিয়ে আঘাত ও শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হতে পারে। এরপর স্ত্রীর ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস নিয়ে একরাম আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এসব তথ্য এখনও তদন্তে নিশ্চিত হয়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী আলামিন বলেন, "পাশেই ডেকোরেশনের কাজ করছিলাম। চিল্লাচিল্লির শব্দ পেয়ে এগিয়ে যাই। তখন দেখি ঘরের টিনের বেড়া কাটা। পরে তাকিয়ে দেখি একরাম ভাই ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে আছে আর ভাবী ও তার বাচ্চা নিচে পড়ে আছে।"
স্থানীয় তোফাজ্জল জানান, "রাতে পাশেই বক্স বাজছিল। সকাল ৯টা-১০টার দিকে তাদের ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পরে ঘরের বেড়া কেটে দেখা যায় একজন ফ্যানের সাথে ঝুলে আছে আর দুজন নিচে পড়ে আছে। তাদের আর্থিক কোনো সমস্যা ছিল না তবে পারিবারিক কলহের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।"
তবে নিহত প্রিয়াঙ্কা আক্তারের পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন। তাদের অভিযোগ, এত বড় ঘটনা কেন তাদের দুপুর ১টার দিকে জানানো হলো। তারা মনে করছেন, মেয়ে শ্বশুরবাড়ির লোকজন চক্রান্ত করে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারেন।
প্রিয়াঙ্কার মা বলেন, "দুই দিন আগেও মেয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। সে শুধু বলেছে, স্বামীর বাড়ি থেকে চলে আসবে। তবে আমার মেয়ের সঙ্গে জামাইয়ের কোনো সমস্যা ছিল না। আমার ধারণা, মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকজন চক্রান্ত করে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।"
প্রিয়াঙ্কার বাবা মোহাম্মদ মহসিন খান বলেন, "আমার মেয়েকে এই বাড়ির যারা আছে, পুত্রা ঝিয়ারি (প্রিয়াঙ্কার দেবর, ও ননদ), ঝিয়ারির জামাই (ননদের জামাই) ষড়যন্ত্র কইরা মারছে। আমার জামাই (প্রিয়াঙ্কার জামাতা) এর সাথে কোনো অবনতি (অমিল) নাই এটা আমি জানি। আমি ন্যায় বিচার চাই।"
তিনি দাবি করেন, প্রিয়াঙ্কার সাথে একরামের কোনো সমস্যা ছিল না। একরামের বোনসহ পরিবারের কয়েকজন এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
এ বিষয়ে মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মহরম আলী বলেন, "মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। তবে প্রাথমিকভাবে দাম্পত্য কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) গুলশান বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) পর এবার একই জোনের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো. সরোয়ার হোসাইনকে বদলি করা হয়েছে। একই পদমর্যাদার আরও তিন পুলিশ কর্মকর্তাকেও বদলি করা হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) ডিএমপির এক অফিস আদেশে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
আদেশের ভিত্তিতে, গুলশান বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. সারোয়ার হোসাইনকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ডেমরা-জোনাল টিম), গোয়েন্দা-ওয়ারী বিভাগে বদলি করা হয়েছে। এছাড়া, গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ আমিনুল হক বাপ্পীকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (গুলশান জোন), গুলশান বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ডিএমপির ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালাইসিস বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. জাহিদুল ইসলামকে অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিরপুর জোন), মিরপুর বিভাগে বদলি করা হয়েছে। মিরপুর বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ফারজিনা নাসরিনকেও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (পল্লবী জোনাল টিম), গোয়েন্দা-মিরপুর বিভাগে বদলি করা হয়েছে।
আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, জনস্বার্থে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত চার কর্মকর্তাকে তাদের নামের পাশে উল্লেখিত পদে ও কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, এই বদলি অবিলম্বে কার্যকর হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু ঘটেছে। একই সময়ে, দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে নতুন করে এক হাজার ২৩২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোলরুম থেকে প্রকাশিত ডেঙ্গু সম্পর্কিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ১৭৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৯৪ জন, ঢাকা বিভাগের সিটি কর্পোরেশনের বাইরে ৮৫ জন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনে ১৫৪ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে ১৭৫ জন, খুলনা বিভাগে ২৫৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৫৪ জন, রাজশাহী বিভাগে ৮২ জন, রংপুর বিভাগে ৪৭ জন এবং সিলেট বিভাগে ৬ জন রয়েছেন।
বর্তমান বছরের ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সারাদেশে মোট ৬০ হাজার ৩৭৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।
এবং চলতি বছরে মোট ৫৬ হাজার ৭০ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা এক হাজার ২৩২।
গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু ঘটেছে এবং চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মোট ১৭৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা ছিল এক লাখ এক হাজার ২১৪ এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছে, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ