রবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:৫৮ পি.এম
৪১ বছর বয়সেও লুকা মদ্রিচের পায়ের জাদু কমেনি। আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে বিদায়ের গুঞ্জনের মধ্যে উয়েফা নেশন্স লিগের প্রথম ম্যাচে গোল করে নতুন ইতিহাস গড়েছেন ক্রোয়েশিয়ার এই তারকা মিডফিল্ডার। চেক প্রজাতন্ত্রকে ২-১ গোলে পরাজিত করে টুর্নামেন্টে জয় দিয়ে যাত্রা শুরু করেছে ক্রোয়েশিয়া তার গোলে ভর করে।
প্রাগে ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগে মদ্রিচের মাঠে নামা নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। জ্বরে আক্রান্ত হওয়ায় ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হতে পারেননি ইন্টার মিলানের এই মিডফিল্ডার। তবে শেষ পর্যন্ত মাঠে নেমে তিনি দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আসে মদ্রিচের কাঙ্ক্ষিত মুহূর্ত। ম্যাচের ৪৭ মিনিটে বক্সে ঢুকে ডান পায়ের জোরালো শটে দূরের পোস্ট দিয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি। তার এই গোলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ক্রোয়েশিয়া।
এই গোলের মাধ্যমে ৪১ বছর ১৭ দিন বয়সে ক্রোয়েশিয়ার হয়ে সবচেয়ে বেশি বয়সী গোলদাতা হওয়ার রেকর্ড গড়েছেন মদ্রিচ। বয়সকে ছাপিয়ে গোল করার কীর্তি তার জন্য নতুন নয়। ২০২৪ ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে ইতালির বিপক্ষে গোল করার সময় তার বয়স ছিল ৩৮ বছর ২৮৯ দিন। সেই গোলের মাধ্যমে ইউরোর মূলপর্বে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোল করার রেকর্ড গড়েছিলেন তিনি।
তবে মদ্রিচের গোলের পরও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ধরে রাখতে পারেনি ক্রোয়েশিয়া। মাত্র সাত মিনিটের ব্যবধানে সমতায় ফেরে চেক প্রজাতন্ত্র। আদাম কারাবেচের গোলে ম্যাচের স্কোর ১-১ হয়ে যায়।
এরপর জয়সূচক গোলের জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে ক্রোয়েশিয়া। শেষ পর্যন্ত ৭৭ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল আসে। ইভান পেরিসিচের বাড়ানো বলে মার্কো পাসালিচ লক্ষ্যভেদ করলে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ক্রোয়াটরা। শেষ পর্যন্ত এই ব্যবধান ধরে রেখেই পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ে ক্রোয়েশিয়া।
এই জয়ের ফলে নেশন্স লিগের ‘গ্রুপ এ৩’-এ তিন পয়েন্ট পেল ক্রোয়েশিয়া। সমান তিন পয়েন্ট নিয়ে গোল ব্যবধানে এগিয়ে শীর্ষে রয়েছে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন। নিজেদের প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৩-২ গোলে হারিয়েছে তারা।
আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর স্পেন, ৩ অক্টোবর ইংল্যান্ড এবং ৬ অক্টোবর আবারও স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামবে মদ্রিচের ক্রোয়েশিয়া।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
হযরত নূহ (আ.)-এর নৌকার খোঁজে তুরস্কের একটি রহস্যময় স্থান আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। গবেষকেরা দাবি করেছেন, বহু দশক ধরে নূহ (আ.)-এর নৌকার সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষ হিসেবে পরিচিত ‘দুরুপিনার গঠন’-এর নিচে অস্বাভাবিক কাঠামোর সন্ধান পাওয়া গেছে।
তবে, এখনো সেখানে কাঠের তৈরি কোনো নৌকা পাওয়া যায়নি। মাটির নিচে পাওয়া কাঠামোগুলো মানুষের তৈরি—এমন দাবির পক্ষে এখন পর্যন্ত কোনো বৈজ্ঞানিক গবেষণা প্রকাশিত হয়নি।
মাটির নিচে কী পাওয়া গেছে?
দুরুপিনার গঠনটি তুরস্কের আরারাত পর্বত থেকে প্রায় ৩২ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। উপরে থেকে দেখলে এটি নৌকার মতো মনে হয়। দীর্ঘদিন ধরে এই স্থানটি নূহ (আ.)-এর নৌকা অনুসন্ধানকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু।
গবেষকেরা জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে রাডার পরীক্ষায় মাটির নিচে কিছু সোজা রেখা, সমকোণে মিলিত কাঠামো এবং বড় আকারের ফাঁকা জায়গার অস্তিত্বের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তাদের ধারণা, এগুলো হয়তো মাটির নিচের কোনো পথ বা কক্ষের অংশ।
অ্যানড্রু জোন্স, যিনি অনুসন্ধানের সঙ্গে যুক্ত, দাবি করেছেন যে সাম্প্রতিক কাজের মাধ্যমে জায়গাটি মানুষের তৈরি—এমন বিষয় শতভাগ নিশ্চিত হয়েছে। তবে, এই দাবি এখনও স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হয়নি।
এখনো নৌকার সন্ধান মেলেনি
গবেষকেরা স্পষ্টভাবে কোনো কাঠের নৌকা উদ্ধার করতে সক্ষম হননি। মাটির নিচের কাঠামোগুলো মানুষের তৈরি কি না, সেটিও নিশ্চিত নয়। এই কারণে, গবেষকেরা অনুসন্ধান আরও গভীর করার পরিকল্পনা করেছেন।
প্রত্নতত্ত্ববিদ চেঙ্কার আতিলার নেতৃত্বে একটি দল ইতোমধ্যে ১৫০টি স্থান থেকে প্রায় এক হাজার মাটির নমুনা সংগ্রহ করেছে। পাশাপাশি, সেখানে মাটির গভীরে পৌঁছাতে খননকাজ শুরু হয়েছে।
আসছে বিশেষ রোবট
গবেষণার পরবর্তী ধাপে গোফার নামের বিশেষভাবে তৈরি একটি যন্ত্র ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই যন্ত্রটি মাটির নিচের এমন জায়গায় প্রবেশ করবে, যেখানে মানুষের পক্ষে নিরাপদে যাওয়া সম্ভব নয়।
যন্ত্রটি সেসব জায়গার ভিডিও ধারণের পাশাপাশি নমুনাও সংগ্রহ করবে। এর মাধ্যমে মাটির নিচে পাওয়া কাঠামোগুলোর প্রকৃতি সম্পর্কে আরও তথ্য পাওয়ার আশা করছেন গবেষকেরা।
কোরআনে নূহ (আ.)-এর নৌকার বর্ণনা
ইসলামি বর্ণনা অনুযায়ী, হযরত নূহ (আ.) আল্লাহ তায়ালার নির্দেশে নৌকা তৈরি করেছিলেন। পবিত্র কোরআনের সূরা হুদের ৩৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তায়ালা নূহ (আ.)-কে নৌকা নির্মাণের নির্দেশ দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
মহাপ্লাবনের সময় নূহ (আ.)-কে তার পরিবার ও ঈমানদারদের নৌকায় তুলে নিতে বলা হয়। একই সঙ্গে বিভিন্ন প্রাণীর জোড়ও নৌকায় তুলে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।
সূরা হুদের ৪০ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, আল্লাহর নির্দেশ আসার পর নূহ (আ.)-কে বিভিন্ন শ্রেণির প্রাণী থেকে দুইটি করে এবং তার পরিবার ও ঈমানদারদের নৌকায় তুলে নিতে বলা হয়। সেখানে আরও উল্লেখ রয়েছে, নূহ (আ.)-এর সঙ্গে ঈমান এনেছিল খুব অল্পসংখ্যক মানুষ।
নৌকায় কতজন ছিলেন?
কোরআন বা নির্ভরযোগ্য হাদিসে নূহ (আ.)-এর নৌকায় থাকা ঈমানদারদের সঠিক সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি। তবে আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত একটি মত অনুযায়ী, নৌকায় ৪০ জন পুরুষ ও ৪০ জন নারীসহ মোট ৮০ জন ছিলেন।
বর্ণনা অনুযায়ী, মহাপ্লাবনের পর তারা ইরাকের মুসেল নগরীর একটি এলাকায় বসতি স্থাপন করেন। ওই স্থানটি সামানুন বা আশি নামে পরিচিত হয়ে যায় বলে উল্লেখ রয়েছে।
নূহ (আ.)-এর এক পুত্র ঈমান না আনায় প্লাবনে ধ্বংস হয়েছিল বলেও কোরআনে বর্ণনা রয়েছে। তার স্ত্রী সম্পর্কেও ইসলামি ব্যাখ্যাগ্রন্থে বলা হয়েছে, তিনি ঈমান আনেননি এবং কাফিরদের সমর্থন করতেন।
কোথায় থেমেছিল নূহ (আ.)-এর নৌকা?
পবিত্র কোরআনের সূরা হুদের ৪৪ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, মহাপ্লাবনের পর পানি কমে গেলে নৌকাটি জুদি পাহাড়ে গিয়ে থেমেছিল।
ইসলামি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, জুদি পাহাড় ইরাকের মুসেল নগরীর উত্তরে, আর্মেনিয়া সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় অবস্থিত। এটি একটি পর্বতমালার অংশ। অন্য একটি অংশের নাম আরারাত পর্বত বলে উল্লেখ করা হয়।
এ কারণে নূহ (আ.)-এর নৌকার সম্ভাব্য অবস্থান নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে আরারাত ও এর আশপাশের এলাকায় অনুসন্ধান চালানো হচ্ছে। তবে ইসলামি বর্ণনায় নৌকাটি জুদি পাহাড়ে থামার কথা বলা হয়েছে—এটি মনে রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
১৯৫৯ সাল থেকেই রহস্য
দুরুপিনার গঠনটি প্রথম ১৯৫৯ সালে আকাশ থেকে তোলা ছবিতে শনাক্ত হওয়ার পর থেকেই নূহ (আ.)-এর নৌকা অনুসন্ধানকারীদের আগ্রহের কেন্দ্রে রয়েছে।
গঠনটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬০ মিটার। হযরত নূহ (আ.)-এর নৌকার সম্ভাব্য দৈর্ঘ্য সম্পর্কে ধর্মীয় বর্ণনায় যে হিসাব পাওয়া যায়, তার সঙ্গে দুরুপিনারের আকারের কিছুটা মিল থাকায় জায়গাটি নিয়ে আগ্রহ আরও বেড়েছে।
তবে নতুন অনুসন্ধানে মাটির নিচে অস্বাভাবিক কাঠামোর ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও, এটিই হযরত নূহ (আ.)-এর নৌকা—এমন বৈজ্ঞানিকভাবে নিশ্চিত প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
সূত্র: দ্য জিও নিউজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশি প্রবাসীদের সমস্যা ও অভিযোগ দ্রুত সমাধানের লক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় একটি ‘অভিযোগ নিষ্পত্তি ও নিরসন সেল’ প্রতিষ্ঠা করেছে, যা প্রবাসীদের সেবার মান উন্নয়ন এবং হয়রানি কমানোর জন্য কাজ করবে।
মন্ত্রণালয়ের একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অভিজ্ঞ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত এই সেলটি প্রবাসীদের যেকোনো সমস্যা বা অভিযোগ সরাসরি ইমেইলের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জানাতে সক্ষম করবে।
অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রবাসীরা [email protected] এবং [email protected] ঠিকানায় নিজেদের অভিযোগ পাঠাতে পারবেন। এই সেলে প্রাপ্ত প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
সেলের কার্যক্রম স্বচ্ছ ও গতিশীল রাখার জন্য, আসা আবেদন এবং অভিযোগগুলো দৈনিক ও সাপ্তাহিক ভিত্তিতে মন্ত্রী এবং সচিবের কাছে উপস্থাপন করা হবে। ফলে নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে প্রবাসীদের যেকোনো সংকটে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা সদরে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ ৭ শিক্ষার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) মধ্য রাতে থানার পাশে শাহীদ আলী মডেল স্কুলের মাঠ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পরে নাশকতার মামলায় আসামি করে শনিবার রাতে আদালতে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তারকৃত সাত জনই স্কুল ও কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থী বলে জানিয়েছে তাদের পরিবার।
গ্রেপ্তারকৃত শিক্ষার্থীরা হলেন- হবিবপুর গ্রামের অনিক দাস (১৮), ডুমরা গ্রামের বর্ষণ তালুকদার (১৮), সৌমিত্র দাস (১৮), দীপ্ত দাস (১৮), অভি সরকার (১৬), দেব দাস (১৬) ও ইমন দাস (১৬)। আদালত রাতেই তাদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একটি ক্লাবের ফুটবল খেলা উপলক্ষে কয়েক জন শিক্ষার্থী শুক্রবার রাতে শাল্লা উপজেলা সদরের ঘুঙ্গিয়ারগাঁও বাজারে খাবারের আয়োজন করেছিল। খাবার খাওয়ার পর বাড়ি যাওয়ার সময় শাহীদ আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ এলাকায় তারা আনন্দের সঙ্গে এই স্লোগান দেয়।
পুলিশের নজরে স্লোগান দেওয়ার বিষয়টি আসলে, স্লোগান ও মিছিল দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ সঙ্গে সঙ্গে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে এবং পরে আরও ৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর নাশকতার মামলায় আসামি করে শনিবার রাতে তাদের সুনামগঞ্জ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
আদালতের বিচারক জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট সকিনা আক্তার গ্রেপ্তারকৃত সবাইকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্টেট আদালতের শাল্লা জোনের জি.আর.ও এএসআই মো. আবুল কাশেম।
এদিকে শিক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতরা কেউই ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নয়। তারা সবাই নিয়মিত স্কুল-কলেজের ছাত্র। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে একসঙ্গে রাতের খাবার শেষে তারা এই স্লোগান দিয়েছিল। কিন্তু পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে নাশকতার মামলায় আদালতে প্রেরণ করেছে। এখন তাদের স্বজনরা দুশ্চিন্তায় আছেন।
বর্ষণ তালুকদারের বাবা অনাদি তালুকদার বলেন, "আমার ছেলে কোনো রাজনীতি করে না, রাজনীতি বুঝে না।" তবে পুলিশ স্লোগান ও মিছিল দেওয়ার অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তার করে নাশকতার মামলায় কারাগারে পাঠিয়েছে। তাদের মুক্তির বিষয়ে আমরা আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলছি।
স্কুল ছাত্র অভি সরকারের বাবা বাদল সরকার বলেন, "আমার ছেলে হাই স্কুলে পড়ে, সে রাজনীতির কী বুঝে।" তারা নাকি কয়েক জন মিলে ওই স্লোগান দিয়েছে, এমন অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে শনিবার রাতে আদালতে প্রেরণ করেছে। ছেলেকে নিয়ে পরিবারের সবাই দুশ্চিন্তায় আছি।
শাল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সুহেল বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা শুক্রবার রাতে রাজনীতি নিষিদ্ধ সংগঠনের স্লোগান দিয়েছে ও মিছিল করেছে। নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার বিকেলে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
স্কুল ছাত্রদের গ্রেপ্তার করার বিষয়ে জানতে তিনি বলেন, নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগেই সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বয়স যদি কম হয়ে থাকে আদালত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চলতি বছরের নোবেল পুরস্কার ঘোষণা আগামী ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাচ্ছে। ৫ অক্টোবর থেকে ১২ অক্টোবরের মধ্যে ধাপে ধাপে ছয়টি বিভাগে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। নোবেল পুরস্কারের আনুষ্ঠানিক সব ঘোষণা সরাসরি সম্প্রচার করা হবে এবং বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে নোবেল পুরস্কারের নিজস্ব মাধ্যমে।
প্রথম তিন দিনে বিজ্ঞানের তিন শাখার নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে। ৫ অক্টোবর, সোমবার বাংলাদেশ সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিটে চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্বে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
এরপর ৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে পদার্থবিজ্ঞানে এবং ৭ অক্টোবর, বুধবার একই সময়ে রসায়নে নোবেলজয়ীদের নাম প্রকাশ করা হবে।
নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয় চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শারীরতত্ত্ব, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতি—এই ছয়টি বিভাগে।
এবার নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্যও বৃদ্ধি করা হয়েছে। ২০২৫ সালে প্রতিটি পুরস্কারের অর্থমূল্য ছিল ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা। ২০২৬ সালে তা বৃদ্ধি করে ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা করা হয়েছে। অর্থাৎ, প্রতিটি পুরস্কারে ১০ লাখ ক্রোনা বা প্রায় ৯ শতাংশ অর্থমূল্য বেড়েছে।
নোবেল ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক হানা স্টিয়ারনে জানিয়েছেন, ২০২৬ সালে নোবেল পুরস্কারের ১২৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে অর্থমূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে পুরস্কারের আর্থিক মূল্য ধরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে।
এর আগে ২০২৩ সালে নোবেল পুরস্কারের অর্থমূল্য ১ কোটি থেকে বাড়িয়ে ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা করা হয়েছিল। ২০২৪ ও ২০২৫ সালে অর্থমূল্যে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি।
যদি কোনো বিভাগে একাধিক ব্যক্তি নোবেল পুরস্কার পান, তবে নির্ধারিত ১ কোটি ২০ লাখ সুইডিশ ক্রোনা তাদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে। বর্তমান হিসাবে এই অর্থের মূল্য প্রায় ১২ লাখ ৮ হাজার মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার বেশি।
প্রতিটি নোবেলজয়ী পাবেন একটি নোবেল পদক, একটি সনদপত্র এবং নির্ধারিত অর্থমূল্য। বিজ্ঞানের তিন বিভাগের পুরস্কার ঘোষণার পর পর্যায়ক্রমে সাহিত্য, শান্তি ও অর্থনীতিতে নোবেলজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হবে।
সূত্র: দ্য নোবেল প্রাইজ
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ