মঙ্গলবার, ২৯শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
১০:১৪ পি.এম
নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক খায়রুল ইসলাম সজিব মন্তব্য করেছেন যে, যারা বোরকা পরে নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়েছেন, তারা আর কখনো এ দেশে ফিরে আসতে পারবেন না। যুবদল এবং এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন এবং ভবিষ্যতে যেকোনো ধরনের অরাজকতা প্রতিরোধে সম্মুখ যোদ্ধা হিসেবে থাকবেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে কাঁচপুর এলাকায় সারাদেশে আওয়ামী লীগের নৈরাজ্য ও চক্রান্তের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত এক বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বক্তব্যের মধ্যে খায়রুল ইসলাম সজিব বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের অবস্থানকে কঠোরভাবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন, "আমাদের নেতা তারেক রহমান চরম ধৈর্য ধারণ করে এই দেশকে বিশ্বদরবারে নতুন রূপে তুলে ধরার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।" তবে তিনি অভিযোগ করেন যে, নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামী লীগ এবং দেশের কিছু চক্রান্তকারী এই সুযোগ নিয়ে দেশে নৈরাজ্য সৃষ্টি এবং তাদের নেতাকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করছে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "আমরা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিতে চাই বিএনপি ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে গেলে এবং তারা মাত্র এক ঘণ্টার জন্য রাজপথে নামলে চক্রান্তকারীদের অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যাবে।"
বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোমেন খান, সোনারগাঁ উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ ভূঁইয়া, যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে ইয়াসিন নোবেল, যুগ্ম আহ্বায়ক কাউসার আহমেদ, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রুবেল হুসাইন, পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হযরত আলী রানা, পিয়ার হোসেন নয়ন, সোহেল রানা, রাকিব হাসান ও আবু সালেহ মুসা প্রমুখ।
সমাবেশের পর এক গণমিছিল বের করা হয়। মিছিলটি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাঁচপুর ব্রিজ প্রদক্ষিণ করে কাঁচপুর বাস টার্মিনালে গিয়ে শেষ হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মাগুরার এক গ্রাহকের নামে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকার বিদ্যুৎ বিল এসেছে, যেখানে ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুৎ ব্যবহারের হিসাব রয়েছে। এই অস্বাভাবিক বিল দেখে হতবাক হয়ে পড়েছেন গ্রাহক ও তার পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
মঘি ইউনিয়নের কেচুয়াডুবি গ্রামের মোছা. আলেয়া খাতুনের নামে সেপ্টেম্বর ২০২৬ মাসে এ বিলটি ইস্যু করা হয়। তিনি ওই গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক শহীদুল ইসলামের স্ত্রী।
বিলের কপি অনুযায়ী, এক মাসে গ্রাহকের বিদ্যুৎ ব্যবহার ছিল মাত্র ২৩৫ ইউনিট। এই বিদ্যুতের খরচের বিপরীতে ডিমান্ড চার্জ হিসেবে ৪৮২ কোটি ৬৯ লাখ ৬৩ হাজার ৪২২ টাকা দেখানো হয়েছে। এর সঙ্গে ২৪ কোটি ১৩ লাখ ৪৮ হাজার ১৭১ টাকা ভ্যাট এবং ১০ টাকা মিটার ভাড়া যোগ করে মোট বিল দাঁড়িয়েছে ৫০৬ কোটি ৮৩ লাখ ১১ হাজার ৫৯৩ টাকা। নির্ধারিত সময়ে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব মাশুলসহ তা বেড়ে দাঁড়াবে ৫৩০ কোটি ৯৬ লাখ ৫৯ হাজার ৭৬৪ টাকা।
প্রকৃতপক্ষে, ২৩৫ ইউনিট বিদ্যুতের বিপরীতে গ্রাহকের বিল হওয়ার কথা ছিল মাত্র ১ হাজার ৯৬৩ টাকা। বিলম্ব মাশুলসহ যার পরিমাণ দাঁড়ায় ২ হাজার ৫৬ টাকা।
গত ১০ সেপ্টেম্বর ইস্যু করা বিলটির পরিশোধের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২৯ সেপ্টেম্বর। বিলটিতে গ্রাহকের শ্রেণি উল্লেখ করা হয়েছে ‘এলটি-এ (আবাসিক)’।
গ্রাহক মোছা. আলেয়া খাতুন বলেন, "এটা শুধু ভুতুড়ে বিল নয়, আজগুবিও। বিদ্যুৎ বিভাগের খামখেয়ালিপনার কারণে গ্রাহকের দুশ্চিন্তা ও ভোগান্তি বাড়ছে। এ ধরনের ভুলের প্রতিকার হওয়া জরুরি।"
এ বিষয়ে শালিখা উপজেলার চুকিনগরে অবস্থিত মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আড়পাড়া জোনাল অফিসে গিয়ে ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (ডিজিএম) মো. রেজাউল করিমের কাছে জানতে চাইলে তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
তিনি বলেন, "গ্রাহকের মিটার পরিবর্তন হওয়ার কারণে ভুলবশত মিটারের সিল নম্বরের ডিজিটগুলো ডিমান্ড চার্জের ঘরে পোস্টিং হয়ে যাওয়ায় এই অস্বাভাবিক বিলটি তৈরি হয়েছে। বিলটি সংশোধন করে গ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এই দায়িত্বহীন ভুলের পেছনে যাঁদের সম্পৃক্ততা রয়েছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাঁদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।"
মাগুরা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. মহিতুল ইসলাম বলেন, "টাইপিং মিসটেকের কারণে এমনটি হয়েছে। আজ বিলটি সংশোধন করে দেয়া হয়েছে, উক্ত গ্রাহক বিলও পরিশোধ করেছেন। এ ভুলের সাথে যারা জড়িত তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
এ ঘটনায় বিদ্যুৎ বিল প্রস্তুত ও যাচাই প্রক্রিয়ার দায়িত্বশীলতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। গ্রাহকরা এমন ভুলের পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নতুন টুর্নামেন্ট ডি থ্রি ট্রফি ঘরোয়া ক্রিকেটে মাঠে গড়াচ্ছে। এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে ৬টি দল। ইতোমধ্যে, দলগুলো নিজেদের হেড কোচ নির্বাচন সম্পন্ন করেছে ম্যানেজমেন্ট ড্রাফটের মাধ্যমে। এই নির্বাচনে অভিজ্ঞ সালাউদ্দিন ও বাবুলের মতো বড় নাম স্থান পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) মিরপুর হোম অব ক্রিকেটে অনুষ্ঠিত হয় ডি থ্রি ট্রফির ম্যানেজমেন্ট ড্রাফট।
প্রথমে ব্লু-স্টার দল প্রধান কোচ বাছাই করার সুযোগ পায় এবং তারা সোহেল ইসলামকে দলে অন্তর্ভুক্ত করে। এরপর একমি গ্রুপ সুযোগ পেয়ে রাজিন সালেহকে দলে নেয়। তৃতীয় ডাকে সিটিজেন গ্রুপ মিজানুর রহমান বাবুলকে প্রধান কোচ হিসেবে নিয়োগ করে।
পরবর্তীতে ফরচুন গ্রুপ মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে দলে নেয়। সেভেন রিংস সিমেন্ট তালহা জুবায়েরকে যুক্ত করে। এছাড়া ওয়ালটন গ্রুপ আব্দুর রাজ্জাককে দলে নেয়।
ডি থ্রি ট্রফিতে ৬ দলের আইকন ক্রিকেটার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মুশফিকুর রহিম, নাঈম শেখ, নুরুল হাসান সোহান, মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত, তাওহীদ হৃদয় ও মেহেদী হাসান মিরাজ।
মুশফিক সেভেন রিংস সিমেন্টের, মিরাজ ওয়ালটনের, হৃদয় ফরচুনের, মোসাদ্দেক একমির, সোহান ব্লু স্টারের এবং নাঈম শেখ সিটিজেনের আইকন ক্রিকেটার হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আইনশৃঙ্খলা কমিটি এবং চোরাচালান, সন্ত্রাস ও নাশকতা প্রতিরোধ কমিটির মাসিক সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইএনও) সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানিয়া আক্তারের সভাপতিত্বে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাতক্ষীরা-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির উপদেষ্টা হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।
এ সভায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাইনুল ইসলাম খান, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তৌকির আহম্মেদ, থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ শাহিনুর রহমান, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা অর্ণা চক্রবর্তী, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও জেলা বিএনপির সদস্য শেখ এবাদুল ইসলাম, সাবেক সদস্য সচিব শেখ শফিকুল ইসলাম বাবু, রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক নিয়াজ কওছার তুহিন, মথুরেশপুর ইউপি চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাকিম, বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ উকশা বিওপির কমান্ডার সুবেদার কবির হোসেন, নলতা ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান প্রমুখ।
এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার দে, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা শাকিল আহম্মেদ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হোসনে আরা খানম, কৃষ্ণনগর ইউপি চেয়ারম্যান সাফিয়া পারভীন, ধলবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান গাজী শওকাত হোসেন, হাজী তফিল উদ্দীন মহিলা দাখিল মাদ্রাসার সুপার শেখ শফিউল্লা, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, আনসার ও ভিডিপি অফিস এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স কালিগঞ্জ কার্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি বন্ধ করা, বাল্যবিয়ে বন্ধে তদারকি, অবৈধ বালু ব্যবসায়ী ও চিংড়িতে পুশের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা, সর্বস্তরের মানুষের নিরাপদ বিচরণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বন্ধ শ্রেণিকক্ষ, শূন্য বারান্দা, কাঁধে ব্যাগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সেই চেনা আনাগোনা নেই—চুয়েট ক্যাম্পাসজুড়ে যেন স্থবিরতা নেমে এসেছে। তবে এই নীরবতার মধ্যেও একটি দাবির আন্দোলন থেমে নেই। শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে দেখা গেল ভিন্ন এক দৃশ্য—মুখে মুখোশ, হাতে শিক্ষার্থী পরিচয়পত্র; ‘সায়েম স্যারকে ভিসি চাই’ দাবিতে মুখোশ মিছিলে রাজপথে নামলেন চুয়েট শিক্ষার্থীরা।
চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) অধ্যাপক ড. আবু সাদাত মুহাম্মদ সায়েমের ৫৬ দিন স্মরণে ‘মুখোশ মিছিল’ নামে এই ভিন্নধর্মী কর্মসূচি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা পালন করেন। অধ্যাপক সায়েমকে উপাচার্য হিসেবে পুনর্বহালের দাবিতে চলমান আন্দোলনের অষ্টম দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে এই মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণ থেকে মিছিলটি শুরু হয়। আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা অধ্যাপক সায়েমের ছবি-সম্বলিত মুখোশ পরে অংশ নেন। তাঁরা নিজেদের শিক্ষার্থী পরিচয়পত্র উঁচিয়ে ধরে মিছিলে অংশগ্রহণের বিষয়টি জানান দেন। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসাকেন্দ্র-সংলগ্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে স্বাধীনতা চত্বর ঘুরে পুনরায় শহীদ মিনারে এসে শেষ হয়।
মুখোশ মিছিলে অংশ নেয়া পুরকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী মৌমিতা দত্ত প্রিয়া বলেন, "আমরা সায়েম স্যারকে যে ভিসি হিসেবে পুনর্বহাল চাচ্ছি সেটার পক্ষে আজকে আমরা মুখোশ মিছিলের আয়োজন করেছি। এই মুখোশটা বার্তা দেয় যে আমাদের প্রতিটা শিক্ষার্থী, যেহেতু আমরা সবাই মনে করি যে আমরা সবাই আসলে সায়েম স্যার এবং সায়েম স্যারকে ভিসি হিসেবে পাওয়া হচ্ছে যে আমাদের অন্যতম দাবি। তো সেই দাবির পরিপ্রেক্ষিতেই আমরা হচ্ছে যে এই মুখোশটি নিয়ে আজকে মিছিল করেছি। শিক্ষার্থীরা তাদের আইডি কার্ডসহ এই মুখোশ মিছিলে অংশ নিয়ে এটা প্রমাণ করেছে যে আমাদের দাবিটা সম্পূর্ণ স্টুডেন্টদের, শিক্ষকদের এবং সকল চুয়েটিয়ানের একমাত্র দাবি।"
এছাড়াও আজ কর্মদিবস হলেও ক্লাস-পরীক্ষা বন্ধ রয়েছে। তালাবদ্ধ উপাচার্য ভবনের সামনে সকাল ১১.০০ টা থেকে অবস্থান কর্মসূচির মাধ্যমে কর্মবিরতি পালন করছেন চুয়েটের শিক্ষকবৃন্দ। এর পাশাপাশি পূর্বনির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ী কর্মবিরতিতে আছেন চুয়েটের কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতিও।
বিভিন্ন মহল থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের হুমকি ও ভয় ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে গতকাল মধ্যরাতে উত্তাল হয় চুয়েট স্বাধীনতা চত্বর এবং আয়োজিত হয় এক বিক্ষোভ মিছিল।
এ বিষয়ে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার বিজ্ঞান ও কৌশল বিভাগে তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফাইজুল কবির আবরার বলেন, ‘আমাদের ভিসি পুনর্বহালের এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে দেখা যাচ্ছে যে বিভিন্ন মহল আমাদেরকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। এই হুমকি-ধমকির প্রতিবাদেই আমরা গতকালকে বিক্ষোভ মিছিল বের করেছি, যেখানে অনেক ছাত্রের উপস্থিতি লক্ষ্য করা গিয়েছে। আরেকটি মহল তারা আমাদেরকে বিভিন্ন ধরনের রাজনৈতিক ট্যাগিং দিচ্ছে। আমরা জুলাই পরবর্তী সময়ে আশা করেছিলাম যে আমাদেরকে এই ট্যাগিংয়ের শিকার হতে হবে না। কিন্তু দেখা যাচ্ছে যে যখনই আমরা কোনো যৌক্তিক দাবি-দাওয়া নিয়ে, ভিসি পুনর্বহালের মতো দাবি-দাওয়া নিয়ে যখন আমরা আসতেছি, আমাদেরকে বিভিন্ন ট্যাগিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ