শনিবার, ১৯ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৬:১৯ পি.এম
জামায়াতে ইসলামীর আমির এবং সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান মন্তব্য করেছেন যে, "স্বৈরশাসক থেকে দেশকে মুক্ত করার জন্য রাস্তায় নেমেছি। এ লড়াই জনগণের জন্য, ১৮ কোটি মানুষের জন্য।"
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) বেলা ১২টার দিকে ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা টু রংপুর লং মার্চের অংশ হিসেবে টাঙ্গাইলের আশেকপুর বাইপাস এলাকায় অনুষ্ঠিত পথসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই কথা বলেন।
এ সময় তিনি উল্লেখ করেন, "জনগণের প্রয়োজনে আট দফা থেকে এক দফা ঘোষণা করা প্রয়োজন হতে পারে। বর্তমান সরকার জাতির সঙ্গে ধোঁকাবাজি করেছে এবং জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে পারেনি।"
পথসভায় বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক মন্তব্য করেন, "৭০ শতাংশ মানুষ গণরায় দিয়েছে, সংস্কারের দাবি পাশ কাটিয়ে ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করলে পরিণাম অতীতের মতোই হবে।"
পথসভায় সভাপতিত্ব করেন টাঙ্গাইল জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আহসান হাবীব মাসুদ।
এ সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ ১১ দলীয় ঐক্যের নেতারা বক্তব্য রাখেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
১ অক্টোবর থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার শুরু করবেন তার নিজ বাসভবনে। স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানান, একই সময়ে আগামী ৬ মাসের মধ্যে সকল ইউনিয়ন পরিষদে সৌর প্যানেল স্থাপনের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) এলজিইডি ভবনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের ওপর আলোচনা সভায় তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন।
মীর শাহে আলম উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ছাড়াও, পর্যায়ক্রমে সচিবালয়, জাতীয় সংসদ এবং বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সৌরবিদ্যুতের আওতায় আনার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, দেশের প্রস্তুত থাকা ৩ হাজার ৪১৬টি ইউনিয়ন পরিষদ কমপ্লেক্স ভবনে সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি কমপ্লেক্সে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য মোট ১১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী ছয় মাসের মধ্যে সৌর প্যানেলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি নেট মিটারিংয়ের মাধ্যমে অতিরিক্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সুযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে কাজ করা হবে, জানান প্রতিমন্ত্রী।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্বের বিভিন্ন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সুদহার-সংক্রান্ত পদক্ষেপে ব্যস্ত একটি সপ্তাহের শেষে শুক্রবার বৈশ্বিক শেয়ারবাজারে মিশ্র প্রবণতা দেখা গেছে। যদিও ব্যাংক অব জাপান সুদহার বাড়িয়েছে, তবুও ডলারের বিপরীতে জাপানি মুদ্রা ইয়েনের দর কমে গেছে। এ বিষয়ে বার্তা সংস্থা এএফপি’র খবর প্রকাশিত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ারবাজারে দিনভর ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে। দিনের শেষে ডাও জোন্স সামান্য কমেছে, অন্যদিকে নাসডাক কিছুটা বেড়েছে। এর আগে ইউরোপের প্রধান শেয়ারবাজারগুলোতে দরপতন ঘটেছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, সাধারণত সুদহার বৃদ্ধিকে শেয়ারবাজারের জন্য নেতিবাচক হিসেবে গণ্য করা হয়। তবে বুধবার মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সুদহার বৃদ্ধির সিদ্ধান্তকে বিনিয়োগকারীরা মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে ফেডের দৃঢ় অবস্থানের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।
এডওয়ার্ড জোন্সের বিশ্লেষক অ্যাঞ্জেলো কুরকাফাস মন্তব্য করেন, ‘ফেডের বিশ্বাসযোগ্যতা এখনো রয়েছে—এতে আমরা কিছুটা স্বস্তি পেয়েছি। তবে এর অর্থ এই নয় যে উচ্চ পর্যায়ে থাকা বন্ডের সুদহার আর বাড়বে না। একই সঙ্গে ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তাও অনেক।’
ক্রিসেট ক্যাপিটাল ম্যানেজমেন্টের জ্যাক অ্যাবলিন জানান, উচ্চ সুদহার বিনিয়োগকারীদের আরও বেশি অর্থ বন্ডে বিনিয়োগের জন্য উৎসাহিত করছে। তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমরা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থানে আছি, কারণ বন্ডের মুনাফা শেয়ারের তুলনায় একটি প্রতিযোগিতামূলক হার দিচ্ছে।’
অ্যাবলিনের মতে, ফেডের অবস্থান নিয়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মোটামুটি স্পষ্ট ধারণা রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আর এক বা দুই দফা সুদহার বাড়তে পারে—এমন ধারণা রয়েছে। এরপর তা শেষ হবে বলে বিনিয়োগকারীরা মনে করছেন। তারা স্বল্পমেয়াদি সুদহার বৃদ্ধির পরের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছেন।’
তবে ইউরোপের শেয়ারবাজারে পরিস্থিতি ছিল আরও নেতিবাচক। ফ্রাঙ্কফুর্ট, লন্ডন ও প্যারিসের প্রধান সূচকগুলো প্রায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ করে কমেছে।
এদিকে ব্যাংক অব জাপান সুদহার বাড়িয়ে তিন দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে নিয়ে গেলেও প্রত্যাশার তুলনায় ভবিষ্যতে সুদহার বৃদ্ধির গতি ধীর হতে পারে—এমন আশঙ্কায় ডলারের বিপরীতে ইয়েনের দর পড়ে গেছে।
ব্যাংক অব জাপান সুদহার ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ১ দশমিক ২৫ শতাংশ করেছে। ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের সাম্প্রতিক সুদহার বৃদ্ধির পর বাজারে এমন সিদ্ধান্তের প্রত্যাশা ছিল।
তবে সিদ্ধান্তটি সর্বসম্মত ছিল না। ৭-২ ভোটে সুদহার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়।
মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় জাপানের মূল্যস্ফীতির ওপরও চাপ বাড়ছে। সংকটটি শিগগির শেষ হওয়ার লক্ষণ না থাকায় ব্যাংক অব জাপানের ওপর আরও কঠোর মুদ্রানীতি নেওয়ার চাপ বাড়ছে।
কুইনটেক্স ইন্টেলের স্টিফেন ইনেস বলেন, ‘বাজার এমন প্রমাণ খুঁজছিল যে ব্যাংক অব জাপান সুদহার বৃদ্ধির মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান কমাতে পারে। এ ক্ষেত্রে ভিন্নমত দেওয়া সদস্যদের ভোট গুরুত্বপূর্ণ ছিল।’
সৌদি আরব কয়েক দিনের মধ্যে তাদের অপরিশোধিত তেল রপ্তানির প্রায় অর্ধেক পুনরায় চালু করতে পারে—এমন আশায় তেলের দাম কিছুটা কমেছে। সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইন দিয়ে লোহিত সাগরে তেল পরিবহন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছিল।
পরে অবশ্য তেলের দরপতন কিছুটা কমে আসে। তবে অপরিশোধিত তেলের দুই প্রধান বেঞ্চমার্কের দামই এখনো প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের ওপরে রয়েছে।
কোম্পানিভিত্তিক লেনদেনে নাইকির শেয়ার ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। ফরাসি ফুটবল তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে সুইজারল্যান্ডের ক্রীড়া পোশাক ব্র্যান্ড অন-এর সঙ্গে চুক্তি করায় নাইকির সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্কের অবসান ঘটেছে। তার ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নাইকির সঙ্গে এই সম্পর্ক ছিল।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত মাস্টাররোলে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের রাজস্ব খাতে আত্তীকরণ এবং নিয়মিতকরণের উদ্দেশ্যে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এই কমিটি গঠনের অফিস আদেশ বৃহস্পতিবার(১৮ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-১ শাখা থেকে প্রকাশিত হয়।
উপসচিব জেসমীন প্রধানের স্বাক্ষরিত আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কমিটিকে সংশ্লিষ্ট আইন, বিধিমালা, সাংগঠনিক কাঠামো, আদালতের আদেশ এবং আইনগত মতামত পর্যালোচনা করে সুপারিশ প্রদান করতে হবে।
কমিটিতে স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব বা যুগ্মসচিবকে আহ্বায়ক হিসেবে নিযুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি উন্নয়ন অধিশাখা এবং আইন অধিশাখার যুগ্মসচিব বা উপসচিবকে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া, এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী অথবা তার মনোনীত একজন প্রতিনিধিও কমিটির অপর সদস্য হিসেবে থাকবেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়ন-১ শাখার উপসচিব বা সিনিয়র সহকারী সচিব কমিটির সদস্য-সচিবের দায়িত্ব পালন করবেন।
অফিস আদেশে কমিটির কার্যপরিধি নির্ধারণ করে বলা হয়েছে যে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (কর্মকর্তা ও কর্মচারী) নিয়োগ বিধিমালা, ২০০৯, এলজিইডির সাংগঠনিক কাঠামো, সংশ্লিষ্ট মামলার আদেশ এবং আইন ও বিচার বিভাগ কর্তৃক প্রদত্ত মতামত যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।
এই বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে এলজিইডির রাজস্ব খাতে বিভিন্ন ক্যাটাগরির পদে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আত্তীকরণ এবং নিয়মিতকরণের বিষয়ে সুপারিশ করবে কমিটি।
জনস্বার্থে জারি করা এই অফিস আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) দেশের ঘরোয়া কোচদের বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা করছে, যা ক্রিকেটারদের বেতন বৃদ্ধির পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর ঘরোয়া ক্রিকেটের উন্নয়ন এবং ক্রিকেটারদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় কোচদের বেতন কাঠামো নিয়েও ভাবনা চলছে।
বিসিবির নতুন কমিটি তামিম ইকবালের নেতৃত্বে গত জুনে দায়িত্ব গ্রহণ করে। এরপর ঘরোয়া ক্রিকেটের মানোন্নয়ন এবং ক্রিকেটারদের বেতন কাঠামো বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে ক্রিকেটারদের বেতন দুই দফায় বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তবে, এতদিন ঘরোয়া ক্রিকেটের কোচদের বেতন বৃদ্ধি হয়নি। এবার বিসিবি তাদের দিকেও নজর দিতে যাচ্ছে। বিসিবির এক পরিচালক এক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, কোচদের বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। তবে এই পরিকল্পনা কবে থেকে কার্যকর হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
বিসিবির ওই পরিচালক বলেন, "কোচদেরও বেতন বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। দেখা যাক কবে হবে, সেটা এখনও ঠিক হয়নি।"
দীর্ঘদিন ধরে ঘরোয়া ক্রিকেটের কোচরা বেতন বৃদ্ধির দাবি জানিয়ে আসছেন। বিসিবির অধীনে থাকা ‘এ’ দলের প্রধান কোচ মিজানুর রহমান বাবুলও আশাবাদী যে, এবার তাদের দাবিটি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে বোর্ড।
তিনি বলেন, "আলহামদুলিল্লাহ, বেতন বাড়াবে বিসিবি এমনটাই শুনেছি। এখন দেখা যাক কখন কী হয়। কোচদেরও প্রাপ্য সম্মান জরুরি। যদি একটা হেলদি স্যালারি হয়, তাহলে ভালো হয়। কারণ আমাদের তো সেভিংস থাকে না। সারা জীবন কোচিংও করাতে পারব না। আশা করি বিসিবি বিষয়টি দেখবে।"
ক্রিকেটারদের পাশাপাশি ঘরোয়া ক্রিকেটের কোচদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে দেশের ক্রিকেটের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ