০৩:১২ পি.এম
সদ্য বিদায়ী জুন মাসে যেসব অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে গ্রাহকদের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, সেই বিষয়ে বিদ্যুৎ বিভাগ ব্যাখ্যা প্রদান করেছে। বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব মিরানা মাহরুখ জানিয়েছেন, এই 'ভুতুড়ে বিল'-এর পেছনে কিছু করণিক ভুল শনাক্ত করা হয়েছে এবং এই ভুলগুলো ইতোমধ্যে যথাযথভাবে প্রতিকার করা হয়েছে।
মিরানা মাহরুখ সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিদ্যুৎ ভবনের বিজয় হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, জুন মাসে অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিল বৃদ্ধি ট্যারিফ বৃদ্ধির কারণে ঘটেছে, পাশাপাশি বিদ্যুতের ব্যবহার বৃদ্ধি অন্যতম একটি কারণ। বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির সঙ্গে গ্রাহকদের ব্যবহার বেড়ে যাওয়া এবং উচ্চতর স্ল্যাবের কারণে অনেকের বিদ্যুৎ বিল বাড়ছে। তবে, কিছু ক্ষেত্রে আমরা করণিক ভুল শনাক্ত করেছি এবং সেগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে যথাযথভাবে প্রতিকার করা হয়েছে।
তিনি উদাহরণ টেনে বলেন, খাগড়াছড়িতে একটি করণিক ভুল হয়েছিল। সেখানে এক গ্রাহকের ইউনিট ৭০ থাকার কথা ছিল, কিন্তু করণিক ভুলের কারণে সেটি ৭০০ ইউনিট হয়ে যায়। ফলে ওই ইউনিটগুলোর উপর যখন বিদ্যুতের মূল্য গুণ করা হয়, তখন একটি অস্বাভাবিক বিল তৈরি হয়। এই করণিক ভুলের জন্য দায়ী সংশ্লিষ্ট যেসব কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একই সাথে গ্রাহককে তার বিল সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
এছাড়া 'ভুতুড়ে বিলের' অভিযোগের অনুসন্ধান ও সত্যতা যাচাইয়ে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থাকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। মিরানা মাহরুখ বলেন, সরকার বিদ্যুৎ খাতে ভর্তুকি অব্যাহত রেখেছে যাতে গ্রাহকদের ওপর ব্যয়ের পূর্ণ চাপ না পড়ে। এছাড়া বিদ্যুৎ উৎপাদন, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার দক্ষতা বৃদ্ধি, সিস্টেম লস কমানো, প্রিপেইড ও স্মার্ট মিটারিং সম্প্রসারণ এবং সেবার মান উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করা হচ্ছে। যেসব গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিল সম্পর্কে কোনো সন্দেহ বা অভিযোগ রয়েছে, তাদের সংশ্লিষ্ট বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের জন্য আমরা অনুরোধ করছি। এবং প্রয়োজন হলে মিটার পরীক্ষা, বিল পুনর্যাচাই এবং অভিযোগ নিষ্পত্তির সব ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন