বৃহস্পতিবার, ২০ই আগস্ট, ২০২৬ ইং
০১:৪৬ পি.এম
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) তরুণ ও উদীয়মান ক্রিকেটারদের জন্য ম্যাচ খেলার সুযোগ বাড়াতে একটি নতুন ওয়ানডে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে যাচ্ছে। এই নতুন ওয়ানডে টুর্নামেন্ট আগামী ২৮ আগস্ট থেকে শুরু হবে এবং এতে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭, অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দল অংশগ্রহণ করবে।
এই তিন দলের প্রতিযোগিতাটি মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিদিনের ম্যাচ শুরু হবে সকাল সাড়ে ৯টায়। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৭ ও অনূর্ধ্ব-১৯ দল। একদিন বিশ্রামের পর ৩০ আগস্ট মাঠে নামবে অনূর্ধ্ব-১৯ ও অনূর্ধ্ব-২৩ দল।
৫০ ওভারের এই নতুন প্রতিযোগিতার প্রথম পর্ব অনুষ্ঠিত হবে ডাবল রাউন্ড রবিন লিগ পদ্ধতিতে। অর্থাৎ, প্রতিটি দল একে অপরের বিপক্ষে দুটি করে ম্যাচ খেলতে পারবে। ফলে লিগ পর্বেই প্রতিটি দলের ক্রিকেটারদের অন্তত চারটি করে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাওয়া যাবে।
লিগ পর্ব শেষে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দল আগামী ৯ সেপ্টেম্বর ফাইনালে মুখোমুখি হবে। সেখানে নতুন এই টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন নির্ধারণ হবে। তরুণ ক্রিকেটারদের নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটের মধ্যে রাখা এবং তাদের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা বাড়ানোর লক্ষ্যেই বিসিবির এই উদ্যোগ। সংশ্লিষ্টদের আশা, এই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে বয়সভিত্তিক ক্রিকেট থেকে জাতীয় দলের পাইপলাইনে থাকা ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি আরও শক্তিশালী হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মৃত স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজকে শেষবারের মতো দেখার জন্য ১২ ঘণ্টার প্যারোলে মুক্তি পেয়ে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি রাজধানীর কলাবাগানের বাসায় পৌঁছেছেন। স্বামীর মরদেহ দেখে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল ৬টা ১৫ মিনিটে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে কঠোর পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে প্রিজন ভ্যানে তিনি ঢাকা শহরের উদ্দেশে রওনা হন। সকাল সোয়া ৯টার দিকে দীপু মনি কলাবাগানের বাসায় পৌঁছান।
বাসায় পৌঁছে প্রিজন ভ্যানে থাকা স্বামী তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ দেখে দীপু মনি অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। এই সময় শোকের আবহে ভরে ওঠে স্বজনদের মধ্যেও।
দীপু মনির আইনজীবী গাজী ফয়সাল জানিয়েছেন, কলাবাগানের এই বাসাতেই প্রথম তৌফিক নেওয়াজের সঙ্গে দীপু মনির দেখা হয়েছিল। মরদেহটি পরে গুলশান আজাদ মসজিদে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজার পর বনানী কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।
এর আগে বুধবার (১৯ আগস্ট) দীপু মনিকে প্যারোলে মুক্তির জন্য মুন্সীগঞ্জের জেলা প্রশাসকের কাছে আবেদন করেন তার মেয়ে তনী দীপাভলী নেওয়াজ। আবেদন মঞ্জুর হওয়া পর তিনি ১২ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পান। সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত তার প্যারোলের সময় নির্ধারণ করা হয়।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাতে রাজধানীর গুলশানের কন্টিনেন্টাল হাসপাতালে (সাবেক ইউনাইটেড হাসপাতাল) চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি ৭৬ বছর বয়সে মারা যান। দীর্ঘদিন ধরে কিডনি ও লিভারের জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।
এছাড়া, ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান পর আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ১৯ আগস্ট তিনি রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন। ওই ঘটনার মামলায় তিনি মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগারে রয়েছেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ের বংশী নদীর তীরে নোঙর করা একটি বালু তোলার ড্রেজারে সংঘটিত দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের ৬ সদস্যকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। ডাকাতদের কাছ থেকে ডাকাতি হওয়া মালামাল এবং মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা ১টি দেশীয় পাইপগানসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ধামরাই থানায় সংবাদ সম্মেলনে সাভার সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাকিবুল হাসান ইশান এ তথ্য জানান।
তিনি জানিয়েছেন, গত ১১ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক পৌনে দুইটার সময় ধামরাইয়ের ইসলামপুর এলাকায় বংশী নদীর তীরে নোঙর করা একটি ড্রেজারে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে ১২-১৩ জনের একটি মুখোশধারী সশস্ত্র ডাকাত দল হামলা চালায়। ডাকাতরা রামদা, পিস্তল, বন্দুক ও কাটারসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ড্রেজারের উপর উঠে পড়ে এবং সেখানে কর্মরত চারজন স্টাফকে এলোপাতাড়ি মারধর করে ও অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে ডাকাতরা ড্রেজার থেকে দুইটি ভারী ব্যাটারি, একটি ওয়েল্ডিং মেশিন, দুটি গ্রাইন্ডিং মেশিন, বৈদ্যুতিক তার, চারটি মোবাইল ফোন এবং নগদ টাকাসহ প্রায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ৫০০ টাকার মালামাল নিয়ে ট্রলারযোগে নদীর উত্তর দিকে পালিয়ে যায়।
এ ঘটনায় ড্রেজার মালিক মোস্তফা সাইদুজ্জামান বাদী হয়ে ধামরাই থানায় একটি ডাকাতি মামলা করেন। মামলা সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা জেলার পুলিশ সুপারের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও ধামরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা খানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি বিশেষ দল তদন্ত শুরু করে। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাতদের অবস্থান শনাক্ত করে ঢাকা জেলা, গাজীপুর মেট্রোপলিটনের কোনাবাড়ী, মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর এবং নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে এই চক্রের ৬ সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিরা হচ্ছেন— মো. মাহাতাব হোসেন (৫২), মো. কামাল হোসেন (৫০), জয়নাল আবেদীন (২৮), আবির হাসান ওরফে আপ্পা (২৪), আরকান ওরফে আলিফ ইসলাম ছোটন (২৪) এবং মনা খান ওরফে মনির (৪৫)। যদিও তারা দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দা, তথাপি ঢাকার আশপাশে ভাড়াটিয়া হিসেবে থেকে এই অপরাধ চক্র গড়ে তুলেছিলেন।
ধামরাই থানা-পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারের পর আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার বক্তাবলী এলাকার একটি শিপইয়ার্ডের পাশে আবাদি জমি ও ইটের স্তূপের কাছ থেকে মাটির নিচে প্লাস্টিকের বস্তা ও পলিথিনে মোড়ানো অবস্থায় অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে ১টি দেশীয় তৈরি পাইপগান, ১টি লোহার কাটার, ৪টি শাবল, ৩টি ক্র্যাকার, ৫টি ধারালো হাসুয়া, ১টি কাচে, ২টি দা ও ১টি র্যাত রয়েছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) রাকিবুল হাসান ইশান বলেন, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্য পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
পাবনার ঈশ্বরদীতে ট্রাকের চাপায় মারা গেছেন বাহারুল ইসলাম (৩৬) নামের এক মোটরসাইকেল (স্কুটি) চালক।
বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে পাবনা-ঈশ্বরদী আঞ্চলিক মহাসড়কের ঢুলটি এলাকায় ঘটে এ দুর্ঘটনা।
নিহত বাহারুল ইসলাম ঈশ্বরদী পৌরসভার মাহাতাব কলোনির মৃত আকিল উদ্দিনের পুত্র।
স্থানীয় সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, বাহারুল শ্বশুরবাড়ি থেকে স্কুটি চালিয়ে পাবনা-ঈশ্বরদী সড়ক দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। সেই সময় ঈশ্বরদীর ঢুলটি এলাকায় একটি ট্রাককে অতিক্রম করার চেষ্টা করেন তিনি। এরপরই ওই ট্রাকের চাকার নিচে পড়ে তিনি পিষ্ট হয়ে মারা যান।
ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন থেকে ওয়্যার হাউজ ইন্সপেক্টর মীর আমিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তারা আহত অবস্থায় বাহারুলকে উদ্ধার করেন। পরে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশাদুর রহমান জানান, বাহারুল একজন ট্রাকচালকও ছিলেন। বাড়ি ফেরার পথে ট্রাকের চাপায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর ঘাতক ট্রাকটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের (প্রায় ৪০) মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ভোরে উপজেলার শ্রীফলতলী ইউনিয়নের হোনাখালী রেলক্রসিং এলাকায় হাইটেক পার্কের লোহার ব্রিজসংলগ্ন ঢাকা-যমুনা সেতু রেললাইন থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার ভোরে রেললাইন পাশে অজ্ঞাত যুবকের দ্বিখণ্ডিত দেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন ফাঁড়ি পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে নিহতের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভোরে ওই যুবক রেললাইন দিয়ে চন্দ্রার দিকে হেঁটে যাচ্ছিলেন। এ সময় উত্তরবঙ্গগামী পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। এতে তার শরীর দ্বিখণ্ডিত হয়ে যায়। নিহতের সঙ্গে কোনো পরিচয়পত্র বা কাগজপত্র পাওয়া যায়নি। এছাড়া মরদেহে কোনো পোশাকও ছিল না বলে পুলিশ জানিয়েছে।
জয়দেবপুর রেলওয়ে স্টেশন ফাঁড়ির ইনচার্জ ফারুক হোসেন বলেন, ভোরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবক নিহত হয়েছেন। এখনো তার পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। পরিচয় শনাক্তের জন্য পিবিআইকে জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ