ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

এডিবি ভুয়া ঋণের প্রলোভনে জনগণকে সতর্ক করল


এডিবি ভুয়া ঋণের প্রলোভনে জনগণকে সতর্ক করল

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ভুয়া ঋণের প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেয়ার ঘটনার প্রতারণা সম্পর্কে জনসাধারণকে সতর্ক করেছে।

সোমবার (২০ জুলাই) এই বিষয়ে একটি সংবাদ বার্তায় এ সতর্কবার্তা প্রকাশ করে এডিবি।

এতে পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এডিবি কোনো ব্যক্তিকে সরাসরি ঋণ, অনুদান, তহবিল বা অন্য কোনো ধরনের আর্থিক সহায়তা দেয় না। একইভাবে, এডিবি ব্যক্তিগত আর্থিক তথ্য চাওয়ার জন্য উদ্ধৃতিও করে না। এছাড়া, মোবাইল ব্যাংকিং কিংবা অন্য কোনো মাধ্যমে অর্থ জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয় না।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এডিবির তথ্য অনুযায়ী, সাম্প্রতিক সময়ে দেখা যাচ্ছে যে, প্রতারকরা এডিবি এবং এর কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে নকল ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ এবং ভুয়া পরিচয়পত্রসহ বিভিন্ন প্রতারণামূলক উপকরণ তৈরি করছে। ফলে সাধারণ জনগণকে বিভ্রান্ত করে অর্থ আদায়ের প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সাথে এডিবির কোনো সম্পর্ক নেই।

এডিবি জনসাধারণকে জানাতে চায় যে, ভুয়া ঋণের প্রস্তাবের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে এবং এইসব যোগাযোগের ওপর কোনো সাড়া না দেয়ার পরামর্শ দিচ্ছে। একইসাথে, যদি এডিবির ঋণ বা আর্থিক সহায়তার জন্য কেউ যোগাযোগ করে, তবে তা সংশ্লিষ্ট আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে জানানোর জন্য পরামর্শ দিয়েছে।

বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে, এডিবি একটি স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকার এবং বেসরকারি খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কাজ করে আসছে। তাই, যদি এডিবির প্রতিনিধি পরিচয়ে কেউ ব্যক্তি পর্যায়ে সরাসরি ঋণ বা আর্থিক সহায়তার প্রস্তাব দেয়, তখন সেটি প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে।

এডিবি নাম, কর্মকর্তাদের পরিচয় অথবা অফিসের ঠিকানা ব্যবহার করে পরিচালিত প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডের সম্পর্কিত বিস্তারিত সতর্কবার্তা এবং এ ধরনের প্রতারণা থেকে বাঁচার পরামর্শ পাওয়ার জন্য এডিবির প্রকাশিত নির্দেশনাগুলো দেখার জন্য জনগণকে আহ্বান জানানো হচ্ছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এডিবি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে টেকসই, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জলবায়ু-সহিষ্ণু প্রবৃদ্ধি অর্জনে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে এর সদস্য দেশ সংখ্যা ৬৯, এর মধ্যে ৫০টি দেশ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ,

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:২৮ পি.এম


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আইএলও মহাপরিচালকের সৌজন্য সাক্ষাৎ,

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (আইএলও)-এর মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো। এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয় সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে।

বৈঠকের শুরুতেই আইএলও মহাপরিচালক গিলবার্ট এফ. হোংবো প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান, কারণ তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ফলে বাংলাদেশের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে আইএলও বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী অংশীদারিত্ব আরও শক্তিশালী করার প্রতি আগ্রহী এবং শ্রম খাতের উন্নয়নে সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ অব্যাহত রাখতে চায়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইএলওর ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান এবং বলেন, শ্রমিকদের অধিকার সংরক্ষণের পাশাপাশি নিরাপদ কর্মপরিবেশ নিশ্চিতকরণ এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

এদিকে, আইএলও মহাপরিচালক প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, যিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন। এই অর্জনকে তিনি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের কূটনৈতিক সক্ষমতা ও গ্রহণযোগ্যতার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি হিসেবে উল্লেখ করেন। এছাড়া, বর্তমান সরকারের অন্যান্য কূটনৈতিক সাফল্য অর্জনের জন্য ভূয়সী প্রশংসাও করেন তিনি।

বৈঠকে আইএলও মহাপরিচালক আরও বলেন, শ্রম খাতে সরকারের চলমান সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে বাংলাদেশের আন্তরিকতা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইতিবাচকভাবে মূল্যায়িত হচ্ছে।

এছাড়া, উভয় পক্ষ শ্রমিকদের সামাজিক নিরাপত্তা, দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থানের সুযোগ বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক শ্রমবাজারের চাহিদা মোকাবিলায় দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করার বিষয়ে আলোচনা করেন। দেশের তৈরি পোশাক খাতের উন্নতি, কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা, অনানুষ্ঠানিক শ্রমবাজারের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক শ্রমমান বাস্তবায়নে বাংলাদেশের অর্জন ও সহযোগিতার গুরুত্বের ওপরই ফোকাস করা হয়।

অভিবাসী শ্রমিকদের অধিকার এবং কল্যাণ নিশ্চিত করা, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং বিদেশগামী কর্মীদের দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে মতবিনিময় হয়।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শ্রমিকবান্ধব এবং টেকসংস্থায়ী কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আইএলও মহাপরিচালক বাংলাদেশের সঙ্গে সংস্থাটির বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণ এবং শ্রম খাতের উন্নয়নে একযোগে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর শ্রম ও কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (জাতিসংঘ) মো. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশে আইএলও কান্ট্রি ডিরেকটর ম্যাক্স তুনোঁ (Max Tuñón) এবং আইএলও সদর দপ্তর, জেনেভার মহাপরিচালকের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিতোমি নাকাগোমে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অপরাধ দমনে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে এআই ক্যামেরার নজরদারি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩০ পি.এম


অপরাধ দমনে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কে এআই ক্যামেরার নজরদারি

অপরাধ ও মাদক চোরাচালানের বিরুদ্ধে সরকারের নেওয়া ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির অংশ হিসেবে, ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়ককে অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ক্যামেরা এবং সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে।

সোমবার (২০ জুলাই) হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ফারুক আহমেদ জানান, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হয়েছে। পাশাপাশি, মহাসড়কটির ১৬টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কও একই ধরনের নজরদারি ব্যবস্থার আওতায় এসেছে। সিসিটিভি ও এআই ক্যামেরা স্থাপনের ফলে, হাইওয়ে পুলিশ এখন ঢাকার চট্টগ্রাম ও ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের সার্বিক পরিস্থিতি কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।

ফারুক আহমেদ বলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্পের আওতায় ঢাকা-মাওয়া মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে এআই ক্যামেরা বসানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, এসব এআই ক্যামেরা পরিচালনার আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব হাইওয়ে পুলিশের হাতে হস্তান্তরের জন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করার প্রক্রিয়া চলছে। তবে এরই মধ্যে অনানুষ্ঠানিকভাবে হাইওয়ে পুলিশ এই নজরদারি ব্যবস্থা পরিচালনা করছে।

তিনি বলেন, উন্নত এই নজরদারি ব্যবস্থা হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রমকে আরও দক্ষ করবে এবং ডাকাতি, মাদক পরিবহনসহ মহাসড়ককেন্দ্রিক বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। ঢাকার চট্টগ্রাম মহাসড়কে এআই ক্যামেরা স্থাপনের কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। খুব শিগগিরই এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে।

দেশের অন্যান্য মহাসড়কগুলোও পর্যায়ক্রমে একই ধরনের নজরদারির আওতায় আনা হবে, যাতে মহাসড়কের অপরাধ দ্রুত দমন করা এবং দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা সমাধান করা যায়।

ফারুক আহমেদ আরো বলেন, হাইওয়ে পুলিশের প্রধান দুটি দায়িত্ব হলো ডাকাতি ও মাদক পাচারের মতো মহাসড়ককেন্দ্রিক অপরাধ দমন করা এবং যানজট কমিয়ে একটি নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা। আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়িয়ে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল মহাসড়ক গড়ে তোলার উদ্যোগ আরও জোরদার করা হচ্ছে।

ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে কার্যক্রমের দক্ষতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি বৃদ্ধি করতে এবং তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এছাড়া, জনগণের আস্থা বৃদ্ধি এবং সেবাগ্রহীতাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে কমিউনিটিভিত্তিক পুলিশিং জোরদার করা হচ্ছে।

কর্মকর্তাদের মতে, প্রযুক্তির ব্যবহার, তথ্যভিত্তিক জবাবদিহি এবং জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ার মাধ্যমে মহাসড়ক আরও নিরাপদ হবে এবং জনসেবার মান উন্নত হবে।

গত ৭ জুলাই হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়া ১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ক্যাডারের কর্মকর্তা ফারুক আহমেদ বলেন, তিনি দেশের মহাসড়ককে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করার লক্ষ্যে বদ্ধপরিকর। তিনি জানান, ‘আগামী দুই মাসের মধ্যে মহাসড়ককে চাঁদাবাজি ও হয়রানিমুক্ত করতে সক্ষম হব বলে আমি আত্মবিশ্বাসী।’

তিনি আরও আশ্বাস দেন, আগামী দুই মাস পর হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের বিরুদ্ধে যানবাহন থেকে অর্থ আদায়ের কোনো অভিযোগ থাকবে না।

ফারুক আহমেদ জানান, বর্তমানে সারা দেশে হাইওয়ে পুলিশের ৭৩টি থানা রয়েছে। আরও কার্যকর সেবা নিশ্চিত করতে থানার সংখ্যা বাড়ানো এবং সদস্যদের পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

২০০৫ সালের ১১ জুন প্রতিষ্ঠিত হাইওয়ে পুলিশ, বাংলাদেশ পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিট। এই ইউনিটটির প্রধান দায়িত্ব দেশের মহাসড়কে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা এবং নির্বিঘ্ন যান চলাচল নিশ্চিত করা।

১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ১২ ধারার আওতায় পরিচালিত এ ইউনিট মোটরযান অধ্যাদেশ, ১৯৮৩ অনুযায়ী বিভিন্ন অপরাধের তদন্তও করে থাকে।

হাইওয়ে পুলিশের প্রধান দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করা, মহাসড়কের অপরাধ প্রতিরোধ করা, সড়ক দুর্ঘটনার তদন্ত করা, ট্রাফিক আইন প্রয়োগ করা, মহাসড়কে টহল দেওয়া, সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যান চলাচল ব্যবস্থাপনা করা।

বর্তমানে অতিরিক্ত মহাপরিদর্শকের নেতৃত্বে চারটি বিভাগ, আটটি অঞ্চল, সাতটি ক্যাম্প, ৭৩টি হাইওয়ে থানা এবং ১০টি সার্কেলের মাধ্যমে সারা দেশে সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অনুমোদিত জনবল ২ হাজার ৮১৪ জন।

হাইওয়ে পুলিশের আটটি আঞ্চলিক কার্যালয় গাজীপুর, কুমিল্লা, বগুড়া, মাদারীপুর, সিলেট, খুলনা, রংপুর এবং ময়মনসিংহে অবস্থিত।

জনবল ও সম্পদের সীমাবদ্ধতা থাকা স্বত্ত্বেও, হাইওয়ে পুলিশ বর্তমানে দেশের প্রায় ১১,৮০৬ কিলোমিটার মহাসড়কে আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্পেন-আর্জেন্টিনা খেলোয়াড়দের সংঘর্ষ, প্রকাশ্যে এসেছে আসল কারণ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩৫ পি.এম


স্পেন-আর্জেন্টিনা খেলোয়াড়দের সংঘর্ষ, প্রকাশ্যে এসেছে আসল কারণ

বিশ্বকাপ ফাইনালের শেষ বাঁশির শব্দটি ওঠার সাথে সাথে স্পেনের ফুটবল খেলোয়াড়দের শিরোপা জয়ের আনন্দ উদযাপন করার কথা ছিল। কিন্তু সেই আনন্দের মুহূর্তটি ধাক্কাধাক্কি, উত্তেজনা ও হাতাহাতির ঘটনায় পরিণত হয়ে যায়। যুক্তরাষ্ট্রের মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে স্পেন ও আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে, যা সবার মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

এই ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। জানা যায়, সংঘর্ষের সূচনা স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি এবং আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নাহুয়েল মলিনার মধ্যে ঘটে। ম্যাচ জয়ের পর স্পেনের রদ্রির প্রতিপক্ষের সামনে উচ্ছ্বাস প্রকাশ মলিনার কাছে ভালোভাবে গ্রহণযোগ্য হয়নি। এ নিয়ে প্রথমে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়, যা দ্রুত মুখোমুখি অবস্থানে চলে আসে।

এ পরিস্থিতি শান্ত করতে উপস্থিত হন স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া। তিনি মলিনাকে সেখান থেকে সরাতে গেলে উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পায়। তখন আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস ঘটনাস্থলে এসে গার্সিয়াকে ধাক্কা দেন। এরপর দুই দলে আরও কয়েকজন খেলোয়াড় সেখানে যোগ দিলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

একজন সতীর্থকে ধাক্কা দিতে দেখে স্পেনের তরুণ মিডফিল্ডার গাভি এগিয়ে আসেন এবং পারেদেসকে ধাক্কা দেন। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় পারেদেসও গাভিকে ধাক্কা দেন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়ে যায়।

এক পর্যায় আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদা গাভিকে শক্তভাবে জাপটে ধরে মাটিতে ফেলে দেন। অভিযোগ উঠেছে যে, গাভি উঠে দাঁড়ানোর পর পারেদেস আবারও তাকে ধাক্কা দিয়ে মাটিতে ফেলে দেন। এই ঘটনার ফলে মাঠজুড়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

যখন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, তখন স্পেনের স্ট্রাইকার বোর্হা ইগলেসিয়াস এগিয়ে এসে प्रतিপক্ষের কয়েকজন খেলোয়াড়কে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে দুই দলের কোচিং স্টাফ, কর্মকর্তাগণ ও সিনিয়র খেলোয়াড়রা মাঠে নেমে উভয় পক্ষকে শান্ত করেন। তাঁদের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে আসে এবং বড় ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়।

ম্যাচের পর সংঘর্ষের ভিডিও ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনার পেছনে ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে চলছে আলোচনা। আহ্বানকারী কর্তৃপক্ষ বা সংশ্লিষ্ট ফুটবল সংস্থার পক্ষ থেকে আজ পর্যন্ত কোন আনুষ্ঠানিক শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভাঙা আঙুলে ১১ সেভ করে ফাইনালের ট্র্যাজিক হিরো মার্তিনেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৪১ পি.এম


ভাঙা আঙুলে ১১ সেভ করে ফাইনালের ট্র্যাজিক হিরো মার্তিনেজ

লিওনেল মেসির শেষ বিশ্বকাপ মিশন সফল হয়নি।

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের নাটকীয় লড়াইয়ের শেষে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে স্পেন ১৬ বছর পর আবারও বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জিতে নেয়।

ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে, যখন ফেরান তোরেস স্পেনের হয়ে জয়সূচক গোলটি করেন। শেষ বাঁশি বাজানোর সঙ্গে সঙ্গে উল্লাস প্রকাশ করেন লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি, পাও কুবার্সিসহ অন্যান্য স্প্যানিশ ফুটবলাররা। অন্যদিকে, হতাশা নিয়ে মাঠ ছাড়েন লিওনেল মেসি, রদ্রিগো দে পল ও আর্জেন্টিনার অন্যান্য সতীর্থরা।

তবে এই ফাইনালের সবচেয়ে আলোচিত নাম হলো এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ। এই গোলরক্ষক ভাঙা আঙুল নিয়েও পুরো টুর্নামেন্টে খেলে গেছেন। ফাইনালে তিনি যেন একাই স্পেনের আক্রমণের বিরুদ্ধে অদম্য প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন।

ম্যাচজুড়ে মার্তিনেজ নিকো উইলিয়ামস, লামিন ইয়ামাল, পেদ্রি, মার্ক কুকুরেয়া ও ফেরান তোরেসদের একের পর এক আক্রমণ ঠেকিয়ে দেন। প্রথমার্ধে ইয়ামাল ও মিকেল ওইয়ারসাবালের নিশ্চিত গোলের সুযোগ নষ্ট করার পর দ্বিতীয়ার্ধেও আলেক্স বায়েনা, ফেরান তোরেস এবং ইয়ামালের বিভিন্ন শট অবিশ্বাস্য দক্ষতায় প্রতিহত করেন তিনি। নির্ধারিত সময়ের শেষ মুহূর্তে ইয়ামালের দুর্দান্ত ফ্রি-কিকও সাফল্যের সঙ্গে রক্ষা করেন এই আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক।

শেষ পর্যন্ত ১১টি সেভ করে পুরুষদের বিশ্বকাপ ফাইনালে নতুন সর্বোচ্চ সেভের রেকর্ড গড়েন ৩৩ বছর বয়সী মার্তিনেজ। এর আগে ফাইনালে সর্বোচ্চ ৯টি সেভের রেকর্ড ছিল। তবে এই ইতিহাস গড়া পারফরম্যান্সও আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জিতাতে পারেনি।

অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের শট ঠেকাতে না পারায়, সেই একমাত্র গোলেই স্পেন বিশ্বকাপ শিরোপা নিশ্চিত করে। ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফাইনালে অসাধারণ সেভ করে আর্জেন্টিনাকে শিরোপা জেতানোর অন্যতম নায়ক ছিলেন মার্তিনেজ। এবারও তিনি চোট উপেক্ষা করে মাঠে নেমে নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন।

শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই করেও দলকে জয় এনে দিতে ব্যর্থ হওয়ায়, ইতিহাস গড়েও ট্রফিবঞ্চিত হতে হলো এই তারকা গোলরক্ষককে।

রেকর্ড গড়ার ১১ সেভ, অদম্য লড়াই আর অসাধারণ দৃঢ়তার পরও শিরোপা স্পর্শ করতে না পারায় ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালের ট্র্যাজিক হিরো হয়েই মাঠ ছাড়লেন এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%