বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৪৫ পি.এম
নরসিংদীর পলাশে ডাকাতির প্রস্তুতি নিতে থাকা অবস্থায় দেশীয় অস্ত্রসহ পাঁচ যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ঘোড়াশাল-পাঁচদোনা সড়কের খালিশায়ার টেক নামক স্থানে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে আছেন- ঘোড়াশাল চরপাড়া গ্রামের কামরুল ইসলাম, শান্ত খান, আমির হোসেন, বিল্লাল হোসেন ও রুহান মিয়া।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তারকৃতরা বুধবার গভীর রাতে ঘোড়াশাল খালিশার টেক গ্রামে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল। তারা ঘোড়াশাল বাইপাস সড়কের আন্ডারপাসে অবস্থান করছিল। পরবর্তীতে গোপন সংবাদে পলাশ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। এই সময় তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে দুটি চাইনিজ কুড়াল, তিনটি ছুরি এবং একটি ওয়াকি-টকি।
পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন জানান, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীর কারওয়ান বাজার থেকে একটি বিশেষ অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী মো. মিন্টু শেখ ওরফে মিন্টু মিয়া (৪৮) কে গ্রেফতার করেছে র্যাবের সদস্যরা।
বুধবার (২২ জুলাই) সন্ধ্যায় এই গ্রেফতারির ঘটনা ঘটে, যা র্যাব-২ এর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
এতে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার বিকেলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে, তেজগাঁও এলাকার বিভিন্ন অপরাধের সাথে যুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী, একাধিক অস্ত্র মামলাসহ ২৯ মামলার আসামি মো. মিন্টু শেখ ওরফে মিন্টু মিয়া কারওয়ান বাজারের এলাকায় অবস্থান করছেন।
প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, র্যাব-২ এর একটি অভিযানিক দল তাৎক্ষণিকভাবে একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে এবং মিন্টুকে গ্রেফতার করে।
র্যাবের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে, গ্রেফতার হওয়া মিন্টু দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অস্ত্র প্রদর্শন করে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ছিনতাই, চুরি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিল। মিন্টুর নামে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও থানায় দস্যুতা, হত্যাচেষ্টা এবং অস্ত্র আইনে ১৪টি মামলা রয়েছে।
এছাড়া, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৭টি মামলা সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় আরও আটটি মামলা রয়েছে। মিন্টুর অন্যান্য সহযোগীদের গ্রেফতারে র্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ অন্যান্য গণমাধ্যমে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। এই বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ কথা বলছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে এ বিষয়ে তিনি আলোচনা করেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন হলো একটি গুঞ্জনই। যদি এমন কিছু হয় তবে তা আমাদেরও জানা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে এ সমস্যা নিয়ে কিছু বলা হচ্ছে না।
তিনি আরো বলেন, যদি রাষ্ট্রপতি স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে পদত্যাগ করতে চান, তবে তার জন্য সাংবিধানিক বিধান রয়েছে। এই ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি স্পিকারের কাছে পদত্যাগ করবেন। সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কিছু বলার প্রয়োজন নেই।
এ সময় কক্সবাজার নিয়েও তিনি আলোচনা করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, কক্সবাজারের উন্নয়নে একটি মাস্টার প্ল্যান করে একটি পর্যটন ও কমার্শিয়াল হাব গড়ার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার মধ্যে ভাতিজার পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার এসকল অভিযোগ আপন চাচি জেসমিন আক্তারের (২৫) বিরুদ্ধে উঠেছে। ঘটনার পর তিনি সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলের সময় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ। জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মজ্জাদপাড়ার বাদশা মিয়া বেপারী বাড়িতে এই ঘটনাটি ঘটে।
আহত জুয়েল হলেন ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে। পরে তার স্বজনেরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কিন্তু অবস্থার আরো অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠাতে হয়।
স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, জুয়েল দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ওমানে ছিলেন। প্রায় এক মাস আগে তিনি দেশে ফিরেন। প্রবাসে থাকাকালে পারিবারিক মোবাইল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি চাচি জেসমিনের মুঠোফোন ব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন। এইভাবেই তাদের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। তবে জুয়েল দেশে ফিরলে পরিবারের সদস্যরা তার জন্য বিয়ের পাত্রী ঠিক করেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে তিনি চাচীর ঘরে গেলে জেসমিন তার পুরুষাঙ্গ কেটে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে জেসমিন আক্তারের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। ওসি মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর একজন স্বজন থানায় উপস্থিত হয়ে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন। তাকে লিখিত অভিযোগ দিতেও বলা হয়েছে। তবে তার পর আর থানায় আসেননি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে চলমান বিতর্কে নতুন বাঁক নিয়েছে। নতুন করে একটি ভিডিও সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তিনি একটি নারীর সঙ্গে একটি আবাসিক হোটেলে প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওতে দেখা যায় যে, ওই নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় রয়েছেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, গাজী নজরুল ইসলাম এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে প্রবেশ করছে। হোটেলের রিসেপশনে দায়িত্বরত এক ব্যক্তির সঙ্গে করমর্দন করার পর তারা ভেতরে চলে যান। ভিডিওর অন্য এক অংশে হোটেলের লবিতে ওই নারীর সঙ্গে এমপির ঘনিষ্ঠ অবস্থান দেখা যায়।
তবে ভিডিওতে উপস্থিত নারী তার দাবি করা দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার (বেগম) কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই সম্পর্কিত কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
এর আগে, ২০ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে গাজী নজরুল ইসলামকে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।
ওই ঘটনার পর, গাজী নজরুল ইসলাম এক লিখিত বিবৃতিতে দাবি করেন, ভিডিওতে উপস্থিত তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার। তিনি জানান, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার এবং গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন।
এদিকে বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভায় গাজী নজরুল ইসলামকে দলের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাংগঠনিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ওঠা নৈতিক স্খলনের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় তাকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ