বৃহস্পতিবার, ২৩শে জুলাই, ২০২৬ ইং
০৩:৫৬ পি.এম
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার মধ্যে ভাতিজার পুরুষাঙ্গ কেটে দেওয়ার এসকল অভিযোগ আপন চাচি জেসমিন আক্তারের (২৫) বিরুদ্ধে উঠেছে। ঘটনার পর তিনি সঙ্গে সঙ্গে পালিয়ে গেছেন।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলের সময় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ। জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে উপজেলার খিলপাড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মজ্জাদপাড়ার বাদশা মিয়া বেপারী বাড়িতে এই ঘটনাটি ঘটে।
আহত জুয়েল হলেন ওই বাড়ির কামাল হোসেনের ছেলে। পরে তার স্বজনেরা তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে চাটখিল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। কিন্তু অবস্থার আরো অবনতি ঘটলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় পাঠাতে হয়।
স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, জুয়েল দীর্ঘ ১১ বছর ধরে ওমানে ছিলেন। প্রায় এক মাস আগে তিনি দেশে ফিরেন। প্রবাসে থাকাকালে পারিবারিক মোবাইল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় তিনি চাচি জেসমিনের মুঠোফোন ব্যবহার করে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে থাকেন। এইভাবেই তাদের মধ্যে একটি ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়। তবে জুয়েল দেশে ফিরলে পরিবারের সদস্যরা তার জন্য বিয়ের পাত্রী ঠিক করেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে তিনি চাচীর ঘরে গেলে জেসমিন তার পুরুষাঙ্গ কেটে পালিয়ে যান।
এ বিষয়ে জেসমিন আক্তারের মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়। ওসি মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর একজন স্বজন থানায় উপস্থিত হয়ে মৌখিকভাবে বিষয়টি জানিয়েছেন। তাকে লিখিত অভিযোগ দিতেও বলা হয়েছে। তবে তার পর আর থানায় আসেননি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কৃত সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে চলমান বিতর্কে নতুন বাঁক নিয়েছে। নতুন করে একটি ভিডিও সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যেখানে তিনি একটি নারীর সঙ্গে একটি আবাসিক হোটেলে প্রবেশ করতে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওতে দেখা যায় যে, ওই নারীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় রয়েছেন এমপি গাজী নজরুল ইসলাম।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, গাজী নজরুল ইসলাম এক নারীকে সঙ্গে নিয়ে একটি আবাসিক হোটেলে প্রবেশ করছে। হোটেলের রিসেপশনে দায়িত্বরত এক ব্যক্তির সঙ্গে করমর্দন করার পর তারা ভেতরে চলে যান। ভিডিওর অন্য এক অংশে হোটেলের লবিতে ওই নারীর সঙ্গে এমপির ঘনিষ্ঠ অবস্থান দেখা যায়।
তবে ভিডিওতে উপস্থিত নারী তার দাবি করা দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার (বেগম) কি না, তা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এই সম্পর্কিত কোনো পক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যও পাওয়া যায়নি।
এর আগে, ২০ জুলাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিওতে গাজী নজরুল ইসলামকে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখা গিয়েছিল।
ওই ঘটনার পর, গাজী নজরুল ইসলাম এক লিখিত বিবৃতিতে দাবি করেন, ভিডিওতে উপস্থিত তরুণী তার দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার। তিনি জানান, গত ১৩ জুলাই তিনি তার প্রথম স্ত্রী মোসাম্মৎ মাকছুদা বেগম, দ্বিতীয় স্ত্রী মরিয়ম আক্তার এবং গাড়িচালক ওবায়দুল্লাহকে সঙ্গে নিয়ে দ্বিতীয় স্ত্রীর বাবা মাসুম বিল্লাহর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে যান। সেখানে তারা প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা অবস্থান করেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করেন।
এদিকে বুধবার (২২ জুলাই) রাজধানীর মিন্টো রোডে বিরোধীদলীয় নেতার সরকারি বাসভবনে অনুষ্ঠিত জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সভায় গাজী নজরুল ইসলামকে দলের সদস্য পদ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সাংগঠনিক তদন্তে তার বিরুদ্ধে ওঠা নৈতিক স্খলনের অভিযোগের সত্যতা প্রমাণিত হওয়ায় তাকে জামায়াতে ইসলামী থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজধানীতে এক মহিলা ও তার ১১ মাস বয়সী শিশু সন্তানকে নিয়ে গাড়ির নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন। তবে আনসার সদস্যদের দ্রুত এবং দায়িত্বশীল পদক্ষেপের ফলে তারা প্রাণে বেঁচে যান।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে হাতিরঝিলের রাজউক প্রকল্প এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। পরে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) এ তথ্য প্রকাশ করা হয়।
টহলরত আনসার সদস্য জাহিদুল ও রেদোয়ান জানালেন, বিকেলের সময় একজন মহিলাকে কোলের শিশুকে নিয়ে চলন্ত গাড়ির সামনে ঝাঁপ দেওয়ার চেষ্টা করতে দেখা যায়। বিষয়টি তাদের নজরে আসামাত্র তারা দ্রুত ছুটে গিয়ে ওই মহিলাকে বাধা দেন। কিন্তু মহিলা বাঁচতে চান না বলে বারবার চিৎকার করতে থাকেন এবং রাস্তা থেকে সরে যেতে অস্বীকৃতি জানান।
পরবর্তীতে সেখানে উপস্থিত র্যাব-৩-এর একটি টহল দলের সদস্যরা এগিয়ে আসেন। সবাই একত্রে ওই মহিলাকে আশ্বস্ত করেন এবং নিরাপদ স্থানে সরিয়ে দেন। এরপর হাতিরঝিল থানার ডিউটি অফিসারের সহায়কাতে ওই মহিলার পরিবারের মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে যোগাযোগ করা হয়।
সংবাদ পেয়ে ওই মহিলার স্বামী শরিফুল ইসলাম ছুটে আসেন।
তিনি জানান, তার স্ত্রি হরমোনজনিত সমস্যায় ভুগছেন এবং কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। চিকিৎসার জন্য নারায়ণগঞ্জ থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এসেছিলেন তারা। এই সময় মালিবাগে এক আত্মীয়ের বাসা থেকে শিশুকে নিয়ে বের হয়ে যান তার স্ত্রী। পরবর্তী সময়ে আনসার সদস্যরা মা ও শিশুকে অক্ষত অবস্থায় তার স্বামীর কাছে হস্তান্তর করেন।
স্ত্রী এবং সন্তানের জীবন রক্ষায় আনসার সদস্যদের মানবিক এবং দায়িত্বশীল ভূমিকার জন্য শরিফুল ইসলাম আনসার সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নওগাঁয় আর্জেন্টিনা ফুটবল দলকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক গান গাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে, শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের ওপর এক শিক্ষকের বেধড়ক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই শ্রেণির ১৭ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত এ ঘটনার কারণে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে এবং তারা অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ করেছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বিকেলে, নওগাঁ সদর উপজেলার নারচী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম আব্দুস সালাম, যিনি বিদ্যালয়টিতে সহকারী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয় সূত্র এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘটনার সময় চতুর্থ শ্রেণির পাঠদান কক্ষে কোনো শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন না। এ সময় কয়েকজন শিক্ষার্থী ফুটবল খেলায় আর্জেন্টিনার হার নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক গান গাইতে শুরু করে। শিক্ষার্থীদের গানের শব্দ শোনার পর, ক্ষুব্ধ হয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করেন সহকারী শিক্ষক আব্দুস সালাম। অভিযোগ রয়েছে, তিনি নিজের পছন্দের ফুটবল দলকে নিয়ে ব্যঙ্গ সইতে না পেরে, একটি প্লাস্টিকের বৈদ্যুতিক তার দিয়ে শ্রেণিকক্ষে থাকা শিক্ষার্থীদের ওপর এলোপাতাড়ি আঘাত করতে শুরু করেন। এতে কক্ষে থাকা ২৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ১৭ জন আহত হয়।
ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ তৈরি হয়। রাতে বিদ্যালয় সংলগ্ন নারচী মোড় এলাকায় স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। তারা কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর এমন নির্মম শারীরিক নির্যাতনের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানান এবং অনতিবিলম্বে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে, অভিযুক্ত শিক্ষক আব্দুস সালাম নিজের ভুল স্বীকার করে অনুশোচনা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে অভিভাবক ও অন্যান্য শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করে সমাধানের উদ্যোগ নেবেন।
এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. ছানাউল হাবিব জানান, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঢাকার ধামরাইয়ে অভিযান চালিয়ে ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি-উত্তর) ২০০ পিস ইয়াবাসহ এক চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে। উদ্ধারকৃত ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬০ হাজার টাকা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে এক বার্তায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিবির (উত্তর) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, বুধবার (২২ জুলাই) রাতে ধামরাই পৌরসভার আমিন মডেল টাউন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামির নাম হাবিবুর রহমান বাবু (৩০)। তিনি ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা।
ডিবি পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বুধবার রাতে আমিন মডেল টাউন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ডিবি উত্তরের একটি দল। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে হাবিবুর রহমানকে আটক করা হয়। পরে তল্লাশি চালিয়ে তার কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনার পর ধামরাই থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নতুন মামলা দায়ের করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামির বিরুদ্ধে এর আগে বিভিন্ন থানায় মোট ছয়টি মাদক মামলা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ