ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

হরমুজে ২০ শতাংশ ফি প্রত্যাহারে ট্রাম্পের শর্ত


হরমুজে ২০ শতাংশ ফি প্রত্যাহারে ট্রাম্পের শর্ত

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ ফি আরোপের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছেন। তবে ট্রাম্প, এসবের বিনিময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর কাছ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ চেয়ে রয়েছেন। এরকম একটি ইঙ্গিত পাওয়া গেছে তার সর্বশেষ ট্রুথ সোশ্যাল পোস্ট থেকে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিবিসির লাইভ আপডেট থেকে জানা যায়, ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে বিদেশি বিনিয়োগকে বাড়ানো। শুল্ক নিয়ে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনার সময়েও তিনি বারবার যুক্তরাষ্ট্রে বিনিয়োগের বিষয়টিকে সামনে এনেছেন।

ট্রাম্পের দাবি, এসব চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ আসবে এবং নতুন নতুন কারখানা ও শিল্প স্থাপনা গড়ে উঠবে। কিন্তু এসব পরিকল্পনার বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। এছাড়া, তিনি যেসব উপসাগরীয় দেশকে এই বিনিয়োগের অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেছেন, তাদের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

ট্রাম্পের সর্বশেষ পোস্টের শেষ অংশটি নিয়েও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। সেখানে, তিনি বলেছেন, ‘ইরানে বিক্ষোভকারীদের হত্যা করার দিন শেষ।’ কিন্তু তিনি কীভাবে এই লক্ষ্য বাস্তবায়ন করবেন, সেই বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

পোস্টটিতে তিনি আরও বলেছেন, হরমুজ প্রণালি ইরান ছাড়া সব ধরনের জাহাজের জন্য উন্মুক্ত থাকতে পারে। ট্রাম্প বলেন, ‘তাদের মিথ্যাবাদী, সহিংস, বিদ্বেষপূর্ণ নেতৃত্ব, তাদেরকে সম্পূর্ণ ধ্বংসের পথে নিয়ে যাচ্ছে।’ তিনি ইরানের বিরুদ্ধে ‘পূর্ণ অবরোধ’ আরোপের কথাও জানিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫২ পি.এম


শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদ ভবনে ১৪ জুলাই ২০২৬ তারিখে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে আদালতের রায় কার্যকর করা হবে। তিনি আরও জানান, একই সাথে আওয়ামী লীগকে দল হিসেবে বিচারের আওতায় আনার জন্য সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনমন্ত্রী ইতোমধ্যে স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, শেখ হাসিনা দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হওয়ার কারণে দেশে ফিরলে তাকে গ্রেফতার করা হবে এবং আইনানুগ প্রক্রিয়ায় আদালতের রায় কার্যকর করা হবে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করানোর জন্য সরকার প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট দেশের কাছে ধারাবাহিকভাবে তাগাদা দিয়ে যাচ্ছে।

আজ সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও গণহত্যার বিচার’ প্রসঙ্গে জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মন্তব্য করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পূর্ববর্তী গণহত্যা, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার নিশ্চিত করার জন্য সরকার প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

রংপুর-৪ আসনের এনসিপি দলীয় সদস্য আখতার হোসেন ৬৮ বিধিতে সংসদে নোটিশটি উত্থাপন করেছেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে দল হিসেবে বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ-সংক্রান্ত তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনালের সংখ্যা, প্রসিকিউটর, তদন্তকারী ও লজিস্টিক সহায়তা আরও বৃদ্ধি করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য প্রতিহিংসা নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। সরকার জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের সব মামলার বিচার সম্পন্ন করার জন্য বদ্ধপরিকর। তিনি একইসাথে বলেছেন, ভবিষ্যতে কোনোভাবেই যাতে ফ্যাসিবাদের পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে লক্ষ্যে জাতীয় ঐক্য বজায় রেখে রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী করার প্রয়োজন।

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেন, শেখ হাসিনা আইনের দৃষ্টিতে দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। তাই বাংলাদেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তার আত্মসমর্পণের কোন সুযোগ নেই। তিনি আরো বলেন, শেখ হাসিনা যদি বাংলাদেশের সীমানায় প্রবেশ করে তবে আইন অনুযায়ী তাকে গ্রেফতার করা হবে।

তিনি উল্লেখ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি স্বীকৃত সত্য এবং সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনের অন্যতম মাইলফলক।

মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর জুলাই হত্যাকাণ্ড-সংশ্লিষ্ট ১৬টি তদন্ত সম্পন্ন করা হয়েছে, যার মধ্যে ১২টির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে এবং চারটি মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। তিনি জানান, সরকারের আমলে ইতোমধ্যে তিনটি মামলার রায়ও হয়েছে, যার মধ্যে আবু সাঈদ হত্যা মামলাও অন্তর্ভুক্ত। শাপলা চত্বরের হত্যাকাণ্ড, আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে সংগঠন হিসেবে তদন্ত এবং জেলা পর্যায়ের হত্যাকাণ্ডের তদন্ত কার্যক্রমও শুরু হয়েছে।

আইনমন্ত্রী বলেন, ট্রাইব্যুনালে জমা পড়া ৫৯০টি অভিযোগের মধ্যে ১০৯টি মামলা বাছাই করা হয়। এর মধ্যে ৪৩টি মামলায় তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, ছয়টি মামলার বিচার সম্পন্ন করা হয়েছে, ১৬ জনের মৃত্যুদণ্ড, ১১ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং ৩৫ জনের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে। এছাড়া আরও ২৬টি মামলা বিচারাধীন এবং চারটি মামলার রায় অপেক্ষমাণ আছে।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ, আহত ও পঙ্গু যোদ্ধাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা রয়েছে, এ বিষয়ে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, তাদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন ও সম্মানজনক জীবন নিশ্চিত করার জন্য সরকারের আরও কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন। তিনি বলেন, যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আজকের নতুন বাংলাদেশ, তাদের কখনোই ভুলে যাওয়া যাবে না। তিনি জুলাই জাদুঘর দ্রুত উদ্বোধন এবং জুলাই ফাউন্ডেশনকে আরও কার্যকর ও প্রাণবন্ত করারও আহ্বান করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জুলাই ছিল দীর্ঘ আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি। এ আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, আহত হয়েছেন অথবা স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ববরণ করেছেন, তাদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি করা উচিত নয়।

তিনি জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত, নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গতভাবে সম্পন্ন, জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করা এবং জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে দেশ গঠনে সব রাজনৈতিক শক্তির প্রতি আহ্বান জানান।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নারীদের অবদান ও আত্মত্যাগ যথাযথভাবে স্বীকৃতি দেওয়া এবং দিনটিকে স্মরণে রাখার উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন বিরোধীদলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার দ্রুত ও কার্যকরভাবে সম্পন্ন করতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, দক্ষ প্রসিকিউটর ও বিচারক নিয়োগ এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক ট্রাইব্যুনাল গঠনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সাথে তিনি আওয়ামী লীগের বিচার, মামলাগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচারিক প্রক্রিয়া আরও গতিশীল করার আহ্বান জানান।

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর, ঢাকা-১৪ আসনের বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম, সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪৫ এর বিরোধীদলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য ও শহীদ জাবির ইব্রাহিমের মা রোকেয়া বেগমও আলোচনায় অংশ নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাত্রলীগের মিছিল ঠেকাতে গিয়ে সংঘর্ষে আহত বিএনপির নেতাকর্মীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

মঙ্গলবার, ১৪ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৫৮ পি.এম


ছাত্রলীগের মিছিল ঠেকাতে গিয়ে সংঘর্ষে আহত বিএনপির নেতাকর্মীরা

গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীদের একটি বিক্ষোভ মিছিল প্রতিহত করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা। এ সময় সম্পূর্ণ একটি মোটরসাইকেলে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে এবং সেটিতে আগুন দেওয়ারও ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল প্রায় ৪টার দিকে উপজেলার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের ওড়াকান্দি ইউনিয়নের তিলছাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ছাত্রলীগের ২০ নেতাকর্মীকে আটক করে কাশিয়ানী থানা পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাশিয়ানী উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজাদ হোসেন এবং সহ-সভাপতি সুমন খন্দকারের নেতৃত্বে দেড় শতাধিক নেতাকর্মী ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে ‘শেখ হাসিনা’ স্লোগান দেওয়া হয়। এতে কিছু সময়ের জন্য মহাসড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে যায়।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি সুমন সরদার তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেজে মিছিলের একটি ভিডিও শেয়ার করেন।

জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই গোপালগঞ্জ শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনাকে ‘গণহত্যা দিবস’ আখ্যা দিয়ে এবং নিহত ও আহতদের স্মরণে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

এদিকে মিছিলের খবর পেয়ে তা প্রতিহত করতে ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় BNP-এর নেতারা।

রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নান্নান খাকী অভিযোগ করে বলেন, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। সেখানে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আজাদ হোসেনের নেতৃত্বে কয়েকশ নেতাকর্মী বাস, মাইক্রোবাস, ইজিবাইক ও মোটরসাইকেলে করে মিছিল করছিল। আমরা কয়েকজন বিএনপির নেতাকর্মী সেখানে পৌঁছানোর সাথে সাথেই তারা অতর্কিতে হামলা চালায়, মারধর করে এবং আমার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়।

এ হামলায় রাতইল ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নান্নান খাকী, সাধারণ সম্পাদক এমদাদুল হকসহ বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে ছাত্রলীগের ২০ নেতাকর্মীকে আটক করা হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন মাইলফলক, দ্রুত ও উন্নত সেবায় সমঝোতা স্মারক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:০৮ এম


ক্যান্সার চিকিৎসায় নতুন মাইলফলক, দ্রুত ও উন্নত সেবায় সমঝোতা স্মারক

 দেশে ক্যান্সার চিকিৎসার সেবা আরও সহজলভ্য করার লক্ষ্যে, রোগীর সেবার মানোন্নয়ন ও পরিধি বাড়ানো উদ্দেশ্যে ইনস্টিটিউট অব নিউক্লিয়ার মেডিকেল ফিজিক্স (আইএনএমপি) এবং জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। স্বাক্ষর অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হলো স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে, আজ সোমবার। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ক্যান্সার রিসার্চ অ্যান্ড হাসপাতালের পরিচালক ডা. মোস্তফা আজিজ সুমন এবং আইএনএমপি, এইআরআই-এর পরিচালক মো. সেলিম রেজা সমঝোতা স্মারক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ক্যান্সার রোগীর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, রেডিয়েশন অনকোলজি সেবা, মেডিকেল ফিজিক্স, গুণমান নিশ্চিতকরণ (কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স), গবেষণা, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নিয়ে যৌথ সহযোগিতার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে এই স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক চুক্তিতে। স্মারক অনুষ্ঠানে জানানো হয় যে, বর্তমানে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে সারাদেশ থেকে আসা রোগীদের একটি দীর্ঘ সিরিয়ালে বা অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকতে হয়, যা অনেক সময় চিকিৎসার কার্যকারিতাকে ব্যাহত করে। রোগীদের এই দীর্ঘ লাইনের ভোগান্তি কমানোর উদ্দেশ্যে এবং দ্রুততম সময়ে সেবা নিশ্চিত করতে এই দুটি প্রতিষ্ঠান একসাথে কাজ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। এই চুক্তির ফলে উভয় প্রতিষ্ঠান একত্রিত হয়ে রোগীরা এখন থেকে কোনো রকমের দীর্ঘসূত্রতা ছাড়াই উন্নত প্রযুক্তির নিউক্লিয়ার মেডিসিন, নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং নিবিড় থেরাপিউটিক সেবা পেতে সক্ষম হবেন। এই সমঝোতা স্মারক দেশের সামগ্রিক ক্যান্সার চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় একটি যুগান্তকারী এবং ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে বলেও উভয় কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে। অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড.মঈনুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ফার্মের মুরগি খাওয়া কতটা স্বাস্থ্যকর? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বুধবার, ১৫ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১২:৩১ এম


ফার্মের মুরগি খাওয়া কতটা স্বাস্থ্যকর? জানালেন বিশেষজ্ঞরা

দেশের অধিকাংশ পরিবারের প্রোটিনের চাহিদা পূরণের জন্য সবচেয়ে সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী খাবারের মধ্যে একটি হলো ফার্মের মুরগি বা ব্রয়লার মুরগি। যদিও দীর্ঘদিন ধরেই অনেকের মনে প্রশ্ন রয়েছে—ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর? ব্রয়লার মুরগি সম্পর্কে নানা ধরনের প্রচলিত ধারণা থাকলেও বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি নিজে ক্ষতিকর নয়। বরং নিরাপদ উৎপাদন, সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে রান্না করে ব্রয়লার মুরগি উচ্চমানের প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় পুষ্টির অন্যতম উৎস হতে পারে। এ বিষয়ে চিকিৎসক ডা. সাহানাজ মন্তব্য করেন, ব্রয়লার মুরগি নিজে কোনোভাবেই ক্ষতিকর নয়। এতে উচ্চমানের প্রোটিনের পাশাপাশি ভিটামিন বি-১২, ভিটামিন বি-৬, নিয়াসিন (ভিটামিন বি-৩), ফসফরাস, সেলেনিয়াম ও জিংকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান রয়েছে। তিনি জানান, ব্রয়লার মুরগির নিরাপদ হওয়া নির্ভর করে কীভাবে এটি পালন করা হয়েছে, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের নিয়ম মানা হয়েছে কি না এবং জবাই ও সংরক্ষণের সময় স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করা হয়েছে কি না—এসব বিষয়ের ওপর। ডা. সাহানাজ আরো বলেন, কিছু খামারে রোগ প্রতিরোধ বা চিকিৎসার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়। তবে নির্ধারিত নিয়ম না মেনে অতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা কিংবা জবাইয়ের আগে প্রয়োজনীয় বিরতি না মানলে মাংসে ওষুধের অবশিষ্টাংশ থেকে যেতে পারে। এতে দীর্ঘমেয়াদে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স বা অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর ঝুঁকি বাড়তে পারে। ব্রয়লার মুরগিকে দ্রুত বড় করতে হরমোন ব্যবহার করা হয়—এমন ধারণা নিয়েও বক্তব্য ব্যক্ত করেন তিনি। তার মতে, এ দাবির পক্ষে শক্ত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। আধুনিক ব্রয়লার মুরগির দ্রুত বৃদ্ধি মূলত হচ্ছে উন্নত জাত, সুষম খাদ্য এবং উন্নত খামার ব্যবস্থাপনার ফল। তিনি আরো বলেন, খামারে স্বাস্থ্যবিধি না মানা হলে, কিংবা জবাই ও সংরক্ষণের সময় অসতর্কতা থাকলে সালমোনেলা ও ক্যাম্পিলোব্যাক্টারের মতো ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মাংসে থাকতে পারে। সুতরাং ব্রয়লার মুরগির মাংস অবশ্যই ভালোভাবে সিদ্ধ বা রান্না করে খাওয়া উচিত। ডা. সাহানাজের মতে, চামড়াবিহীন ব্রয়লার মুরগির মাংস পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত খাওয়া স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে। তিনি বলেন, দেশি ও ব্রয়লার—দু ধরনের মুরগিই ভালো প্রোটিনের উৎস। দেশি মুরগির স্বাদ ও গঠন ভিন্ন হলেও পুষ্টিগুণের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই। মূল বিষয় হলো নিরাপদ উৎপাদন, ভালো মান এবং স্বাস্থ্যসম্মত রান্না। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা ব্রয়লার মুরগি কেনা ও খাওয়ার ক্ষেত্রে কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছে—বিশ্বস্ত দোকান বা অনুমোদিত খামার থেকে মুরগি কেনা, দুর্গন্ধযুক্ত বা অস্বাভাবিক রঙের মাংস এড়িয়ে চলা, কাঁচা ও রান্না করা মাংস আলাদা রাখা এবং মাংস সম্পূর্ণ সিদ্ধ করে খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%