ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র সেনাদের পুরুষত্ব হরমোন পরীক্ষা করবে


যে কারণে যুক্তরাষ্ট্র সেনাদের পুরুষত্ব হরমোন পরীক্ষা করবে

যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীতে ৩০ বছর বা তার বেশি বয়সী সক্রিয় এবং রিজার্ভ সেনাসদস্যদের জন্য টেস্টোস্টেরন (পুরুষত্ব হরমোন) ঘাটতির বাধ্যতামূলক স্ক্রীনিং চালু করা হয়েছে। এই নতুন কর্মসূচির অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ।

একটি ভিডিও বার্তায় হেগসেথ জানিয়েছেন, সেনাসদস্যদের সর্বোচ্চ শারীরিক সক্ষমতা নিশ্চিত করতেই এ উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে। যাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কম পাওয়া যাবে, তারা স্বেচ্ছায় হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (এইচআরটি) গ্রহণ করতে পারবেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া পেশি বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে টেস্টোস্টেরন ব্যবহার সামরিক বাহিনীতে নিষিদ্ধ থাকবে।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পারনেল জানিয়েছেন, নতুন স্ক্রীনিং কর্মসূচি অবিলম্বে কার্যকর হচ্ছে। এর মাধ্যমে সেনাসদস্যদের স্বাস্থ্যসংক্রান্ত একটি বিস্তৃত তথ্যভান্ডার তৈরি হবে, এবং প্রয়োজন অনুযায়ী লক্ষ্যভিত্তিক চিকিৎসা প্রদান করা সম্ভব হবে।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

তবে নারী সেনাসদস্যদের ক্ষেত্রেও এই স্ক্রীনিং বাধ্যতামূলক হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। এই বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসে প্রশ্ন উঠেছে। ডেমোক্র্যাট সিনেটর ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা ট্যামি ডাকওর্থ নারী ও পুরুষ উভয় সেনাসদস্যের জন্য সমানভাবে হরমোন পরীক্ষা চালুর আহ্বান জানিয়েছেন।

অন্যদিকে, পেনসিলভানিয়ার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসওম্যান ও সাবেক বিমানবাহিনীর সদস্য ক্রিসি হুলাহান এই উদ্যোগকে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সর্বশেষ সংস্কৃতির যুদ্ধের আসক্তি বলে সমালোচনা করেছেন।

বেইলর কলেজ অব মেডিসিনের ইউরোলজি অধ্যাপক ড. মোহিত খেরা বলেন, ৩০ বছরের বেশি পুরুষদের টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা করা উচিত, কারণ এটি সামগ্রিক স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ সূচক। তাঁর মতে, কম টেস্টোস্টেরনের কারণে পেশিশক্তি ও কর্মক্ষমতা কমে যেতে পারে, যা যুদ্ধক্ষেত্রে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তবে উপসর্গ না থাকলে শুধুমাত্র পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে টেস্টোস্টেরন থেরাপি দেওয়া উচিত নয় বলেও সতর্ক করেন তিনি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপির ফলে পেশিশক্তি বৃদ্ধি, শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমানো, বিষণ্নতার ঝুঁকি হ্রাস এবং অস্থির স্বাস্থ্য উন্নত হতে পারে। তবে এই চিকিৎসা সবার জন্য উপযোগী নয়। বিশেষ করে তরুণদের ক্ষেত্রে এটি প্রজননক্ষমতা কমিয়ে বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। এছাড়া হৃদরোগের সম্ভাব্য ঝুঁকিও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

উল্লেখ্য, মার্কিন প্রশাসন সম্প্রতি টেস্টোস্টেরন প্রেসক্রিপশনের বিদ্যমান বিধিনিষেধ শিথিলের উদ্যোগ নিয়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি সংক্রান্ত কিছু নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা সতর্কবার্তা লেবেল থেকে অপসারণের প্রস্তাবও দিয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

উচ্চশিক্ষার পরেও ভাগ্য বদলায়নি এই মুচির

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০১ পি.এম


উচ্চশিক্ষার পরেও ভাগ্য বদলায়নি এই মুচির

একসময় তিনি সরকারি চাকরি করতেন। উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু জাতিগত পরিচয়ের কারণে এবং ভাগ্যের খারাপ পরিহাসে এখন বিশু রবিদাসের জীবনের ঠিকানা এই রেলস্টেশনের পাশে একটি ছোট্ট জুতার দোকান। ৪৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে জুতা সেলাই করেই চলছে তার জীবন।

রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার মালিয়াট গ্রামের মুচি পরিবারের সন্তান হলেন বিশু রবিদাস। নানা বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে তিনি বিএ ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর একটি সরকারি দপ্তরে চাকরি পান। নিয়মিতভাবে দায়িত্ব পালন করলেও তাঁর পরিবারের অভিযোগ, জাতিগত পরিচয় সম্পর্কে জানার পর কর্মস্থলে তাঁকে অবহেলা ও বৈষম্যের শিকার হতে হয়।

এক আত্মীয়ের অসুস্থ হওয়ার খবর শুনে ঘটনার পর বিশু ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার মৌখিক অনুমতি নিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলেন। পরে সেই অনুপস্থিতির কারণে চাকরি হারাতে হয় তাকে।

এরপর সরকারি চাকরিতে ফিরে আসা আর হয়নি। জীবিকার প্রয়োজনেই তিনি পূর্বপুরুষদের পেশায় ফিরে যান। সেই থেকে কালুখালী রেলস্টেশন ও বাজারের পাশে বসেই তিনি জুতা সেলাই করে সংসার চালিয়ে আসছেন।

এখন তাঁর বয়স বেড়ে গেছে এবং নানা রোগেও ভুগছেন। আগের মতো কাজ করতে পারেন না। তবুও, এই কাজই তাঁর পরিবারে একমাত্র আয়ের সম্বল হিসেবে রয়ে গেছে।

রেলস্টেশনের এই ছোট্ট দোকানে কাটছে বিশু রবিদাসের দিন। তবে তাঁর জীবনের গল্প মনে করিয়ে দেয়, শিক্ষা থাকলেই সবসময় ভাগ্য বদলায় না।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সৌভাগ্যের প্রতীক’ সারা পোরারিয়াকে নিয়ে স্পেনজুড়ে সমর্থকদের আলোচনা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৭ পি.এম


সৌভাগ্যের প্রতীক’ সারা পোরারিয়াকে নিয়ে স্পেনজুড়ে সমর্থকদের আলোচনা

ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার পর ফ্রান্সকে ২-০ গোলে হারানোর পর স্পেন এখন উৎসবের আমেজে ভাসছে। সেই উৎসবের আনন্দের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন স্প্যানিশ টেলিভিশন প্রতিবেদক সারা পোরারিয়া। অনেক স্প্যানিশ সমর্থক মজা করেই তাকে দলের ‘সৌভাগ্যের প্রতীক’ বলে উল্লেখ করছেন।

২০১০ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন সেমিফাইনালে শক্তিশালী ফ্রান্সকে ২-০ গোলে পরাস্ত করে ফাইনালে পৌঁছেছে। এই ম্যাচে স্পেনের হয়ে গোল করেন মিকেল ওইয়ারসাবাল এবং পেদ্রো পোরো। এই অসাধারণ জয়ের ফলে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে স্পেনের প্রতিপক্ষ হবে আর্জেন্টিনা।

সেমিফাইনালের পর, সারা পোরারিয়া নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ম্যাচ-সংশ্লিষ্ট বেশ কয়েকটি ছবি ও ভিডিও আপলোড করেন। লাল রঙের পোশাকে তোলা তার ছবিগুলো দ্রুতই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার স্থলে পৌঁছেছে। তাছাড়া, তিনি স্পেনের ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেলার সঙ্গে ম্যাচ-পরবর্তী সাক্ষাৎকারের একটি ভিডিওও শেয়ার করেন।

প্রায় ৫৫ হাজার অনুসারী আছে সারার, এবং তার পোস্টে ভক্তদের মন্তব্য flooding হয়ে উঠেছে। একজন সমর্থক উল্লেখ করেন, ফাইনালেও লাল পোশাকেই দেখা যাবে। কারণ আপনি আমাদের জন্য সৌভাগ্য নিয়ে আসেন। অন‌্য একজন মন্তব্য করেন, ধন্যবাদ সারা, আমাদের সৌভাগ্য নিয়ে আসায়। আপনি দারুণ লাগছিলেন। অন্যতম একজন লিখেছেন, চমৎকার এবং মার্জিত।

আরেক সমর্থক মন্তব্য করেছেন, আপনি সূর্যের মতোই আনন্দময়। কেউ আবার নিজের অনুভূতি এক শব্দে প্রকাশ করেছেন, অসাধারণ!

ফাইনালের আগে স্প্যানিশ সমর্থকদের মধ্যে এখন ফুটবল উন্মাদনার পাশাপাশি সারা পোরারিয়াকেও ঘিরে চলছে ব্যাপক আলোচনা। যদিও ‘সৌভাগ্যের প্রতীক’ বিষয়টি শুধুই সমর্থকদের আবেগ এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মজার প্রতিক্রিয়া, তবে বিশ্বকাপের শিরোপা লড়াইয়ের আগে তিনি হয়ে উঠেছেন স্পেনের ফুটবলপ্রেমীদের অন্যতম আলোচিত মুখ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

যাত্রাবাড়ীতে নারী হত্যা, ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন করার দাবি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:০৮ পি.এম


যাত্রাবাড়ীতে নারী হত্যা, ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটন করার দাবি

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে একটি ফ্ল্যাটে এক নারী হত্যার ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদ্‌ঘাটনের দাবি পুলিশের পক্ষ থেকে করা হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ নির্মাণশ্রমিক ফারুক (২৭) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কাঁচিসহ বিভিন্ন চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধার করেছে।

পুলিশ জানাচ্ছে, গত ১১ জুলাই যাত্রাবাড়ী থানার দনিয়া রসুলপুর নগর ভবনসংলগ্ন একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে শাহিদা আক্তার নামে এক নারীকে খুন করা হয়। এই সময় দুর্বৃত্তরা বাসায় থাকা স্বর্ণালংকার, ইমিটেশন গহনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর নিহতের মেয়ে পারভীন আক্তার যাত্রাবাড়ী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ জানাচ্ছে, মামলাটির তদন্তে ঘটনাস্থল থেকে সংগ্রহ করা আলামত বিশ্লেষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নির্মাণশ্রমিক ফারুককে শনাক্ত করা হয়েছে। বুধবার (১৫ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে যাত্রাবাড়ীর মীরহাজিরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত আসামির প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে তিনি দেখানো স্থানে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত এক হাতলবিশিষ্ট কাঁচি উদ্ধার হয়েছে। এছাড়া, একটি জোড়া ইমিটেশনের বালা, তিনটি গলার হার, এক জোড়ার পায়ের নূপুর এবং কিছু বিদেশি কাগুজে ও ধাতব মুদ্রা উদ্ধার করা হয়েছে।

তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ফারুক নিহতের পরিবারের পাশের ফ্ল্যাটে নির্মাণশ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। কাজের সুবাদে তিনি বাসার পরিবেশ ও পরিবারের সদস্যদের চলাফেরা সম্পর্কে সম্পর্কে অবগত ছিলেন। ঘটনার দিন সে সুযোগ বুঝে বাসায় প্রবেশ করে ধারালো কাঁচি দিয়ে শাহিদা আক্তারকে হত্যা করে। পরে আলমারিতে থাকা স্বর্ণালংকার, ইমিটেশন গহনা ও অন্যান্য মালামাল নিয়ে পালিয়ে যান। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি এ বিষয়টি স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পুলিশ আরো জানিয়েছে, মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কাউকে জড়িয়ে আছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মিয়ানমারের উপকূলে নৌকাডুবে ৫০০ জনের বেশি প্রাণহানির আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:১৩ পি.এম


মিয়ানমারের উপকূলে নৌকাডুবে ৫০০ জনের বেশি প্রাণহানির আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ

মিয়ানমারের উপকূলে বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে দুটি শরণার্থীবাহী নৌকা নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় ৫০০ জনের বেশি মানুষের প্রাণহানির আশঙ্কা করছে জাতিসংঘ।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) এক যৌথ বিবৃতিতে এ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) ও জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থা (ইউএনএইচসিআর)।

সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, জুনের শেষ দিকে মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাখাইন রাজ্য থেকে যাত্রা শুরু করে নৌকা দুটি। এর মধ্যে অধিকাংশ যাত্রীই ছিলেন রোহিঙ্গা।

একটি নৌকায় প্রায় ২৫০ জন আরোহী ছিলেন। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই সেটির সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্য নৌকাটিতে প্রায় ২৮০ জন যাত্রী ছিলেন। সেটি গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের আইয়ারওয়াডি উপকূলে ডুবে গেছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রাষ্ট্রহীন মুসলিম সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী। তারা দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে নিপীড়ন, সহিংসতা ও বৈষম্যের শিকার। বর্তমানে ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবিরে বসবাস করছেন। তবে এখনও প্রায় ৬ lakh ৩০ হাজার রোহিঙ্গা রাখাইনে অবস্থান করছেন।

২০২১ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের পর মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধ পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তুলেছে। জান্তা বাহিনী ও বিদ্রোহী আরাকান আর্মির সংঘর্ষে রাখাইন রাজ্যে মানবিক সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। নিরাপত্তার আশায় অনেক রোহিঙ্গা জীবন বাজি রেখে পালানোর চেষ্টা করছেন সমুদ্রপথে।

জাতিসংঘের দুই সংস্থা জানিয়েছে, নিখোঁজ যাত্রীদের মধ্যে কয়েকজন বাংলাদেশে কক্সবাজারের শরণার্থী শিবির থেকে রাখাইনে গিয়েছিলেন।

তারা আরও জানায়, নৌযাত্রার স্বাভাবিক মৌসুমের বাইরে এসব যাত্রা হওয়ায় সমুদ্র ছিল অত্যন্ত উত্তাল। এর সঙ্গে সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টি ও বন্যা পরিস্থিতি যাত্রাকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করে তোলে।

গত সপ্তাহে কক্সবাজারে টানা বর্ষণে সৃষ্ট ভূমিধস ও বন্যায় বহু আশ্রয়কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই দুর্যোগে শিশুসহ এক ডজনের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

আইওএম ও ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, নৌকাডুবির খবর এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত না হলেও সম্ভাব্য এই প্রাণহানির ঘটনায় তারা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

সংস্থাদ্বয়ের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর বর্তমানে আন্দামান সাগর ও বঙ্গোপসাগরে প্রায় ৩০০ রোহিঙ্গা নিহত বা নিখোঁজ হয়েছেন।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, মিয়ানমারের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত, অবনতিশীল মানবিক পরিস্থিতি এবং বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরে সীমিত সহায়তা ও কর্মসংস্থানের অভাবের কারণে অনেক রোহিঙ্গা ঝুঁকিপূর্ণ সমুদ্রযাত্রায় বাধ্য হচ্ছেন।

এ পরিস্থিতিতে ভবিষ্যতে এমন প্রাণহানি ঠেকাতে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার, সমুদ্রে অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান বাড়ানো, শরণার্থীদের নিরাপদ আশ্রয় নিশ্চিত করা এবং মানবপাচার ও চোরাচালান চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে আইওএম ও ইউএনএইচসিআর। সূত্র: সিএনএন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%