০৩:৩১ পি.এম
চুয়াডাঙ্গার দক্ষিণ হাসপাতাল পাড়ার গলিতে আর কখনো ফিরবেনা ফাইজান। বাড়ির সামনের ছোট্ট ফাঁকা মাঠে আর বন্ধুদের সঙ্গে ক্রিকেট খেলার সুযোগ থাকবেনা তার। ফাইজানের মা ফারিয়া কবির কেক অর্ডার করেছিলেন, কিন্তু সেই কেকও আর কখনো খাওয়া হবে না।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) কক্সবাজারের ইনানী এলাকায় টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন চুয়াডাঙ্গা শহরের দক্ষিণ হাসপাতালপাড়ার বাসিন্দা ফারিয়া কবীর (৩৩) এবং তার পাঁচ বছরের ছেলে ফাইজান।
আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য
তথ্য অনুযায়ী, ফারিয়া কবীর ঔষধ কোম্পানি ড্রাগ ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র মার্কেটিং অফিসার নুর আলমের স্ত্রী। চাকরির কারণে গত আট বছর ধরে নুর আলম তার পরিবার নিয়ে চুয়াডাঙ্গায় বসবাস করছিলেন। ফারিয়া কবীরের গ্রামের বাড়ি বরিশালে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তারা গত ১৪ অক্টোবর বেড়ানোর উদ্দেশ্যে গিয়েছিলেন। শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে ইনানী এলাকার টুপটুপ রিসোর্টে আগুন লাগলে প্রাণ হারান ফারিয়া কবীর এবং তার শিশু সন্তান ফাইজান।
একই পরিবারের মা ও শিশুসন্তানের এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে স্বজন ও পরিচিতজনদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
চুয়াডাঙ্গার দক্ষিণ হাসপাতাল পাড়ার হারুন অর রশিদের বাড়িতে সপরিবারে দীর্ঘ আট বছর ধরে ভাড়া থাকতেন নুর আলম। তারা চারতলা বিল্ডিংয়ের তিনতলায় বসবাস করতেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ওই ভবনের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, নুর আলমের পরিবার ছিল অত্যন্ত ভালো। ফারিয়া কবীর মাঝে মাঝে অসুস্থ থাকতেন। শিশু ফাইজান মাঠে বন্ধুদের সঙ্গে খেলাধুলা করতো। স্মৃতিগুলো ভুলতে পারছি না।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন