০৭:৩৮ পি.এম
সাতক্ষীরার দেবহাটায় মোবাইল ফোনের সাহায্যে ভিডিও ধারণ করে ও ব্ল্যাকমেইল করে কিশোরী (১৪) কে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে মুদি দোকানির নাম মোস্তাফিজুর রহমান (৩৪) কে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের দায়ের করা মামলার পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার (৪ জুলাই) বিকেলে আসামিকে আদালতে উন্নীত করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার হওয়া মোস্তাফিজুর রহমান (৩৪) দেবহাটা উপজেলার চরশ্রীপুর গ্রামের বাসিন্দা।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
দেবহাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আলিম জানিয়েছেন, ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। ৩ জুলাই শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার সময় সে বাড়ির পাশে চরশ্রীপুর গ্রামে মুস্তাফিজের মুদি ও চায়ের দোকানে খাবার কিনতে গিয়েছিল।
এসময় আশপাশে কেউ না থাকার সুযোগে অভিযুক্ত মোস্তাফিজ কিশোরীকে দোকানের ভেতর ডেকে নিয়ে অনৈতিক প্রস্তাব দেয়। কিশোরী যদি রাজি না হন তবে তাকে ভয়ভীতি দেখানো হয়। এক পর্যায়ে মোস্তাফিজের পাশবিকতায় কিশোরীর চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এসে উদ্ধার করেন।
অভিযুক্তকে দোকানের ভেতর আটকে রেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে দেবহাটা থানা-পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মা জানিয়েছেন, এর পূর্বে মোস্তাফিজ তার মেয়েকে ফুসলিয়ে এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বিভিন্ন সময়ে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে। কিশোরীর কাছে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য মোস্তাফিজ ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে রেখেছিল। এমনকি ধর্ষণের ঘটনার ভিডিও মোবাইলে ধারণ করে দীর্ঘদিন ধরে কিশোরীকে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছিল। মোস্তাফিজের প্রদত্ত ভয়ভীতির কারণে কিশোরী এতদিন বিষয়টি প্রকাশ করতে পারেনি।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ওসি আব্দুল আলিম নিশ্চিত করেছেন যে, এই ঘটনায় ৩ জুলাই দেবহাটা থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগী কিশোরীকে উদ্ধার করে আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দী গ্রহণ করা হয়েছে এবং ডাক্তারি পরীক্ষার (মেডিকেল টেস্ট) জন্য সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে পরবর্তী আইনি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন