ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

পটুয়াখালীতে ভারী বর্ষণে ভেসে গেছে কয়েক কোটি টাকার মাছ


পটুয়াখালীতে ভারী বর্ষণে ভেসে গেছে কয়েক কোটি টাকার মাছ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ ও এর পরবর্তী সময়ে লঘুচাপের দূরবর্তী প্রভাবে প্রবাহিত টানা ৬ দিনের বর্ষণে দক্ষিণ উপকূলীয় জনপদগুলোতে গ্রামের পর গ্রাম তলিয়ে যাচ্ছে। প্রকৃতিতে নেমে আসা এমন দুর্যোগের কারণে বৈরিতার কবলে অতিবৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে নিম্নাঞ্চলে। ফলে সাধারণ জীবনযাত্রায় ধীর গতি নেমে এসেছে। জনজীবন এখন স্থবির হয়ে পড়েছে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়েছে মৎস্য চাষিরা। প্রবল বর্ষণে অসংখ্য মাছের ঘের ও পুকুর তলিয়ে গেছে। তাই মৎস্য বিভাগ বলছে, কলাপাড়া উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতির সংখ্যা এখন পর্যন্ত প্রায় এক কোটি ৭০ লাখ টাকা। সেখানকার সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপণ করা হলে এ সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলায় বৈরী আবহাওয়ার কারণে মুষলধারায় চলমান বৃষ্টিতে বাড়তি পানিপ্রবাহের কারণে অন্তত চার শতাধিক মাছের ঘের ও পুকুর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পানির স্রোতের সঙ্গে অনেক কৃষকের স্বপ্ন ভেসে গেছে। বিশেষ করে মিঠাপানির জলাশয় থেকে অসংখ্য চাষির মাছ বেরিয়ে গেছে। এর মধ্যে অনেক মৎস্য ঘেরের বাঁধ ভেঙে গেছে। আবার কোথাও পুকুর ভেসে মাছ বের হয়ে গেছে।

প্রাকৃতিক এই দুর্যোগের মধ্যে উপজেলার চাকামইয়া, চম্পাপুর, নীলগঞ্জ, ধুলসার, ধানখালী ও মহিপুরের অসংখ্য মৎস্য চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। তাদের বক্তব্য হলো, বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকলে মৎস্য খাতে ব্যাপক ক্ষতির পাশাপাশি গো খাদ্য সংগ্রহেও বিরূপ প্রভাব পড়বে। চম্পাপুর ইউপির চালিতাবুনিয়া গ্রামের মৎস্য চাষি হুমায়ূন কবির বলেছেন, তিন একর জমিতে চাষ করা মাছের ঘের তলিয়ে গেছে, সব মাছ ভেসে গেছে। ঘেরে রুই, কাতলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করেছি, ক্ষতির পরিমাণ অন্তত ৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া আমির হোসেন, মতি গাজী, ছলেমান, জিয়ান তালুকদার, শুভ গাজী, টল এনামুলসহ আরো বহু চাষির মৎস্য ঘেরও তলিয়ে গেছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

চাকামইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মজিবর ফকির বলেন, আমার ইউনিয়নে এখন অনেক এলাকায় অচলাবস্থা বিরাজমান। নিম্নাঞ্চলের ঘরবাড়িসহ ক্ষেত-খামার সব প্লাবিত হয়েছে। অন্তত দুই শতাধিক ঘের ও পুকুর তলিয়ে গেছে, যা অপূরণীয় ক্ষতি করেছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকদিন গোয়ালের গরু ও ছাগল নিয়ে মানুষের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কলাপাড়ার খেপুপাড়া রাডার স্টেশন ও পিবিও পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পর্যবেক্ষক জয়দীপ কবিরাজ কালবেলাকে জানান, গত ৪ জুলাই সকাল ৬টা থেকে ৯ জুলাই সকাল ৬টা পর্যন্ত ৩০৫ মিলি মিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

কলাপাড়া উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপুসাহা কালবেলাকে বলেন, চলমান প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে আমরা এখন পর্যন্ত চার শতাধিক মাছের ঘের ও পুকুরের তলিয়ে যাওয়ার তথ্য পেয়েছি। এতে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা ছাড়িয়ে যাবে। তবে সঠিক পরিসংখ্যান নিরূপণ করে এ সংখ্যা আরও কয়েকগুণ বাড়বে বলে ধারণা করছি। তিনি আরও জানান, ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের আমরা একটি তালিকা তৈরি করছি। পরে এ তালিকা মৎস্য অধিদপ্তরে পাঠানো হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

স্থগিত লাইসেন্সেই দায়িত্ব পালন, প্রশ্নের মুখে ফরিদপুর জেলা রেজিস্ট্রারের সিদ্ধান্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৩ পি.এম


স্থগিত লাইসেন্সেই দায়িত্ব পালন, প্রশ্নের মুখে ফরিদপুর জেলা রেজিস্ট্রারের সিদ্ধান্ত

এক যুগ আগে ফরিদপুরে মো. নুরুজ্জামান নামে এক নিকাহ রেজিস্ট্রারের (কাজী) নিবন্ধন বাতিল করা হয়েছিল বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে। পরবর্তীতে আইনী লড়াইয়ে দীর্ঘকাল দায়িত্ব পালন করার পর আদালতের আদেশমতে গত দুই বছর আগে তার নিবন্ধন পুনরায় স্থগিত করা হয়। কিন্তু এই স্থগিতাদেশকে উপেক্ষা করে জেলা রেজিস্ট্রার ও সাব-রেজিস্টারের বিরুদ্ধে পুনরায় কর্মরত করার অভিযোগ উঠেছে। এতে অতিরিক্ত দায়িত্বরত নিকাহ রেজিস্ট্রারকে সরে যাওয়ার জন্য হুমকি-ধমকি দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে।

উচ্চ আদালত ও জেলা রেজিস্ট্রারের বিভিন্ন নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে জেলার ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ইউনিয়নের দায়িত্বরত নিকাহ রেজিস্ট্রার মো. নুরুজ্জামানের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে তদন্ত করা হয়। সেসময়ে তৎকালীন জেলা রেজিস্ট্রার তার নিবন্ধন বাতিল করেছিলেন। এরপর ওই ইউনিয়নের অতিরিক্ত দায়িত্ব পাশ্ববর্তী চুমুরদি ইউনিয়নের নিকাহ রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ উল্যাহকে দেওয়া হয়। পরে নিবন্ধন বাতিলের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে রিট দায়ের হলে আদালত চার মাসের জন্য পুর্নবহালের আদেশ দেন। এই আদেশ চার মাসের পর ২০২৩ সাল পর্যন্ত বাড়িয়ে দেওয়া হয়। সেই সময়ের পরে ২০২৪ সালের ৭ মার্চ জেলা রেজিস্ট্রারের এক আদেশে অতিরিক্ত দায়িত্ব ফিরে পান মোহাম্মদ উল্যাহ।

পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ২৭ মে আদালতের একটি রায়ে মো. নুরুজ্জামান পুনরায় দায়িত্ব ফিরে পান, কিন্তু ওই রায়ের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর আপিল বিভাগে মামলা করেন মোহাম্মদ উল্যাহ। সেই অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ জানুয়ারি চেম্বার আদালতের আদেশে পুনরায় নিবন্ধন স্থগিত করা হয় এবং মোহাম্মদ উল্যাহকে অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করা হয়। যে বিষয়টি বর্তমানে বিচারাধীন অবস্থায় বিরাজমান, কিন্তু চলতি বছরের ১২ মার্চ জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক আদেশে নুরুজ্জামানকে পুর্নবহাল রাখা হয়।

ওই আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে যে, উচ্চ আদালতে দায়েরকৃত পিটিশনের ২০২৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর রায়ের প্রেক্ষিতে নুরুজ্জামানের নিকাহ রেজিস্ট্রারের লাইসেন্স পুনরায় সক্রিয় করা হয়েছে। একই সাথে অতিরিক্ত দায়িত্বরতকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।

অতিরিক্ত দায়িত্বরত মোহাম্মদ উল্যাহ অভিযোগ করেছেন যে, নুরুজ্জামানের লাইসেন্স আদালতের আদেশে বর্তমান সময়ে স্থগিত রয়েছে, কিন্তু তা উপেক্ষা করে এবং নথি যাচাই না করেই তাকে অবৈধভাবে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। তিনি এই আদেশ বাতিলের দাবি করেছেন।

তিনি আরও জানান যে, তাকে সরকার থেকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি অভিযোগ করেন যে, নুরুজ্জামান তার জীবনকে নষ্ট করে দিয়েছে এবং তার বিরুদ্ধে মানবপাচারের মামলা সহ বিভিন্ন মিথ্যা অভিযোগ আনা হয়েছে। তিনি বলেন, "আমারতো কোনো দোষ ছিল না- কিন্তু আমাকে দিনের পর দিন হয়রানি করা হয়েছে।" তিনি জানান যে, বর্তমানে তাকে প্রাণনাশেরও হুমকি-ধমকি দেয়া হচ্ছে।

ফরিদপুরের সচেতন নাগরিক কমিটির সনাকের সাবেক সভাপতি এডভোকেট শিপ্রা গোস্বামী মন্তব্য করেছেন যে, আদালতের যেকোনো নিষেধাজ্ঞা বা আদেশ মেনে চলা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। তিনি বলেন, "এটি কেউ না করলে তিনি অবশ্যই আদালত অমান্য করার অপরাধে অভিযুক্ত হবেন। আমাদের আইনের শাসন বাস্তবায়ন করতে হলে অবশ্যই আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান দেখাতে হবে।"

এ প্রসঙ্গে ফরিদপুর জেলা রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ শফিকুল ইসলামের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার সঙ্গে কোনও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৬৮ রোগী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৪ পি.এম


ডেঙ্গুতে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি ৬৮ রোগী

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন করে রোগীদের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে, যা ৬৮ জন। তবে, এই সময়ে দেশে ডেঙ্গুর কারণে কারো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি।

শুক্রবার (১০ জুলাই) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার এবং কন্ট্রোলরুম থেকে পাঠানো ডেঙ্গুবিষয়ক একটি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ডেঙ্গু রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৩৪ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন, এ সংখ্যা সর্বাধিক। একই সঙ্গে, চট্টগ্রাম বিভাগে ২১ জন, খুলনা বিভাগে ১০ জন, বরিশাল বিভাগে দুজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন নতুন রোগী হাসপাতাল ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১০ জুলাই পর্যন্ত দেশে মোট ৭ হাজার ৮১৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৭ হাজার ১৪২ জন। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মোট ৬৪৯ জন ডেঙ্গুরোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন।

চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের মোট ২৪ জন রোগীর মৃত্যু ঘটেছে।

গত বছর ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন এবং মৃত্যু হয়েছে ৪১৩ জনের। তার আগের বছর ২০২৪ সালে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ১ হাজার ২১৪ এবং মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের। এছাড়া, ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং রেকর্ড ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়েছিল।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিচারপতির রায় জালিয়াতি করে নেন ১৮ লাখ টাকা, হাইকোর্টের স্টাফ আল আমিন আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৬ পি.এম


বিচারপতির রায় জালিয়াতি করে নেন ১৮ লাখ টাকা, হাইকোর্টের স্টাফ আল আমিন আটক

ভুয়া রায় (সার্টিফায়েড কপি) তৈরি করে দুই গ্রামবাসীর কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এক কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মচারীর নাম আল আমিন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের সিভিল শাখার কর্মচারী বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের জানান, দুই ভুক্তভোগী গ্রাম থেকে এসে তাদের কাছে অভিযোগ করেন যে, আল আমিন বিচারপতির নামে জাল সার্টিফায়েড কপি রেখে তাদের কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা নিয়েছেন। ওই কপিতে দেখানো হয় যে, তারা হাইকোর্টে মামলায় জয়ী হয়েছেন। সেই জাল রায়ের ভিত্তিতে তারা নিম্ন আদালতেও মামলা করেন।

তিনি আরও বলেন, পরে আদালতের নথি যাচাই করার পর দেখা যায়, মামলাটির কোনো রায়ই হয়নি। বরং মামলাটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে এবং আগামী ১৫ই জুলাই শুনানির জন্য নির্ধারিত আছে। অথচ জাল রায়ে ২০২৫ সালের ২ মার্চ ‘রুল অ্যাবসলিউট’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, বিষয়টি জানার পর অভিযুক্ত আল আমিনকে মুখোমুখি করে প্রশ্ন করলে তিনি টাকা নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং টাকা ফেরত দেয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিনি জানান, টাকা ফেরত দিলেও অপরাধের দায় শেষ হয়ে যায় না। কারণ বিচারপতির নামে জাল রায় তৈরি ও সরবরাহ করা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ।

তিনি আরও জানান, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে অবহিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিচারপতিকেও জানানো হয়েছে, যার নামে ভুয়া সার্টিফায়েড কপি তৈরি করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট পুলিশের সহায়তায় অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে পাঠানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কুমিল্লায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

শুক্রবার, ১০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৫:৪৯ পি.এম


কুমিল্লায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে প্রাণ গেল ব্যবসায়ীর

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার গুণবতী ইউনিয়নের চাঁপাছৌ গ্রামে, নিজ বাড়িতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আবদুল মোতালেব (৪৪) নামে এক ব্যবসায়ীর মৃত্যু ঘটেছে।

এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) রাতে। তিনি ওই গ্রামের আবদুল হকের ছেলে এবং দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ডিলার হিসেবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন।

স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, পাশের একটি পরিবারের অনুষ্ঠানের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় আবদুল মোতালেবের বাড়ির উঠানে আয়োজন করা হয়। এই অনুষ্ঠানের প্রস্তুতিকালে, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি অসাবধানতাবশত বিদ্যুতায়িত তারের সংস্পর্শে এসে গুরুতর আহত হন।

পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ফেনী সদর হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আবদুল মোতালেবের আকস্মিক মৃত্যুতে পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তিনি মৃত্যুকালে স্ত্রী, তিন সন্তান, আত্মীয়-স্বজন এবং অসংখ্য শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে গুণবতী মাদরাসা মোড়ে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। পরে তার পরিবারের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। জানাজায় গুণবতী ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ইউসুফ মেম্বার, মরহুমের মামা চট্টগ্রামের ঠিকাদার নুরুল আমিন, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%