প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভুয়া রায় (সার্টিফায়েড কপি) তৈরি করে দুই গ্রামবাসীর কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এক কর্মচারীকে আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত কর্মচারীর নাম আল আমিন। তিনি সুপ্রিম কোর্টের সিভিল শাখার কর্মচারী বলেও জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ে রুহুল কুদ্দুস কাজল সাংবাদিকদের জানান, দুই ভুক্তভোগী গ্রাম থেকে এসে তাদের কাছে অভিযোগ করেন যে, আল আমিন বিচারপতির নামে জাল সার্টিফায়েড কপি রেখে তাদের কাছ থেকে ১৮ লাখ টাকা নিয়েছেন। ওই কপিতে দেখানো হয় যে, তারা হাইকোর্টে মামলায় জয়ী হয়েছেন। সেই জাল রায়ের ভিত্তিতে তারা নিম্ন আদালতেও মামলা করেন।
তিনি আরও বলেন, পরে আদালতের নথি যাচাই করার পর দেখা যায়, মামলাটির কোনো রায়ই হয়নি। বরং মামলাটি এখনও বিচারাধীন রয়েছে এবং আগামী ১৫ই জুলাই শুনানির জন্য নির্ধারিত আছে। অথচ জাল রায়ে ২০২৫ সালের ২ মার্চ ‘রুল অ্যাবসলিউট’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।
এদিকে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল জানান, বিষয়টি জানার পর অভিযুক্ত আল আমিনকে মুখোমুখি করে প্রশ্ন করলে তিনি টাকা নেয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং টাকা ফেরত দেয়ার আশ্বাস দেন। তবে তিনি জানান, টাকা ফেরত দিলেও অপরাধের দায় শেষ হয়ে যায় না। কারণ বিচারপতির নামে জাল রায় তৈরি ও সরবরাহ করা গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে অবহিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিচারপতিকেও জানানো হয়েছে, যার নামে ভুয়া সার্টিফায়েড কপি তৈরি করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট পুলিশের সহায়তায় অভিযুক্ত ও ভুক্তভোগীদের প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে পাঠানো হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন