ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে হবে মোজাফফরকে, নির্দেশ বৃহস্পতিবারের


ট্রাইব্যুনালে হাজির হতে হবে মোজাফফরকে, নির্দেশ বৃহস্পতিবারের

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলার আসামি মেজর (অব.) মোজাফফর হোসেনকে বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) ট্রাইব্যুনালে হাজির হওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই নির্দেশ দেন। প্যানেলের অন্যান্য সদস্যরা হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি পরিচালনা করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি আদালতে গ্রেপ্তার মোজাফফরকে হাজির করার আবেদন জানান।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

শুনানির সময় চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে মিলিটারি পুলিশের অধীনে আছেন মোজাফফর হোসেন। মানবতাবিরোধী অপরাধে তার সম্পৃক্ততার কারণে আমরা তার বিরুদ্ধে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করার আবেদন জানাই। শুনানি শেষে আদালত তাকে বৃহস্পতিবার হাজির করার জন্য নির্দেশ দেন।

এ সময় প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম, ফারুক আহাম্মদ, সহিদুল ইসলাম সরদার, শাইখ মাহদী, মঈনুল করিমসহ অন্যান্য প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানান, মোজাফফরের বিচার সেনা আইনে জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে। তিনি সোমবার (২০ জুলাই) রাজধানীর পিলখানায় শহীদ ক্যাপ্টেন আশরাফ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মেজর (অব.) মোজাফফরের সহযোগীদের বিচারও সামরিক আদালতে হয়েছে। মোজাফফর দীর্ঘদিন ধরে ভিন্ন পরিচয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দেশে পলাতক ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করে সেনা আইনে বিচার করার জন্য সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তার বিচার জেনারেল কোর্ট মার্শালের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হবে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

উল্লেখ্য, ৪৫ বছর ধরে পলাতক ছিলেন মেজর (অব.) মোজাফফর। ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরের দিন ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে তাকে হস্তান্তর করা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নদীতে ভেসে উঠল অজ্ঞাত যুবকের লাশ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:২৭ পি.এম


নদীতে ভেসে উঠল অজ্ঞাত যুবকের লাশ

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে জিঞ্জিরাম নদীর পানি থেকে ভেসে আসা অজ্ঞাত এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর বেলায় উপজেলার সানন্দবাড়ি এলাকার মুকিরচর থেকে ওই মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার সকালে উজান থেকে জিঞ্জিরাম নদীতে একটি মরদেহ ভেসে আসে। মরদেহটি ভাসতে ভাসতে মুকিরচর হাফেজের মোড় এলাকায় পৌঁছানোর পর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। এরপর দুপুরের পর সানন্দবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ এবং বাহাদুরাবাদ ঘাট নৌ থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।

দেওয়ানগঞ্জের সানন্দবাড়ি পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ তোফাজ্জল হোসেন জানিয়েছেন, জিঞ্জিরাম নদী থেকে যুবকের মরদেহটি উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় বাহাদুরাবাদ নৌ থানা পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

করতোয়া নদীর ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত হস্তক্ষেপ চান বাসিন্দারা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫১ পি.এম


করতোয়া নদীর ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত হস্তক্ষেপ চান বাসিন্দারা

 করতোয়া নদীর ভাঙন ঠেকাতে জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার ভাঙন কবলিত এলাকার বাসিন্দারা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ চান।

করতোয়া নদী দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। নদীর ভাঙনে উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রাম নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে চলছে। এলাকাবাসীর আশঙ্কা, দ্রুত নদী ভাঙন রোধের ব্যবস্থা না করা হলে, কয়েক শত পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়বে।

সরেজমিনে ঘোড়াঘাট উপজেলার ভাঙন কবলিত এলাকায় গেলে দেখা যায়, একসময় যে ঘর ছিল নতুন জীবনের স্বপ্ন, সেই ঘর এখন আতঙ্কের ঠিকানায় পরিণত হয়েছে। মাথা গোঁজার নিরাপদ আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘরগুলো এখন করতোয়া নদীর ভাঙনের মুখে রয়েছে। চোখের সামনে জনবসতি, ঘর-বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। প্রতিদিন ভাঙনের কারণে নদী এগিয়ে আসছে। জেলার ঘোড়াঘাট উপজেলার করতোয়া নদী তীরবর্তী গ্রামের বাসিন্দাদের অনিশ্চিত দিন কাটছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলার বুলাকিপুর ইউনিয়নের কুলানন্দনপুর, শ্রীকৃষ্ণপুর, সোনারপাড়া, নাপিতপাড়া; শিংড়া ইউনিয়নের ভেলামারি, সাতপাড়া, গনিন্দপুর, গুয়াগাছি, ঋষিঘাট, রামনগর, কুমরিয়া এবং ঘোড়াঘাট পৌরসভার শ্যামপুর, লালমাটি, শহরগাছি, কাদিমনগর, বানিয়াপাড়া, পূর্বপাড়া, বড়গলি ও সাহেবগঞ্জে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। করতোয়া নদীর পাড়ে বসবাসরত বাসিন্দাদের একটাই আশঙ্কা, যে কোনো সময় নদীতে বিলীন হতে পারে তাদের শেষ আশ্রয়টুকু।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, টানা কয়েকদিনের ভারী বর্ষণে করতোয়া নদীর পানি বেড়ে যাওয়ার পর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নদীর তীর ধসে পানি আশ্রয়স্থলের কাছাকাছি চলে এসেছে। ইতোমধ্যে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের কয়েকটি ঘর ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা করছেন যে কোনো সময় বড় ধরনের ভাঙনে এসব ঘরবাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দা মো. সদের আলী (৬০) বলেন, ‘আমরা খুব কষ্টে আছি। আমরা গরিব মানুষ। আমাদের কোনো জায়গা বা জমি নেই। এখানে আরও ঘরবাড়ি ছিল, সেগুলো ভেঙে নদী গর্ভে চলে গেছে। গত ১৫ থেকে ২০ দিন ধরে নদী ভাঙন খুব বেড়ে গেছে। আমাদের জায়গা কিনতে সামর্থ্য নেই। আমি ভয়ে থাকি ছোট বাচ্চারা কখন নদীতে পড়ে যায়। রান্না করে খাবার খেতেও পারছি না। খুব কষ্টে আছি।’

প্রকল্পের আরেক বাসিন্দা শ্যামলী রানী বলেন, ‘নদী ভাঙনের কারণে আমরা ঘরবাড়ি খুলে সরাতে পারিনি। আমি অসহায় বিধবা। এখন আমার ৬৮ বছর বয়স। আমার কোনো টাকা-পয়সা নেই। নতুন করে ঘরবাড়ি করতে পারছি না, জায়গাও কিনতে পারছি না। রাত হলেই ভয় লাগে। কখন যেন ঘরবাড়ি নদীতে চলে যায়।’

নদী তীরের বাসিন্দা গৃহবধূ আয়শা খাতুন বলেন, ‘বৃষ্টি শুরু হলেই বুক ধড়ফড় করে। অনেক কষ্টের পর সরকার আমাদের থাকার জন্য এই ঘর দিয়েছে। এখন এই ঘরও হারানোর ভয় হচ্ছে। রাতে ঘুমাতে পারি না। কখন নদী সব নিয়ে যায়, সেই আতঙ্কে থাকি। রাজ্যের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার জন্য সরকারের কাছে আকুল আবেদনের প্রার্থনা করছি।’

সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর পাড়ের বড় বড় অংশ ধসে পড়ছে। কোথাও কোথাও মাটিতে ফাটল দেখা দিয়েছে। শিশুদের চলাচলও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আতঙ্কে অনেকে রাতে জেগে থাকছেন। ভাঙন অব্যাহত থাকলে আশ্রয়ণ প্রকল্পের পাশাপাশি আশপাশের শতাধিক পরিবারও গৃহহীন হয়ে পড়তে পারে। স্থানীয়দের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে করতোয়া নদীর তীর সংরক্ষণের জন্য জিও ব্যাগ ফেলা, স্থায়ী নদী শাসন প্রকল্প গ্রহণ এবং ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ রুবানা তানজিন বলেন, ‘নদীর তীর ভাঙছে। অনেক দিন ধরেই ভাঙন চলছে। আমরা সরেজমিন পরিস্থিতি পরীক্ষা করেছি। নদী ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত কাজ শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। বালুর বস্তা ফেলে ব্লকের মতো করে নদী ভাঙন রোধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার চেষ্টা করছি।

করতোয়ার ভাঙন ঠেকাতে দ্রুত উদ্যোগ চান আশ্রয়ণ প্রকল্পের বাসিন্দারা। তাদের আশঙ্কা, সময়মতো ব্যবস্থা না নেওয়া হলে নদীর স্রোতে আবারও হারিয়ে যাবে শতাধিক বাড়িঘর। বহু পরিবার ঠিকানাহীন হয়ে পড়বে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ১৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৫ পি.এম


নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ১৩

মেহেরপুরে একটি যাত্রীবাহী বাস উল্টে গিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ অন্তত ১৩ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫ জনকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে, বাকিরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে গেছেন।

মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরের দিকে শহরের ওয়াপদার মোড় এলাকায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একটি যাত্রীবাহী বাস মেহেরপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে কুষ্টিয়ার উদ্দেশ্যে চলছিল। বাসটি শহরের ওয়াপদার মোড় এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ একটি ট্রাক ইউটার্ন নিয়ে সামনে চলে আসে। এই সময় বাসটি একটি ইজিবাইককে জায়গা দিতে গিয়ে পাশের কেটি ডোবার মধ্যে পড়ে যায়। এই ঘটনায় অন্তত ১৩ জন যাত্রী আহত হন।

আহতদের মধ্যে মুজিবনগর উপজেলার তারানগর গ্রামের ববিতা খাতুন (৪৫), প্রিয়া খাতুন (১৮), সদর উপজেলার আশরাফপুর গ্রামের মিলন (১৮), চাঁদবিল গ্রামের রেনুয়ারা খাতুন (৫৪), জামাল উদ্দীন (৬৫) ও দক্ষিণ শালীকা গ্রামের ওসমান (২৮) গুরুতর আহত অবস্থায় মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

মেহেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবীর জানান, বাসটি উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। তবে এখনই বলা সম্ভব নয় যে বাসের নিচে কেউ পড়ে আছে কিনা। বাসটি ডোবা থেকে উদ্ধার করার পর বাকিটা জানা যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

অবৈধভাবে প্রবেশের ঘটনায় মিয়ানমারের ৩ নিরাপত্তা সদস্যকে আটক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

মঙ্গলবার, ২১শে জুলাই, ২০২৬ ইং

০২:৫৭ পি.এম


অবৈধভাবে প্রবেশের ঘটনায় মিয়ানমারের ৩ নিরাপত্তা সদস্যকে আটক

বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর তিন সদস্যকে আটক করা হয়েছে। তারা রাখাইন রাজ্য থেকে নাফ নদী সাঁতরে প্রবেশ করার চেষ্টা করছিলেন। আটককৃতদের মধ্যে একজন বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্য এবং অপর দুইজন জান্তা সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য বলে জানায় পুলিশ।

মঙ্গলবার, ২১ জুলাই, বেলা ১১ টায়, আটক তিনজনকে আদালতের কাছে পাঠানো হয়েছে জানিয়ে টেকনাফ থানার পরিদর্শক (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম জানান।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন: মংডু শহরের পুলিশ স্টেশনের সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হেইন ডে হেট, পুলিশ সদস্য হেইন জাও এবং বুচিডংয়ের ৩ নম্বর বিজিপি ইউনিটের সদস্য কিয়াও নাইং। এই তিনজনের মধ্যে একজন বিজিপি সদস্য এবং বাকি দুইজন মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য।

এ বিষয়ে টেকনাফ থানার পরিদর্শক (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, 'নাফ নদী সাঁতরে সোমবার দুপুরের দিকে টেকনাফ পৌরসভার নাইট্যংপাড়া এলাকার বরফকলসংলগ্ন স্থানে পৌঁছান ওই তিন ব্যক্তি। এ সময় বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করেন। রাতে যাচাই-বাছাই করে তাদের টেকনাফ থানায় সোপর্দ করে বিজিবি।'

মো. সাইফুল ইসলাম আরও বলেন, 'মিয়ানমারের তিন নাগরিকের বিরুদ্ধে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে মামলা করা হচ্ছে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে তাদের কক্সবাজার আদালতে পাঠানো হয়েছে।'

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%