ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং
ট্রফি হাতে ইয়ামালকে গার্সিয়ার শুভেচ্ছা

আমার ভালোবাসা, তুমি পেরেছ, তুমি এখন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন


আমার ভালোবাসা, তুমি পেরেছ,  তুমি এখন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন

স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের মুহূর্তগুলোর একটি ছিল লামিন ইয়ামাল এবং তার প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া সান্তোসের উদযাপন। শিরোপার জয়ের পর, ইনস্টাগ্রামে ইয়ামালকে উদ্দেশ্য করে ইনেস একটি ভালোবাসায় ভরা বার্তা দিয়েছেন।

মেটলাইফ স্টেডিয়ামে ট্রফি হাতে ইয়ামালের সঙ্গে একটি ছবির মাধ্যমে ইনেস লিখেছেন, ‘তুমি পেরেছ। অভিনন্দন, আমার ভালোবাসা। তুমি এখন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।’

ছবিতে দেখা যাচ্ছে, পুরস্কার বিতরণী মঞ্চের সিঁড়িতে পাশাপাশি বসে আছেন ইয়ামাল এবং ইনেস। ইনেসের হাতে বিশ্বকাপ ট্রফি রয়েছে, আর কালো সানগ্লাস পরিহিত ইয়ামাল হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে ক্যামেরার সামনে পোজ দিচ্ছেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

স্পেনের বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দের মধ্যে ইনেসের এই সংক্ষিপ্ত বার্তাটি সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেক সমর্থক এটিকে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ইয়ামালের প্রতি সবচেয়ে আবেগঘন শুভেচ্ছাগুলোর একটি হিসেবে উল্লেখ করছেন।

রোববার বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ১-০ গোলে পরাজিত করে, দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয় স্পেন। শিরোপা নিশ্চিত হওয়ার পর, মাঠে পরিবারের সদস্য, বন্ধু এবং প্রিয়জনদের সঙ্গে উদযাপনে মেতে ওঠেন স্প্যানিশ ফুটবলাররা।

ইয়ামালের পাশাপাশি, স্পেনের ফরোয়ার্ড দানি ওলমোর প্রেমিকা লরা আবলাও সোশ্যাল মিডিয়াতে ট্রফি হাতে ছবি প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে, ডিফেন্ডার মার্ক কুকুরেয়া তার সঙ্গী ক্লাউদিয়া রদ্রিগেজ এবং তিন সন্তানকে নিয়ে শিরোপা উদযাপনে মেতে ওঠেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

রাজশাহীর শিমলা পার্ককে বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪০ পি.এম


রাজশাহীর শিমলা পার্ককে বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা হিসেবে ঘোষণা

রাজশাহী, ২০ জুলাই, ২০২৬ : রাজশাহী শহর সবুজে ঘেরা হলেও শিমলা পার্কের সবুজ প্রকৃতি যেন অন্যরকম। এই পার্কটি ঘন বৃক্ষরাজি ও প্রাকৃতিক পরিবেশে সমৃদ্ধ, যা শুধুমাত্র মনোরমই নয়, বরং এটি নানা প্রজাতির পাখি ও বন্যপ্রাণীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবাসস্থল।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বার্ড ক্লাবের তথ্য অনুযায়ী, বছরজুড়ে এ এলাকায় ২০০টিরও বেশি প্রজাতির পাখির বিচরণ ঘটে। বিশেষ করে বর্ষা ও শীত মৌসুমে এখানে দেশীয় ও পরিযায়ী বিভিন্ন প্রজাতির পাখি দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে চখাচখি, কবুতর, ঘুঘু, কুবো, আবাবিল, লালঠেঙ্গি, পানকৌড়ি, গাঙচিল, বক, কাঠঠোকরা, ফিঙে, টিয়া, মাছরাঙা, শালিক, দোয়েল, মৌটুসি, চড়ুই, খঞ্জনা, বুলবুলি, হলুদ পাখি, ডাহুক, কোকিলসহ অসংখ্য পরিচিত ও অচেনা পাখি।

এ ছাড়া এলাকাটিতে মোট ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে। এর মধ্যে খরগোশ, কাঠবিড়ালি, ইঁদুর, গন্ধগোকুল, বড় গন্ধগোকুল, মেছোবাঘ, বেজি, শিয়াল এবং বিভিন্ন প্রজাতির বাদুড় বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। পাশাপাশি রয়েছে ২৪ প্রজাতির সরীসৃপ, যেমন কচ্ছপ, গিরগিটি, টিকটিকি ও বিভিন্ন ধরনের সাপ এবং ১৩ প্রজাতির উভচর প্রাণীও।

এএই সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্যের গুরুত্বকে বিবেচনায় নিয়ে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের বন্যপ্রাণী উপদেষ্টা পরিষদের ৪১তম সভায় রাজশাহী জেলার পদ্মার চরে অবস্থিত শিমলা পার্ককে বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা হিসেবে ঘোষণার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

একই সভায় বগুড়ার শেরপুর উপজেলার বারবিলা বিল এবং রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার বাবুডাইং পর্যটন ও পিকনিক স্পটকেও বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা ঘোষণার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকার আওতায় শিমলা পার্কের বিজিবি ক্যাম্প-সংলগ্ন অংশ থেকে জেলা প্রশাসকের বাংলো-সংলগ্ন শহর রক্ষা বাঁধ পর্যন্ত প্রায় ১৭ একর এলাকা অন্তর্ভুক্ত হবে।

জীববৈচিত্র্য শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্যই বৃদ্ধি করে না, বরং পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দ্রুত সম্প্রসারণশীল রাজশাহী শহরের মধ্যে এই ধরনের একটি প্রাকৃতিক আবাসস্থল সংরক্ষণ করা গেলে তা পরিবেশগত ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করবে। পাশাপাশি এটি গবেষণা, শিক্ষা ও প্রকৃতিভিত্তিক পর্যটনের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করবে।

ফলে শিমলা পার্ককে বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা ঘোষণা করা রাজশাহীবাসীর জন্য পরিবেশ সংরক্ষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তবে এই সুযোগের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে।

সংরক্ষিত এলাকার পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে দর্শনার্থীদের জন্য কিছু করণীয় নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে- নীরবতা বজায় রাখা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে সহযোগিতা করা, বন্যপ্রাণীর চলাচলের পথে বাধা না দেওয়া, পড়াশেষে থাকা গাছ বা ডাল সংগ্রহ না করা, মে থেকে জুলাই পর্যন্ত বন্যপ্রাণীর প্রজনন মৌসুমে প্রবেশ-নিষেধাজ্ঞা মানা, পাখির বাসা নষ্ট না করা, প্রকৃতির ক্ষতি না করে উভোগ করা, নির্ধারিত স্থানে ময়লা ফেলা, বন্যপ্রাণীর কাছে না যাওয়া এবং প্রাণী শিকার, আবাসস্থল ধ্বংস বা হয়রানির ঘটনা দেখলে প্রশাসন বা বন বিভাগকে জানানো।

অন্যদিকে, সংরক্ষিত এলাকায় মাইক বা উচ্চস্বরে গান বাজানো, দলবদ্ধ হৈচৈ বা আলোকসজ্জা করা, পলিথিন ও প্লাস্টিকসহ অপচনশীল বর্জ্য ফেলা, পিকনিক, রান্না বা আগুন জ্বালানো, পাখি ও বন্যপ্রাণী বিরক্ত বা শিকার করা, গাছ কাটা বা ডালপালা ভাঙা, স্থায়ী বা অস্থায়ী দোকান স্থাপন, গবাদিপশুর অবাধ প্রবেশ ও চারণ, অপ্রয়োজনীয় শব্দ বা আলোর ব্যবহার করা, এবং লতাগুল্ম, ঝোপঝাড় ও ভেষজ উদ্ভিদ সংগ্রহ বা ধ্বংস করা নিষিদ্ধ থাকবে।

বিশেষ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এলাকা গুলোর বিরল উদ্ভিদ, প্রাণী ও প্রতিবেশ ব্যবস্থা সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গত ৮ জুলাই বিভাগীয় কমিশনার ড. এ. এন. এম. বজলুর রশীদ এর সভাপতিত্বে জুম প্ল্যাটফর্মে অনুষ্ঠিত বিশেষ জীববৈচিত্র্য এলাকা সংরক্ষণ ও উন্নয়ন বিষয়ে এক সভায় রাজশাহীর জনগণকে এই সংরক্ষিত এলাকা রক্ষায় দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ধর্মমন্ত্রীর অনুরোধ, হজযাত্রীদের ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ বহাল রাখার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪২ পি.এম


ধর্মমন্ত্রীর অনুরোধ, হজযাত্রীদের ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ বহাল রাখার

 ২০২৭ সালের হজের জন্য বাংলাদেশের জন্য ব্যাকআপ আবাসন ১ শতাংশ বহাল রাখতে সৌদি সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ)।

আজ দুপুরে রাজধানীর গুলশানে সৌদি দূতাবাসে বাংলাদেশে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ বিন আবিয়াহ’র সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ অনুরোধ জানান।

সৌদি হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় ২০২৭ সালের হজে ব্যাকআপ আবাসন ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। এতে হজের খরচ বাড়বে। এ কারণে বাংলাদেশের জন্য ব্যাকআপ আবাসন ২০২৬ সালের হজের ন্যায় ১ শতাংশ বহাল রাখার অনুরোধ করেন ধর্মমন্ত্রী।

সৌদি রাষ্ট্রদূত জানান, এ বিষয়ক ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি আধা-সরকারি পত্র তিনি গতকাল হাতে পেয়েছেন এবং তা সুপারিশসহ সৌদি সরকারকে পাঠিয়েছেন। তিনি এ বছর বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন। এছাড়া, দ্বিপক্ষীয় যেকোনো বিষয়ে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের তাৎক্ষণিক পদক্ষেপের জন্য সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন সৌদি রাষ্ট্রদূত।

উল্লেখ্য, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এ আধা-সরকারি পত্রে ক্যাটারিং ঐচ্ছিক রাখা এবং মিনা-আরাফায় সার্ভিস প্যাকেজ 'ডি' এর মূল্যমানের অনুরূপ সার্ভিস প্যাকেজ-৩ এর সেবামূল্য নির্ধারণের কথা উল্লেখ রয়েছে।

মন্ত্রী এ বছর বাংলাদেশের হজ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূতের অসামান্য ভূমিকার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানান।

একইসঙ্গে সার্বিক হজ ব্যবস্থাপনা সুন্দর, সুশৃঙ্খল ও মসৃণ করার জন্য সৌদি সরকারকেও ধন্যবাদ জানান তিনি।

এ বৈঠকে দু’দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সম্পর্ক আরো মজবুত ও সুসংহত করাসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়।

এর আগে ধর্মমন্ত্রী সৌদি দূতাবাসে পৌঁছালে রাষ্ট্রদূত তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। এ বৈঠকে দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

চায়ের অবৈধ বাণিজ্য ঠেকাতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: চা বোর্ড চেয়ারম্যান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৩ পি.এম


চায়ের অবৈধ বাণিজ্য ঠেকাতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন: চা বোর্ড চেয়ারম্যান

চা চোরাচালান রোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে, এই আহ্বান জানালেন চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মো. মেসবাহ উদ্দিন আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, দেশের অন্যান্য চাষিদের মতো চা চাষিরাও ভর্তুকির সার বরাদ্দ পাবেন।

সোমবার বিকেলে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে চা শিল্পে সংশ্লিষ্ট স্টকহোল্ডারদের সঙ্গে তিনি মতবিনিময় সভায় আলোচনা করেন। এ সভাটির আয়োজন করেছে পঞ্চগড় আঞ্চলিক চা বোর্ডের কার্যালয় ও জেলা প্রশাসন।

সভায় চা বোর্ডের চেয়ারম্যান আরও বলেন, চায়ের গুণগত মান নিয়ে যে সমস্যা ছিল, তা এখন কেটে গেছে। বর্তমানে মানসম্মত চাপাতা তৈরি হচ্ছে এবং এখানকার চায়ের দামও বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে চায়ের চোরাচালান রোধে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। নতুন করে চা আইন প্রয়োজনে তৈরি করা হবে, যা চা আইন ২০২৬ অথবা ২০২৭ হবে।

মতবিনিময় সভায় পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক শুকরিয়া পারভীনের সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সুপার আবু সাইম, চা বোর্ডের যুগ্মসচিব ইয়াছমিন পারভীন, যুগ্মসচিব মোহাম্মদ মোয়াজ্জম হোসাইন, সচিব (উপসচিব) মো. মমিনুর রশিদ, বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিচালক ড. মো. ইসমাইল হোসেন, প্রকল্প উন্নয়ন ইউনিটের পরিচালক ড. এ. কে. এম. রফিকুল হক, উপসচিব মোছাম্মৎ সাবিনা ইয়াছমিন (সিনিয়র সহকারী সচিব), অর্থনীতিবিদ জি. এম আহসান হাবিব, গবেষণা কর্মকর্তা মো. নাজমুল আলম এবং বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সেলিনা আক্তার লিপা।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমির হোসেন।

এ সময় এনবিআর কর্মকর্তা, ব্রোকার্স ও ওয়্যারহাউজের মালিকেরা, বটলিফ টি ফ্যাক্টরি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা, স্মল টি গার্ডেন ওনার্স অ্যান্ড টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের নেতারা, কুরিয়ার সার্ভিসের নেতারা, ক্ষুদ্র চা চাষিরা এবং বাংলাদেশ চা বোর্ডের পঞ্চগড় কার্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ২০ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:৪৪ পি.এম


তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা আরও কার্যকর করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্দেশ দিয়েছেন, প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত এবং সহজপ্রাপ্য করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একইসঙ্গে তিনি চিকিৎসকদের প্রতি নির্দেশনা দিয়েছেন যেন তারা রোগীদের চিকিৎসা সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও আন্তরিক হন।

সোমবার (২০ জুলাই৬) বিকেলে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে সংশ্লিষ্টদের সাথে বৈঠক করে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। এই প্রথম তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় অডিটরিয়ামে নিজে গিয়ে বৈঠক করলেন।

এদিন বৈঠকে আরো বেশ কয়েকটি নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী। বৈঠকের শুরুতে তিনি বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত স্বাস্থ্যখাতে গত ৫ মাসের অর্জন সম্পর্কে মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, সচিবসহ উপস্থিত সংশ্লিষ্টদের কাছে জানতে চান। তারা সেই অর্জনগুলো উপস্থাপন করেন। তাদের তথ্যমতে, বিগত সরকারগুলো স্বাস্থ্যখাতকে একেবারে খাদের কিনারে নিয়ে গেছে। প্রান্তিক মানুষের যথাযথ স্বাস্থ্যসেবা প্রাপ্তি আজ কঠিন হয়ে পড়েছে। সেই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য তারা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে শোনা যাচ্ছে, উপজেলা পর্যায়ে চিকিৎসক থাকলেও রোগীরা সন্তোষজনক চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন না। চিকিৎসকদের দায়িত্বে অবহেলার বিষয়টি উঠে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, যেভাবেই হোক গ্রামের মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা সহজ করতে হবে। চিকিৎসা সেবায় তাদের জন্য সন্তোষজনক পরিস্থিতি ও পর্যাপ্ত ওষুধ নিশ্চিত করতে হবে। সরকারি হাসপাতালে গিয়ে যেন কোনো ভোগান্তি ছাড়াই সবাই চিকিৎসা পায়। তাদের যেন চিকিৎসার জন্য অন্য কোথাও যেতে না হয়। সরকারি হাসপাতালই যেন তাদের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়।

কিডনি রোগীদের জন্য জেলা পর্যায়ে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, যেখানে বর্তমানে ১০ শয্যার ডায়ালাইসিস সেন্টার রয়েছে, সেগুলো ৫০ শয্যায় সম্প্রসারণ করা হবে এবং আগামী তিন বছরের মধ্যে সারাদেশের উপজেলা পর্যায়ে ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন করা হবে। এই ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষ জনবল গড়ে তোলা ও লজিস্টিক সাপোর্ট নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ৫১ থেকে ১০১ শয্যার উন্নতিকরণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও অবকাঠামো স্থাপনের বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এর মধ্যে গণপূর্তের প্রকোশলীরা অবকাঠামোর নকশা এবং অন্যান্য বিষয় উপস্থাপন করেছেন।

বৈঠকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রীসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালের পরিচালকসহ শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%