বৃহস্পতিবার, ১৬ই জুলাই, ২০২৬ ইং
০৭:৫৩ পি.এম
রাঙামাটি সীমান্তে বন্যার্তদের জন্য বিনামূল্য চিকিৎসা সেবা ও ওষুধ বিতরণ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে, বিজিবির ছোট হরিণা জোনের উদ্যোগে ভূষণছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চিকিৎসা ক্যাম্পটি পরিচালনা করা হয়।
বিজিবি জানায়, সম্প্রতি টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে বন্যায় জেলা বরকল উপজেলার বেশ কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা পানিবন্দি হয়ে পড়েন। তাদের পানিবাহিত রোগ থেকে মুক্ত করার লক্ষ্যে, বিজিবি ছোট হরিণা জোনের ১২ ব্যাটালিয়ন বরকলের ভূষণছড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত জনগণের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার ক্যাম্প আয়োজন করে। ক্যাম্পের মাধ্যমে মোট ১৫৪ জন অসুস্থ পাহাড়ি এবং বাঙালী রোগীকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয় এবং ২০ হাজার ৫০০ টাকার বেশি প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়।
ক্যাম্পের বিষয়ে মেডিকেল কর্মকর্তা মেজর মো. আসিফুর রহমান উল্লেখ করেন, বিজিবি দেশের সীমান্ত রক্ষা ছাড়াও মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি বলেন, চিকিৎসা গ্রহণ করা মানুষের মধ্যে বেশিরভাগ পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত ছিল। যথাসময়ে তাদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।
বিজিবি ছোট হরিণা ১২ ব্যাটালিয়ন জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরুল কায়েস মেহেদী বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্পটির পর্যবেক্ষণ করেন।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সিলেটে হাসপাতাল থেকে দুই নারী ছিনতাইকারীকে আটক করেছে পুলিশে কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেয় জনতা। পরে একটি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাদেরকে ছয় মাস করে সাজা দেওয়া হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
বুধবার রাতের ঘটনায় নগরীর সোবহানীঘাটস্থ আল হারামাইন হাসপাতাল থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন মহানগরীর শাহজালাল উপশহর এলাকার এইচ ব্লকের সুমন মিয়ার স্ত্রী পপি বেগম (৩০) এবং শামীম মিয়ার স্ত্রী শিউলি (২৪)। এর আগে পপি বেগম চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগে একাধিকবার আটক হয়ে জেল খেটেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, বুধবার রাত ৮টার দিকে আল হারামাইন হাসপাতালে আসা একটি নারীর নিকট ভয় দেখিয়ে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে পপি ও শিউলিকে আটক করে পুলিশে দেয় জনতা। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
ছিনতাইকারী দুই নারী আটক হওয়া এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতোয়ালী থানার ওসি খান মো. মাঈনুল জাকির।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, সমাজ সভ্যতার জন্য রাষ্ট্রকে ভর্তুকি দিয়ে হলেও গণমাধ্যমশিল্প ও এর উদ্যোক্তাদের টিকিয়ে রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, সভ্য সমাজে জবাবদিহির সংস্কৃতি বজায় রাখতে সাংবাদিক এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে। আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর বসুন্ধরায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী সমাজ এবং সভ্যতার পরিবর্তন হচ্ছে জানিয়ে বলেন, আমরা মনে হয় এই চলমান রূপান্তরিত প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। এর ফলে পুরনো ব্যবস্থাটা দিন দিন অচল হয়ে যাচ্ছে। নতুন ব্যবস্থাতে প্রবেশে নতুন জ্ঞান, দক্ষতা, আইনি কাঠামোর প্রয়োজন হচ্ছে। সেটিকে কার্যকর করতে নতুন কর্মকৌশল নির্ধারণ করতে হচ্ছে। এই ভাঙা-গড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে আমরা খুব সজাগ নই। ফলে আমাদের অনেক কিছু মিস হয়ে যাচ্ছে। দেশে শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ রাখা, উৎসাহ দেওয়া রাষ্ট্রের কাজ। কারণ আমাদের এই পেশাকে (গণমাধ্যম) বাঁচিয়ে রাখতে হবে, যোগ করেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি উল্লেখ করেন, প্রয়োজনে রাষ্ট্রকে ভর্তুকি দিয়ে হলেও এই শিল্প টিকিয়ে রাখতে হবে। সভ্য সমাজে জবাবদিহির সংস্কৃতি বজায় রাখতে গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট পেশার ব্যক্তিদের চাকরির নিরাপত্তা, উদ্যোক্তাদের নিরাপদ রাখতে হবে বলে মন্তব্য করেন জহির উদ্দিন স্বপন। তিনি বলেন, আমাদের ইনফরমেশনের সোর্স হিসেবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম একটা লায়ন সোর্স হয়ে গেছে। এটি টিপিক্যাল মিডিয়া হাউসগুলোর জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ। তাদের মাল্টিমিডিয়ার উইং ওপেন করতে হয়েছে। বড় প্রতিষ্ঠাগুলোর অনেককেই তাদের আয় সোর্স হিসেবে মাল্টিমিডিয়ার ওপর ডিপেন্ড হতে হচ্ছে। মন্ত্রী বোঝান, এই ভাঙা-গড়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে সবার আগে যেটা মনোযোগ দেওয়া দরকার যে আমাদেরকে গণমাধ্যমের এই প্রাতিষ্ঠানিক শক্তিশালীকরণের প্রক্রিয়াটাকে ধরে রাখতেই হবে। বর্তমান সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী জানিয়ে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, গণমাধ্যম সংস্কার এবং প্রয়োজনীয় কমিশন গঠনের বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে দিকনির্দেশনা দিয়ে আসছেন। সরকারের লক্ষ্য অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে একটি আধুনিক, দায়িত্বশীল, স্বাধীন ও টেকসই গণমাধ্যম ব্যবস্থা গড়ে তোলা। বর্তমানে তিনি উল্লেখ করেন, গণমাধ্যমের প্রধান চ্যালেঞ্জ সরকার ও গণমাধ্যমের মধ্যে নয়; বরং ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্যের বিরুদ্ধে সমাজ ও রাষ্ট্রের সম্মিলিত লড়াই। মতবিনিময় সভায় বক্তব্যে বাংলাদেশ প্রতিদিনের সম্পাদক লোটন একরাম, কালের কণ্ঠের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মেহেদী হাসান তালুকদার, ডেইলি সানের সম্পাদক রেজাউল করিম লোটাস, বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কমের সম্পাদক তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, বাংলাদেশ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক এ. কে. এম. মনজুরুল ইসলাম, কালের কণ্ঠের নির্বাহী সম্পাদক হায়দার আলী, যুগ্ম সম্পাদক সাঈদ খান এবং নিউজ টোয়েন্টিফোরের সিইও শরিফুল ইসলাম খান বক্তব্য রাখেন। তারা অনলাইন নিউজপোর্টালের নীতিমালা প্রণয়ন, সব গণমাধ্যমের সরকারি বিজ্ঞাপন নিশ্চিত, স্বাধীন গণমাধ্যম কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবনা অনুসরণ, গণমাধ্যম নিবন্ধনের ক্ষেত্রে নিয়মের কড়াকড়ির আহ্বান জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
চট্টগ্রামের বোয়ালখালী উপজেলার একটি লবণ কারখানায় আগুন লেগেছে, যার ফলে ১০ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছেন। আহত শ্রমিকদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিট ও সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। আহত শ্রমিকদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ঘোষণা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বোয়ালখালী উপজেলার পৌরসভার পশ্চিম গোমদণ্ডী এলাকায় কনফিডেন্স লবণ কারখানায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
দগ্ধ শ্রমিকদের মধ্যে রয়েছেন—বোয়ালখালী এলাকার দিদারুল আলম (৩২), মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন (৩৮), নূর নবী (২৫), পাশের রাঙ্গুনিয়ার উজ্জ্বল দাশ (৫৩), সদরঘাটের মোহাম্মদ লিটন (২৮), লোহাগাড়ার সিরাজুল ইসলাম (৩৪), রাউজানের জাহিদুল আলম (৪২), পটিয়ার মোহাম্মদ আলম (৪৫), মাহামুদুল হক (৪৫) এবং চন্দনাইশের সেলিম উদ্দিন (৩০)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, যখন শ্রমিকরা কাজ করছিলেন, তখন হঠাৎ বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের উৎপত্তি ঘটে। এই ঘটনায় কারখানায় কর্মরত ১০ শ্রমিক দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) আলাউদ্দিন তালুকদার সাংবাদিকদের জানান, দগ্ধ ১০ শ্রমিককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের চিকিৎসা চলছে। আহতদের মধ্যে পাঁচ থেকে ছয়জনের দগ্ধের মাত্রা বেশি হওয়ায় তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
লালমনিরহাটে বন্যার পানি দু'দিন আগে নেমে গেছে। তবে নদী তীরবর্তী বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে এখনো বালুর স্তর পড়ে রয়েছে। কোথাও ছয়-সাত ইঞ্চি, কোথাও এক থেকে দুই ফুট পর্যন্ত বালু জমে উর্বর কৃষিজমি ঢেকে ফেলেছে। এর ফলে আমনসহ মৌসুমি ফসল আবাদ নিয়ে কৃষকরা অনিশ্চয়তায় পড়েছেন। অনেক কৃষক আশঙ্কা করছেন, যদি দ্রুত বালু অপসারণ করা না হয়, তবে এসব জমি বছরের পর বছর অনাবাদি অবস্থায় পড়ে থাকতে পারে।
কৃষকরা বলছেন, বন্যার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে না পেরে তারা নতুন করে বালুর অভিশাপে পড়েছেন। জমিতে বালুর স্তর জমে থাকার কারণে চাষাবাদ প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কিন্তু এক বিঘা জমি থেকে বালু সরাতে প্রয়োজনীয় টাকার পরিমাণ ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা, যা অধিকাংশ কৃষক বহন করতে অক্ষম। এর ফলে কৃষকদের কপালে চিন্তার ভাঁজ উদ্ভূত হয়েছে।
বন্যার পানি নামার সঙ্গে সঙ্গে নতুন করে নদীভাঙনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তিস্তার তীব্র স্রোতে নদীতীরের বিস্তীর্ণ এলাকা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
লালমনিরহাট সদর উপজেলার তিস্তা নদীর তীরবর্তী কালমাটি গ্রামের কৃষক আব্দুল জব্বারের আট বিঘা আবাদি জমির মধ্যে বন্যায় পানিতে দুই বিঘা জমি তলিয়ে যায়। পানি সরে যাওয়ার পর তিনি দেখতে পান, ওই দুই বিঘা জমির ওপর প্রায় এক ফুট বালুর স্তর জমে রয়েছে। হতাশ কণ্ঠে তিনি মন্তব্য করেন, জমির ওপর থেকে বালু সরালে তবেই কোনো ফসল ভালো হবে। কিন্তু এত টাকা দিয়ে বালু সরানোর সামর্থ্য তাদের নেই। তিনি আরও বলেন, হয়তো আগামীতে বড় বন্যা হলে কিছু বালু সরে যাবে, কারণ নদীর পানির সাথে বিপুল পরিমাণ বালু জমিতে এসে পড়ে। এই বালুময় জমিতে কোনো ফসল ভালো হয় না এবং এতে কৃষকের ভয়াবহ ক্ষতি হতে পারে।
একই গ্রামের কৃষক আনছার আলী বলেন, তাঁর দশ বিঘা জমির মধ্যে এক বিঘা এখন বালুর নিচে চাপা পড়েছে। তিনি জানান, ‘বড় ধরনের বন্যা হলে হয়তো কিছু বালু সরে যাবে। তা না হলে কয়েক বছর জমি অনাবাদি রাখতে হবে। এক বিঘা জমির বালু সরাতে কমপক্ষে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লাগবে। এই টাকা কোথায় পাব?’
কালীগঞ্জের ভোটমারী ইউনিয়নের শৈলমারী গ্রামের কৃষক রহমত আলী বলেন, তাঁর ৮ বিঘা জমি পানির নিচে ছিল। এর মধ্যে তিন বিঘার জমিতে এখন বালুর স্তর জমে গেছে। তিনি জানান, শুধু তাঁর নয়, প্রায় সব কৃষকের জমির একই পরিস্থিতি।
একই এলাকার কৃষক ওসমান গনি বলেন, তিনি দুই বিঘা জমিতে বাদাম চাষ করেছেন, যা পানিতে তলিয়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এখন জমিতে পলি জমে রয়েছে। হাতীবান্ধা উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর রহমান বলেন, তারা অনেক কষ্ট করে চাষাবাদ করছেন। কিছুদিন আগে বন্যায় তাঁর ৩ বিঘা জমির আমন ধান নষ্ট হয়েছে। দ্বিতীয় দফায় রোপণ করা চারা এক সপ্তাহের ব্যবধানে বন্যার পানিতে ডুবে নষ্ট হয়েছে। এখন চারা কেনার টাকাও নেই। চারা রোপণ না করলে পরিবার কীভাবে বাঁচবে, তিনি জানেন না।
কৃষি কর্মকর্তারা বলছেন, সাধারণ বন্যার সময় নদীর পানির সঙ্গে উর্বর পলি জমে আসে, যা জমির উৎপাদনশীলতা বাড়ায়। তবে যদি নদীর তীররক্ষা বাঁধ ভেঙে যায় অথবা প্রবল স্রোতের কারণে পানি প্রবেশ করে, তাহলে সেখানে পলির চেয়ে মোটা বালুর পরিমাণ অনেক বেশি থাকে। ফলে উর্বর মাটির ওপর বালুর স্তর জমে কৃষিজমি দীর্ঘ সময়ের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ে।
লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. সাইখুল আরিফিন জানান, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি চলছে। তিনি কৃষকদের উঁচু জমিতে রাখা আমনের ক্ষেত থেকে চারা তুলে পুনরায় রোপণের পরামর্শ দিয়েছেন।
রংপুর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রতিবছর রংপুর অঞ্চলের কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, রংপুর ও গাইবান্ধা জেলার তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার, ব্রহ্মপুত্রসহ বিভিন্ন নদ-নদীর তীরবর্তী এলাকায় বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে বালুর স্তর জমে। তিনি আরও জানিয়েছেন, পরবর্তী বন্যায় কিছু জমি থেকে বালু স্বাভাবিকভাবেই সরে যাবে। তবে অনেক জমিতে বছরের দীর্ঘ সময় ধরে বালু রয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা প্রস্তুতের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা যায়।
কৃষকেরা দাবি করছেন, শুধুমাত্র ক্ষয়ক্ষতির হিসাব করলেই হবে না। দ্রুত বালু অপসারণে সরকারি সহায়তা, পুনর্বাসন কর্মসূচি এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা না দিলে নদীতীরবর্তী এলাকার হাজারো পরিবার দীর্ঘমেয়াদি খাদ্য ও অর্থনৈতিক সংকটে পড়বেন এমনটাই জানান।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ