ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: দীনেশ ত্রিবেদী


প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর দ্রুত হওয়া উচিত: দীনেশ ত্রিবেদী

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর আরও দ্রুত হওয়া উচিত। তিনি মনে করেন, শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক ও নিবিড় যোগাযোগের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যেকোনো সমস্যা সমাধান করা সম্ভব এবং বিষয়টি নিয়ে তিনি আশাবাদী। খবরটি বার্তা সংস্থা ইউএনবি থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

বারিধারায় আয়ারল্যান্ডের অনারারি কনসাল মাসুদ জামিল খান এবং কেট জারো খানের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক নৈশভোজে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার এই মন্তব্য করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশ ও ভারত কেবল সীমান্তই ভাগাভাগি করে না, বরং বাস্তবে অভিন্ন স্বপ্নও ভাগাভাগি করে।

দক্ষিণ এশিয়ার দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যা সমাধানের প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘বৈঠকের মাধ্যমেই কেবল সমস্যাগুলো সমাধান করা সম্ভব এবং আমি অত্যন্ত আশাবাদী।’ তিনি আরও যোগ করেন, দুই দেশের মানুষের হৃদয় খুব কাছাকাছি, এবং তিনি বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের একটি ‘সোনালি অধ্যায়’ দেখতে চান।

আরও পড়ুন: ‘আল্লাহর বাড়ি মানুষ যায় পবিত্র নিয়তে, ওখানে এ ধরনের কর্মকাণ্ড ঠিক না’ হুমায়ুন কবিরের মন্তব্য

ভারতীয় দূত বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারত দুটি সার্বভৌম দেশ। আমাদের কিছু চ্যালেঞ্জ আছে। এতে কোনো সন্দেহ নেই। যদি কোনো চ্যালেঞ্জ না থাকে, তাহলে সেটি গণতন্ত্র নয়। গণতন্ত্র যতই বিশৃঙ্খল হোক না কেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের নিজেদের জায়গা প্রয়োজন। আমাদের মধ্যে মতপার্থক্য ও বিতর্ক আছে। সেটি ঠিক আছে। কিন্তু যতক্ষণ আমাদের লক্ষ্য একই থাকে, অর্থাৎ আমরা চাই কেবল এই দুই দেশের মানুষ নয়, সারা বিশ্বের মানুষ মর্যাদা, সম্মান এবং একে অপরের প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা নিয়ে বেঁচে থাকুক। আর আমরা সেটিই অর্জনের চেষ্টা করছি। আমি আন্তরিকভাবে চাই…… আমার মূল লক্ষ্য হলো ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি সোনালি সময় প্রতিষ্ঠা করা।’

হাইকমিশনার তার প্রচেষ্টা সম্পর্কে বলেন, ‘আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’ তিনি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সত্যিকার অর্থেই ‘জনগণের নেতা’ বলে গণ্য করেন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও একইভাবে জনগণের নেতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ‘দুজনই জনগণের নেতা এবং তাদের উদ্দেশ্যও একই। আর এ কারণেই আমি বহু বার গণমাধ্যমে, যেখানে আমাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে, বলেছি যে এমন দুই নেতা যখন একসঙ্গে বসেন এবং পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করেন, তখন এমন কোনো সমস্যা বা ইস্যু নেই, যা আলোচনা করা যায় না এবং যার সমাধান করা যায় না।’

অনুষ্ঠানে ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার, সাবেক কূটনীতিক, ব্যবসায়ী, নগরীর বিশিষ্ট ব্যক্তিরা এবং সাবেক বেসামরিক ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এর পূর্বে, শনিবার (১৫ আগস্ট) ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপন অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাতে অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়া এবং বাংলাদেশ-ভারতের ব্যতিক্রমী বন্ধুত্বের বন্ধনকে আরও লালন করার গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা স্বীকার করি, অভিন্ন আকাঙ্ক্ষা ও পারস্পরিক সদিচ্ছার ওপর প্রতিষ্ঠিত জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগই এই দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের প্রকৃত স্পন্দিত হৃদয়।’

ত্রিবেদী দুই দেশকে অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাণিজ্য ও যোগাযোগ থেকে শুরু করে নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যসেবা পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ও ভারত তাদের অংশীদারত্ব এগিয়ে নিচ্ছে। তিনি সমাপ্তি বক্তব্যে বলেন, ‘আসুন, বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বের এই অসাধারণ বন্ধনকেও আমরা অব্যাহতভাবে লালন করি এবং অভিন্ন সমৃদ্ধির লক্ষ্যে হাত মিলিয়ে কাজ করি।’

তিনি হাইকমিশনার হিসাবে সম্পর্কের ভিত্তি তুলে ধরে বলেন, দুই দেশ স্বাধীনতা সংগ্রামের অভিন্ন ইতিহাসের বন্ধনে আবদ্ধ এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্বের ভিত্তির উপর তাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। ত্রিবেদী বলেন, ‘স্বাধীণতা সংগ্রামের ইতিহাসের কারণে আমাদের বন্ধন গভীর ভাবে একে অপরের সঙ্গে জড়িয়ে আছে। অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারিত্বের এই দৃঢ় ভিত্তির ওপর আমাদের সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হচ্ছে।’

তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা সামনে এগিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় আছি। আমাদের আমন্ত্রণ রয়েছে। আমরা ইতিবাচকভাবে বিশ্বাস করি, যদি দুই নেতা একসঙ্গে বৈঠক করেন, তাহলে আলোচনা হবে। গণতন্ত্রে সমস্যা থাকবেই। সমস্যা না থাকলে সেটি গণতন্ত্র নয়। তবে জনগণের একমাত্র ইস্যু হলো ভালো সম্পর্ক। ভালো সম্পর্ক থাকলে সেটি সবার জন্যই উইন-উইন পরিস্থিতি।’

আরও পড়ুন: ক্ষমা চাইলেন ‘পাপের লাশ বাংলাদেশে আসুক চাই না’ বলা এমপি রতন

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মেন্দেস নেইমারের সঙ্গে হাত মেলালেন না, ফের উত্তপ্ত পুরোনো দ্বন্দ্ব

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০২:৫৬ পি.এম


মেন্দেস নেইমারের সঙ্গে হাত মেলালেন না, ফের উত্তপ্ত পুরোনো দ্বন্দ্ব

ম্যাচ শুরুর আগে সৌজন্যতা বিনিময়ের সময় নেইমারের সঙ্গে হাত মেলাতে অস্বীকৃতি জানিয়ে ভাস্কো দা গামার মিডফিল্ডার থিয়াগো মেন্দেস পুরোনো দ্বন্দ্বকে নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছেন। রোববার (১৬ আগস্ট) সাও জানুয়ারিওতে সান্তোস ও ভাস্কোর মধ্যে ম্যাচের আগে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে ওঠে।

ম্যাচ শুরুর পূর্বে দুই দলের খেলোয়াড়েরা যখন প্রথাগত শুভেচ্ছা বিনিময় করছিলেন, তখন নেইমার হাত বাড়িয়ে দিলেও মেন্দেস ইচ্ছাকৃতভাবে তা এড়িয়ে যান। ক্যামেরায় ধরা পড়া এই দৃশ্যের কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয় তুমুল আলোচনা। নেইমারের অফিসিয়াল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট থেকেও দেওয়া হয় দুঃখের ইমোজি।

এদিকে গ্যালারির পরিবেশও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্বাগতিক সমর্থকদের কেউ কেউ নেইমারের কান্নার মাস্ক বিতরণ করতে শুরু করেন। নেইমারের ঘনিষ্ঠ বন্ধু জোতা আমানসিও মেন্দেসকে সমালোচনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দেন, যেখানে রোনালদিনহোর একটি বিখ্যাত মন্তব্য তুলে ধরে মেন্দেসকে পরোক্ষভাবে কটাক্ষ করা হয়েছে।

নেইমার ও মেন্দেসের দ্বন্দ্বের শুরু ছিল ২০২০ সালে। সেই সময় নেইমার পিএসজিতে এবং মেন্দেস লিওঁর হয়ে খেলছিলেন। তখন দুই দলের এক ম্যাচে নেইমারের গোড়ালিতে গুরুতর চোট লাগার কারণে মেন্দেস লাল কার্ড দেখেছিলেন। পরে তিনি প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেও সেই ঘটনার রেশ পুরোপুরি কাটেনি।

চলতি বছরের শুরুতে দুজনই ব্রাজিলিয়ান ফুটবলে ফিরে আসার পর পুরোনো বিরোধ আবারও সামনে আসে। সাম্প্রতিক এক ম্যাচে মেন্দেসের ফাউলকে কেন্দ্র করে নেইমারের সঙ্গে তার বাদানুবাদ হয়। একপর্যায়ে মেন্দেস নেইমারের মুখে হাত দিলে তিনি পড়ে যান। দুইজনকেই রেফারি হলুদ কার্ড দেখান। বিরতির সময় টানেলেও তাদের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ঘটে।

পরে সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় নেইমার মেন্দেসকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি স্পোর্টটিভিকে বলেন, "সে সবসময় ঝামেলা শুরু করতে চায়, নিজেকে কঠিন লোক হিসেবে দেখাতে চায়। ব্যাপারটা সবসময় এমনই। সবিনয়ে বলছি, সে একটা আস্ত বেয়াদব।"

ম্যাচের আগে হাত মেলানো নিয়ে নতুন এই ঘটনাকে তাই দুভাগের দীর্ঘদিনের বৈরিতার আরেকটি অধ্যায় হিসেবেই দেখছেন ব্রাজিলিয়ান ফুটবলের অনুসারীরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

টাঙ্গাইলের কবর খুঁড়ে সাপে মারা যাওয়া মরদেহকে ‘জীবিত’ করার প্রচেষ্টা, অতঃপর...

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪১ পি.এম


টাঙ্গাইলের কবর খুঁড়ে সাপে মারা যাওয়া মরদেহকে ‘জীবিত’ করার প্রচেষ্টা, অতঃপর...

টাঙ্গাইলের সখীপুরে সাপে কামড়ে মারা যাওয়া ৫৮ বছর বয়সী হাসনা বেগমকে দাফনের দুই দিন পর ‘জীবিত’ করার চেষ্টা করেছেন একজন ওঝা। ওই ওঝা কবরের একপাশ সামান্য খুঁড়ে গন্ধ শুঁকে দাবি করেছেন, যদি লাশে পচন না ধরে, তবে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে তাকে জীবিত করা সম্ভব হতে পারে। এ ধরনের ঘটনার ফলে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল বৃদ্ধি পেয়েছে।

হাসনা বেগম সখীপুর উপজেলার হতেয়া-ভাতকুড়াচালা এলাকায় তার নিজ বাড়িতে বাস করতেন। তার বাবা ছিলেন মৃত ওয়াজেদ আলী। হাসনা বেগম একজন স্বামী পরিত্যক্তা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সাপে কাটার পর হাসনা বেগমকে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ইসিজি করে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে, উপজেলার চতলবাইদে তার মেয়ে খালেদা বেগমের বাড়ির পাশে পারিবারিক কবরস্থানে তার দাফন সম্পন্ন হয়।

এর মধ্যে, সাপে কাটার খবর পেয়ে বাসাইল উপজেলার কৈলানপুর গ্রামের ওঝা গাজী মিয়া সেখানে হাজির হন। তিনি বলেন, হাসনা বেগম মারা যাননি। শনিবার, তিনি কবরের একপাশে সামান্য মাটি খুঁড়ে সুরঙ্গের মতো করে দেখেন এবং সেখান থেকে গন্ধ শুঁকতে থাকেন। তখন তিনি দাবি করেন, তিনি ‘তেলের গন্ধ’ পেয়েছেন। এমন একটি দাবির কারণে উৎসুক কিছু লোকও কবরের পাশে গিয়ে গন্ধ শোঁকার চেষ্টা করেন।

ওঝা গাজী মিয়া, হাসনা বেগমের মেয়েকে খালেদা বেগমকে জানিয়েছেন, আগামী মঙ্গলবার তিনি আবার কবরের পাশে আসবেন। তখন কবরের গন্ধ শুঁকে দুর্গন্ধ না পাওয়া গেলে মরদেহ উত্তোলন করে ঝাড়ফুঁকের মাধ্যমে সাপের বিষ নামিয়ে তাকে জীবিত করা সম্ভব হবে। তবে, যদি লাশে পচন ধরে থাকে, তাহলে আর তাকে জীবিত করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি।

খালেদা বেগম এই বিষয়ে বলেন, গতকাল আমার মধ্যে আশার সৃষ্টি হয়েছিল। আমি মাকে আবার জীবিত পাওয়ার আশায় অপেক্ষা করছিলাম। কিন্তু আধা ঘণ্টা আগে ওই ওঝা আমাকে ফোন করে জানিয়েছেন, রাতে ধ্যানে বসে তিনি দেখেছেন মা বেঁচে নেই। এখন আমি আশাহত হয়ে পড়েছি।

শনিবার, কবরের পাশে ওঝার ঝাড়ফুঁক এবং গন্ধ শোঁকার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সেটি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও কৌতূহল তৈরি হয়।

রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে খালেদা বেগমের কাছ থেকে নম্বর নিয়ে ওঝা গাজী মিয়ার সঙ্গে মুঠোফোনে কথা হলে তিনি বলেন, গতকাল তিনি জীবিত ছিলেন। কিন্তু এখন ওই রোগীকে বাঁচানো সম্ভব নয়। তিনি চলে গেছেন। এরপর তিনি এর বেশি কিছু বলতে রাজি হননি।

এ বিষয়ে সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রেহেনা পারভীন বলেন, এটি একটি অকল্পনীয় বিষয়। একজন মৃত ব্যক্তিকে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ঘোষণা করেছেন এবং তাকে কবরও দেওয়া হয়েছে। এরপর ওই নারী আবার বেঁচে উঠবেন এমন দাবি হাস্যকর এবং অকল্পনীয়। ওই ওঝাকে পুলিশে সোপর্দ করা দরকার।

তিনি আরও বলেন, সাপে কাটার পর কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হলে কবর দেওয়ার পর ঝাড়ফুঁক করে তাকে জীবিত করার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। সাপে কাটার পর দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সখীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনমও রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

গুজবে হুড়োহুড়ি, ভারতে মন্দিরে পদদলিত হয়ে ৭ জনের মৃত্যু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪২ পি.এম


গুজবে হুড়োহুড়ি, ভারতে মন্দিরে পদদলিত হয়ে ৭ জনের মৃত্যু

ভারতের বিহারের একটি মন্দিরে ঘটে যাওয়া একটি হুড়োহুড়ির ঘটনায়, বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ার ভিত্তিহীন গুজবে আতঙ্কিত হয়ে অন্তত ৭ জন নারী পদদলিত হয়ে মারা গেছেন। এসময় আরও বেশ কয়েকজন পুণ্যার্থী আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) ভোরে রাজ্যটির লখিসরাই জেলার ঐতিহ্যবাহী অশোক ধাম মন্দিরে ভক্তদের ভিড়ের মধ্যে এই ভীষণ দুর্ঘটনাটি ঘটে। আনাদোলু এজেন্সির রিপোর্ট অনুযায়ী, মন্দিরের কর্মকর্তা শৈলেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন, পূজা দেওয়ার সময় হঠাৎ একটি বিদ্যুতের খুঁটি ভেঙে পড়ে এবং পুণ্যার্থীদের গায়ের ওপর তার ছিঁড়ে পড়ছে বলে একটি ভয়ংকর গুজব ছড়িয়ে পড়ে।

এই গুজব মুহূর্তের মধ্যে পূজারিদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে নারীদের সারিতে হুড়োহুড়ি শুরু হয়ে যায় এবং আতঙ্কে ছোটাছুটি করতে গিয়ে তারা একে অপরের ওপর পড়ে যান। এই চরম পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থলে ৭ নারীর মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে।

লখিসরাই জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আহতদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে আহতদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হচ্ছে এবং একই সঙ্গে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে।

ঘটনাটিকে অত্যন্ত হৃদয়বিদারক আখ্যা দিয়েছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী। তিনি আহত ব্যক্তিদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসনকে জরুরি ভিত্তিতে সব ধরনের পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পিএসজিকে পরাজিত করে ফরাসি সুপার কাপ জিতে লাঁসের ইতিহাস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৭ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৩:৪৩ পি.এম


পিএসজিকে পরাজিত করে ফরাসি সুপার কাপ জিতে লাঁসের ইতিহাস

১০ জনের দল নিয়েও প্যারিস সেন্ট জার্মেইকে (পিএসজি) পরাজিত করে প্রথমবারের মতো ফরাসি সুপার কাপের শিরোপা জিতেছে লাঁস। রোববার (১৬ আগস্ট) ফ্রান্সের স্তাদ বোয়েল-দেলেলিসে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ফ্লোরিয়ান থাউভিনের একমাত্র গোলে পিএসজিকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দিয়েছে তারা।

ম্যাচের ৩২ মিনিটে থাউভিনের একটি দুর্দান্ত গোলে এগিয়ে যায় লাঁস। তবে মাত্র সাত মিনিট পরই তাদের জন্য একটি বড় ধাক্কা আসে। কঠিন ফাউল করার জন্য কিলিয়ান আন্তোনিও লাল কার্ড দেখে লাঁস ১০ জনের দলে পরিণত হয়ে যায়।

একজন কম নিয়েও পুরো দ্বিতীয়ার্ধে পিএসজির একের পর এক আক্রমণ সামলে তারা নিজেদের লিড ধরে রেখেছে। ম্যাচের শেষ দিকে দুই দলই ১০ জনের হয়ে যায়। ৮৭ মিনিটে পিএসজির নুনো মেন্দেসও লাল কার্ড দেখেন। তবে দুই দল একেকজন করে কম খেলোয়াড় নিয়ে থাকলেও শেষ পর্যন্ত আর কেউ গোল করতে সক্ষম হয়নি।

গত মৌসুমে ফরাসি লিগে পিএসজির তুলনায় ছয় পয়েন্ট পিছিয়ে থেকে রানার্সআপ হয়েছিল লাঁস। নতুন মৌসুমের শুরুতেই পিএসজিকে পরাজিত করে সুপার কাপ জিতে ইতিহাস গড়ল তারা।

অন্যদিকে, টানা পঞ্চমবার ফরাসি সুপার কাপ জিততে পারার পরিকল্পনা ছিল পিএসজির। তবে লাঁসের দৃঢ়তা সেই লক্ষ্য পূরণ করতে পারেনি। এর মাত্র চারদিন আগে উয়েফা সুপার কাপে অ্যাস্টন ভিলাকে ২-১ গোলে হারিয়ে শিরোপা দাবি করেছিল পিএসজি।

লাঁসের নতুন কোচ দিনো টপম্যোলারের অধীনে এটি দলের প্রথম বড় শিরোপা। জুন মাসে পিয়েরে সেজের বিদায়ের পর থেকে দায়িত্ব নেন টপম্যোলার। তার নেতৃত্বেই পিএসজিকে পরাজিত করে একটি স্মরণীয় শিরোপা দিয়ে নতুন মৌসুম শুরু করল লাঁস।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%