ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

৬ ঘণ্টা পর উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক


৬ ঘণ্টা পর উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক

পাবনার ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনে আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার কারণে ৬ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর সোমবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ট্রেন চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়েছে। এ অবস্থায় দুর্ঘটনার কারণে বাইপাস স্টেশন এলাকায় ট্রেনগুলো ধীরগতিতে চলাচল করতে হয়েছে।

সোমবার বিকেল ৪টার দিকে ঢাকা থেকে পঞ্চগড়গামী আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনে প্রবেশের সময় এর পিছনের একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

দুর্ঘটনার পর রাজশাহী, পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, চিলাহাটি ও উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন গন্তব্যে চলাচলকারী একাধিক ট্রেন বিভিন্ন স্টেশনে আটকে পড়ে। ফলে শত শত যাত্রীকে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত দুর্ভোগ ভোগ করতে হয়েছে।

আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার

রেলওয়ে সূত্রে জানা যায়, মুলাডুলি স্টেশনে বনলতা এক্সপ্রেস, আব্দুলপুর রেলওয়ে জংশনে রূপসা এক্সপ্রেস, ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনে লালমনি এক্সপ্রেসসহ আরও কয়েকটি ট্রেন দীর্ঘ সময় আটকে ছিল। এর পাশাপাশি ঢাকা থেকে প্রায় ৭ ঘণ্টা বিলম্বে যাত্রা শুরু করে আন্তঃনগর বুড়িমারি এক্সপ্রেস মাঝগ্রাম স্টেশনে পৌঁছে প্রায় ৩ ঘণ্টা অপেক্ষা করেছে।

রাজশাহী রেলওয়ের সিনিয়র টিটিই (টিকিট পরিদর্শক) আব্দুল আলীম বিশ্বাস মিঠু জানান, সোমবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটে বুড়িমারি এক্সপ্রেস চলাচল শুরু করার মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলের রেল যোগাযোগ স্বাভাবিক হয়ে যায়। এরপর রাত ১০টার পর থেকে বিভিন্ন স্টেশনে আটকে থাকা ট্রেনগুলো ধাপে ধাপে রাজশাহী, চিলাহাটি ও অন্যান্য গন্তব্যের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।

পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের পাকশী বিভাগীয় ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) আবু হেনা মোস্তফা আলম বলেছেন, কাণ্ডের পর পাকশী বিভাগীয় রেলওয়ের পরিবহন কর্মকর্তা (ডিটিও) মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়াকে আহ্বায়ক করে একটি পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির সদস্যরা হলেন— পাকশী বিভাগের বিভাগীয় প্রকৌশলী-২ নাজিব কায়সার, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (ক্যারেজ) শেখ আসিফ আহমেদ, বিভাগীয় যান্ত্রিক প্রকৌশলী (লোকো) রবিউল ইসলাম এবং বিভাগীয় সংকেত ও টেলিযোগাযোগ প্রকৌশলী আহমেদ ইশতিয়াক জহুর।

আরও পড়ুন: ধামরাইয়ে দুর্গাপূজার নিরাপত্তায় প্রশাসনের তৎপরতা: বিভাগীয় কমিশনার

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র‍্যাবের ওপর হামলা: শফিক বাহিনীর প্রধান রাজধানী থেকে গ্রেফতার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:১২ পি.এম


ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় র‍্যাবের ওপর হামলা: শফিক বাহিনীর প্রধান রাজধানী থেকে গ্রেফতার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে র‍্যাবের উপর হামলার ঘটনায় দস্যু শফিক বাহিনীর প্রধান শফিককে গ্রেফতার করা হয়েছে, যিনি ১৫ মামলার আসামি।

রোববার (১২ জুলাই) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর এলাকার একটি ভাড়া বাসা থেকে র‍্যাব-৯ ও র‍্যাব-১০ এর সদস্যরা যৌথভাবে অভিযান পরিচালনা করে শফিককে গ্রেফতার করেন।

এই বিষয়ে র‍্যাব-৯ সিপিসি-১ এর অধিনায়ক মো. নুরুন্নবী জানান, গত ১১ মে বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়া র‍্যাব-৯ সিপিসি-১ এর চার সদস্য গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে বাঞ্ছারামপুরে যাচ্ছিলেন। সেই সময় নবীনগর উপজেলার খাগাতুয়া গ্রামে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে, ডাকাত শফিক বাহিনী ওঁৎ পেতে থাকা শফিকসহ তার সাগরেদরা র‍্যাবের ওপর অতর্কিতে সশস্ত্র হামলা চালায়। হামলার সময় শফিক ডাকাত তাদের ৩ ঘণ্টা ধরে আটক রেখে নির্যাতন করে। পরে তারা নির্যাতনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করে।

ঘটনার খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে অতিরিক্ত র‍্যাব সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে গ্রামবাসীর সহায়তায় তাদের উদ্ধার করেন এবং নবীনগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। চার গোয়েন্দা সদস্যের মধ্যে তিনজন গুরুতরভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। এর মধ্যে কনস্টেবল মালেকের মাথায়, হাবিলদার রাশেদের ডান হাতে এবং কনস্টেবল কাজলের বাম হাতে আঘাত লাগে। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

হামলার পর র‍্যাব রাতভর অভিযান চালিয়ে মোট ৯ জনকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার করেছে। তবে কুখ্যাত ডাকাত সর্দার শফিক প্রতিবারই পালিয়ে যায়। প্রায় দুই মাস পর একটি বিকাশ একাউন্টের সূত্র ধরে র‍্যাব-৯ এর সদস্যরা শফিক ডাকাতের অবস্থান জানার পর, রাত সাড়ে ১২টার দিকে র‍্যাব-৯ ও র‍্যাব-১০ যৌথভাবে অভিযান চালিয়ে কামরাঙ্গীরচর এলাকার আউলাহাটির রিয়াজ উদ্দিনের বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করেন।

র‍্যাব জানায়, আগে নবীনগর থানা পুলিশ ও র‍্যাবের উপর হামলা, চুরি, ডাকাতি, চাঁদাবাজি, দখলবাজি, মাদক ব্যবসা, হত্যা, ধর্ষণ এবং পর্ণোগ্রাফিসহ শফিকের বিরুদ্ধে ১৫টিরও অধিক মামলা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি, ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২০ পি.এম


ছাদ চুইয়ে বৃষ্টির পানি, ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিলেন শিক্ষার্থীরা

এক হাতে ছাতা, অন্য হাতে কলম নিয়ে পরীক্ষার খাতা সামনে রেখে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। এ অবরোধক ও দুর্ভোগের মধ্যে রয়েছে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১৩ জুলাই) একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে (ফেসবুক) ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে প্রকৃত পরিস্থিতি ফুটে ওঠে।

সম্প্রতি চিকনিকান্দি ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসা কেন্দ্রে টানা বৃষ্টির মধ্যে শিক্ষার্থীরা ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিচ্ছিলেন। কিছু শিক্ষার্থী এক হাতে ছাতা ধরে অন্য হাতে লিখছেন, আবার কারও বেঞ্চ ও পরীক্ষার খাতা বৃষ্টির পানিতে ভিজে যাচ্ছে। এই অস্বাভাবিক দৃশ্য দেখে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবকরা ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন।

সূত্রের খবর অনুযায়ী, চিকনিকান্দি ইউনিয়নে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কোটখালী ফাজিল মাদ্রাসাটি ১৯২৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮১ সালে এই প্রতিষ্ঠানটির জন্য একটি একতলা ভবন নির্মাণ করা হলেও সেই কাজটি এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। দীর্ঘ সময় ধরে প্রয়োজনীয় সংস্কার না হওয়ায় ভবনটি বর্তমানে প্রায় ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

ভবনের ছাদে অসংখ্য ফাটল সৃষ্টি হয়েছে, ফলে বৃষ্টি হলেই সেখান দিয়ে পানি ঢুকে পড়ছে শ্রেণিকক্ষে। অনেক জায়গায় পলেস্তরা খসে পড়ছে, দরজা-জানালাও নষ্ট হয়ে গেছে। তবুও বিকল্প ব্যবস্থা না থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ এই ভবনেই পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থীর পাঠদান ও পরীক্ষা গ্রহণ করতে হচ্ছে।

দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল শেখ মুগ্ধ জানান, ‘প্রবল বৃষ্টির মধ্যে আমাদের পরীক্ষা দিতে হচ্ছে। ছাদ দিয়ে পানি পড়ছে এবং বেঞ্চ ও পরীক্ষার খাতা ভিজে যাচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে ছাতা মাথায় পরীক্ষা দিচ্ছি।’

আলিম প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ভবনটির অবস্থা এতটাই নাজুক যে স্বাভাবিক সময়ে ক্লাস করা কঠিন। বৃষ্টির সময় পানি পড়ার পাশাপাশি মাঝে মাঝে পলেস্তরাও খসে পড়ে। ক্লাস করতে হলে সব সময় দুর্ঘটনার ভয় থাকে।’

মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মো. ইয়াহিয়া খান জানিয়েছেন, ‘এই প্রতিষ্ঠানে পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। অথচ তাদের জন্য নিরাপদ ও শিক্ষা-বান্ধব পরিবেশ নেই। টানা বৃষ্টিতে শিক্ষার্থীরা ছাতা মাথায় দিয়ে পরীক্ষা দিচ্ছে। ভবনের অব্যবস্থাপনার কারণে পাঠদান ও পরীক্ষার কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।’

মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. নজির আহমেদ জানিয়েছেন, ‘আমরা অত্যন্ত বিব্রতকর ও অসহায় পরিস্থিতিতে রয়েছি। এই বিষয়ে একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। নতুন ভবনের নির্মাণকাজ দ্রুত শেষ হলেই দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব হবে।’

এদিকে, প্রতিষ্ঠানের জন্য একটি নতুন বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ চলমান থাকলেও কাজের অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে। ধীরগতির কারণে কবে নাগাদ ভবনটি ব্যবহার উপযোগী হবে, সেই সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য দিতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা।

তবে এ বিষয়ে গলাচিপা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবুজর মো. ইজাজুল হক বলেন, ‘বিষয়টি আজই আমাদের নজরে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা জানুন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:২৬ পি.এম


সকালে খালি পেটে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা জানুন

খেজুরকে প্রাকৃতিক সুপারফুড হিসেবে অভিহিত করা হয়। পুষ্টিগুণে ভরপুর খেজুর এমন একটি খাবার, যা সকালে খালি পেটে খেলে অনেক ধরনের উপকার পাওয়া যায়। এই ফল প্রাকৃতিক চিনি, ফাইবার, ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ, শরীরকে দ্রুত শক্তি জোগানোর পাশাপাশি হজম এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

বিশেষজ্ঞগণের মতে, নিয়মিত পরিমাণে খেজুর খেলে শরীরের দুর্বলতা কমে যায় এবং সারাদিনের কাজের শক্তি পাওয়া যায়। বিশেষ করে রোজা রাখা বা দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার পর খেজুর খাওয়া শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আসুন এবার খালি পেটে খেজুর খাওয়ার উপকারিতাগুলি জেনে নেওয়া যাক।

দ্রুত শক্তি জোগায়। খেজুরে প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের উপস্থিতি শরীরে দ্রুত শক্তি সরবরাহ করে। সকালে খালি পেটে ২-৩টি খেজুর খেলে ক্লান্তি কমে যায় এবং সারাদিন সতেজ অনুভূতি বজায় থাকে।

হজমশক্তি উন্নত করে। খেজুরে প্রচুর খাদ্যআঁশ রয়েছে, যা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সহায়ক। সকালে খালি পেটে খাওয়ার ফলে অন্ত্রের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

রক্তস্বল্পতা কমাতে সাহায্য করে। খেজুরে আয়রনের পরিমাণ উন্নত হওয়ায়, এটি রক্তস্বল্পতা বা অ্যানিমিয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। যাদের শরীরে হিমোগ্লোবিন কম, তাদের নিয়মিত খেজুর খাওয়া উচিত।

হৃদস্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। খেজুর পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম সমৃদ্ধ, যা হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সহায়ক। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্যও করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। খেজুরের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শর body'śর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক। ফলে মৌসুমি সর্দি, কাশি বা দুর্বলতার ঝুঁকি কিছুটা কমবে।

হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক। খেজুরে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ উপাদান থাকায়, এটি হাড়ের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সাহায্য করে।

যেভাবে খেতে হবে। সাধারণত সকালে ২ থেকে ৪টি খেজুর খাবার জন্য ভালো। তবে ডায়াবেটিস বা রক্তে শর্করার সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খাওয়া উচিত।

এছাড়াও রাতে কয়েকটি খেজুর পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খালি পেটে খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়। কেউ কেউ আবার দুধ, ওটস বা বাদামের সঙ্গেও খেয়ে থাকেন।

যাহোক, পরিমিত পরিমাণে নিয়মিত খেজুর খাওয়া শরীরের জন্য উপকারী হলেও, অতিরিক্ত খেলে ওজন বৃদ্ধি বা রক্তে শর্করা বাড়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ইতিহাসের দোরগোড়ায় মার্টিনেজ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

সোমবার, ১৩ই জুলাই, ২০২৬ ইং

১১:৩০ পি.এম


ইতিহাসের দোরগোড়ায় মার্টিনেজ

আর্জেন্টিনার গোলকিপার এমিলিয়ানো মার্টিনেজ ইতিহাস গড়ার পথে রয়েছেন। তিনি বিশ্বকাপের মঞ্চে গোলকিপার হিসেবে কীর্তি গড়ার অপেক্ষায় আছেন এই আর্জেন্টাইন তারকা। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে মাঠে নামলেই ৪৪ বছরের পুরোনো সেই ইতিহাস নতুনভাবে লিখবেন মার্টিনেজ।

কোয়াটার-ফাইনালে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নেমে ১৯৭৮ বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি উবালদো ফিল্লোলের ১৩ ম্যাচের রেকর্ড স্পর্শ করেছিলেন মার্টিনেজ। যদি আটলান্টায় ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালে একাদশে জায়গা পান, তাহলে তিনি হয়ে যাবেন বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে বেশি ম্যাচ খেলা একক গোলকিপার।

২০২২ কাতার বিশ্বকাপ এবং চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপ মিলিয়ে এমিলিয়ানোর বয়স ৩৩ বছর। বর্তমানে পর্যন্ত তিনি ১৩টি ম্যাচ খেলেছেন। ফিল্লোলও ঠিক ১৩টি ম্যাচ খেলেছিলেন- ১৯৭৪, ১৯৭৮ এবং ১৯৮২ বিশ্বকাপ মিলিয়ে। দীর্ঘ চার দশকেরও বেশি সময় ধরে সেই রেকর্ড অক্ষত ছিল, তবে এখন তা এককভাবে নিজের করে নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন মার্টিনেজ।

এই পর্যায়ে পৌঁছানোর পথে তিনি একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন করেছেন। আর্জেন্টিনার আরেক বিশ্বকাপ ফাইনালিস্ট গোলকিপার সার্জিও রোমেরোকে পেছনে ফেলেছেন তিনি। রোমেরো ২০১০ ও ২০১৪ বিশ্বকাপে ১২টি ম্যাচ খেলেছেন। এরপর ফিল্লোলের পাশে জায়গা করে নেন মার্টিনেজ এবং এখন তাকে ছাড়িয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় আছেন।

আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ ইতিহাসে গোলকিপারদের তালিকায় পরবর্তীতে আছেন নেরি পুম্পিদো, যিনি ১৯৮৬ ও ১৯৯০ বিশ্বকাপে মিলিয়ে ৯ ম্যাচ খেলেছেন। সার্জিও গোইকোচিয়া এবং আন্তোনিও রোমার নামের পাশে ৬টি করে ম্যাচ রয়েছে। রবার্তো আবোন্দানৎসিয়েরি ও দানিয়েল কার্নেভালি খেলেছেন ৫টি করে ম্যাচ।

মোট মিলিয়ে বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনার হয়ে এখন পর্যন্ত ১৯ জন গোলকিপার মাঠে নেমেছেন। তবে ফিল্লোল এবং মার্টিনেজের উচ্চতায় পৌঁছাতে পারেননি আর কেউ।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%