ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে ১৮ দিনে জমা পড়ল ৪৭ লাখ টাকা


শাহজালাল (রহ.) মাজারের দানবাক্সে ১৮ দিনে জমা পড়ল ৪৭ লাখ টাকা

আধ্যাত্মিক রাজধানী হিসেবে পরিচিত সিলেটের হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজারের প্রায় ৭০০ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবারের মতো দানবাক্সের অর্থ গণনা সম্পন্ন হয়েছে। এবার ১৮ দিনের মধ্যে মাজারের দানবাক্স ও ডেগে জমা পড়েছে ৪৭ লাখ ১০ হাজার ১৫৩ টাকা।

শনিবার (১১ জুলাই) দিনভর গণনা শেষে মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটি এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে উপস্থিতিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। গণনার ফলাফল ঘোষণা করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ও মাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির একজন সদস্য আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী।

গণনা শেষে প্রকাশিত অফিসিয়াল হিসাব অনুযায়ী, নগদ অর্থের সাথে দানবাক্সে পাওয়া গেছে বিভিন্ন দেশের বিদেশি মুদ্রা। এর মধ্যে রয়েছে ১৩৫ সৌদি রিয়াল, ২ হাজার ৫৩২ ভারতীয় রুপী, ৫৪ দশমিক ২ দিরহাম, ওমানের ১ দিনার ৪৫০ পয়সা, ৪ হাজার ইন্দোনেশিয়ান রুপিয়া, ২০ মার্কিন ডলার, ২০ হংকং ডলার, ২০ ইউরো, ১০ সিঙ্গাপুর ডলার, ২২ কাতার রিয়াল, ৬ মালয়েশিয়ান রিংগিত এবং ৬০ পাকিস্তানি রুপী।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

এছাড়া, দানবাক্স থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মূল্যবান ধাতুও। হিসাব অনুযায়ী, পাওয়া গেছে ৯ গ্রাম সোনা, ১০ গ্রাম স্বর্ণসদৃশ বস্তু এবং ৩৯ দশমিক ৪ গ্রাম রূপা।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভক্তদের দান করা গবাদিপশুর হিসাবও যুক্ত করা হয়েছে। এতে একটি গরু লঙ্গরখানায় রান্না করে বিতরণ করা হয়। পাওয়া ৬৫টি ছাগলের মধ্যে ৪০টি লঙ্গরখানায় রান্না করে বিতরণ করা হয়েছে এবং অবশিষ্ট ২৫টি ছাগল বিক্রি করে ১ লাখ ২৫ হাজার ৪০০ টাকা আহরণ করা হয়েছে।

শনিবার সকাল ১১টার দিকে জেলা প্রশাসকের তত্ত্বাবধানে ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে দরগাহ মসজিদের বারান্দায় সিলগালা করা ডেগ ও নতুন দানবাক্স খুলে চার বস্তা টাকা বের করা হয়েছে। পরে শাহজালাল (রহ.) মাজার মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে দিনভর চলেছে টাকা গণনার কাজ।

এসময় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী, জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা তদারকিতে গঠিত উচ্চপর্যায়ের কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

এর আগে, গত ২২ জুন জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রথমবারের মতো মাজারের দানবাক্স খোলা হয়েছিল। সেই সময়ে মাত্র চার দিনের জমা হওয়া অর্থের পরিমাণ ছিল ১৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৪৯ টাকা। প্রথমবার ১ হাজার ও ৫০০ টাকার নোটের আধিক্য থাকলেও, এবার ১৯ দিনের ব্যবধানে সংগৃহীত চার বস্তা টাকার মধ্যে ১০ এবং ৫০ টাকার ছোট নোটের সংখ্যা ছিল সবচেয়ে বেশি।

মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে গঠিত বিশেষ কমিটির তত্ত্বাবধানে গণনাকৃত অর্থ সোনালী ব্যাংকে জেলা প্রশাসকের নামে খোলা নির্দিষ্ট ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাকিস্তান ভাঙন নিয়ে শেখ মুজিবের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন স্পিকার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৬ পি.এম


পাকিস্তান ভাঙন নিয়ে শেখ মুজিবের অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভাঙার কোনো ইচ্ছা বা বিচ্ছিন্নতাবাদী হওয়ার কোনো বাসনা শেখ মুজিবুর রহমানের ছিল না। এজন্য ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর ক্র্যাকডাউনের আগে তাজউদ্দিন আহমেদের অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

শনিবার (১১ জুলাই) ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে ইতিহাস ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক এক আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, তাজউদ্দিন সাহেব শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে গিয়ে বলেছিলেন, পাকিস্তানিরা আক্রমণ করতে যাচ্ছে, মানুষ স্বাধীনতা চায়। কিন্তু শেখ সাহেব তখন বলেছিলেন, আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে পারি না, পাকিস্তান ভাঙতে আমার কোনো অবদান থাকুক এটি আমি চাই না। সুতরাং তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত আক্রমণের মুখে যখন জাতি দিশেহারা ও অবদমিত হওয়ার উপক্রম, তখনই ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাহসের সাথে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। এই সংকটময় মুহূর্তে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা জাতিকে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্দীপ্ত ও অনুপ্রাণিত করেছিল। এটিই হলো প্রকৃত সত্য।

হাফিজ উদ্দিন জোর দিয়ে বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, এটি ছিল একটি জনতার যুদ্ধ।

তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর ক্ষমতায় এসে একটি বিশেষ গোষ্ঠী ইতিহাস বিকৃত করে শুধু ৭ মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করে স্বাধীনতার কৃতিত্ব নিতে চেয়েছিল, যা ছিল চরম অন্যায়। রাজনীতিবিদরা সাধারণত অন্যের কৃতিত্ব হাইজ্যাক করেন এবং নিজের দলের নেতাকে ছাড়া কাউকে কৃতিত্ব দিতে চান না।

আলোচনায় তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবময় ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, তখন পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টের মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। একেকটি ক্যান্টনমেন্টে তারা কোনো পূর্বপরিকল্পনা বা যোগাযোগ ছাড়াই পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে বিদ্রোহ করে এবং জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানায়। এই প্রতিরোধ যুদ্ধই ছিল ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি।

সেনাবাহিনীতে যোগদানের স্মৃতি রোমন্থন করতে গিয়ে তিনি জানান, তিনি মূলত ফুটবল খেলার টানেই সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন। তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের অনুপ্রেরণাতেই তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি বলেন, আমি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি স্বাধীনতার মহান ঘোষক এদেশের মহান রাষ্ট্রপতি জেনারেল জিয়াউর রহমানকে, যিনি আমাকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগদানের জন্য উৎসাহিত করেছিলেন।

এছাড়াও তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রধান সংগঠক মেজর (সাবে) আব্দুল গনি এবং ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের রেজিমেন্ট কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান মজুমদারের অবদানের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। পরিশেষে, তিনি সৈনিকদের সাথে অফিসারদের সম্পর্কের যে চিরাচরিত বন্ধন তা পুনরায় শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

আলোচনায় তিনি মুক্তিযুদ্ধে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের গৌরবময় ভূমিকার কথা স্মরণ করে বলেন, তখন পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টের মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল। একেকটি ক্যান্টনমেন্টে তারা কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে বিদ্রোহ করে এবং জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের আহ্বান জানায়। এই প্রতিরোধ যুদ্ধই ছিল ৯ মাসব্যাপী রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মূল ভিত্তি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ঢামেকের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১৪ দফা স্মারকলিপি প্রদান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:০৮ পি.এম


ঢামেকের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১৪ দফা স্মারকলিপি প্রদান

ঢাকা মেডিকেল কলেজের (ডিএমসি) ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী এবং ‘ডিএমসি-ডে ২০২৬’-এর অনুষ্ঠানে, প্রতিষ্ঠানটিকে একটি বিশ্বমানের অ্যাকাডেমিক মেডিকেল সেন্টারে রূপান্তরিত করা এবং দেশের সার্বিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকীকরণের উদ্দেশ্যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে একটি ঐতিহাসিক স্মারকলিপি পেশ করা হয়েছে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের কে-৪৬ ব্যাচের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও পপুলার মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এ কে এম মহিউদ্দিন ভূঁইয়া মাসুমের পক্ষ থেকে স্মারকলিপিটি দেওয়া হয়। তিনি এটি তার ফেসবুক আইডিতে পোস্ট করেন। দীর্ঘ স্মারকলিপিতে ২০২৬ থেকে ২০৩৬ সাল পর্যন্ত একটি ১০ বছর মেয়াদি ‘জাতীয় মহাপরিকল্পনা’ গ্রহণের জন্য জোর দাবি জানানো হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর ডিএমসিতে আগমন উপলক্ষে এই আবেদনটি পেশ করা হয়।

স্মারকলিপির প্রধান দাবি ও মহাপরিকল্পনার মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও দেশের স্বাস্থ্য খাতের আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৫টি সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্র ও দফা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে-

• মেঝেতে চিকিৎসা সম্পূর্ণ বন্ধ ও সম্প্রসারণ: হাসপাতালের শয্যা সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা এবং নিশ্চিত করা যে কোনও রোগীকে মেঝেতে চিকিৎসা নিতে না হয়। এছাড়া নতুন সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, ট্রমা সেন্টার, স্ট্রোক সেন্টার এবং ন্যাশনাল কার্ডিয়াক সেন্টার নির্মাণের প্রস্তাব রয়েছে।

• অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও কার্ডিয়াক সেবা: হাইব্রিড ও মডুলার অপারেশন থিয়েটার (ওটি) স্থাপন, বিকল থাকা ক্যাথ ল্যাব দ্রুত সচল করা এবং ২৪ ঘণ্টা ‘প্রাইমারি পিসিআই’ সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।

• সমন্বিত একিউট কেয়ার সিস্টেম: জরুরি বিভাগ, আইসিইউ, কার্ডিওলজি ও ট্রমা বিভাগের মধ্যে সহজলভ্য সমন্বয় করে দেশের প্রতিটি সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালে সমন্বিত জরুরি সেবা ব্যবস্থা চালু করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

• ডিজিটাল ও পেপারলেস হাসপাতাল: ইলেকট্রনিক মেডিকেল রেকর্ড (ইএমআর), ডিজিটাল প্রেসক্রিপশন ও এআই অ্যাসিস্টেড ক্লিনিক্যাল ডিসিশন সাপোর্ট সিস্টেম চালুর মাধ্যমে ডিএমসিকে ডিজিটাল হাসপাতালে রূপান্তরিত করার প্রস্তাব এসেছে।

• পূর্ণাঙ্গ হেলথ সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটি: ঢাকা মেডিকেল কলেজকে একটি পূর্ণাঙ্গ হেলথ সায়েন্সেস ইউনিভার্সিটিতে উন্নীত করা এবং আন্তর্জাতিক মানের রিসার্চ ইনস্টিটিউট স্থাপনের জন্য দাবি এসেছে।

• চিকিৎসক ও শিক্ষার্থীদের সুযোগ-সুবিধা: শিক্ষার্থী ও রেসিডেন্ট চিকিৎসকদের জন্য নিরাপদ আবাসন (হোস্টেল), ২৪ ঘণ্টা রিডিং রুম, গবেষণা অনুদান ও নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করার জন্যও বিপুল দাবি রাখা হয়েছে।

• চিকিৎসকদের নিরাপত্তা ও সুশাসন: হাসপাতালকে সহিংসতামুক্ত ঘোষণা করা এবং চিকিৎসকদের ওপর হামলার বিরুদ্ধে কার্যকর আইন প্রণয়ন করা সুনিশ্চিত করা উচিত এবং দালালমুক্ত হাসপাতালের নিশ্চয়তা প্রদান করা প্রয়োজন।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, প্রতিদিন গড়ে ৬ থেকে ৮ হাজার মানুষ দেশের এই সর্ববৃহৎ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নেন। কিন্তু অতিরিক্ত রোগীর চাপ, জনবল সংকট ও আধুনিক প্রযুক্তির অভাবের কারণে, প্রতিষ্ঠানটি তার পূর্ণ সক্ষমতা প্রকাশ করতে পারছে না।

অধ্যাপক ডা. এ কে এম মহিউদ্দিন ভূঁইয়া মাসুম স্মারকলিপিতে উল্লেখ করেন, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শুধুই একটি প্রতিষ্ঠান নয়, এটি বাংলাদেশের চিকিৎসাবিজ্ঞানের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতীক। প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে এই ১০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা (২০২৬-২০৩৬) বাস্তবায়িত হলে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র দক্ষিণ এশিয়ায় অন্যতম সেরা চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও মানবসেবার প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।

ডিএমসির ৮১ বছরের গৌরবময় ঐতিহ্যকে ধারণ করে, দেশের স্বাস্থ্য বাজেট বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্য খাতের এই বৈপ্লবিক সংস্কারে প্রধানমন্ত্রীর সদয় ও কার্যকর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বিশ্বকাপে গোল মিসের পর তারকা ফুটবলারকে মৃত্যুর হুমকি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১২ পি.এম


বিশ্বকাপে গোল মিসের পর তারকা ফুটবলারকে মৃত্যুর হুমকি

বিশ্বকাপের মঞ্চে একটি গোলের সুযোগ হাতছাড়া করার পর, ফলস্বরূপ প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছেন কলম্বিয়ার ফরোয়ার্ড হামিন্তন কাম্পাজ। এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি সামাজিক মাধ্যমে।

ইনস্টাগ্রামে দেওয়া একটি বার্তায় কাম্পাজ বলেছেন, ফুটবলে কঠিন মুহূর্ত আসে। তিনি প্রিয় দেশ কলম্বিয়াকে অনুরোধ করেছেন, দয়া করে কখনো শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে ফেলবেন না। আমাদের মতামত ভিন্ন হতে পারে অথবা হতাশা ও দুঃখ অনুভব করতে পারি, তবে কোন আবেগই ঘৃণা ছড়ানো বা ভয়ে বেঁচে থাকার যৌক্তিকতা দেয় না।

ঘটনাটি প্রকাশের পর কাম্পাজের পাশে দাঁড়িয়েছে কলম্বিয়ান ফুটবল ফেডারেশন। তারা একটি বিবৃতিতে দ্রুত হুমকিদাতাদের শনাক্ত করে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

ফেডারেশন জানিয়েছে, দেশের হয়ে খেলার কারণে কোনো খেলোয়াড় বা তার পরিবারকে ভয়ভীতি দেখানো বা হুমকি দেওয়া মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। ফুটবল হওয়া উচিত ঐক্য, সম্মান এবং আশার জায়গা, কখনোই ঘৃণা, ভয়ভীতি বা সহিংসতার আবহ নয়।

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে, সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত সময়ের ১১৫তম মিনিটে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগটি পেয়েছিলেন কাম্পাজ। গোলরক্ষককে একা পেয়েও তিনি বলটি বারের উপরে মেরে ফেলেন। পরে ম্যাচটি টাইব্রেকারে গড়ায়, যেখানে তিনি নিজে গোল করার পরও কলম্বিয়া ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়।

এই ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কাম্পাজ ব্যাপক সমালোচনার পাশাপাশি মৃত্যুর হুমকির মুখে পড়েন।

এই ঘটনার ফলে অনেকের মনে ফিরে এসেছে ১৯৯৪ বিশ্বকাপের সেই মর্মান্তিক অধ্যায়। ওইবার যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আত্মঘাতী গোল করার কারণে কলম্বিয়ার ডিফেন্ডার আন্দ্রেস এসকোবার সমালোচনার শিকার হন। বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পর দেশে ফিরে এসকোবারকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল, যা ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম দুঃখজনক ঘটনা বলে বিবেচিত।

কাম্পাজের সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতা আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে যে ফুটবল একটি আবেগের খেলা হলেও, সেই আবেগ কখনোই সহিংসতা বা প্রাণনাশের হুমকিতে রূপান্তরিত হওয়া উচিত নয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শনিবার, ১১ই জুলাই, ২০২৬ ইং

০৮:১৫ পি.এম


১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টি ও বন্যার কারণে, চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমানের সব পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে।

শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায়, চট্টগ্রাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী সময় সংবাদকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আগামী ১৩, ১৫ এবং ১৬ জুলাইয়ের চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সন্ধ্যায়, শিক্ষামন্ত্রী এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের সঙ্গে জুম মিটিংয়ে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

পারভেজ সাজ্জাদ চৌধুরী আরও জানান, চট্টগ্রাম বিভাগের ৫ জন জেলা প্রশাসক মতামত দিয়েছেন যে, পরীক্ষা নেয়ার মতো অবস্থা নাই। তাদের মতামতের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বোর্ডের আওতাধীন জেলাগুলো হলো- চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান। স্থগিত পরীক্ষার নতুন সময়সূচি পরে জানানো হবে বলে জানা গেছে।

এর আগে বৈরী আবহাওয়ার কারণে, গত বুধবার এবং আজ শনিবারের পরীক্ষাও স্থগিত করা হয়েছে। এই পরীক্ষার তারিখও পরে জানানো হবে বলে বোর্ডের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%