ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

মাভাবিপ্রবিতে শিল্পক্ষেত্রে সিএডি ও সিমুলেশনের সম্ভাবনা নিয়ে সেমিনার


মাভাবিপ্রবিতে শিল্পক্ষেত্রে সিএডি ও সিমুলেশনের সম্ভাবনা নিয়ে সেমিনার

মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) ‘CAD Modeling and Simulation: Skills, Careers and Industry Perspective’ শীর্ষক একটি কারিগরি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। বক্তারা সেমিনারে সিএডি মডেলিং ও সিমুলেশনে দক্ষতা অর্জন, পেশাগত সম্ভাবনা এবং শিল্পক্ষেত্রে এসব প্রযুক্তির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করেন।

সেমিনারটি রোববার (১১ অক্টোবর) সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের যন্ত্রকৌশল ও অটোমোটিভ ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের উদ্যোগে বিভাগের সেমিনার হলে অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস-চ্যান্সেলর অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মতিউর রহমান।

আরও পড়ুন: চুয়েটের অচলাবস্থা নিরসনে তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ

অনুষ্ঠানে রিসোর্স পারসন হিসেবে আলোচনা করেন GaleoLab-এর প্রতিষ্ঠাতা এবং সিএফডি ও এফইএ সিমুলেশন ইঞ্জিনিয়ার ইঞ্জি. মো. রাকিবুল ইসলাম। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) অতিরিক্ত পরিচালক অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম এবং ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির মোল্ড ও ডাই উৎপাদন বিভাগের জুনিয়র এক্সিকিউটিভ প্রকৌশলী আলাউদ্দিন।

এছাড়া অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এফটিএনএস বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল হক। শিক্ষার্থীদের পক্ষে বক্তব্য দেন তানভীর আহমেদ আবির। সেমিনারটি সঞ্চালনা করেন বিভাগের শিক্ষার্থী মশিউর রহমান মারুফ। সভাপতিত্ব করেন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. ইঞ্জিনিয়ার মো. ইকবাল মাহমুদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মো. আনিছুর রহমান উল্লেখ করেন, সিএডি মডেলিং ও সিমুলেশন আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর একটি সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র। তিনি বলেন, দেশ-বিদেশে এ বিষয়ে দক্ষ জনবলের চাহিদা রয়েছে। শিক্ষার্থীদের এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জন করতে হবে প্রযুক্তির ক্রমাগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে।

তিনি আরও বলেন, আধুনিক প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সততা, নৈতিক মূল্যবোধ ও মানবিক গুণাবলির চর্চা করতে হবে। অধ্যাপক আনিছুর রহমান বলেন, প্রযুক্তির বিকাশ ও ব্যবহার বাড়লেও যেকোনো উদ্যোগের সাফল্য সততা ও ন্যায়নিষ্ঠার ওপর নির্ভরশীল।

আরও পড়ুন: ইবি প্রশাসনের চার পদে নতুন পরিচালক নিয়োগ

সেমিনারের বক্তারা বলেন, সিএডি মডেলিং ও সিমুলেশনে দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবেন। তারা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি ব্যবহারিক দক্ষতা, প্রযুক্তির যথাযথ প্রয়োগ এবং কর্মক্ষেত্রসংশ্লিষ্ট জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

কায়দা করে বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগ এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


কায়দা করে বাঁচার জন্য আ.লীগ-ছাত্রলীগ এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে: রাশেদ খাঁন

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন মন্তব্য করেছেন যে, অপরাধের শাস্তি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কৌশলে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের অনেক সদস্য এখন জামায়াতের দিকে ঝুঁকছে।

তিনি রবিবার (১১ অক্টোবর) দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্টে এ কথা বলেন।

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, ‘আমরা যেসময় আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে মিছিল করেছি, ডাকসুর বর্তমান ভিপি সাদিক কায়েম সেসময় ছাত্রলীগের হয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিছিল করেছে! শিবির তকমা দিয়ে আবরার ফাহাদকে হত্যা করা হলো, কিন্তু একজন শিবির নেতা সেই প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ পর্যন্ত করেনি। অথচ এরা নাকি গণভবন দখলের সব নকশা রেডি করে ফেলেছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘২০২৪ সালে পুনরায় কোটা সংস্কার আন্দোলন শুরু না হলে এবং শেখ হাসিনার হত্যার প্রতিবাদে জনগণ রাস্তায় না নামলে এরা ছাত্রলীগের বড় বড় পদ বাগিয়ে নিতে রেডি ছিল! কিন্তু এখন এই কথা এখন আর স্বীকার যাবে না!’

রাশেদ খাঁন যোগ করেন, ‘বিশেষ করে চাকরির ভেরিফিকেশনে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সম্পৃক্ততার তথ্য যাদের বিরুদ্ধে উঠে আসছে, এরা অধিকাংশই শিবির। এজন্য কে শিবির এবং কে ছাত্রলীগ সেই পার্থক্য খুঁজে বের করতে প্রশাসনকে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। কারণ কেউ শিবির (ছাত্রলীগ) হলে তাকে ভেরিফিকেশন থেকে বাদ দিলে যেমন ঝামেলা, আবার প্রকৃত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কেউ চাকরিতে ঢুকে পড়লে জনগণ আবার সেটি মানবে না। আবার পুলিশ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করতে গেলেও তার বিষয়ে নানা জায়গা থেকে তদবির আসছে যে, সে তো কায়দা করে বেঁচে থাকার জন্য ছাত্রলীগে ঢুকেছিল, সে প্রকৃতপক্ষে আমাদের লোক মানে শিবির!’

সবশেষে রাশেদ খাঁন লেখেন, ‘আবার শোনা যাচ্ছে, কায়দা করে বেঁচে থাকার জন্য আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের অনেকে এখন জামায়াত হয়ে যাচ্ছে! কি একটা মসিবত!!’

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আদালতের সঙ্গে প্রতারণার প্রমাণ মিলল তদন্তে, ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


আদালতের সঙ্গে প্রতারণার প্রমাণ মিলল তদন্তে, ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রণালয়ে চিঠি

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে সহোদর কোটায় তিন শিক্ষার্থীর ভর্তির প্রক্রিয়ায় জালিয়াতি ও সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মিথ্যা তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রতারণার প্রমাণ পেয়েছে উপজেলা প্রশাসনের গঠিত তদন্ত কমিটি। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেছে জেলা প্রশাসন।

তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ভর্তির ক্ষেত্রে তিন শিক্ষার্থীকে বিদ্যালয়ে পূর্বে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের সহোদর হিসেবে দেখানো হলেও তাদের বাবার নাম আলাদা। বিদ্যালয়ের ভর্তি রেজিস্টার, হাজিরা খাতা ও ফলাফলপত্র যাচাই করে তদন্ত কমিটি এ জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর, ১০ সেপ্টেম্বর জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি পাঠান।

রোববার (১১ অক্টোবর) জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, এখনো পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কোনো আদেশ পাওয়া যায়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমেনা খাতুন গত ২৭ জুলাই অভিযোগটি তদন্তের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) এম এ কাদেরকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেন। কমিটির অন্য দুই সদস্য ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. মাহবুবুল কবীর ও উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. অনিক রহমান। কমিটি সরেজমিন তদন্ত শেষে ১৬ আগস্ট ইউএনওর কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। পরে ২৪ আগস্ট প্রতিবেদনটি জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়।

তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, নবম শ্রেণিতে ওয়াসি চৌধুরী নামে এক শিক্ষার্থীকে ভর্তি করা হয়। তার বাবা মো. ওয়ালি উল্লাহ চৌধুরী। অথচ সহোদর হিসেবে দেখানো হয় একই শ্রেণিতে পড়ুয়া সাদাদ চৌধুরীকে, যার বাবার নাম মো. আলী হোসেন চৌধুরী। একইভাবে সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয় মারিয়া আক্তার মিমকে। তার বাবা মঞ্জুরুল হক। মিমের সহোদর হিসেবে দেখানো হয় অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ আহমেদ কণককে, যার বাবার নাম এনায়েত কবির।

এছাড়া, সপ্তম শ্রেণিতে ভর্তি হওয়া মাহফুজা হাসানের সহোদর হিসেবে দেখানো হয় দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোহাইমিন চৌধুরীকে। মাহফুজার বাবার নাম মাহমুদ হাসান হলেও মোহাইমিনের বাবার নাম মাহবুব হোসেন চৌধুরী।

তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, তিন শিক্ষার্থীর ভর্তি কার্যক্রমে বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ, সহকারী শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক ও আব্দুল মালেক আকন্দের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। শিক্ষকদের দেওয়া সহোদর-সংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্রের ভিত্তিতেই অভিভাবকেরা হাইকোর্ট বিভাগে এমন তথ্য উপস্থাপনের সুযোগ পেয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকেরা প্রত্যয়নপত্রে নিজেদের স্বাক্ষর করার কথা স্বীকার করেছেন। তবে তারা ইচ্ছাকৃতভাবে জালিয়াতিতে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার দায় নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও দুই শ্রেণিশিক্ষক পরস্পরের ওপর দায়িত্ব চাপিয়েছেন।

তদন্ত কমিটির পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, প্রত্যয়নপত্রগুলো উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে দেওয়া হয়ে থাকলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষক ও অভিভাবকেরা জালিয়াতির দায় এড়াতে পারেন না। আর তথ্য যাচাই না করে প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হলেও তা শিক্ষকদের দায়িত্ব ও পেশাদারিত্বে গুরুতর অবহেলা।

এছাড়া, ভর্তিকৃত তিন শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের সঙ্গে তাদের সহোদর হিসেবে দেখানো শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের যোগসাজশ থাকতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, এ ঘটনায় শুধু অন্য ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয়নি, বরং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও শিক্ষাব্যবস্থার মর্যাদাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের সর্বোচ্চ আদালতের হাইকোর্ট বিভাগের কাছে মিথ্যা ও বিকৃত তথ্য-প্রমাণ উপস্থাপনের মাধ্যমে প্রতারণা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে তদন্ত কমিটি।

জেলা প্রশাসকের চিঠিতে তদন্ত প্রতিবেদনের বরাতে বলা হয়েছে, সহোদর কোটায় তিন শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতারণা ও জালিয়াতির বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক আবু বকর সিদ্দিক ও আব্দুল মালেক আকন্দের দাবি, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের কথায় তারা কাগজপত্র যাচাই না করেই স্বাক্ষর করেছিলেন। স্বাক্ষর না করলে বিদ্যালয়ে হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা ছিল বলেও তারা জানান।

এ বিষয়ে জানতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদ বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই।

উল্লেখ্য, গত মার্চে বিদ্যালয়ের সরঞ্জামাদি না কিনেই সাড়ে ৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছিল ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াদুদের বিরুদ্ধে। পরে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তদন্তে সেটি প্রমাণিত হয়। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

পাইকগাছায় ১৫১ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, শেষ মুহূর্তের রং-তুলির কাজ চলছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪০ পি.এম


পাইকগাছায় ১৫১ মণ্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি, শেষ মুহূর্তের রং-তুলির কাজ চলছে

খুলনার পাইকগাছায় শারদীয় দুর্গাপূজার জন্য শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার ১৫১টি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ সম্পন্ন হয়ে এখন চলছে রং করা ও সাজসজ্জার কাজ। ভাস্কর ও কারিগররা দেবী দুর্গাসহ বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমায় রংতুলির শেষ আঁচড় দিতে ব্যস্ত রয়েছেন। একই সঙ্গে মণ্ডপে প্যান্ডেল, তোরণ নির্মাণ এবং আলোকসজ্জার কাজও দ্রুততার সঙ্গে এগিয়ে চলছে।

শনিবার (১১ অক্টোবর) মহালয়ার মাধ্যমে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার দেবীপক্ষের সূচনা হয়েছে। দুর্গোৎসবের ক্ষণগণনা শুরু হওয়ায় পূজামণ্ডপগুলোতে কর্মব্যস্ততা বেড়ে গেছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা দিন-রাত কাজ করছেন।

সরেজমিনে বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দেখা যায়, কোথাও প্রতিমার শরীরে রং লাগানো হচ্ছে, কোথাও অলংকার ও পোশাক দিয়ে প্রতিমা সাজানোর কাজ চলছে। আবার কিছু মণ্ডপে চলছে প্যান্ডেল নির্মাণ ও আলোকসজ্জার প্রস্তুতি। শিল্পীদের নিপুণ হাতে ধীরে ধীরে পূর্ণতা পাচ্ছে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক ও অসুরের প্রতিমা। প্রতিমার মুখাবয়ব ও অলংকারে রঙের কাজ শেষ করতে ব্যস্ত কারিগরেরা।

প্রতিবছরের মতো এবারও দুর্গোৎসবকে আনন্দমুখর করে তুলতে নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন আয়োজকেরা। মণ্ডপ সাজানো থেকে শুরু করে আলোকসজ্জা ও অন্যান্য আনুষঙ্গিক কাজে চলছে নানা আয়োজন। পূজার দিনগুলোতে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি ও উৎসবের পরিবেশ সুন্দর রাখতে আয়োজকেরা প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

পাইকগাছা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক প্রাণকৃষ্ণ দাস জানিয়েছেন, উপজেলার ১০টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এবার মোট ১৫১টি মণ্ডপে সর্বজনীন দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে পাইকগাছা পৌরসভায় ৬টি, হরিঢালী ইউনিয়নে ১৭টি, কপিলমুনি ইউনিয়নে ১৮টি, লতা ইউনিয়নে ১২টি, দেলুটি ইউনিয়নে ১৩টি, সোলাদানা ইউনিয়নে ১২টি, লস্কর ইউনিয়নে ১৯টি, গদাইপুর ইউনিয়নে ৭টি, রাড়ুলী ইউনিয়নে ২০টি, চাঁদখালী ইউনিয়নে ১৫টি এবং গড়ইখালী ইউনিয়নে ১২টি মণ্ডপ রয়েছে।

মণ্ডপের সংখ্যা বিবেচনায় রাড়ুলী ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি ২০টি দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া লস্কর ইউনিয়নে ১৯টি এবং কপিলমুনি ইউনিয়নে ১৮টি মণ্ডপে পূজার আয়োজন করা হয়েছে।

পাইকগাছা পৌরসভা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাবুরাম মণ্ডল জানিয়েছেন, এ বছর সুষ্ঠু, সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব উদ্‌যাপনের আশা করছেন তাঁরা। পূজামণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রতিটি মন্দির সিসি ক্যামেরার আওতায় নেওয়া হয়েছে। উৎসব চলাকালে যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সরকারিভাবে প্রতিটি মন্দিরে ৬শ কেজি করে চাউল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১৬ অক্টোবর থেকে দুর্গাপূজা শুরু হবে। ২১ অক্টোবর বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের দুর্গোৎসব।

দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে পাইকগাছার বিভিন্ন এলাকায় এখন উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। প্রতিমা সাজানো ও মণ্ডপের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শেষ হলে পূজার আনুষ্ঠানিকতা ঘিরে ব্যস্ততা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত্যু ৩০০ ছাড়ালো

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

রবিবার, ১১ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:৪১ পি.এম


ডেঙ্গুতে চলতি বছরে মৃত্যু ৩০০ ছাড়ালো

সেপ্টেম্বরে ১৪৮ জনের মৃত্যু ঘটানোর পর অক্টোবরে ডেঙ্গুর পরিস্থিতি আরও মারাত্মক হয়ে উঠেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এডিস মশাবাহিত রোগটি ৪ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। ফলে চলতি বছরে ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা ৩০৩ জনে পৌঁছেছে।

রোববার (১১ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত বুলেটিনে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২,১৯৩ জন। তাদের মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২৩৬, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯৩, ঢাকা বিভাগের সিটি করপোরেশনের বাইরে ৫৩০, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৫০, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২৫০, খুলনা বিভাগে ৩০৪, ময়মনসিংহ বিভাগে ৭০, রাজশাহী বিভাগে ১৬০, রংপুর বিভাগে ৮৪ এবং সিলেট বিভাগে ১৬ জন রয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১১ অক্টোবর পর্যন্ত দেশে মোট ৯৯,২৭৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৯২,৮০৩ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ১,৭৯৬ জন সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, চলতি বছর ডেঙ্গুতে মোট ৩০৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। অক্টোবরের প্রথম ১০ দিনে মারা গেছে ৫৮ জন। এছাড়া, সেপ্টেম্বরে ১৪৮, আগস্টে ৪৩, জুলাইয়ে ৩৬, জুনে ১৩, মে মাসে ১ এবং জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারিতে ২ জন করে ডেঙ্গু রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ১,০২,৮৬১ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে মারা যান ৪১৩ জন।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছিলেন ১,০১,২১৪ জন। এ সময়ে ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছিল ৫৭৫ জনের।

এর আগে ২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন ৩,২১,১৭৯ জন। ওই বছর ডেঙ্গুতে মারা যান ১,৭০৫ জন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%