বুধবার, ১৬ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৫:২১ পি.এম
কলম্বিয়ার তারকা ফুটবলার জেমস রদ্রিগেজ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানিয়েছেন। মঙ্গলবার জাতীয় দলের সঙ্গে ১৫ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারের ইতি টানার ঘোষণা দেন তিনি।
রদ্রিগেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি বার্তায় উল্লেখ করেন, "অনেক বছর, অনেক ম্যাচ এবং আনন্দ আর কঠিন মুহূর্তগুলোর পর আমার জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় শেষ করার সময় এসেছে কলম্বিয়ান জাতীয় দলের সঙ্গে আমার যাত্রা।"
২০১১ সালের অক্টোবরে বলিভিয়ার বিরুদ্ধে কলম্বিয়ার হয়ে আন্তর্জাতিক অভিষেক ঘটে রদ্রিগেজের। অভিষেক ম্যাচেই গোল করে তিনি নিজের আগমনের জানান দেন। এরপর ধীরে ধীরে জাতীয় দলের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হয়ে ওঠেন এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার।
২০১৪ বিশ্বকাপ ছিল রদ্রিগেজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়। তিনি মাত্র পাঁচ ম্যাচে ছয় গোল করে আসরের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার গোল্ডেন বুট অর্জন করেন। শেষ ষোলোতে উরুগুয়ের বিরুদ্ধে তার করা দুর্দান্ত ভলি গোলটি বিশ্বকাপের অন্যতম স্মরণীয় গোল হিসেবে পরিচিতি পায়। সেই বিশ্বকাপের পর রিয়াল মাদ্রিদ তার প্রতি আগ্রহ দেখায় এবং টুর্নামেন্ট শেষে স্প্যানিশ জায়ান্টদের সঙ্গে চুক্তি করেন তিনি।
রদ্রিগেজ কলম্বিয়ার হয়ে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৬ তিনটি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছেন। তবে ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে কলম্বিয়া জায়গা করে নিতে পারেনি।
জাতীয় দলের জার্সি নিয়ে আবেগের কথা জানিয়ে ৩৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার বলেন, "এই জার্সি পরা ছিল একটি স্বপ্ন, পাশাপাশি বিশাল দায়িত্বও ছিল। প্রত্যেকবার যখন আমি মাঠে ঢুকতাম, বুঝতে পারতাম আমি শুধু আমার জন্য খেলছি না। আমি আমার পরিবার, সতীর্থ এবং হাজারো কলম্বিয়ানের জন্য খেলছি, যারা স্বপ্ন দেখত।"
১০ নম্বর জার্সি পরার পাশাপাশি জাতীয় দলের অধিনায়কত্ব করার সুযোগ পাওয়াকে বিশেষ সম্মান হিসেবে উল্লেখ করেছেন রদ্রিগেজ। তিনি বলেন, "সম্মান, দায়িত্ববোধ ও কলম্বিয়ার প্রতিনিধিত্ব করার তাৎপর্য অনুধাবন করে আমি সবসময় এটি করার চেষ্টা করেছি। ভালো দিন যেমন ছিল, খুব কঠিন দিনও ছিল। কিন্তু এই রঙের গর্ববোধ করা কখনও থামাইনি।"
সুইজারল্যান্ডের বিরুদ্ধে গত ৭ জুলাই টাইব্রেকারে হেরে যাওয়া শেষ ষোলো ম্যাচটি রদ্রিগেজের আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ হয়ে দাঁড়ায়। কলম্বিয়ার জার্সিতে ১৩১ ম্যাচে তিনি ৩১ গোল করেছেন এবং ৪৩টি অ্যাসিস্ট রয়েছে।
২০২৪ কোপা আমেরিকাতেও কলম্বিয়ার নেতৃত্ব দিয়েছেন রদ্রিগেজ। তার অধিনায়কত্বে দলটি ফাইনালে উঠেছিল, তবে ফাইনালে আর্জেন্টিনার কাছে পরাজিত হয়ে শিরোপা হাতছাড়া হয় কলম্বিয়ার।
সম্প্রতি কলম্বিয়ার ক্লাব অ্যাতলেটিকো নাসিওনালের সঙ্গে চুক্তি করেছেন রদ্রিগেজ। জাতীয় দলকে বিদায় জানালেও ক্লাব ফুটবলে আরও কিছুদিন খেলা চালিয়ে যেতে চান তিনি।
বিদায়বার্তায় রদ্রিগেজ বলেন, "আমি শান্ত হৃদয় নিয়ে বিদায় নিচ্ছি। কারণ আমি সবকিছু উজাড় করে দিয়েছি। প্রত্যেকটি মুহূর্তের জন্য ধন্যবাদ, ধন্যবাদ কলম্বিয়া।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন আগামী ২৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ উপলক্ষে নির্বাচন কমিশন (ইসি) ‘আইন-শৃঙ্খলা ও অপতথ্য মনিটরিং সেল’ গঠনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেনের স্বাক্ষরিত চিঠির মাধ্যমে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আসন ৩, ঠাকুরগাঁও-১ নির্বাচনি এলাকার শূন্য আসনে ভোটগ্রহণের দিন ২৯ অক্টোবর নির্ধারণ করে ১০ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন তফসিল ঘোষণা করেছে।
নির্বাচন কমিশন চিঠিতে জানায়, নির্বাচন সুষ্ঠু, অবাধ ও উৎসবমুখর পরিবেশে আয়োজনের জন্য আইনশৃঙ্খলা সমন্বয় কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটির কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে নির্বাচন ভবনে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ, বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ‘আইনশৃঙ্খলা ও অপতথ্য মনিটরিং সেল’ গঠন করা হবে। এ প্রেক্ষাপটে অভিজ্ঞতাসম্পন্ন প্রতিনিধি (উপসচিব/মেজর/পুলিশ সুপার সমমর্যাদার নিম্নে নয়) মনোনয়ন করে জরুরি ভিত্তিতে নাম ও মোবাইল নম্বর সরবরাহের জন্য নির্বাচন কমিশন নির্দেশনা দিয়েছে।
চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের নিজ নিজ বাহিনীর সংগঠন, চেইন অব কমান্ড, মোতায়নের তথ্য ইত্যাদি বিষয়ে জ্ঞানসম্পন্ন হতে হবে। এছাড়া, সদর দপ্তর থেকে মাঠপর্যায়ে মোতায়েনকৃত সব প্রতিনিধির সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন ও দক্ষতার সঙ্গে তথ্য আদান-প্রদানে সক্ষমতা এবং মিসইনফরমেশন/ডিসইনফরমেশন সংক্রান্ত প্রযুক্তিগত জ্ঞানসম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন। সূত্র: বাসস
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসন ২৮০ কোটি ডলারের একটি অস্ত্র প্যাকেজ অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা ইসরায়েলের জন্য নির্ধারিত। এই প্যাকেজের আওতায় ইসরায়েলকে প্রায় ৪০ হাজার বোমা সরবরাহ করা হবে। বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ত্র প্যাকেজটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ২০ হাজার উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ২ হাজার পাউন্ড ওজনের এমকে-৮৪ বোমা এবং মার্কিন নৌবাহিনী দ্বারা ব্যবহৃত উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন সাধারণ উদ্দেশ্যের বিএলইউ-১১৭ বোমা।
এই বোমাগুলোর বিভিন্ন সংস্করণ তৈরি করা হয়েছে। কিছু বোমা মাটির গভীরে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে, আবার কিছু বোমা মাটির ওপরে বিস্ফোরিত হয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটাতে সক্ষম।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রস্তাবিত অস্ত্র চুক্তির বিষয়ে মার্কিন কংগ্রেসকে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে। চুক্তির অধিকাংশ অর্থ বিদেশি সামরিক সহায়তার মাধ্যমে পরিশোধ করা হবে।
এই ব্যবস্থায় মার্কিন করদাতাদের অর্থ ইসরায়েলকে প্রদান করা হয়। পরে ইসরায়েল সেই অর্থ ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে অস্ত্র ক্রয় করে থাকে।
এ বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, বিদেশে অস্ত্র বিক্রির সব প্রক্রিয়া যথাযথ নিয়ম মেনে চলছে। তবে তিনি চলমান নির্দিষ্ট অস্ত্র লেনদেন সম্পর্কে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
যুক্তরাষ্ট্র সৌদি আরব ভ্রমণের জন্য মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক করেছে। দেশটিতে ভ্রমণের পূর্বে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সর্বশেষ সতর্কবার্তায় সৌদি আরবকে তৃতীয় স্তরে স্থান দেওয়া হয়েছে, যা নির্দেশ করে যে ভ্রমণ পুনর্বিবেচনার পরামর্শ রয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সৌদি আরবে মার্কিন স্বার্থের বিরুদ্ধে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি বিদ্যমান, পাশাপাশি সশস্ত্র সংঘাত ও সন্ত্রাসবাদের আশঙ্কাও রয়েছে। এ ছাড়া, দেশটিতে প্রবেশ এবং বের হওয়ার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারের স্থানীয় আইন সম্পর্কেও সতর্ক করা হয়েছে।
সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, সৌদি আরবের কিছু অঞ্চলে ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশেষ করে ইয়েমেন সীমান্তবর্তী এলাকায় নিরাপত্তার ঝুঁকি বেশি হওয়ায় সেখানে ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে সৌদি আরবের দিকে ইরান থেকে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা অব্যাহত রয়েছে। এর আগে সৌদি আরবের বিভিন্ন শহর, অবকাঠামো, বিমানবন্দর, সামরিক ঘাঁটি, কূটনৈতিক ও জ্বালানি স্থাপনায় হামলা হয়েছে বলেও সতর্কবার্তায় উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া, সৌদি আরবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে করা কোনো বক্তব্য বা কার্যক্রম যদি স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে সমালোচনামূলক, আপত্তিকর বা জনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী মনে হয়, তাহলে গ্রেপ্তারের ঝুঁকি রয়েছে বলেও যুক্তরাষ্ট্র সতর্ক করেছে।
এদিকে, ইয়েমেনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সতর্কতা চতুর্থ স্তর বজায় রাখা হয়েছে। দেশটিতে সন্ত্রাসবাদ, অস্থিরতা, অপরাধ, অপহরণ, স্বাস্থ্যঝুঁকি ও স্থলমাইনের আশঙ্কার কারণে মার্কিন নাগরিকদের কোনোভাবেই ভ্রমণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
নিউইয়র্কে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিসহ মাসিক ইউটিলিটি বিলের খরচ কমানোর জন্য নতুনভাবে প্রায় ২৫ লাখ পরিবারের জন্য সহায়তার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। রাজ্যের সম্প্রসারিত জ্বালানি সাশ্রয় কর্মসূচির আওতায় যোগ্য পরিবারগুলো মাসিক বিলে ছাড় পেতে সক্ষম হবে। পরিবারের আয় ও পরিস্থিতির ভিত্তিতে বছরে সর্বোচ্চ ৫০০ ডলার পর্যন্ত সাশ্রয় সম্ভব।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের গভর্নর ক্যাথি হোকুল এই কর্মসূচিতে অধিক সংখ্যক পরিবারকে যুক্ত করার জন্য রাজ্যজুড়ে নতুন তালিকাভুক্তি কার্যক্রমের ঘোষণা দেন। রাজ্যের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ১০ লাখ পরিবার ইতোমধ্যে এই কর্মসূচির সুবিধা গ্রহণ করছে। নতুন নিয়মের মাধ্যমে আরও প্রায় ২৫ লাখ পরিবার মাসিক ইউটিলিটি বিলের ছাড় পাওয়ার যোগ্য হতে পারে।
তবে, এই সুবিধাকে সবার জন্য নিশ্চিত ৫০০ ডলারের নগদ সহায়তা হিসেবে দেখা যাবে না। এটি মূলত ইউটিলিটি বিলের ওপর মাসিক ছাড়। পরিবারের আয় অনুযায়ী ছাড়ের পরিমাণ নির্ধারণ করা হবে। কর্মসূচির লক্ষ্য হলো যোগ্য পরিবারের বার্ষিক আয়ের তুলনায় সাধারণ ইউটিলিটি খরচ ৬ শতাংশের মধ্যে রাখা।
২০২৬ সালের মধ্যে কর্মসূচির যোগ্যতার পরিধি বৃদ্ধি করা হয়েছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্য বা সংশ্লিষ্ট এলাকার মধ্যম আয়ের নিচে থাকা আরও অনেক পরিবার এই সুবিধার আওতায় আসতে সক্ষম হবে। এর ফলে আগে যোগ্য না থাকা কিছু পরিবারও এখন ইউটিলিটি বিলের ছাড়ের জন্য আবেদন করার সুযোগ পাবে।
রাজ্যের তথ্য অনুযায়ী, কিছু পরিবার অন্য সরকারি সহায়তা কর্মসূচির সুবিধাভোগী হওয়ায় স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ঘরের জ্বালানি সহায়তা কর্মসূচি, চিকিৎসা সহায়তা, খাদ্য সহায়তা, অতিরিক্ত নিরাপত্তা আয়, সরকারি আবাসন সহায়তা এবং বয়স্ক সাবেক সেনাদের নির্দিষ্ট সুবিধা।
তবে, কোন কর্মসূচির সুবিধাভোগীরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে যুক্ত হবেন এবং কাদের নিজে আবেদন করতে হবে, তা সংশ্লিষ্ট কর্মসূচি ও ইউটিলিটি কোম্পানির নিয়মের ওপর নির্ভর করবে।
যারা ইতোমধ্যে ঘরের জ্বালানি সহায়তা কর্মসূচির সুবিধা পান, তারা নিজেদের ইউটিলিটি কোম্পানির সঙ্গে যোগাযোগ করে এই কর্মসূচিতে তাদের হিসাব অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কি না, তা যাচাই করতে পারবেন। অন্যদিকে আয়ভিত্তিক যোগ্য গ্রাহকরা সরাসরি নিজেদের ইউটিলিটি কোম্পানির মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন।
আবেদনের সময় পরিবারের আয় ও যোগ্যতার প্রমাণসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হতে পারে। তবে কী কী কাগজপত্র লাগবে, তা ইউটিলিটি কোম্পানি ও আবেদনকারীর যোগ্যতার ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট ইউটিলিটি কোম্পানির কাছ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
নিউইয়র্ক রাজ্যের হিসাবে, নতুন ও পুরোনো সুবিধাভোগী মিলিয়ে রাজ্যের প্রায় অর্ধেক পরিবার এই কর্মসূচির আওতায় মাসিক ইউটিলিটি বিলের ছাড় পাওয়ার যোগ্য হতে পারে। তাই যোগ্য পরিবারগুলোকে নিজেদের যোগ্যতা যাচাই করে আবেদন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ