ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু, স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত


বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল চালু, স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত

দেশের মানুষের উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে স্বাস্থ্যব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে সরকার। এই প্রেক্ষাপটে, স্বাস্থ্যসেবা আরও সহজলভ্য ও কার্যকর করার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (বিএমইউ) সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ এবং থাইল্যান্ডের বামরুনগ্রাদ ইন্টারন্যাশনাল হাসপাতালের আদলে ওয়ান-স্টপ ইমার্জেন্সি সার্ভিস মডেল চালু করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

বিএমইউ’র এই সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতাল আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে পূর্ণাঙ্গরূপে চালু হবে। তবে এটি একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হবে। হাসপাতালের জন্য একটি আলাদা পরিচালনা পর্ষদ দ্রুত গঠন করা হবে। নিয়োগপ্রাপ্ত কর্মীরা প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ পাবেন না।

হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সী জানিয়েছেন, ‘আশা করছি আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে হাসপাতালটি পূর্ণাঙ্গরূপে চালু করতে পারব। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে পরিচালিত হবে এ হাসপাতালটি।’ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, বিএমইউর উপাচার্য প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে একজন উপ-উপাচার্যকে নিয়োগ দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে মৃত্যু বেড়ে ৪, হাসপাতালে ভর্তি ১৮৫১ জন

এছাড়া, হাসপাতালের নিরাপত্তা, পরিচ্ছন্নতা ও অন্যান্য সহায়ক সেবা প্রতিযোগিতামূলক দরপত্রের মাধ্যমে দক্ষ প্রতিষ্ঠানের কাছে আউটসোর্স করা হবে। বিএমইউ’র বর্তমান চিকিৎসক ও নার্সরা এখানে কাজ করবেন না। চিকিৎসক, নার্সসহ অন্যান্য জনবল বাইরে থেকে নিয়োগ দেওয়া হবে। সরকারি চাকরি ছেড়ে এখানে যোগ দিতে আগ্রহী হলে তারা পারবেন। সব জনবলই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাবেন।

নতুন কাঠামোয় চিকিৎসকদের প্রাইভেট প্র্যাকটিসের সুযোগ না দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে। এর বিনিময়ে হাসপাতাল থেকেই তাদের ভালো বেতন ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিএমইউর উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদ জানিয়েছেন, ‘আগামী ৮ অক্টোবর সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হবে। এর পরই যতদ্রুত সম্ভব প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিয়োগ দেওয়া হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘যত দ্রত সম্ভব সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি চালু করব। তবে এটি ধাপে ধাপে চালু করতে হবে, কারণ হাসপাতালের অনেক কিছুই সংস্কার করতে হবে। আমরা সব কিছু নিয়ম মেনে করতে চাই।’

সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালের পরিচালনা সহজ করার জন্য এবং চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা ও স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গত ১৩ জুলাই বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (দ্বিতীয় সংশোধন) বিল, ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

আরও পড়ুন: ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে ৫ শিশুর মৃত্যু

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্বলিত বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশে উচ্চতর চিকিৎসা শিক্ষা, গবেষণা এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯৮ অনুযায়ী বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

বিএমইউর কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে জানা গেছে, বিএমইউ সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি পরিচালিত হবে একটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানির মাধ্যমে। এখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০ শতাংশ এবং সরকারের ১০ শতাংশ শেয়ার থাকবে। হাসপাতালের প্রশাসনিক ও আর্থিক স্বাধীনতা নিশ্চিত করতেই এই করপোরেট মডেল প্রয়োজন। এতে ভালো বেতন দিয়ে যোগ্য ও দক্ষ চিকিৎসকদের আনা সহজ হবে। হাসপাতালটি চালু হলে দেশের মানুষের বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা গ্রহণের জন্য বিদেশ গমনের প্রবণতা কমবে।

এর আগে, সুপার স্পেশালাইজড হাসপাতালটি পুরোদমে চালু করার জন্য এবং সব ধরনের জটিলতা নিরসন করতে গত ১১ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় বিএমইউ উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদকে আহ্বায়ক এবং হাসপাতালটির পরিচালক অধ্যাপক ডা. সাইফ উল্লাহ মুন্সীকে সদস্যসচিব করে ৭ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়।

বিশ্বমানের সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাসপাতালে কার্ডিও অ্যান্ড সেরিব্রোভাসকুলার সেন্টার, হেপাটোবিলিয়ারি অ্যান্ড লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্ট সেন্টার, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা সেন্টার, কিডনি রোগ ও ইউরোলজি সেন্টার এবং জরুরি ও ট্রমা সেন্টারের মতো পাঁচটি বিশেষায়িত কেন্দ্র থাকবে। এছাড়া, হাসপাতালটিতে ১৪টি অপারেশন থিয়েটার, ১০০ শয্যার আইসিইউ, ১০০ শয্যার জরুরি ইউনিট, ছয়টি ভিভিআইপি কেবিন, ২২টি ভিআইপি কেবিন এবং ২৫টি ডিলাক্স কেবিন থাকবে।

আরও পড়ুন: ক্যানসার হাসপাতালগুলোতে রেডিওথেরাপি মেশিন স্থাপনের উদ্যোগ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে দেশি-বিদেশি দক্ষ জনবল নিয়োগের জন্য হাসপাতালটিতে স্থায়ী নিয়োগের পরিবর্তে সব নিয়োগই হবে চুক্তিভিত্তিক। ১ হাজার ৮৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৭৫০ শয্যার এই হাসপাতাল ২০২২ সালের সেপ্টেম্বরে উদ্বোধন হয়। তবে এখন পর্যন্ত এর জন্য নির্দিষ্ট জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি। বিএমইউর বর্তমান কর্মী ও বাজেট দিয়েই এখানে সীমিত পরিসরে সেবা দেওয়া হচ্ছে। সূত্র: বাসস

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


মধ্যরাতে আগুনে পুড়ল ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী সিনেমা হল

ময়মনসিংহের গৌরীপুর পৌর শহরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হলসহ অন্তত ২০টি দোকান পুড়ে গেছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) রাত সোয়া ২টার দিকে সিনেমা হলটিতে আগুনের সূত্রপাত ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি ইউনিট সেখানে গিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টা চালিয়ে রাত ৩টা ৪০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।

ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক পূর্ণ চন্দ্র মুৎসুদ্দী গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ফলে সিনেমা হলসংলগ্ন এলপিজি সিলিন্ডারের গুদাম, ডেকোরেশন সামগ্রীর দোকান, পুরোনো কাপড়ের দোকানসহ একাধিক ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সম্পূর্ণরূপে পুড়ে গেছে।

ফায়ার সার্ভিসের প্রাথমিক ধারণা, সিনেমা হলের পাশে অবস্থিত এলপিজি সিলিন্ডারের গুদাম থেকেই আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে আগুন লাগার প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

স্থানীয়দের মতে, রাতের বেলায় হঠাৎ করে আগুনের সূত্রপাত হলে তা মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় ব্যবসায়ীরা অনেক মালামাল বের করে আনতে পারেননি।

জানা গেছে, পুরোনো একটি জমিদার বাড়িতে পরিচালিত ঝলমল সিনেমা হলটি দীর্ঘদিন ধরে গৌরীপুরের মানুষের বিনোদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল। অগ্নিকাণ্ডের ফলে ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানিয়েছে, অগ্নিকাণ্ডে মোট কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা তদন্ত শেষে জানা যাবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দুটো টাকার জন্য কত কিছু করতে হয়: কৌশানী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

বিনোদন ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৩ পি.এম


দুটো টাকার জন্য কত কিছু করতে হয়: কৌশানী

ভারতীয় বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় ও আবেদনময়ী অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জি ‘বহুরূপী’ সিনেমার সাফল্যের পর দুই বছরের আড়ালের পর আবারও বড় পর্দায় ফিরছেন ঝিমলি চরিত্রে।

নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখার্জির পরিচালনায় ‘বহুরূপী’র সিক্যুয়েল ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ দিয়ে তিনি আবারও পর্দা মাতাতে আসছেন।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) ভারতের সংবাদমাধ্যম আজকালের প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

আগামী ১৫ অক্টোবর মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে এই বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমার। তবে তার আগেই সিনেমাটির প্রচারের একটি মজার ভিডিও প্রকাশ্যে এসে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে।

প্রচারে একদম ভিন্ন এবং অচেনা অবতারে ধরা দিয়েছেন কৌশানী। ভিডিওটির ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, ‘ছ্যাঁচড়াপুর ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মের ঝিমলি যখন মাছওয়ালি।’ মাথায় শক্ত করে বাঁধা খোঁপা, গায়ে সাধারণ শাড়ি, মুখে শ্যামলা মেকআপ এবং ডি-গ্ল্যাম লুকে একেবারে চেনা মেছুনির রূপ ধারণ করেছেন তিনি। হাতে বড় বড় মাছ নিয়ে ক্রেতাদের ডাকতে দেখা গেছে তাকে।

মাছ বিক্রি ও কাটতে গিয়ে বেশ নাজেহাল হতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। বঁটির কাছে মাছ নিয়ে ঘষতে ঘষতে মজার ছলে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘ম্যায় লুট গয়ি, ম্যায় বরবাদ হো গয়ি। দুটো টাকার জন্য কত কী করতে হয়! জীবনে ভাবিনি মাছওয়ালি হতে হবে।’ মাছ কাটার সেই খুনসুটি ভরা দৃশ্য বুঝিয়ে দেয় চরিত্রটি দারুণ উপভোগ করছেন তিনি।

শুধু মাছ কাটা নয়, বাজারের হকারদের মতো গলা ফাটিয়ে গলা ছেড়ে ডাকতেও দেখা গেছে তাকে। হাতে বড় মাছ তুলে তার হাঁকডাক, ‘দুইশ দুইশ, সিলভার দুইশ, বড় মাছ, টাটকা মাছ!’ শুটিংয়ের ফাঁকেও কৌশানীর হাসিখুশি ও রসিক মেজাজ সবার নজর কেড়েছে। শুটিংয়ের ফাঁকে কলাকুশলীদের সঙ্গেও মাছের গন্ধ নিয়ে মজা করতে দেখা যায় তাকে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে সরকারের নতুন উদ্যোগ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


দেশের সব মানুষকে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে সরকারের নতুন উদ্যোগ

সরকার দেশের সব নাগরিককে ডিজিটাল ঠিকানার আওতায় আনতে চায়। প্রত্যেক নাগরিকের জন্য ই-মেইল এবং হোয়াটসঅ্যাপ থাকবে। ডিজিটাল পরিচয় যাচাইয়ের পর প্রত্যেকে একটি নম্বর (ডিজিটাল পরিচিতি) পাবেন। ডাক অধিদপ্তরের ‘নাগরিক প্রান্তে বিদ্যমান ডাকসেবার সম্প্রসারণ ও সহজলভ্যকরণ’ প্রকল্পের আওতায় এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

চলতি বছরের মার্চ মাসে শুরু হওয়া প্রকল্পটির মোট ব্যয় প্রায় ৪০ কোটি টাকা, যা ২০২৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে শেষ হওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ডিজিটাল ঠিকানা ব্যবস্থাপনার জন্য দুই কোটি টাকার বেশি ব্যয়ের প্রস্তাব করা হয়েছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রথমে দেশের পোস্টম্যানদের বিট এলাকা চিহ্নিত করে ডিজিটাল মানচিত্র তৈরি করা হবে। এরপর, প্রতিটি বিটের আওতায় থাকা পরিবার বা ডাক পৌঁছানোর স্থানগুলো শনাক্ত করে তথ্যভান্ডারে যুক্ত করা হবে।

সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে দেশের প্রায় চার কোটি পরিবারের ঠিকানা এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হবে। ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরও যুক্ত করা হবে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো, দেশের কোনো নাগরিক যেন ঠিকানার বাইরে না থাকেন। কোনো ব্যক্তির কাছে বার্তা পাঠানোর ক্ষেত্রে ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করা সম্ভব হবে, সেটিও এই প্রকল্পের লক্ষ্য।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পোস্টম্যানদের নির্দিষ্ট বিট রয়েছে। একজন পোস্টম্যানের আওতায় কয়েকশ পরিবার থাকতে পারে। অনেক এলাকায় বাড়ি বা ভবনের নির্দিষ্ট নম্বর থাকলেও, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যক্তির নাম, বাড়ির নাম বা স্থানীয় পরিচিতির মাধ্যমে ঠিকানা শনাক্ত করা হয়।

এই কারণে, একই ধরনের বা অসম্পূর্ণ ঠিকানার জন্য অনেক সময় ডাক ও অন্যান্য সেবা পৌঁছাতে জটিলতা সৃষ্টি হয়। প্রকল্পের আওতায় প্রথমে এসব বিটকে ডিজিটালভাবে চিহ্নিত করা হবে। এরপর, প্রতিটি বিটের আওতায় থাকা পরিবার ও ডেলিভারি পয়েন্টের তথ্য যুক্ত করা হবে। এভাবে ধাপে ধাপে একটি সমন্বিত ডিজিটাল ঠিকানা কাঠামো তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

এক বাড়িকে সুবিধা দিতে নির্মিত সেতুর ব্যয় ৪১ লাখ টাকা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ক্রাইম বিডি ডেস্ক

বুধবার, ৭ই অক্টোবর, ২০২৬ ইং

০৫:২৪ পি.এম


এক বাড়িকে সুবিধা দিতে নির্মিত সেতুর ব্যয় ৪১ লাখ টাকা

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার ধুলিয়া ইউনিয়নে একটি বাড়ির সামনে ১১ মিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণে ৪১ লাখ ৬৩ হাজার ৯৯৯ টাকা ব্যয় হয়েছে। সেতুর নির্মাণের পর স্থানীয়রা প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা ও সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

সেতুটি ধুলিয়া ইউনিয়নের মন্নান গাজী বাড়ির সামনে জামালকাঠি খালের ওপর নির্মিত হয়েছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি একটি বাড়ির বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য নির্মাণ করা হয়েছে। তাদের দাবি, ওই স্থানে তুলনামূলক কম ব্যয়ে আয়রন ব্রিজ নির্মাণ করেও যাতায়াতের ব্যবস্থা করা সম্ভব ছিল।

স্থানীয় বাসিন্দা আলিফ হোসেন বলেন, "মন্নান গাজী বাড়িতে একজন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আছেন। তার তদবিরে বাড়ির সামনে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। একটি বাড়ির লোকজনের সুবিধার জন্য এত বিপুল অর্থ ব্যয় করে সেতু নির্মাণ করা ঠিক হয়নি। ওখানে কম খরচে একটি আয়রন ব্রিজ নির্মাণ করা যেত। এখানে সরকারি টাকার অপচয় করা হয়েছে।"

তবে মন্নান গাজী বাড়ির বাসিন্দা আবুল গাজী জানান, "তাদের বাড়িতে সাতটি ঘরে প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ জন মানুষ বসবাস করেন। তাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছে। সেতু নির্মাণ হওয়ায় তারা উপকৃত হয়েছেন।"

সেতুটির নির্মাণকাজ করা ঠিকাদার মো. আমির হোসেন বলেন, "এ বিষয়ে আমার জানার কথা না। আমি টেন্ডারে কাজ পেয়েছি এবং কাজ শেষ করেছি। এটা সংশ্লিষ্টরা ভালো বলতে পারবেন।"

এ বিষয়ে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) রফিকুল ইসলাম জানান, "প্রকল্পগুলো তার দায়িত্ব নেওয়ার আগে বাস্তবায়ন করা হয়েছে। এ কারণে প্রকল্প নির্বাচন কীভাবে করা হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত বলতে পারবেন না।"

স্থানীয়দের অভিযোগ ও সংশ্লিষ্টদের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সেতুটি নির্মাণের প্রয়োজনীয়তা, প্রকল্প নির্বাচনের প্রক্রিয়া এবং ব্যয়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%