০১:২০ পি.এম
বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে আর্জেন্টিনার হারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট করেন চিত্রনায়িকা পরীমণি। সেই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘বিয়েটা আর করতে হলো না।’
সোমবার (২০ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেয়া পোস্টে পরীমণি লেখেন, ‘বিয়ে টা আর করতে হলো না এই আর কি। ভালোবাসার আর্জেন্টিনা। আবার দেখা হবে।’
এর আগে তিনি জানিয়েছিলেন, প্রিয় দল আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ জিতলে তিনি আবার বিয়ে করবেন। আটলান্টায় চলা আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের হাইভোল্টেজ সেমিফাইনাল ম্যাচের দিন তিনি এই ঘোষণা দেন।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
ম্যাচ চলাকালীন সময়ে নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন এই নায়িকা। সেই ক্যাপশনে তিনি লেখেন, 'আর্জেন্টিনা কাপ জিতলে আমি আবার একটা বিয়া করবো ফাইনাল।' স্ট্যাটাসের শেষে বেশ কয়েকটি ইমোজি জুড়ে দিয়েছিলেন তিনি। মুহূর্তেই তার এই পোস্টটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া সৃষ্টি করে।
উল্লেখ্য, ব্যক্তিগত জীবনে একাধিক বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে এর আগেও বহুবার আলোচনায় এসেছেন পরীমণি। ক্যারিয়ারের শুরুতে ২০১০ সালে কাজিন ইসমাইল হোসেনের সঙ্গে তার প্রথম বিয়ের খবর প্রকাশিত হয়েছিল। এরপর ২০১২ সালে ফুটবলার ফেরদৌস কবীর সৌরভের সঙ্গে তার বিয়ের ছবি প্রকাশ্যে আসে। তদূর পর তামিম হাসান নামে এক সাংবাদিকের সঙ্গে তার বিয়ের কথাও শোনা যায়।
পরবর্তীতে ২০২০ সালে নির্মাতা কামরুজ্জামান রনিকে বিয়ে করলেও সেই সংসার টেকেনি বেশিদিন। সর্বশেষ ২০২১ সালে অভিনেতা শরিফুল রাজকে বিয়ে করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন এই নায়িকা। এই দম্পতির সংসারে শাহীম মুহাম্মদ পুণ্য নামের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। তবে নানা টানাপোড়েনের পর ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রাজের সঙ্গেও পরীমণির আনুষ্ঠানিকভাবে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে।
এদিকে, ১৬ বছর পর আবারও ফুটবল বিশ্বে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রতিষ্ঠা করল স্পেন। নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে অতিরিক্ত সময়ের ১০৬তম মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে আর্জেন্টিনাকে ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা জিতেছে লা রোহা।
আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা
শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল স্পেনের হাতে। লামিন ইয়ামাল, নিকো উইলিয়ামস, মিকেল ওইয়ারসাবাল ও ফেরান তোরেসের ধারাবাহিক আক্রমণে চাপে পড়ে যায় আর্জেন্টিনা। তবে গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্টিনেজ একের পর এক দুর্দান্ত সেভ করে দলকে লড়াইয়ে রেখেছিলেন। নির্ধারিত সময়ে তিনি ১০টি সেভ করে বিশ্বকাপ ফাইনালের নতুন রেকর্ড গড়েন।
অন্যদিকে, আর্জেন্টিনা আক্রমণে ছিল সম্পূর্ণ নিষ্প্রভ। পুরো ম্যাচে তারা প্রতিপক্ষের গোলমুখে একটি শটও রাখতে পারেনি। লিওনেল মেসিকেও নিষ্ক্রিয় করে রাখে স্পেনের মিডফিল্ড ও রক্ষণভাগ। যোগ করা সময়ে এনজো ফার্নান্দেজ লাল কার্ড দেখলে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা।
শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময়ের বিরতির পর পেদ্রো পোরোর ক্রস থেকে নিকো উইলিয়ামসের হেড ফেরান তোরেসের সামনে পৌঁছে যায়। স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড সুযোগটি কাজে লাগিয়ে জালে বল পাঠিয়ে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করেন।
শেষ বাঁশি বাজার সঙ্গে সঙ্গে উৎসবে মেতে ওঠে স্পেন শিবির। ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ ট্রফি উঁচিয়ে ধরল তারা। অন্যদিকে টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন ভেঙে শেষ হলো মেসি ও আর্জেন্টিনার অভিযান।
আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন