ঢাকা মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬খ্রিষ্টাব্দ ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বঙ্গাব্দ ০৯ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিজরী
মঙ্গলবার, ২০ই অক্টোবর, ২০২৬ইং ০৪ই কার্তিক, ১৪৩৩বাং

ভারতের নির্মাণাধীন টানেলে দুর্ঘটনায় মৃ/ত্যু ৭, আ/হত ১৩


ভারতের নির্মাণাধীন টানেলে দুর্ঘটনায় মৃ/ত্যু ৭, আ/হত ১৩

ঢাকা, ১৪ আগস্ট, ২০২৬ : ভারতের উত্তরাঞ্চলে নির্মাণাধীন একটি টানেলে ঘটে যাওয়া ভূমিধসের কারণে পানি ও ধ্বংসাবশেষ ঢুকে অন্তত সাত শ্রমিক নিহত হয়েছেন এবং ১৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। শুক্রবার কর্মকর্তারা এই তথ্য জানিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে, হিমালয় ঘেঁষা উত্তরাখণ্ড রাজ্যে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। সেখানে সরকারি একটি পানিবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য টানেল নির্মাণ কাজ চলছিল।

এ বিষয়ে খবর প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি।

আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ

রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে বলেছে, অন্তত তিন শ্রমিক এখনো নিখোঁজ অবস্থায় রয়েছেন। এছাড়া টেহরি হাইড্রো ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের প্রকল্প এলাকা থেকে মোট ১৯ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।

স্থানীয় কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, মাথায় টর্চ লাগানো উদ্ধারকর্মীরা অস্থায়ী ভেলা ব্যবহার করে টানেলের পানিতে প্লাবিত অংশে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন।

গত কয়েক দিনে উত্তরাখণ্ডে মৌসুমি ভারী বৃষ্টিপাত পরিলক্ষিত হয়েছে।

ভারতে বড় নির্মাণ প্রকল্পে দুর্ঘটনা একটি সাধারণ ঘটনা। তবে পরিবেশবিদদের মতে, অতিরিক্ত উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে ভঙ্গুর হিমালয় অঞ্চলে দুর্যোগের ঝুঁকি আরও বেড়ে গেছে।

আরও পড়ুন: অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের প্রতিবাদে গ্রাহক ফখরুল ইসলাম সোহেলের মামলা

গত মাসে, উত্তর-পূর্ব ভারতের প্রত্যন্ত সিকিম রাজ্যে আরেকটি সরকারি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলে কাজ করার সময় ২০ জন নিহত হন।

২০২৩ সালে, উত্তরাখণ্ডে ধসে পড়া একটি টানেলের ভেতরে ১৭ দিন আটকে থাকার পর ৪১ শ্রমিককে উদ্ধার করা হয়েছিল।

জুনে বার্ষিক মৌসুমি বৃষ্টির মৌসুম শুরু হওয়ার পর থেকে ভারতজুড়ে বন্যা ও ভূমিধসে শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জলবায়ু পরিবর্তন এবং অপরিকল্পিত উন্নয়ন একত্রে দুর্যোগের ঘটনা বাড়িয়ে দিচ্ছে এবং সেগুলোর তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বৃদ্ধি করছে।

আরও পড়ুন: ফ্লোরিডার মহাসড়কে পাঁচ গাড়ির সংঘর্ষে অন্তঃসত্ত্বা নারী ও তার সন্তান নিহত

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিয়েছেন সোনম ওয়াংচুক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:০৪ পি.এম


ভারতে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিয়েছেন সোনম ওয়াংচুক

ভারতের বিদ্যমান রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং নেতৃত্ব নির্বাচনের পদ্ধতিতে আমূল পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিশিষ্ট পরিবেশ এবং সামাজিক অধিকারকর্মী সোনম ওয়াংচুক ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা আন্দোলনের’ ডাক দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করে জানিয়েছেন, দেশের সঠিক পথে পরিচালিত হতে এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে বিশ্ব দরবারে সম্মানজনক অবস্থান নিশ্চিত করতে হলে বর্তমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার মৌলিক সংস্কার অত্যন্ত জরুরি।

স্বাধীনতা দিবসকে সামনে রেখে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় লাদাখের এই অধিকারকর্মী উল্লেখ করেন, দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ভুল পদ্ধতিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করা। যদি নেতৃত্ব সঠিক না হয়, তাহলে পুরো দেশই ভুল পথে পরিচালিত হতে পারে। সাধারণ নাগরিকদের প্রতি ‘নিঃস্বার্থ, নির্ভীক, চরিত্রবান ও যোগ্য’ ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার আহ্বান জানান তিনি, যারা দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে ভূমিকা রাখতে সক্ষম। এছাড়া তিনি চাইছেন, সাধারণ মানুষ যেন দেশের নিজ নিজ এলাকার সৎ ও মেধাবী মানুষের নাম প্রস্তাব করে স্বাধীনতা দিবসের উপহার হিসেবে তা পাঠান।

ভিডিও বার্তায় ওয়াংচুক ভারতের অগ্রগতির সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনা করে বলেন, ৫০ বছর আগে যে দেশগুলো ভারতের চেয়ে পিছিয়ে ছিল বা সমপর্যায়ে ছিল, তারা বর্তমানে অনেক দূর এগিয়ে গেছে। বর্তমান পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে ২০৪৭ সালে ভারত উন্নত দেশ হিসেবে গড়ে উঠতে পারবে না বলেই তিনি মনে করেন।

আইনপ্রণেতাদের যোগ্যতা ও চরিত্র নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে ওয়াংচুক বলেছেন, বর্তমান পার্লামেন্টের প্রায় অর্ধেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে ফৌজদারি অপরাধের মামলা রয়েছে। তাদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশের বিরুদ্ধে হত্যা, ধর্ষণ এবং অপহরণের মতো গুরুতর অভিযোগ আছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে দেশ সঠিকভাবে এগোতে পারে না।

তিনি কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে এককভাবে দায়ী না করে মন্তব্য করেন, ক্ষমতায় আসা প্রত্যেকটি দলই কম-বেশি একইভাবে দুর্নীতি চালিয়েছে এবং প্রতিবাদী কণ্ঠ স্তব্ধ করেছে। ২০১২-১৩ সালের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের পর সরকার পরিবর্তন হলেও এক দশকের মধ্যে দুর্নীতি আরও তিন গুণ বেড়েছে। শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা দেশের উন্নয়নকে পিছিয়ে দিচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

পরিস্থিতি উত্তরণের জন্য ভারতের শীর্ষ চিন্তাশীল, মেধাবী এবং সৎ মানুষদের নিয়ে এক বৃহৎ আলোচনার পরিকল্পনা করছেন ওয়াংচুক। দেশের বিভিন্ন শহর ঘুরে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণের পাশাপাশি একটি নতুন রূপরেখা তৈরির উদ্দেশ্যে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান এই আন্দোলনকারী।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

বাংলাদেশ সফর নিয়ে অবশেষে মুখ খোলল ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

স্পোর্টস ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১১ পি.এম


বাংলাদেশ সফর নিয়ে অবশেষে মুখ খোলল ভারত

বাংলাদেশ সফর নিয়ে চলমান অনিশ্চয়তার মধ্যে অবশেষে মুখ খুলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই) কর্তৃপক্ষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ সফরে ভারতীয় দলের আসা এখন সম্পূর্ণভাবে ভারত সরকারের অনুমতির ওপর নির্ভর করছে।

এশিয়ান নিউজ ইন্টারন্যাশনাল (এএনআই) এর প্রতিবেদনে ওই কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ সফর নিয়ে ভারতের হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা চলমান রয়েছে। তবে সরকার অনুমতি দেওয়ার পরই সিরিজের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

ছয়টি সীমার মধ্যে ভারত আগামী সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে তিনটি ওয়ানডে ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার পরিকল্পনা করেছে। তবে, এখন অবধি দুই দেশের পক্ষ সিরিজটি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সূচি প্রকাশ করেনি। পূর্বনির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, সিরিজ খেলতে আগামী ২৮ আগস্ট বাংলাদেশে আসার কথা ভারতীয় দলের।

বিসিসিআইয়ের ওই কর্মকর্তা আরও জানিয়েছেন, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক স্বাভাবিক রয়েছে। তবে তারা এখনও সরকারের চূড়ান্ত অনুমতির জন্য অপেক্ষা করছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘বিসিবির সঙ্গে সম্পর্ক আপাতত ঠিকঠাকই রয়েছে। তবে সরকার থেকে চূড়ান্ত অনুমতির অপেক্ষায় রয়েছি আমরা। কোনো নির্দিষ্ট সিরিজের সূচি এখনও ঠিক করা হয়নি। অনুমতি পাওয়া গেলেই তা দ্রুত নির্ধারিত হয়ে যাবে।’

এদিকে, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তৈরি হয়েছে নানা জটিলতা। সর্বশেষ আইপিএল থেকে বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের ক্রিকেট অঙ্গনে উত্তেজনা তৈরি হয়। তার পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও অংশ নেয়নি।

এই অবস্থায়, আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের বিপক্ষে আফগানিস্তানের তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের সূচি প্রকাশ করেছে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। গত ১১ আগস্ট প্রকাশিত ওই সূচির পর, বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।

তবে বিসিসিআই কর্মকর্তার বক্তব্যে আপাতত স্পষ্ট, বাংলাদেশ সফর বাতিলের বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। ভারতের সরকারের অনুমতির পরেই সিরিজের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হবে।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

আগামী সপ্তাহের শেষার্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যেতে পারেন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:১৯ পি.এম


আগামী সপ্তাহের শেষার্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যেতে পারেন

আগামী সপ্তাহের শেষার্ধে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে যেতে পারেন। এই সফরের উপলক্ষে এরই মধ্যে ঢাকা এবং দিল্লিতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির একটি প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সফরের অংশ হিসেবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করার সম্ভাবনা রয়েছে তারেক রহমানের। আশা করা হচ্ছে, বৈঠকে তারা বাণিজ্য, যোগাযোগ, জ্বালানি, সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে যে, দ্বিপাক্ষিক কার্যক্রম হিসেবে দুই দিনব্যাপী সফরের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তবে এর সময়সূচির বিষয়গুলো নিয়ে এখনও কাজ চলছে।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর তারেক রহমানকে নয়াদিল্লি সফরের জন্য ভারত আমন্ত্রণ জানায়। তার পর সেপ্টেম্বরে দিল্লিতে অনুষ্ঠিত ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানায় নয়াদিল্লি। কিন্তু ব্রিকস সম্মেলনে তারেক রহমানের অংশগ্রহণ এখনও নিশ্চিত হয়নি।

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়। শেখ হাসিনার পদত্যাগ এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঢাকার সঙ্গে নয়াদিল্লির মতবিরোধ দেখা দেয়।

নতুন বিএনপি সরকার অবশ্য বলেছে যে, তারা ভারতের সঙ্গে কাজ করতে চায়। সাম্প্রতিক সময়ে কূটনৈতিক যোগাযোগ পুনরুদ্ধারের কিছু লক্ষণ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান গত এপ্রিল মাসে নয়াদিলি সফর করেন এবং সেখানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে বৈঠক করেন।

এরপর গত ১০ আগস্ট ঢাকায় তারেক রহমানের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী বৈঠক করেন। বৈঠকে দুই দেশের সম্পর্ক আরও উন্নতির লক্ষ্যে অনুকূল পরিবেশ তৈরির বিষয়ে আলোচনা হয়।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

পরবর্তী খবর

হবিগঞ্জে তীব্র গ্যাস সং/কট, বন্ধ ১৭১ শিল্পকারখানা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

অনলাইন ডেস্ক

শুক্রবার, ১৪ই আগস্ট, ২০২৬ ইং

০৪:২৯ পি.এম


হবিগঞ্জে তীব্র গ্যাস সং/কট, বন্ধ ১৭১ শিল্পকারখানা

হবিগঞ্জে গ্যাস সংকট ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চাপের ঘাটতির পর বুধবার (১২ আগস্ট) থেকে জেলার অধিকাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ছোট-বড় মিলিয়ে ১৭১টি কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম থমকে গেছে, যার ফলে বেকার হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে পড়েছেন এসব প্রতিষ্ঠানের লক্ষাধিক শ্রমিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী।

শিল্পমালিকদের দাবি, গ্যাস না থাকায় প্রতিদিন তাদের বিপুল অঙ্কের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে। বিশেষ করে শতভাগ রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো পড়েছে চরম বিপাকে। নির্ধারিত সময়ে পণ্য সরবরাহ করতে না পারলে আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের ক্রয়াদেশ হাতছাড়া হওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন উদ্যোক্তারা।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, হবিগঞ্জে অবস্থিত ১৭১টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে অর্ধশতাধিক প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি এবং বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান আংশিক রপ্তানিমুখী। এসব কারখানার একটি বড় অংশ ক্যাপটিভ পাওয়ার প্ল্যান্টের মাধ্যমে নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদন করত। তবে গ্যাস সরবরাহ না থাকায় বিদ্যুৎ তৈরি ও মূল উৎপাদন—উভয় ক্ষেত্রই পুরোপুরি স্থবির হয়ে পড়েছে।

শিল্পপার্কগুলোর দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অনুমোদিত চাহিদার চার ভাগের এক ভাগ গ্যাস দিয়ে কোনোমতে কারখানা সচল রাখা হয়েছিল। তবে গত বুধবার দুপুর থেকে সরবরাহ একেবারে শূন্যে নেমে আসে। অলস সময় পার করছেন কর্মী ও শ্রমিকেরা। জেনারেটর বা নিজস্ব শক্তিতে বিকল্প উপায়ে কারখানা চালুর সুযোগ না থাকায় দৈনিক কোটি টাকার বেশি উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

একই এলাকার কিছু নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সরবরাহ সচল রেখে অন্যগুলো পুরোপুরি বন্ধ রাখায় বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন অনেক উদ্যোক্তা। জাতীয় সংকট হলে সবার ক্ষেত্রে সমান নীতি প্রয়োগের দাবি জানান তারা।

গ্যাস না পাওয়ায় রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও স্পিনিং খাতের কারখানাগুলোতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে পণ্য চালান (শিপমেন্ট) না পাঠাতে পারলে বিদেশি ক্রেতারা বিকল্প বাজারের দিকে ঝুঁকবেন বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খাতসংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জালালাবাদ গ্যাস টি অ্যান্ড ডি সিস্টেম লিমিটেডের উপমহাব্যবস্থাপক মো. রুহুল করিম চৌধুরী জানান, এটি একটি জাতীয় সংকট। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কারণে শিল্পে এ ঘাটতি তৈরি হয়েছে। তবে আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ

আর্কাইভ

Please select a date!

নামাজের সময়সূচী

তারিখঃ ৮ই জমাদিউল আউয়াল, ১৪৪৮হিঃ
ফজর ০৪:৪২
জোহর ১১:৪৪
আসর ০৩:৫২
মাগরিব ০৫:২৯
ইশা ০৬:৪০
সূর্যোদয় : ০৫:৫৭ সূর্যাস্ত : ০৫:২৯
অনলাইন জরিপ
ফলাফল
থার্টি-ফার্স্ট নাইটে তরুণদের জন্য প্রকাশ্যে পানি-টানি খাওয়ার বিরুদ্ধে আহ্বান। আপনার মন্তব্য দিন
হ্যা
100%
না
0%
মন্তব্য নেই
0%