রবিবার, ১৩ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ইং
০৯:২৮ পি.এম
চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠান সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ায় চাঁদপুর-৩ (সদর-হাইমচর) আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
তিনি একই সঙ্গে অনুষ্ঠানে ঘটিত কিছু ভুলত্রুটির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ভিডিও নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে চলমান প্রতিক্রিয়া রোধে সকল পোস্ট মুছে ফেলার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে আয়োজিত ওই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া একজন শিক্ষার্থীর মজার ছলে করা একটি ভিডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিভিন্ন মহলে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
এ বিষয়ে রোববার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহম্মেদ মানিক জানান, সবার মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে তারা সবসময় সম্মান করেন। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্ট বা নেতিবাচক প্রতিক্রিয়াগুলো ডিলিট করার জন্য তিনি সবার প্রতি সবিনয় অনুরোধ জানিয়েছেন।
স্ট্যাটাসে তিনি আরও উল্লেখ করেন, সকলের আন্তরিক সহযোগিতা পেলে আগামী দিনগুলোতেও কৃতি শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে এমন আরও বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা অনুষ্ঠান আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। ভবিষ্যতে যেকোনো ত্রুটি বিচ্যুতি এড়িয়ে আরও সুন্দর ও গোছানো অনুষ্ঠান আয়োজনে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এই সংসদ সদস্য।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
আজকের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি., সকালে বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর মহোদয়ের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, কুমিল্লা জেলা পরিষদ প্রশাসক হাজী মোস্তাক মিয়া এবং চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক, চাঁদপুর জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট সলিম উল্যা সেলিম এই সাক্ষাৎ করেন।
এই সাক্ষাৎটি শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং এটি একটি প্রাণবন্ত ও সৌহার্দ্যপূর্ণ মিলনমেলার রূপ ধারণ করে। নির্ধারিত সময়ে বঙ্গভবনে পৌঁছালে রাষ্ট্রপতি অত্যন্ত স্নেহ ও আতিথেয়তার সঙ্গে দুই কৃতি নেতাকে বরণ করে নেন। সাক্ষাৎকালে দেশ ও জাতির সামগ্রিক কল্যাণ, স্থানীয় প্রশাসনের গতিশীলতা বৃদ্ধি এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও বেগবান করার বিষয়ে সংক্ষিপ্ত ও ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
ফুলেল শুভেচ্ছা বিনিময়ের এই মুহূর্তে রাজনৈতিক সম্প্রীতি ও দেশের অগ্রযাত্রার একটি অনন্য প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে। রাষ্ট্রপতি মহোদয় দুই নেতার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের খোঁজখবর নেন এবং এলাকার সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় তাঁদের নিবেদিত প্রাণ ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি স্থানীয় সরকার পরিচালনায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।
সাক্ষাৎ শেষে নেতৃবৃন্দ এক প্রতিক্রিয়ায় জানান, মহামান্য রাষ্ট্রপতির এই সান্নিধ্য তাঁদের কাজের স্পৃহা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। জনগণের দোরগোড়ায় কাঙ্ক্ষিত সেবা পৌঁছে দিতে এবং গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি মজবুত করতে তাঁরা সর্বদা সচেষ্ট থাকবেন। বঙ্গভবনের সোনালী চত্বরে সকালের এই স্নিগ্ধ সাক্ষাৎটি উপস্থিত সকলের মনে এক নতুন উদ্দীপনা ও প্রেরণার সঞ্চার করে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে কৃষকরা সার না পাওয়ার কারণে ডিলার পয়েন্ট ঘেরাও করে। পরে কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করার ব্যবস্থা করে কালীগঞ্জ কৃষি অফিস। এ সময় ডিলার শহিদুল ইসলাম সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। রোববার সকালে কালীগঞ্জ উপজেলার জামাল ইউনিয়নের দুধরাজপুর গ্রামের ডিলার পয়েন্টে এই ঘটনা ঘটে। শহিদুল ইসলাম হচ্ছেন জামাল ইউনিয়নের নির্ধারিত ডিলার। তিনি ইতোমধ্যে কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করেছেন, বর্তমানে সার নেই। কৃষকদের দাবি, তাদের রোববার সার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। নির্ধারিত সময়ে ডিলার পয়েন্টে আসলে জানানো হয় যে শুক্রবার ও শনিবার সার বিতরণ হয়ে গেছে, তাই আর সার দেওয়া হবে না। এ সময় উপস্থিত কৃষকরা উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। পরে আরো কৃষক আসলে তারা ডিলার পক্ষের সহযোগিতায় গোডাউন খুলে ৬০ বন্তা সার দেখতে পান।
ডিলার শহিদুল ইসলামের চলতি সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ৬৪ টন সারের চাহিদা ছিল। তিনি প্রথম সপ্তাহে ৫৮ টন সার উত্তোলন করেছেন। ৫৮ টন সারে বস্তা হয় প্রায় ১ হাজার ২০০। সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীরা ডিলার পয়েন্টে থাকা সার বিতরণ রেজিষ্টারে দেখতে পান যে বিতরণকৃত নামের তালিকায় মাত্র ৫ শতাংশ ফোন নাম্বার উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯ জন কৃষককে ফোন করা হলে, একজন জানায় সে সার পেয়েছে, বাকি ৮ জনের ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে উপস্থিত উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আরাফাত জামিল জানান, "আমরা যে সার আছে তা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করছি। উপজেলা কৃষি অফিসের ব্যবস্থাপনায় আরো সার আনা হচ্ছে যা কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। এছাড়া আমরা সার বিতরণের রেজিষ্টার পরীক্ষা করছি কোন অনিয়ম হয়েছে কিনা।"
চলতি আমন ধানের ভরা মৌসুমে চাহিদা অনুযায়ী সার না পাওয়ায় কৃষকরা বিপাকে পড়েছেন। ইউরিয়া সারের সাথে টিএসপি ও ডিএপি সারের জন্য কৃষকদের ভোগান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এর আগে ৫ সেপ্টেম্বর সকালে জেলার শৈলকুপার গাড়াগঞ্জ বাজারে সার না পেয়ে কৃষকরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। সকালে উপজেলার গাড়াগঞ্জ পুরাতন বাজারের সার ডিলার শুভ এন্টারপ্রাইজে সার নিতে আসেন স্থানীয় কৃষকরা। এ সময় ডিলার সার দিতে অস্বীকৃতি জানালে কৃষকরা গাড়াগঞ্জ-শৈলকুপা সড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ করেন। বর্তমানে চাহিদা অনুযায়ী সার না পাওয়ার বিষয়টি সামনে আসলেও জেলা কৃষি বিভাগ ও বাফার গোডাউন কর্তৃপক্ষ বলছে, জেলায় সারের যথেষ্ট মজুদ রয়েছে। প্রতিমাসের চাহিদার বিপরীতে বরাদ্দ ডিলাররা উত্তোলন করছেন। তবে কৃষকদের অভিযোগ, ডিলার পয়েন্টে চাহিদামতো সার মিলছে না কিন্তু বেশি দাম দিলে খোলা বাজারে সারের অভাব নেই।
ঝিনাইদহে কালীগঞ্জে অবস্থিত বাফার গোডাউনের ইনচার্জ অহিদুর রহমান, ডিলার শহিদুল ইসলাম চলতি মাসের চাহিদার ৬৪ টনের মধ্যে ৫৮ টন উত্তোলন করেছেন। সারের মজুদ ও বিতরণ সম্পর্কে তিনি জানান, "ইউরিয়া সারের মজুদ, আমদানি ও বিতরণে কোন রকমের ঘাটতি বা অনিয়ম নেই।" কালীগঞ্জের এ সার গোডাউন থেকে ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা জেলায় ১২৬ ডিলারের মাধ্যমে ইউরিয়া সার বিতরণ করা হয়। সেপ্টেম্বর মাসে চাহিদা রয়েছে ১০ হাজার ৩৭৩ মেট্রিক টন। গত বছরের একই মাসে ইউরিয়া সারের চাহিদা ছিল ৯ হাজার ৫২১ মেট্রিক টন। অভিযুক্ত ডিলার শহিদুল ইসলাম জানান, "আমি যে সার উত্তোলন করেছিলাম তা বিতরণ করা হয়েছে। বিতরণকৃত সারের রেজিষ্টার রয়েছে, দেখতে পারেন। চাহিদার থেকে কম সার পাওয়া গেলে আমার কি করার আছে।"
কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুব আলম রনি জানান, সংবাদ পেয়ে আমরা সেখানে দ্রুত কৃষি কর্মকর্তাদের পাঠিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি। উপস্থিত কৃষকদের মধ্যে সার বিতরণ করা হচ্ছে। আরো সার সেখানে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন। ঝিনাইদহ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, "সারের কোন ঘাটতি নেই। কিছু মানুষ কৃত্রিমভাবে সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছে।"
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
রাজশাহী মহানগর পুলিশের (আরএমপি) সদস্যরা বোয়ালিয়া থানা এলাকার মধ্যে সরকারকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র, ঝটিকা মিছিল, লিফলেট বিতরণ ও সরকারবিরোধী প্রচারণার অভিযোগে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের তিন নেতাকে গ্রেপ্তার করেছেন।
গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছেন নওগাঁ সদর থানার সুলতানপুর গ্রামের মৃত দেবেন্দ্রনাথ সরকারের পুত্র এবং নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের উপদপ্তর সম্পাদক প্রদীপ কুমার সরকার (৬০), মান্দা থানার তুরুকবাড়িয়া (মন্ডলপাড়া) গ্রামের মৃত শমসের আলীর পুত্র ও নওগাঁ জেলা আওয়ামী লীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক মো. সাদেকুল ইসলাম (৪০), এবং আত্রাই থানার সাহেবগঞ্জ গ্রামের মৃত মেহের আলী চৌধুরীর পুত্র ও আত্রাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, যিনি বাদল নামে পরিচিত (৬৫)।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গতরাতে গোপন সূত্রের মাধ্যমে খবর পাওয়া যায় যে, নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কিছু নেতা-কর্মী বোয়ালিয়া থানা এলাকায় অবস্থান করছে এবং সরকারকে অস্থিতিশীল করার উদ্দেশ্যে ঝটিকা মিছিল, লিফলেট বিতরণ ও সরকারবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছে। এই খবরের ভিত্তিতে আরএমপির একটি দল দ্রুত ওই স্থানে অভিযান পরিচালনা করে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে যে, গ্রেপ্তারকৃত তিনজনই নওগাঁ জেলার স্থায়ী বাসিন্দা। তাঁরা রাজশাহী মহানগরীর বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের একত্রিত করে গোপন বৈঠক করতেন। পুলিশ দাবি করেছে যে, তাঁরা সরকারকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন।
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও তাঁরা বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিলের আয়োজন, আওয়ামী লীগের পক্ষে পোস্টার লাগানো এবং এসব কর্মকাণ্ডে অর্থের জোগান দেওয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন বলে প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।
এছাড়া, বিভিন্ন যোগাযোগ অ্যাপ ব্যবহার করে সরকারবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান, সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে লোকজনকে উদ্বুদ্ধ করা এবং বিভিন্নভাবে এসব কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করার অভিযোগও রয়েছে।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তারকৃত প্রদীপ কুমার সরকারের বিরুদ্ধে নওগাঁ সদর থানায় দণ্ডবিধি আইনে একটি মামলা রয়েছে। গোলাম মোস্তফা চৌধুরীর বিরুদ্ধে নওগাঁর আত্রাই থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে একটি মামলা, দণ্ডবিধি আইনে তিনটি মামলা এবং ঢাকা মহানগরের পল্টন থানায় একটি সিআর মামলা রয়েছে।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধের লক্ষ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে তিন মাসব্যাপী বিশেষ কর্মসূচির অংশ হিসেবে চাঁদপুরে “ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি” শুরু হয়েছে। শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। জেলা প্রশাসন কার্যালয় থেকে ভার্চুয়ালি এতে যুক্ত হন জেলার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর জেলা প্রশাসক আহমেদ জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে চাঁদপুর শহরের ব্যস্ততম বিপণীবাগ এলাকায় এক বিশাল পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর পৌরসভার প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. এরশাদ উদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামিউল হিকমা এবং পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তা হিমাদ্রি খীসা। এছাড়াও জেলা প্রশাসন ও পৌরসভার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা রোভার, স্কাউট, বিএনসিসি এবং ‘ক্লীন চাঁদপুর’-সহ বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের কর্মীরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে এই অভিযানে অংশ নেন।
সংশ্লিষ্টরা জানান, ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও ডেঙ্গুমুক্ত চাঁদপুর গড়তে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করতে নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও চারপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ