১২:৩৬ এম
হরমুজ প্রণালি নিয়ে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যাপক উত্তেজনা বিদ্যমান রয়েছে। সম্প্রতি ইরান হরমুজে কয়েকটি জাহাজে হামলা চালিয়েছে। এই হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করেছে। এই সংঘাতপূর্ণ পরিস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে তেল রপ্তানির জন্য একটি নতুন এবং নিরাপদ পথ খুঁজছে।
এই উদ্দেশ্যে ইতিমধ্যে একটি পুরোনো পাইপলাইন নতুনভাবে চালু করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এই পাইপলাইনটি হবে ইরাকের উত্তরের শহর কিরকুক থেকে সিরিয়ার বানিয়াস পর্যন্ত। সংবাদমাধ্যম ‘মিডল ইস্ট আই’ জানিয়েছে, এই প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্র ইরাক ও সিরিয়াকে সহায়তা করছে।
প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই পাইপলাইন বহু দশক ধরে বন্ধ রয়েছে এবং এটি বেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এক কর্মকর্তা জানান, পাইপলাইনটি সম্ভবত পুরোপুরি নতুনভাবে বসানো প্রয়োজন হবে। এতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগতে পারে। বিভিন্ন যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিকে ইতোমধ্যে এই কাজের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহে হোয়াইট হাউসে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল-জাইদি এবং ট্রাম্প এই চুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেবেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আরও পড়ুন: জলবায়ু ও উন্নয়ন কাজে তুরস্কের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার চায় বাংলাদেশ
এদিকে, উত্তেজনার পরিবেশে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ওমান সফরে গেছেন। রাজধানী মাসকাটে তিনি ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আল-বুসাইদির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সমঝোতা অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে জাহাজ চলাচলের বিষয়টি নিয়েও তারা আলোচনা করেছেন।
বিডিপ্রতিদিন/কেকে
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন

