০৪:২০ পি.এম
বরিশালে মাদকের আসরে অভিযান পরিচালনা করে আটক করা হয় পুলিশের সহকারি উপ-পরিদর্শক (এএসআই) দেলোয়ার হোসেনকে, নারীসহ। তবে, ব্যবস্থা গ্রহণের পূর্বেই থানা থেকে তিনি পালিয়ে গেছেন। বরিশাল মেট্রোপলিটন এয়ারপোর্ট থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, তাকে ধরতে আবারও অভিযান চলছে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোরে সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের পাঁচগাও গ্রামে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের একটি অভিযানে এএসআই দেলোয়ার হোসেনকে আটক করা হয়। অভিযানে তার সাথে আরও তিনজনকে আটক করা হয়। আটককৃতদের মধ্যে রয়েছেন বাগেরহাটের নোয়াপাড়ার বাসিন্দা নাহিদ হাসান (২৮), পাঁচগাঁও গ্রামের মিরাজুল ইসলাম (৩৪) ও ফাতেমা আক্তার নুরতাজ (৩০)।
আটকের পর অভিযুক্ত এএসআই দেলোয়ারকে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পুলিশ জানায়, আটককৃতদের মধ্যে দুইজনের ডোপটেস্টে ইয়াবা সেবনের প্রমাণ পাওয়ায় তাদেরকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ২০ দিন করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কিন্তু, এর আগেই এএসআই দেলোয়ার থানা থেকে পালিয়ে যান।
আরও পড়ুন: রংপুরে ২৬ মামলার পলাতক আসামি শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘মেরিল সুমন’ গ্রেপ্তার
অভিযুক্ত দেলোয়ার হোসেন বরিশাল মেট্রোপলিটনের এয়ারপোর্ট থানার এএসআই এবং খুলনা সদরের শেরেবাংলা রোড এলাকার মো. সাখাওয়াত হোসেন সিকদারের পুত্র।
এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো রফিকুল ইসলাম জানান, ওই এএসআইকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তিনি কীভাবে পালালেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং তাকে আটক করার জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।
অভিযানের বিষয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর বরিশাল জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম জানান, বরিশাল সদর উপজেলার রায়পাশা-কড়াপুর ইউনিয়নের পাঁচগাও গ্রামের বাসিন্দা মিরাজের বাসায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের আসর বসত। এমন খবর পাওয়ার পর বৃহস্পতিবার ভোরে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় বাসায় অবস্থানরতদের স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তখন তারা পালানোর চেষ্টা করেন। পরে বাসা থেকে ইয়াবা সেবনের ফয়েল পেপার, লাইটারসহ বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
আরও পড়ুন: একুশে বইমেলার তারিখ ৭ জানুয়ারি ২০২৭ ঘোষণা
ডেইলি দি ক্রাইম/মিডিয়া লিঃ
সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন